ভারতের সংবিধানের সমস্ত ধারা | Constitution of India | Indian Polity in Bengali | WiN EXAM

0
14
Best selling book's

ভারতের সংবিধানের সমস্ত ধারা | Constitution of India

ভারতের সংবিধানের সমস্ত ধারা | Constitution of India | Indian Polity in Bengali | WiN EXAM

ধারা : যে সকল বিষয় অন্তর্ভুক্ত

♦ 1 ভারতের ইউনিয়ন ও ভূখণ্ডগত এলাকা ।

♦ 2 নতুন রাজ্যের সূচনা ও গঠন ।

♦ 3 রাজ্যের সীমানা পরিবর্তন বা ভূখন্ড গত এলাকার পরিবর্তন ও রাজ্যের নাম পরিবর্তন ।

♦ 4 নতুন রাজ্যের সূচনা , রাজ্যের সীমানা পরিবর্তন- ইত্যাদির জন্য সংবিধানের প্রথম ও চতুর্থ তপশীলের সংশোধন জনিত ব্যবস্থা ।

♦ 8 যে সমস্ত ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যাক্তি ভারতের বাইরে বসবাস করছে তাদের বিশেষ নাগরিকত্বের অধিকার প্রদান ।

♦ 9 যে সমস্ত ব্যাক্তি বিদেশী কোনো রাষ্ট্রের নাগরিকতা গ্রহন করেছে তারা ভারতীয় নাগরিক হিসাবে গন্য হবেন না ।

♦ 10 নাগরিকদের অধিকার সংক্রান্ত বিষয় ।

♦ 12 রাষ্ট্রের সংজ্ঞা ও বর্ণনা ।

♦ 13 মৌলিক অধিকারগুলির সাথে সংগতিহীন আইন অথবা মৌলিক অধিকারগুলিকে খর্ব করে এমন আইন বাতিলযোগ্য ।

♦ 14 সাম্যের অধিকার ।

♦ 15 জাতি ধর্ম , বর্ণ , স্ত্রী , পুরুষ , জন্মস্থান ইত্যাদি নির্বিশেষে যেকোনো প্রকার বৈষম্যকে নিষিদ্ধকরণ ।

♦ 16 সরকারি চাকুরিতে পুরুষ ও মহিলাদের সমানাধিকার থাকবে ।

♦ 17 অস্পৃশ্যতা নিষিদ্ধকরণ ।

♦ 18 এই ধারার অধিনে ভারত সরকার ‘ভারতরত্ন’ ও ‘পদ্মশ্রী’ পুরষ্কার প্রদান করেন।

♦ 19 বাক স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের অধিকার । ২। শান্তিপূর্ণ ভাবে ও নিরস্ত্র ভাবে সমবেত হওয়ার অধিকার । ৩। সমিতি বা সঙ্ঘ গঠনের অধিকার । ৪। ভারতের সর্বত্র স্বাধিন ভাবে চলার অধিকার। ৫। ভারতীয় ভূখণ্ডের যেকোনো অংশে স্বাধীনভাবে বসবাস করার অধিকার। ৬। যেকোনো বৃত্তি অবলম্বন করার অথবা যেকোনো উপজীবিকা , ব্যাবসা বানিজ্য করবার অধিকার ।

♦ 20 কোনো অপরাধের জন্য নাগরিককে বিধি বহির্ভূত ও অতিরিক্ত শাস্তি প্রদান করা যাবে না ।

♦ 21 জীবন ও ব্যাক্তিগত স্বাধীনতার সংরক্ষণ । কোনো ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করা হলে তাকে যত শীঘ্র স ম্ভব গ্রেফতারের কারন জানাতে হবে এবং ২৪ ঘন্টার বেশী আটকে রাখা যাবেনা ।

♦ 21A প্রাথমিক শিক্ষাকে মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি প্রদান ।

♦ 22 গ্রেফতার ও আটক রাখার বিরুদ্ধে সংরক্ষণ মূলক ব্যবস্থা । কোনো ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করা হলে অতি সত্ত্বর গ্রেফতারের কারন জানানো ।

♦ 23 বল প্রয়োগ দ্বারা পরিশ্রম করানো , বেগার খাটানো নিষিদ্ধকরন ।

♦ 24 ১৪ বছরের কম বয়স্ক শিশুদের কলকারখানা , খনী বা অন্য কোনো বিপদজনক কাজে নিযুক্ত করা যাবে না ।

♦ 25 সকল ব্যাক্তিই সমান ভাবে বিবেকের স্বাধীনতা অনুসারে ধর্ম স্বীকার , ধর্মাচরন এবং ধর্ম প্রচারের স্বাধীনতা ভোগ করবে ।

♦ 26 প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় নিজের ধর্মীয় সংগঠন ও কার্যাদি পরিচালনা করতে পারবে ।

♦ 27 ধর্মের কারনে কোনো ব্যাক্তিকে কর দিতে বাধ্য করা যাবে না ।

♦ 28 শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় শিক্ষার ক্লাসে ছাত্র ছাত্রীদের অংশগ্রহনের বিষয়টি তাদের ইচ্ছাধীন ।

♦ 34 কোনো অঞ্চলের সামরিক আইন বলবৎ থাকাকালীন সেই অঞ্চলে মৌলিক
অধিকারের উপর বিধিনিষেধ আরপিত হতে পারে।

♦ 35 মৌলিক অধিকারগুলি রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় আইন প্রনয়ন।

★★★ রাষ্ট্রের নির্দেশমূলক নীতিসমূহ ★★★

(Directive Principles of State Policy)

(ধারা 36-51A)

♦ 36 রাষ্ট্রের সংজ্ঞা।

♦ 39A ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও দিন-দরিদ্রদের জন্য বিনা অর্থে আইনগত সাহায্যদান।

♦ 40 পঞ্চায়েত ব্যবস্থার প্রতিষ্ঠা ও গ্রামীণ স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা।

♦ 43 জীবনধারণের উপযুক্ত মজুরী প্রদান, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও গ্রামের
কুটির শিল্পের প্রসার ইত্যাদি।

♦ 44 রাষ্ট্র সমগ্র ভারতে একই দেওয়ানী বিধি (Uniform Civil Code) প্রবর্তনের
চেষ্টা করবে।

♦ 45 ছয় বছর বয়সের নীচের সিশুদের প্রতি যত্ন নিতে হবে এবং তাদের শিক্ষার
জন্য বন্দ্যোবস্ত করতে হবে।

♦ 46 তপশিলী জাতি, তপশিলী উপজাতি ও অন্যান্য পশ্চাদপদ শ্রেনিগোষ্ঠীর
মানুষদের শিক্ষা ও অর্থনৈতিক স্বার্থ সংরক্ষন ও উন্নয়নের জন্য রাষ্ট্র সচেস্ট হবে।

♦ 47 রাষ্ট্র নাগরিকদের স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রার মানের উন্নয়ন ঘটাবে ও পুষ্টিকর খাদ্যের মান উন্নয়ন করবে।

♦ 48 কৃষিব্যবস্থা ও পশুপালন ব্যবস্থাকে রাষ্ট্র বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে গড়ে তুলবে এবং গাভী অন্যান্য গৃহপালিত পশুর হত্যা নিষেধ করবে।

♦ 48A রাষ্ট্র পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন ঘটাবে এবং বন ও বন্যপ্রনীর সংরক্ষণ করবে।

♦ 49 রাষ্ট্র ঐতিহাসিক স্মৃতিসৌধগুলি ও অন্যান্য জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলির সংরক্ষণ করবে।

♦ 50 রাষ্ট্র দেশের বিচারব্যবস্থাকে শাসন বিভাগ থেকে মুক্ত রাখবে।

♦ 51 রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তাকে সুনিশ্চিত করবে।

♦ 51A মৌলিক কর্তব্যসমূহ বা দায়িত্ব।

★★★ ভারতের রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি ★★★

♦ 52 ভারতের একজন রাষ্ট্রপতি থাকবেন।

♦ 53 কেন্দ্রের শাসন সংক্রান্ত ক্ষামতা রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত হবে।

♦ 54 রাষ্ট্রপতির নির্বাচন পদ্ধতি।

♦ 55 রাষ্ট্রপতির নির্বাচনের ধরন।

♦ 56 রাষ্ট্রপতির শাসনকার্যের সময়কাল ও শর্ত। তিনি ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত
হবেন।

♦ 57 রাষ্ট্রপতি পুনঃনির্বাচিত হতে পারেন।

♦ 60 রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহন।

♦ 61 রাষ্ট্রপতির ইমপিচমেন্ট বা পদচ্যুতি সংক্রান্ত বিষয়।

♦ 62 রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে উপরাষ্ট্রপতি তাঁর পদে আসীন হন। তবে দু’মাসের
মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতির জন্য নির্বাচন করতে হয়।

♦ 63 ভারতের একজন উপরাষ্ট্রপতি থাকবেন।

♦ 64 ভারতের উপরাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে (Ex-Officio) রাজ্যসভার চেয়ারম্যান পদে আসীন হন।

♦ 65 রাষ্ট্রপতির অবর্তমানে রাষ্ট্রপতি পদের দায়িত্বভার বহন করবেন উপরাষ্ট্রপতি এবং উপরাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি অনুপুস্থিত থাকালিন সময়ে রাষ্ট্রপতিপদে আসীন হবেন।

♦ 66 উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতি।

♦ 70 আকস্মিক পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতির বিশেষ ক্ষামতা ভোগ ও দায়িত্ব পালন।

♦ 72 রাষ্ট্রপতির ক্ষমাপ্রদর্শন করার ক্ষমতা।

★★★ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীপরিষদ ও অ্যাটর্নি- জেনারেল (ধারা 74-78) ★★★

♦ 74 রাষ্ট্রপতিকে সাহায্য ও পরামর্শ দেবার জন্য কেন্দ্রে একটি মন্ত্রীপরিষদ থাকবে।

♦ 75 কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভার গঠন প্রনালী।

♦ 76 ভারতে একজন অ্যাটর্নি- জেনারেল থাকবেন।

♦ 77 কেন্দ্রীয় সরকারের কার্যপ্রণালী বা শাসনপ্রনালী।

♦ 78 প্রধানমন্ত্রীর কর্তব্য রাষ্ট্রপতিকে সরকার বা মন্ত্রীপরিষদের সিদ্ধান্ত বিষয়ে অবহিত করা।

★★★ ভারতীয় পার্লামেন্ট (ধারা 79-123) ★★★

♦ 79 পার্লামেন্টের গঠনতন্ত্র।

♦ 80 রাজ্যসভার গঠনপ্রণালী।

♦ 81 লোকসভার গঠনপ্রণালী।

♦ 82 জনগণনার পর পার্লামেন্টের উভয় কক্ষের আসন সংখ্যার পরিবর্তন বা
সংশোধন।

♦ 84 পার্লামেন্টের সদস্য হবার যোগ্যতা।

♦ 88 পার্লামেন্টের সদস্য না হয়েও পার্লামেন্টের অভ্যন্তরে অ্যাটর্নি- জেনারেল বক্তব্য
রাখতে পারবেন।

♦ 89 রাজ্যসভায় একজন চেয়ারম্যান ও একজন ডেপুটি চেয়ারম্যান থাকবেন।

♦ 93 লোকসভায় একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার থাকবেন।

♦ 97 লোকসভার স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার ও রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ও
ডেপুটি চেয়ারম্যানের বেতন ও ভাতা সংক্রান্ত বিষয়। এঁদের বেতন ও

★★★ ভাতা দেওয়া হয় ভারতের সঞ্চিত ব্যয় তহবিল থেকে (Consolidated Found of India) ★★★

♦ 99 পার্লামেন্টের সদস্যদের শপথ গ্রহন।

♦ 100 পার্লামেন্টের ভোটদান পদ্ধতি ও কোরাম (Quorum) সংক্রান্ত বিষয়।

♦ 101 পার্লামেন্টের আসন শূন্য হলে।

♦ 106 পার্লামেন্টের সদস্যদের বেতন ও ভাতা সংক্রান্ত বিষয়াদি।

♦ 107 বিল উত্থাপন ও পাস সংক্রান্ত বিষয়।

♦ 108 বিশেষ ক্ষেত্রে পার্লামেন্টের যৌথ অধিবেশন আহ্বান।

♦ 110 কেন্দ্রীয় অর্থবিলের সংজ্ঞা।

♦ 112 সংসদের উভয় কক্ষে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করা হয়।

♦ 115 পার্লামেন্টের অতিরিক্ত ও সহায়ক অর্থ মঞ্জুর।

♦ 117 অর্থ বিষায়ক বা রাজস্ব বিল (Financial bill) সংক্রান্ত বিষয়।

♦ 118 পার্লামেন্টের আইন পেশের পদ্ধতি।

♦ 120 পার্লামেন্টে ব্যবহৃত ভাষা।

♦ 122 পার্লামেন্টের কার্যাদিসমূহ আদালতের এক্তিয়ারভক্ত বিষয় নয়।

★★★ সুপ্রিমকোর্ট ধারা (128-147) ★★★

♦ 128 ভারতীয় সুপ্রিমকোর্টের গঠনতন্ত্র।

♦ 125 বিচারপতিদের বেতন ও ভাতা।

♦ 130 সুপ্রিমকোর্টের আসন।

♦ 136 অন্যান্য আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করার জন্য সুপ্রিমকোর্ট বিশেষ
অনুমতি দিতে পারে।

♦ 141 সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশ বা আদেশ দেশের সমস্ত আদালত মেনে চলতে বাধ্য
থাকবে।

♦ 143 রাষ্ট্রপতি আইন সংক্রান্ত প্রশ্নে সুপ্রিমকোর্টের পরামর্শ চাইতে পারেন।

♦ 144 ১৪৪ ধারা জারি হলে সে স্থানে সর্বাধিক ৯ জন একত্রে জমায়েত হতে পারেন,
এর বেশি নয়।

♦ 145 সুপ্রিমকোর্টের পরিচালনার নিয়মকানুন।

★★★ ভারতের নিয়ন্ত্রক ও মহাগননা পরীক্ষক ★★★

(The Comptroller and Auditor-General of India)

(ধারা 148-151)

♦ 148 ভারতে একজন নিয়ন্ত্রক ও মহাগণনা পরীক্ষক থাকবেন।

♦ 150 কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলির হিসাবপত্র কিভাবে সংরক্ষিত হবে তা নিয়ন্ত্রক
বা মহগণনা পরীক্ষকের পরামর্শ অনুসারে রাষ্ট্রপতি স্থির করবেন।

রাজ্যপাল (Governor)

(ধারা 152-167)

♦ 152 রাজ্যের সংঞ্জা (Defination of State)।

♦ 154 রাজ্যের প্রশাসনিক ক্ষামতা (Executive Power of State) রাজ্যপালের হতে ন্যস্ত।

♦ 161 রাজ্যপালের ক্ষমতা প্রদর্শনের ক্ষমতা।

♦ 163 রাজ্যপালকে ‘সাহায্য ও পরামর্শ’ প্রদানের জন্য মুখ্যমন্ত্রির নেতিত্বে একটি মন্ত্রীপরিষদ থাকবে এবং রাজ্যপাল সেই পরামর্শ মেনে তাঁর দায়িত্ব সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে পালন করবেন। তবে ‘স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা’ ভোগের ক্ষেত্রে রাজ্যপাল মন্ত্রীপরিষদের পরামর্শ মেনে চলতে বাধ্য নন।

♦ 163(১) রাজ্যপাল স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা ভোগের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত ক্ষমতা ভোগ করে থাকেন।

♦ 164 রাজ্যপাল মন্ত্রিসভাকে অর্থাৎ সরকারকে নিযুক্তি করেন।

♦ 165 রাজ্যের অয়াদ্ভকেত-জেনারেল পদের স্বীকৃতি।

♦ 167 রাজ্যপালকে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি প্রদান করা মুখ্যমন্ত্রির কর্তব্য।

★★★ অঙ্গরাজ্যের আইনবিভাগ (State Legislature) ★★★

(ধারা 168-213)

♦ 170 রাজ্যবিধানসভার (Legislative Assembly) গঠন।

♦ 171 রাজ্য বিধানপরিষদের (Legislative Council) গঠন।

♦ 178 রাজ্য আইনসভার অধিবেশন, অধিবেশন আহ্বান ও স্থগিত বা ভেঙ্গে দেওয়া।

♦ 175 রাজ্যপাল রাজ্য আইনসভার উভয় কক্ষে বক্তব্য রাখতে পারেন বা বর্তা
পাঠাতে পারেন।

♦ 177 রাজ্য আইনসভার সদস্য না হয়েও অ্যাডভোকেট-জেনারেল রাজ্য আইনসভায়
বক্তব্য রাখতে পারেন।

♦ 178 রাজ্য বিধানসভায় একজন স্পীকার ও অপর একজন ডেপুটি স্পীকার থাকেন।

♦ 182 রাজ্য বিধানপরিষদে একজন চেয়ারম্যান ও একজন ডেপুটি চেয়ারম্যান থাকেন।

♦ 187 রাজ্য আইনসভার সচিবালয়।

♦ 191 রাজ্য আইনসভার সদস্য দের যোগ্যতা হারানো।

♦ 192 রাজ্য আইনসভার কোনো সদস্যর সদস্যপদের যোগ্যতা প্রসঙ্গে প্রশ্ন উঠতে
পারে। সেক্ষেত্রে রাজ্যপালের সিদ্ধান্তই হল চূড়ান্ত।

♦ 198 রাজ্যের অরথবিল কেবলমাত্র বিধানসভাতেই উত্থাপন করা যায় এবং
অরথবিল পাশের পদ্ধতি।

♦ 199 রাজ্যের অরথবিলের সংজ্ঞা।

♦ 200 রাজ্যপাল রাজ্য আইনসভা কর্তৃক অনুমোদিত কোনো বিলে তাঁর সম্মতি প্রদান করে রাষ্ট্রপতির অনুমতির জন্য সংশ্লিষ্ট বিলটিকে সংরক্ষণ করতে পারেন এবং তাঁর কাছে পাঠাতে পারেন।

♦ 208 রাজ্য আইনসভার কার্যপদ্ধতি।

♦ 212 আদালত রাজ্য আইনসভার কাজকর্মে কোনো হস্তক্ষেপ বা অনুসন্ধান চালাতে
পারবেনা।

♦ 213 রাজ্যপালের অর্ডিন্যান্স বা অধ্যাদেশ জারী করার ক্ষমতা।

★★★ হাইকোর্ট (ধারা 214-232) ★★★

♦ 214 রাজ্য হাইকোর্টের উপস্তিতি।

♦ 215 হাইকরতগুলি অভিলেখ আদালত হিসাবে কাজ করে।

♦ 216 হাইকোর্টের গঠন।

♦ 218 সুপ্রিমকোর্ট ও হাইকোর্টে বিশেষ আপীল সংক্রান্ত বিষয়।

♦ 228A অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের প্রয়োজনে পুনরনিয়োগ।

♦ 225 হাইকোর্টের ক্ষমতা বা বিচার করার এক্তিয়ার বা এলাকা।

♦ 230 কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে হাইকোর্টের এলাকা বা এক্তিয়ার।

★★★ রাজ্য অধস্তন আদালতসমূহ (ধারা 233-238) ★★★

♦ 233 জেলা জজ বা বিচারপতিদের নিয়োগ।

★★★ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলসমূহ (ধারা 239-242) ★★★

♦ ♦ ২39 কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলসমূহের প্রশাসনিক ব্যবস্থা।

♦ 239A কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল দিল্লির জন্য বিশেষ সংবিধানিক ব্যবস্থা।

♦ 239B আইনসভার অধিবেশনে বন্ধ থাকাকালীন সময়ে অর্ডিন্যান্স বা আধ্যাদেশ জারী করার ক্ষমতা।

♦ 240 কতকগুলি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির বিশেষ ক্ষমতা ভোগ।

★★★ পঞ্চায়েত (ধারা 243-243 O) ★★★

♦ 243 পঞ্চায়েতের সংজ্ঞা।

♦ 243A গ্রাম সভা।

♦ 243C পঞ্চায়েতের গঠন।

♦ 243D পঞ্চায়েতের আসন সংরক্ষন।

♦ 243F পঞ্চায়েতের সদস্যদের যোগ্যতা।

♦ 243K পঞ্চায়েতের নির্বাচন পদ্ধতি ও বিষয়।

♦ 243N পঞ্চায়েতের আইনকানুন।

★★★ পৌরব্যবস্থা (Municipalities) ★★★

(ধারা 243P-243ZG)

♦ 243P পৌরব্যবস্থার সংজ্ঞা।

♦ 243W পৌরসভার ক্ষমতা, কর্তৃত্ব ও দায়িত্বসমূহ।

♦ 243ZA পৌরসভার নির্বাচন।

★★★ তপশিল ও উপজাতিভুক্ত অঞ্চল ★★★

(ধারা 244-244A)

♦ 244 তপশিলভুক্ত ও উপজাতিভুক্ত অঞ্চলগুলির জন্য বিশেষ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ।

★★★ কেন্দ্র-রাজ্যের মধ্য আইনগত সম্পর্ক ★★★

(ধারা 245-255)

♦ 245 পার্লামেন্ট ও রাজ্য আইনসভা আইন প্রণয়নে এক্তিয়ার।

♦ 251 জাতীয় স্বার্থে এবং জরুরী অবস্থায় পার্লামেন্ট প্রণীত কোনো আইনের সঙ্গে
কোনো রাজ্য আইনসভার আইনের অসঙ্গতি হলে পার্লামেন্ট এর আইনই বলবৎ হবে এবং পার্লামেন্টের আইন বলবৎ থাকাকালীন সময় রাজ্য আইনের অসঙ্গতিপূর্ণ অংশ প্রযুক্ত হবে না।

♦ 252 দুই বা ততোধিক রাজ্য আইনসভা প্রস্তাব গ্রহনের মাধ্যমে অনুরোধ করলে পার্লামেন্ট রাজ্য তালিকাভুক্ত নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে স্বাভাবিক অবস্থাতেও আইন প্রনয়ন করতে পারেন।

★★★ কেন্দ্র-রাজ্যের মধ্য প্রশাসনিক সম্পর্ক ★★★

(ধারা 256-263)

♦ 256 কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকারগুলি প্রশাসনিক এক্তিয়ার। প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যসরকারগুলিকে যেকোনো নির্দেশ দিতে পারে।

♦ 257 কতকগুলি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে কিন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকারগুলির উপর নিয়ন্রন আরোপ করতে পারে।

♦ 261 কেন্দ্র ও রাজ্যর প্রশাসনিক সম্পর্ক।

♦ 262 আন্তঃরাজ্যের নদী ও নদী উপত্যকাগুলিকে নিয়ে বিভিন্ন রাজ্যের মধ্যে বিরোধ ধারা যে সকল বিষয় অন্তর্ভুক্ত মিমাংসার জন্য পার্লামেন্ট আইন প্রণয়ন করতে পারে।

♦ 263 আন্তঃরাজ্য পরিসদ গঠন।কেন্দ্র-রাজ্যের মধ্য আর্থিক সম্পর্ক

(Center-State Financial Relations) (ধারা 264-293)

♦ 264 কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে আর্থিক সম্পর্কের ব্যাখ্যা।

♦ 268 কতগুলি কর আছে যা আরোপ করে কেন্দ্রে, কিন্তু সংগ্রহ ও ভোগ করে রাজ্যগুলি। স্ট্যাম্প কর, ঔষধপত্র ও প্রসাধন সামগ্রীর ওপর কর এই শ্রেনির অন্তর্ভুক্ত। তবে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই কর ধার্য ও সংগ্রহ করে কেন্দ্র।

♦ 269 কতগুলি কর আরোপ ও সংগ্রহ করে কেন্দ্র কিন্তু সংগৃহীত অর্থ রাজ্যগুলির মধ্যে বণ্টন করা হয়। এই বণ্টনের নীতি নির্ধারিত হয় পার্লামেন্ট প্রণীত আইনের মাধ্যমে। অ-কৃষি সম্পত্তির উপর উত্তরাধিকার কর সম্পত্তি কর,সংবাদপত্র অ বিজ্ঞাপনের উপর কর প্রভৃতি এই শ্রেনি অন্তর্ভুক্ত।

♦ 270 কতকগুলি কর আছে যা কেন্দ্রীয় সরকার আরোপ ও সংগ্রহ করে, কিন্তু সংগৃহীত অর্থ কেন্দ্র ও রাজ্যগুলির মধ্যে বন্টিত হয়। আয়কর ও উৎপাদন শুল্ক এই শ্রেনির কর।

♦ 274 কর সম্পর্কিত সেইসব বিল উত্থাপনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির পূর্ণ অনুমতি গ্রহণ আবশ্যক যে সব বিল রাজ্যের স্বার্থের সঙ্গে জড়িত।

♦ 275 নির্দিষ্ট কতকগুলি রাজ্যকে কেন্দ্রের আর্থিক অনুদান প্রদান।

♦ 276 বৃত্তি, পেশা, ব্যবসা ও চাকুরির উপর রাজ্য-সরকার কর্তৃক আরোপিত কর।

♦ 280 অর্থ কমিশন গঠন ও ভূমিকা।

♦ 282 কেন্দ্র ও রাজ্য তাদের সংগৃহীত রাজস্ব থেকে খরচের ব্য্যভার বহন করে। তবে প্রয়োজনে রাজ্যকে কেন্দ্র অনুদান ও ঋণ প্রদান করতে পারে।

♦ 286 রাজ্য সরকার কর্তৃক কর আরোপের উপর নিয়ন্ত্রন। আমদানি বা রপ্তানীর উদ্দেশ্যে ক্রয়-বিক্রয়ের উপর রাজ্য সরকার কোনো বিক্রয় কর ধার্য করতে পারবে না।

♦ 287 ভারত সরকার বা ভারত সরকারের কোনো সংস্থা যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে পার্লামেন্টের অনুমোদন ছাড়া রাজ্যগুলি তাঁর উপর কোনো বিদ্যুৎ কর আরোপ করতে পারবে না।

♦ 292 কেন্দ্রীয় সরকার দেশের ভিতর থেকে বা বিদেশ থেকে ঋণ গ্রহণ করতে পারে।

♦ 293 রাজ্যগুলি কেবলমাত্র দেশের ভেতর থেকেই ঋণ গ্রহণ করতে পারে।

★★★ সম্পত্তির অধিকার (Right to Property) ★★★

♦ 300A আইনস্বীকৃত কর্তৃপক্ষ ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে তার সম্পতির অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। তাই বর্তমানে সম্পতির অধিকার একটি আইন স্বীকৃত অধিকার হিসাবে গন্য হয়।

★★★ ব্যাবসা-বানিজ্য ও লেনদেন (Trade, Commerce and Intercourse) ★★★

( ধারা 301-307)

♦ 302 পার্লামেন্ট ব্যবসা-বাণিজ্য ও যেকোনো লেন্দেনের ওপর প্রয়োজনে নিয়ন্ত্রন আরোপ করতে পারে।

♦ 304 অঙ্গরাজ্যগুলির নিজেদের মধ্যে ব্যবসা, বানিজ্য ও লেনদেনের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রন আরোপ।

রাষ্ট্রকৃত্যক (Public Services) 

(ধারা 308-314)

♦ 309 কেন্দ্র ও রাজ্যেসরকারী কর্মচারীদের নিয়োগ ও চকরির শর্তাবলী।

♦ 310 কেন্দ্র ও রাজ্যসরকারী কর্মচারীদের চাকরির মেয়াদ বা কার্যকাল।

♦ 312A বিশেষ বিশেষ চাকরির ক্ষেত্রে চাকরির শর্তাদির পরিবর্তন বা বাতিল করার ক্ষমতা পার্লামেন্টের উপর অর্পণ করা হয়েছে।

★★★ রাষ্ট্রকৃত্যক কমিশন (Public Service Commission) ★★★

(ধারা 315-323)

♦ 315 কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলির জন্য রাষ্ট্রকৃত্যক কমিশন গঠন।

নির্বাচন (Elections)

(ধারা 324-329A)

♦ 324 নির্বাচন পরিচালন, তত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি নির্বাচন কমিশন (Election Commission) গঠন করা হয়েছে।

♦ 325 জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও স্ত্রী-পুরুষ নির্বিশেষে প্রত্যেক নাগরিকই নির্বাচন প্রক্রিয়ায়  অংশগ্রহণ করতে পারবে।

♦ 327 কেন্দ্রীয় আইনসভার নির্বাচনের ক্ষেত্রে পার্লামেন্টের ব্যবস্থা গ্রহনের ক্ষমতা।

♦ 328 রাজ্যআইনসভার নিরাবচনের ক্ষেত্রে রাজ্য আইনসভার ব্যবস্থা গ্রহনের ক্ষমতা।

তফশিলী জাতি, তফশিলী উপজাতি ও অন্যান্য শ্রেনিগুলি জন্য বিশেষ সংবিধানিক ব্যবস্থা গ্রহণ (Special provisions For SCs,STs and Others) (ধারা 330-338)

♦ 330 লোকসভায় তফশিলীজাতি, তফশিলী উপজাতি শ্রেনীদ্বয়ের জন্য আসন সংরক্ষণ।

♦ 331 লোকসভায় ইঙ্গ-ভারতীয় সম্প্রদায়ের জন্য দুটি আসন সংরক্ষিত থাকবে।

♦ 332 রাজ্যবিধানসভায় (Legislaitve Assembly of State) তফশিলী জাতি,তফশিলী উপজাতি শ্রেনিদ্বয়ের জন্য আসন সংরক্ষন।

♦ 333 রাজ্য বিধানসভায় ইঙ্গ-ভারতীয় সম্প্রদায়ের জন্য একটি আসন সংরক্ষন
থাকবে।

♦ 334 60 বছর পরে আসন সংরক্ষন ও বিশেষ প্রতিনিধিত্বের বাতি করা হবে।

♦ 337 ইঙ্গ-ভারতীয় সম্প্রদায়ের উন্নয়নের জন্য বিশেষ শিক্ষামূলক ভাতা প্রদান।

(Scheduled Areas)

(ধারা 339-342)

♦ 340 পশ্চাৎপদ শ্রেনিগুলির অবস্থা পর্যালোচনার জন্য বিশেষ কমিশন নিয়োগ।

♦ 341 তপশিলি জাতির সংঞ্জা।

♦ 342 তফশিলি উপজাতির সংঞ্জা।

সরকারী ভাষা (Official Language)

(ধারা 343-351)

♦ 343 কেন্দ্রের সরকারী ভাষা।

♦ 345 রাজ্যের সরকারী ভাষা বা ভাষাসমূহ।

♦ 346 কেন্দ্রের সঙ্গে বা আন্তঃরাজ্য যোগাযোগের ক্ষেত্রে কেন্দ্রের সরকারী ভাষাই ব্যবহার করতে হবে।

♦ 348 আদালতের রায়, ডিক্রী বা নির্দেশ জারীর ক্ষেত্রে ইংরেজি ব্যবহার করতে হয়।

♦ 350 প্রত্যেক ব্যক্তি প্রচলিত যে কোনো একটি ভাষাই কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকারের কাছে নিজের অভিযোগ ও তার প্রতিকারের আবেদন জানাতে পারে।

♦ 350A প্রথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে মাতৃভাষায় শিক্ষা দান করা যাবে।

♦ 351 হিন্দী ভাষার উন্নয়ন ও প্রসারের জন্য কেন্দ্র প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও নির্দেশ দিতে পারবে।

★★★ জরুরী অবস্থা সংক্রান্ত ব্যবস্থা (Emergency provisions) ★★★

(ধারা 352-360)

♦ 352 জাতীয় জরুরী (National Emergency) অবস্থার ঘোষণা।

♦ 355 জরুরী অবস্থকালীন সময়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কর্তব্য রাজ্যগুলিকে বহিরাক্রমন ও অভ্যন্তরীন গোলযোগের হাত থেকে রক্ষা করা।

♦ 356 রাজ্য শাসনতান্ত্রিক অচলাবস্থার ঘোষণা (অঙ্গরাজ্যের রাজ্য সরকারকে বরখাস্ত করতে পারেন) বা রাষ্ট্রপতি শাসন(President’s Rule)।

♦ 359 রাষ্ট্রপতি বিশেষ ঘোষণাবলে সামগ্রিকভাবে সকল মৌলিক অধিকার স্থগিত রাখতে বা বাতিল করে দিতে পারেন। 360 আর্থিক জরুরী অবস্থার ঘোষণা।

বিবিধ (Miscellaneous)

(ধারা 361-368)

♦ 365 কেন্দ্রের আইনের সঙ্গে সঙ্গতি বা সামঞ্জস্য রক্ষা করে রাজ্য সরকারগুলিকে আইন প্রনয়ন ও শাসন করতে হবে। নচেৎ রাষ্ট্রপতি শাসন ঘোষিত হবে।

♦ 368 পার্লামেন্টের সংবিধান সংশোধন পদ্ধতি।

★★★ অস্থয়ী ও বিশেষ ব্যবস্থা (ধারা 369-392) ★★★

♦ 370 জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ ক্ষমতা।
এই রকম (ভারতের সংবিধানের সমস্ত ধারা | Constitution of India | Indian Polity in Bengali) আরও তথ্য জানতে winexam.in ওয়েবসাইট ফলো করুন, ধন্যবাদ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here