কবিতা – আফ্রিকা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | মাধ্যমিক বাংলা সাজেশন | Madhyamik Bengali Suggestion – WBBSE | WiN EXAM

0
48
কবিতা - আফ্রিকা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | মাধ্যমিক বাংলা সাজেশন | Madhyamik Bengali Suggestion - WBBSE | WiN EXAM

Madhyamik Bengali Suggestion – WBBSE with PDF | মাধ্যমিক বাংলা সাজেশন

কবিতা – আফ্রিকা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বহুবিকীয় প্রশ্ন (প্রশ্নমান – ১)
সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো
১. ‘আফ্রিকা’ কবিতাটির রচনাকাল
(ক) ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দ (খ) ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দ (গ) ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দ (ঘ) ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দ
উত্তরঃ (গ)
২. ‘আফ্রিকা’ যে মূল গ্রন্থে আছে
(ক) পত্রপুট (খ) বলাকা (গ) প্রান্তিক (ঘ) চিত্রা
উত্তরঃ (ক)
৩. স্রষ্টা কোন যুগে উদভ্রান্ত ছিল?
(ক) আদিম যুগে (খ) মধ্যযুগে (গ) আধুনিক যুগে (ঘ) অতি-আধুনিক যুগে
উত্তরঃ (ক)
৪. “বাঁধলে তোমাকে __________ নিবিড় পাহারায়” —শূন্যস্থানে উপযুক্ত শব্দটি বসাও।
(ক) পুলিশের (খ) বনস্পতির (গ) চৌকিদারের (ঘ) পাহারাদারের
উত্তরঃ (খ)
৫. কাকে হার মানাতে চেয়েছিল?
(ক) পরাজয়কে (খ) হিংসাকে (গ) শঙ্কাকে (ঘ) নিন্দাকে
উত্তরঃ (গ)
৬. “অপরিচিত ছিল তোমার, –।”—শূন্যস্থান পূরণ করো।
(ক) হিংস্ররূপ (খ) শান্তরূপ (গ) পাগলরূপ (ঘ) মানবরূপ
উত্তরঃ (ঘ)
৭. ওরা কী নিয়ে এল?
(ক) লোহার হাতকড়ি (খ) লাঠি (গ) বন্দুক (ঘ) পিস্তল
উত্তরঃ (ক)
৮. ওদের নখগুলি কোন্ প্রাণীর নখের মতো তীক্ষ?
(ক) বাঘ (খ) নেকড়ে (গ) সিংহ (ঘ) ভালুক
উত্তরঃ (খ)
৯. সভ্যের বর্বর লোভে কী নগ্ন করল?
(ক) বর্বরতা (খ) সততা (গ) আপন নির্লজ্জ অমানুষ (ঘ) একাগ্রতা
উত্তরঃ (গ)
১০. দস্যু-পায়ের কাটা-মারা জুতোর তলায় কী লেগে আছে?
(ক) আঠা (খ) গোবর গ) বিষ্ঠা (ঘ) কাদার পিণ্ড
উত্তরঃ (ঘ)
১১. পাড়ায় পাড়ায় মন্দিরে কী বাজছিল?
(ক) পূজার ঘণ্টা (খ) ঢাক (গ) ঢোল (ঘ) কাসর
উত্তরঃ (ক)
১২. আজ কোন্ দিগন্তে প্রদোষকালে ঝঞ্জাবাতাসে রুদ্ধশ্বাস দেখা দেয়?
(ক) পূর্ব দিগন্তে (খ) পশ্চিম দিগন্তে (গ) উত্তর দিগন্তে (ঘ) দক্ষিণ দিগন্তে
উত্তরঃ (খ)
১৩. পশুরা কোথা থেকে বেরিয়ে এল?
(ক) গুহা থেকে (খ) পর্বতের আড়াল থেকে (গ) গুপ্ত গহবর থেকে (ঘ) সুড়ঙ্গ থেকে
উত্তরঃ (গ)
১৪. আসন্ন সন্ধ্যার শেষ রশ্মিপাতে মানহারা মানবীর দ্বারে দাঁড়িয়ে যুগান্তের কবিকে কী বলতে বলা হয়েছে ?
(ক) হিংসা করো (খ) ভালোবাসো (গ) ঘৃণা করো (ঘ) ক্ষমা করো
উত্তরঃ (ঘ)
১৫. দাঁড়াও ওই মানহারা মানবীর দ্বারে;”—উদ্ধৃতাংশে ‘মানহারা মানবী বলতে বোঝানো হয়েছে
(ক) আফ্রিকা মহাদেশকে (খ) বসুধাকে (গ) ভারতবর্ষকে (ঘ) পশ্চিমি দুনিয়াকে
উত্তরঃ (ক)
১৬. “আপনাকে উগ্র ক’রে, ____________প্রচণ্ড মহিমায়..”—শূন্যস্থানের শব্দটি হবে
(ক) বিভীষিকার (খ) আনন্দের (গ) শক্তির (ঘ) ক্ষমতার
উত্তরঃ (ক)
১৭. কালো ঘোমটার নীচে কার মানবরূপ অপরিচিত ছিল?
(ক) আদিবাসীদের (খ) ভারতবাসীদের (গ) আফ্রিকার (ঘ) আমেরিকার
উত্তরঃ (গ)
১৮. গর্বে কারা অন্ধ “তোমার সূর্যহারা অরণ্যের চেয়ে”?
(ক) মানুষ ধরার দল (খ) মাছধরার দল (গ) পশুধরার দল (ঘ) মৌমাছি ধরার দল
উত্তরঃ (ক)
১৯. সমুদ্রপারে সেই মুহূর্তেই কোথায় পূজার ঘণ্টা বাজছিল ?
(ক) গাছতলায় (খ) মন্দিরে (গ) পথের মাঝে (ঘ) বনের মাঝে
উত্তরঃ (খ)
২০. “অশুভ ধ্বনিতে ঘোষণা করল দিনের___________”—শূন্যস্থানের শব্দটি হবে
(ক) হিসেবনিকেশ (খ) অন্তিমকাল (গ) অবসান (ঘ) সমাচার
উত্তরঃ (খ)
২১. “____________দিয়ে গেল তোমার অপমানিত ইতিহাসে।” শূন্যস্থানের শব্দটি হবে
(ক) দুঃখ (খ) জ্বালা (গ) চিরচিহ্ন (ঘ) দাগ
উত্তরঃ (গ)
২২. নিভৃত অবকাশে আফ্রিকা সংগ্রহ করছিল
(ক) ঠিকানা (খ) দুর্গমের রহস্য (গ) ধনরত্ন (ঘ) টাকাকড়ি
উত্তরঃ (খ)
২৩. “সেই হোক তোমার সভ্যতার শেষ _________” শূন্যস্থানের শব্দটি হবে
(ক) কথা (খ) পুণ্যবাণী (গ) ভীষণ (ঘ) নমস্কার
উত্তরঃ (খ)

অতিসংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (প্রশ্নমান – ১)
১. ‘আফ্রিকা’ কবিতাটি কার লেখা?
উত্তরঃ ‘আফ্রিকা’ কবিতাটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা। ছায়াবৃতা আফ্রিকার বঞ্চনা ও যন্ত্রণার মর্মস্পর্শী ছবি এঁকেছেন রবীন্দ্রনাথ এই কবিতায়।
২. নিজের প্রতি অসন্তোষে স্রষ্টা কী করছিলেন?
উত্তরঃ নিজের প্রতি অসন্তোষে স্রষ্টা অধৈর্য্যে ঘন ঘন মাথা নাড়ছিলেন আর তার নতুন সৃষ্টিকে বারবার বিধ্বস্ত করছিলেন।
৩. আদিম আফ্রিকা কী চিনছিল বন্দিদশায় ?
উত্তরঃ অবজ্ঞার অন্ধকারে বন্দি আদিম আফ্রিকা নিভৃত অবকাশে চিনছিল জল-স্থল-আকাশের দুর্বোধ্য সংকেতকে।
৪. নতুন সৃষ্টিকে স্রষ্টা কেন বারবার বিধ্বস্ত করছিলেন ?
উত্তরঃ উদভ্রান্ত আদিম যুগে স্রষ্টা নিজের প্রতি অসন্তোষেই নতুন সৃষ্টিকে বারবার বিধ্বস্ত করছিলেন ধৈর্যহারা হয়ে।
৫. আদিম যুগে কে, কোথা থেকে আফ্রিকাকে ছিনিয়ে নিয়ে গেল?
উত্তরঃ আদিম যুগে রুদ্র সমুদ্রের বাহু প্রাচী ধরিত্রীর বুক থেকে আফ্রিকাকে ছিনিয়ে নিয়ে গেল।
৬, ‘সেখানে নিভৃত অবকাশে’ আফ্রিকা কী সংগ্রহ করছিল?
উত্তরঃ সেখানে নিভৃত অবকাশে বনস্পতির নিবিড় পাহারায় প্রায় অন্ধকারে বসে আদিম আফ্রিকা দুর্গমের রহস্য সংগ্রহ করছিল।
৭. কাকে বিদ্রুপ করা হয়েছিল ?
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ‘আফ্রিকা’কবিতায় স্রষ্টা ভীষণকে বিদ্রুপ করেছিল বিরূপের ছদ্মবেশে।
৮. কালো ঘোমটার নীচে কী অপরিচিত ছিল ?
উত্তরঃ কালো ঘোমটার নীচে অপরিচিত ছিল আফ্রিকার মানবরূপ।
৯. শিশুরা কোথায় খেলছিল?
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ‘আফ্রিকা’ কবিতায় শিশুরা মায়ের কোলে খেলছিল।
১০. “অপরিচিত ছিল তোমার মানবরূপ” –কার মানবরূপ, কেন অপরিচিত ছিল?
উত্তরঃ ছায়াবৃতা আফ্রিকাকে অবজ্ঞার কালো ঘোমটার নীচে রাখার জন্য উপেক্ষার আচ্ছন্ন দৃষ্টিতে তার মানবরুপ ধরা পড়েনি, তা অপরিচিত ছিল।
১১. “এল ওরা লোহার হাতকড়ি নিয়ে”–‘ওরা কারা?
উত্তরঃ ‘ওরা’ হল মানুষ ধরার দল। ওরা ক্রীতদাস কেনাবেচার কারবারি। সভ্য বলে আখ্যাত হলেও স্বভাবে ওরা বর্বর, নির্লজ্জ, অমানুষ।
১২. দস্যুরা কীভাবে আফ্রিকার ইতিহাসে চিরচিহ্ন দিয়ে গেল?
উত্তরঃ দস্যু পায়ের কাটামারা জুতোর মতো ভয়ংকর অত্যাচারের বীভৎস ক্ষতচিহ্ন দিয়ে গেল আদিম আফ্রিকার অপমানিত ইতিহাসে।
১৩. কবির সংগীতে কী বেজে উঠেছিল?
উত্তরঃ কবির সংগীতে বেজে উঠেছিল সুন্দরের আরাধনা।
১৪. যুগান্তের কবিকে কার দ্বারে দাঁড়াতে বলা হয়েছে?
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ‘আফ্রিকা’ কবিতায় যুগান্তের কবিকে মানহারা মানবীর দ্বারে দাঁড়াতে বলা হয়েছে।
১৫. ‘মানহারা মানবীর দ্বারে দাঁড়িয়ে যুগান্তের কবি কী বলবেন?
উত্তরঃ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতে, মানহারা মানবী আফ্রিকার দ্বারে দাঁড়িয়ে যুগান্তের কবি বলবেন—“ক্ষমা করো।
১৬. ‘ছায়াবৃতা’ কে? তাকে ‘ছায়াবৃতা’ বলা হয়েছে কেন?
উত্তরঃ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘আফ্রিকা’ কবিতায় আদিম আফ্রিকাকে ‘ছায়াবৃতা’ বলেছেন। কারণ অবজ্ঞা, অশিক্ষা, অত্যাচারের অন্ধকারেই তাকে দীর্ঘদিন ফেলে রেখেছিল সভ্য বা তথাকথিত সভ্যসমাজ।
১৭. কৃপণ আলোর অন্তঃপুর’ বলতে এখানে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তরঃ নিবিড় অরণ্যে সাজানো ঘন ছায়াচ্ছন্নতা আর সভ্যতার আলোকহীনতাকে একাধারে ‘কৃপণ আলোর অন্তঃপুর’ বলে বর্ণনা করা হয়েছে।
১৮. ‘প্রদোষকাল ঝঞ্ঝাবাতাসে রুদ্ধশ্বাস’ বলতে এখানে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তরঃ পশ্চিম দিগন্তে যুদ্ধ-হানাহানির ঝড়-তুফানের সম্ভাবনায় গুমরে ওঠাকে কবি সভ্যতার সন্ধ্যা ঘনিয়ে ওঠা হিসেবে এখানে বর্ণনা করেছেন।

ব্যাখ্যাভিত্তিক সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (প্রশ্নমান – ৩)
১. “নতুন সৃষ্টিকে বারবার করছিলেন বিধ্বস্ত” —কোন কবির, কোন কবিতার অংশ এটি? কে, কেন নতুন সৃষ্টিকে বারবার বিধ্বস্ত করছিলেন? ১+২
২. “ছিনিয়ে নিয়ে গেল তোমাকে…”—কে, কাকে, কোথায় ছিনিয়ে নেয়ে গেল? ১/২+১/২+২
৩. “শঙ্কাকে চাচ্ছিলে হার মানাতে”—কে, কীভাবে ‘শঙ্কাকে হার মানাতে চাইছিল ?
৪. “অপরিচিত ছিল তোমার মানবরূপ”—“তোমার’ বলতে এখানে কার কথা বলা হয়েছে? তার মানবরূপ অপরিচিত ছিল কেন? ১+২
৫. “এল ওরা লোহার হাতকড়ি নিয়ে”—কারা হাতকড়ি নিয়ে এল? তারা। কেমন মানুষ? ১+২
৬. “চিরচিহ্ন দিয়ে গেল তোমার অপমানিত ইতিহাসে”—কারা, কীভাবে, কার ইতিহাসে চিরচিহ্ন দিয়ে গেল?
৭. “মন্দিরে বাজছিল পূজার ঘণ্টা”—কখন এবং কেন পূজার ঘণ্টা বাজছিল?
৮. “কবির সংগীতে বেজে উঠেছিল…”—কবির সংগীতে কী বেজে উঠেছিল? কখন এবং কোথায় তা বেজে উঠেছিল? ১+২
৯. “অশুভ ধ্বনিতে ঘোষণা করল দিনের অন্তিমকাল”—কারা, কখন দিনের অন্তিমকাল ঘোষণা করল?
১০. “দাঁড়াও ওই মানহারা মানবীর দ্বারে”—মানহারা মানবী’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে? কে মানহারা মানবীয় দ্বারে, কেন দাঁড়াবে? ১+২
১১. “নগ্ন করল আপন নির্লজ্জ অমানুষতা”—নির্লজ্জ অমানুষ কীভাবে নগ্ন করল বলে তুমি মনে করো ?
১২. কৃপণ আলোর অন্তপুরে কী বাঁধা পড়েছিল এবং কীভাবে?
১৩. “সেই হোক তোমার সভ্যতার শেষ পুণ্যবাণী।”—এখানে তোমার’ বলতে কার কথা বলা হয়েছে? সেই ‘তোমার সভ্যতার শেষ পুণ্যবাণী’টি কী? ১+২
১৪. কবি যুগান্তের কবিকে আহ্বান করা হয়েছে কেন?

রচনাধর্মী প্রশ্ন (প্রশ্নমান – ৫)
১. ‘আফ্রিকা’ কবিতার নামকরণের সার্থকতা আলোচনা করো।
২. ‘আফ্রিকা’ কবিতার ভাববস্তু বা কাহিনি সংক্ষেপে লেখো।
৩. “নতুন সৃষ্টিকে বারবার করেছিলেন বিধ্বস্ত।” কার লেখা, কোন রচনার অংশ ? কে নতুন সৃষ্টিকে বারবার বিধ্বস্ত করেছিলেন? কেন বিধ্বস্ত করেছিলেন? কথাটির তাৎপর্য লেখো। ১+১+১+২
৪. “এল ওরা লোহার হাতকড়ি নিয়ে, নখ যাদের তীক্ষ্ণ ছিল তোমার নেকড়ের চেয়ে, এল মানুষ-ধরার দল। গর্বে যারা অন্ধ তোমার সূর্যহারা অরণ্যের চেয়ে।” –‘ওরা কারা? তারা কেন লোহার হাতকড়ি নিয়ে এসেছিল? তারা কীসের গর্বে অন্ধ এবং কেন? ১+২+২
৫. “আপনাকে উগ্র করে বিভীষিকার প্রচণ্ড মহিমায় তাণ্ডবের দুন্দুভিনিনাদে।” –‘আপনাকে’বলতে কার কথা বলা হয়েছে? কথাটির অর্থ পরিস্ফুট করো। ১+৪
৬. “সভ্যের বর্বর লোভ/নগ্ন করল আপন নির্লজ্জ অমানুষতা।”—কে এই কথাটি বলেছেন?‘সভ্য’ কাকে বলা হয়েছে? তাদের বর্বর লোভ কীরূপ? ১+২+২
৭. “সমুদ্রপারে সেই মুহূর্তেই তাদের পাড়ায় পাড়ায়।
মন্দিরে বাজছিল পূজার ঘন্টা
সকালে সন্ধ্যায় দয়াময় দেবতার নামে;
শিশুরা খেলছিল মায়ের কোলে;” –কার লেখা, কোন্ রচনার অংশ? কোন প্রসঙ্গে এই কথা বলা হয়েছে? কথাটির তাৎপর্য লেখো। ১+২+২
অথবা, ‘সমুদ্রপারের সঙ্গে আফ্রিকার ঘটনাবলির যে বৈপরীত্য কবিতায় ফুটে উঠেছে, তার পরিচয় দাও।
৮. “সেই হোক তোমার সভ্যতার শেষ পুণ্যবাণী।”—সভ্যতার শেষ পুণ্যবাণী’টি কী? কোন্ প্রসঙ্গে এই উক্তি করা হয়েছে? প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বক্তব্য পরিস্ফুট করো। ১+২+২
৯. “বাঁধলে তোমাকে বনস্পতির নিবিড় পাহারায়/কৃপণ আলোর অন্তঃপুরে।” –‘তোমাকে’ বলতে কার কথা বলা হয়েছে? কীভাবে বনস্পতির নিবিড় পাহারায় বাঁধা হয়েছে? কৃপণ আলোর অন্তঃপুরে’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ১+২+২
১০. “পঙ্কিল হলো ধূলি তোমার রক্তে অণুতে মিশে,
দস্যু-পায়ের কাটা-মারা জুতোর তলায়
বীভৎস কাদার পিণ্ড
চিরচিহ্ন দিয়ে গেল তোমার অপমানিত ইতিহাসে।”
—কোন্ প্রসঙ্গে এই কথা বলা হয়েছে? প্রথম পঙক্তিটির অর্থ লেখো। ‘বীভৎস কাদার পিণ্ড’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ২+১+২
১১. “আসন্ন সন্ধ্যার শেষ রশ্মিপাতে
দাঁড়াও ওই মানহারা মানবীর দ্বারে;”—কাকে দাঁড়াতে বলা হয়েছে? “আসন্ন সন্ধ্যার শেষ রশ্মিপাতে’ কথাটির অর্থ কী? ‘দাঁড়াও ওই মানহারা মানবীর দ্বারে’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ১+২+২

পাঠ্যগত ব্যাকরণ
বহুবিকল্পীয় প্রশ্ন (প্রশ্নমান – ১)
সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো
কারক-বিভক্তি
১. “স্রষ্টা যখন নিজের প্রতি অসন্তোষে”—চিহ্নিত পদটি যে-কারকে যে-বিভক্তির উদাহরণ, তা হল
(ক) কর্তৃকারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি (খ) নিমিত্ত কারকে ‘এ’ বিভক্তি (গ) কর্মকারকে ‘এ’ বিভক্তি (ঘ) অধিকরণ কারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি
উত্তরঃ (খ)
২. “কৃপণ আলোর অন্তঃপুরে।”—চিহ্নিত পদটির কারক ও অ-কারকগত পরিচয় হল।
(ক) অধিকরণ কারকে ‘এ’ বিভক্তি (খ) অধিকরণ কারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি (গ) করণকারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি (ঘ) সম্বন্ধপদে ‘এ’ বিভক্তি
উত্তরঃ (ক)
৩. “সংগ্রহ করছিলে দুর্গমের রহস্য”–চিহ্নিত পদটির কারক ও অ-কারকগত পরিচয় হল।
(ক) কর্তৃকারকে এর’ বিভক্তি (খ) করণকারকে ‘এর’ বিভক্তি (গ) সম্বন্ধপদে ‘এর’ বিভক্তি (ঘ) অধিকরণ কারকে ‘র’ বিভক্তি
উত্তরঃ (গ)
৪. “আপনাকে উগ্র করে বিভীষিকার প্রচণ্ড মহিমা”—এটি যে-কারকে যে-বিভক্তির উদাহরণ, তা হল।
(ক) কর্মকারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি (খ) করণকারকে ‘য়’ বিভক্তি (গ) নিমিত্ত কারকে ‘য়’ বিভক্তি (ঘ) কর্তৃকারকে ‘র’ বিভক্তি
উত্তরঃ (খ)
৫. “বলো ক্ষমা করো”—চিহ্নিত পদটি যে-কারকে যে-বিভক্তির উদাহরণ, তা হল
(ক) কর্তৃকারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি (খ) কর্মকারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি (গ) করণকারকে ‘এ’ বিভক্তি (ঘ) অপাদান কারকে ‘এর’ বিভক্তি
উত্তরঃ (খ)
সমাস
৬. “স্রষ্টা যখন নিজের প্রতি অসন্তোষে”—চিহ্নিত পদটি কোন্ সমাস?
(ক) দ্বিগু সমাস (খ) নঞ তৎপুরুষ সমাস (গ) কর্মধারয় সমাস (ঘ) বহুব্রীহি সমাস
উত্তরঃ (খ)
৭. “সংগ্রহ করছিলে দুর্গমের রহস্য”—চিহ্নিত পদটির ব্যাসবাক্য হল
(ক) দুর্গতে গমন (খ) দুর্গাতে গমন (গ) যেখানে গমন করা কঠিন (ঘ) দুঃখ গমন
উত্তরঃ (গ)
৮. “তোমার চেতনাতীত মনে”—চিহ্নিত পদটি যে-সমাসের উদাহরণ, তা হল
(ক) দ্বিগু সমাস (খ) সম্বন্ধ তৎপুরুষ সমাস (গ) দ্বন্দ্ব সমাস (ঘ) কর্মধারয় সমাস
উত্তরঃ (খ)
৯. “আপনাকে উগ্র করে বিভীষিকার প্রচণ্ড মহিমায়”—চিহ্নিত পদটি কোন সমাস?
(ক) রূপক কর্মধারয় সমাস (খ) দ্বন্দ্ব সমাস (গ) উপ (ঘ) দ্বিগু সমাস
উত্তরঃ (ক)
১০. “হায় ছায়াবৃতা”-“ছায়াবৃতা’-এর ব্যাসবাক্য হবে
(ক) ছায়াকে আবৃতা (খ) ছায়ায় ছায়ায় আবৃতা (গ) ছায়ামত আবৃতা (ঘ) ছায়ার দ্বারা আবৃত
উত্তরঃ (ঘ)
১১. “স্রষ্টা যখন নিজের প্রতি অসন্তোষে” –পদটির ব্যাসবাক্য হবে
(ক) সৃষ্টি ফসল (খ) সৃষ্টি করেন যিনি (গ) সৃষ্টির আদি (ঘ) স্রষ্টার রূপ
উত্তরঃ (খ)
১২. ‘আপন নির্লজ্জ অমানুষতা” – রেখাঙ্কিত পদটি যে-সমাসের উদাহরণ, তা হল
(ক) দ্বন্দ্ব/দ্বিগু সমাস (খ) নিত্য/কর্মধারায় সমাস (গ) অলোপ/কর্মধারায় সমাস (ঘ) নঞ ত্তপুরুস/নঞ বহুব্রীহি সমাস
উত্তরঃ (ঘ)
১৩. “চিরচিহ্ন দিয়ে গেল” -চিহ্নিত পদটি কোন সমাসের উদাহরণ?
(ক) চিরকালীন যে চিহ্ন (খ) চিররঞ্জন চিহ্ন (গ) চির ও চিহ্ন (ঘ) চির চিহ্নের মতো
উত্তরঃ (ক)
১৪. “মানহারা মানবীর ঘারে” -চিহ্নিত পদটি যে সমাসের উদাহরণ, তা হল
(ক) দ্বিগু সমাস (খ) দ্বন্দ্ব সমাস (গ) কর্মধারয় সমাস (ঘ) তৎপুরুষ সমাস
উত্তরঃ (ঘ)
বাক্য
১৫. “হায় ছায়াবৃতা”—বাক্যটি কোন শ্রেণির বাক্য?
(ক) প্রশ্নসূচক (খ) অনুজ্ঞাসূচক (গ) নির্দেশক (ঘ) আবেগসূচক
উত্তরঃ (ঘ)
১৬. “নগ্ন করল আপন নির্লজ্জ অমানুষতা”—বাক্যটি হল
(ক) আবেগসূচক বাক্য (খ) অনুজ্ঞাসূচক বাক্য (গ) নির্দেশক বাক্য (ঘ) প্রার্থনাসূচক বাক্য
উত্তরঃ (গ)
১৭. “মন্দিরে বাজছিল পূজার ঘণ্টা”—বাক্যটির নেতিবাচক রূপ কী হবে?
(ক) মন্দিরে পূজার ঘণ্টা বাজছিল না (খ) মন্দিরে পূজার ঘণ্টা নিষ্ক্রিয় ছিল না (গ) মন্দিরে না-বাজছিল পূজার ঘণ্টা (ঘ) মন্দিরে পূজার ঘণ্টা না-বেজে থাকেনি
উত্তরঃ (ঘ)
১৮. “কবির সংগীতে বেজে উঠেছিল সুন্দরের আরাধনা।”—বাক্যটি হল
(ক) প্রশ্নবাচক বাক্য (খ) নির্দেশক বাক্য (গ) অনুজ্ঞাসূচক বাক্য (গ) প্রার্থনাসূচক বাক্য
উত্তরঃ (খ)
১৯. “দাঁড়াও ওই মানহারা মানবীর দ্বারে”—বাক্যটি কোন শ্রেণির বাক্য?
(ক) প্রশ্নবাচক বাক্য (খ) প্রার্থনাসূচক বাক্য (গ) অনুজ্ঞাসূচক বাক্য (ঘ) আবেগসূচক বাক্য
উত্তরঃ (গ)
বাচ্য
২০. “নতুন সৃষ্টিকে বারবার করছিলেন বিধ্বস্ত”—এটি যে-বাচ্যের উদাহরণ, তা হল
(ক) কর্তৃবাচ্য (খ) কর্মবাচ্য (গ) ভাববাচ্য (ঘ) কর্মকর্তৃবাচ্য
উত্তরঃ (ক)
২১. “তুমি সংগ্রহ করছিলে”-এর কর্মবাচ্যের রূপ কী হবে?
(ক) তুমি সংগ্রহ করছিলে (খ) সংগ্রহ করছিলে তুমি (গ) তোমার সংগ্রহ করা হোক (ঘ) তোমার দ্বারা সংগ্রহ করা হচ্ছিল
উত্তরঃ (ঘ)
২২. “এল মানুষ ধরার দল”—এটি ভাবাচ্যে হবে
(ক) মানুষ ধরার দলের আসা হল (খ) মানুষ ধরার দলের দ্বারা আসা হল। (গ) এলেন মানুষ ধরার দল (ঘ) এল ওই মানুষ ধরার দল
উত্তরঃ (ক)
২৩. “এসো যুগান্তের কবি”–এর ভাববাচ্যের রূপ কী হবে?
(ক) যুগান্তের কবি এসো (খ) এসো হে যুগান্তের কবি (গ) যুগান্তের কবির আসা হোক (ঘ) কবি যুগান্তে এসো
উত্তরঃ (গ)
২৪. “ক্ষমা করো”–এর ভাববাচ্যের রূপ কী হবে?
(ক) ক্ষমা করা হোক (খ) ক্ষমার দ্বারা করো (গ) তুমি ক্ষমা করো (ঘ) ক্ষমা করো তুমি
উত্তরঃ (ক)

অতিসংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (প্রশ্নমান – ১)
কারক-বিভকি
১. “স্রষ্টা যখন নিজের প্রতি অসন্তোষে…।”—নিম্নরেখাঙ্কিত পদটির কারক-বিভক্তি নির্ণয় করো।
উত্তরঃ স্রষ্টা-কর্তৃকারকে ‘শূন্য’বিভক্তি
২. “নতুন সৃষ্টিকে বারবার করেছিলেন বিধ্বস্ত…।”—নিম্নরেখাঙ্কিত পদটির কারক-বিভক্তি কী হবে?
উত্তরঃ বিধ্বস্ত-কর্মকারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি
৩. “প্রাচী ধরিত্রীর বুক থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গেল তোমাকে…।” -নিম্নরেখাঙ্কিত পদটির কারক-বিভক্তি নির্ণয় করো।
উত্তরঃ বুক থেকে-অপাদান কারকে ‘থেকে’ অনুসর্গ
৪. “ আফ্রিকা—/বাঁধলে তোমাকে বনস্পতির নিবিড় পাহারায়…।” -নিম্নরেখাঙ্কিত পদটির কারক-বিভক্তি নির্ণয় করো।
উত্তরঃ আফ্রিকা-সম্বোধন পদে ‘শূন্য’ বিভক্তি
৫. “মন্দিরে বাজছিল পূজার ঘণ্টা..।”—নিম্নরেখাঙ্কিত পদটির কারক-বিভক্তি নির্দেশ করো।
উত্তরঃ মন্দিরে—অধিকরণ কারকে ‘এ’ বিভক্তি
সমাস
৬. “স্রষ্টা যখন নিজের প্রতি অসন্তোষে…।”—নিম্নরেখাঙ্কিত পদটির সমাস নির্ণয় করো।
উত্তরঃ অসন্তোষে—নয় সন্তোষ (নঞ তৎপুরুষ সমাস), তাতে
৭. “বাঁধলে তোমাকে বনস্পতির নিবিড় পাহারায়…।”–‘বনস্পতি’ পদটির ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় করো।
উত্তরঃ বনস্পতি—বনের পতি (সম্বন্ধ তৎপুরুষ সমাস), তার
৮. “চিনছিলে জলস্থল-আকাশের দুর্বোধ সংকেত…।”—নিম্নরেখাঙ্কিত পদটির ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় করো।
উত্তরঃ জলস্থল—জল ও স্থল (দ্বন্দ্ব সমাস)
৯. হায় ছায়াবৃতা…।”—নিম্নরেখাঙ্কিত পদটির সমাস নির্ণয় করো।
উত্তরঃ ছায়াবৃতা—ছায়ার দ্বারা আবৃতা (করণ তৎপুরুষ সমাস)
১০. “অপরিচিত ছিল তোমার মানবরূপ…।”—“অপরিচিত’ পদটির ব্যাসবাক্যসহ সমাস কী হবে?
উত্তরঃ অপরিচিত—নয় পরিচিত (নঞ তৎপুরুষ সমাস)
বাক্য
১১. “প্রাচী ধরিত্রীর বুকের থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গেল তোমাকে।”—জটিল বাক্যে পরিণত করো।
উত্তরঃ প্রাচী ধরিত্রীর যে বুক সেখান থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গেল তোমাকে
১২. “অপরিচিত ছিল তোমার মানবরূপ।”—না-বাচক বাক্যে রূপ দাও ।
উত্তরঃ পরিচিত ছিল না তোমার মানবরূপ
১৩. “পঙ্কিল হলো ধূলি তোমার রক্তে অণুতে মিশে”—যৌগিক বাক্যে পরিণত করো।
উত্তরঃ পঙ্কিল হলো ধূলি তোমার রক্তে মিশে এবং অশুতে মিশে
১৪. “চিরচিহ্ন দিয়ে গেল তোমার অপমানিত ইতিহাসে।” –বাক্যটিকে প্রশ্নবোধক বাক্যে পরিণত করো।
উত্তরঃ চিরচিহ্ন কি দিয়ে গেল না তোমার অপমানিত ইতিহাসে ?
১৫. “নগ্ন করল আপন নির্লজ্জ অমানুষ।”—জটিল বাক্যে রূপ দাও ।
উত্তরঃ যা নগ্ন করল তা আসলে আপন নির্লজ্জ অমানুষ।
বাচ্য
১৬. “বাঁধলে তোমাকে বনস্পতির নিবিড় পাহারায়।” –ভাববাচ্যে পরিণত করো।
উত্তরঃ বাঁধা হল তোমাকে বনস্পতির নিবিড় পাহারায়।
১৭. “তুমি সংগ্রহ করেছিলে দুর্গমের রহস্য।”-কর্মবাচ্যে রূপ দাও।
উত্তরঃ তোমার দ্বারা সংগৃহীত হয়েছিল দুর্গমের রহস্য।
১৮. “এল ওরা লোহার হাতকড়ি নিয়ে।”—ভাববাচ্যে রূপ দাও ।
উত্তরঃ লোহার হাতকড়ি নিয়ে ওদের আসা হল।
১৯. “পঙ্কিল হলো ধূলি তোমার রক্তে অণুতে মিশে”—এটি কর্তৃবাচ্যে কী – হবে?
উত্তরঃ রক্ত অশু মিশে তোমার ধূলিকে পঙ্কিল করল।
২০. “শিশুরা খেলছিল মায়ের কোলে।”—বাক্যটি কর্মবাচ্যে কী হবে?
উত্তরঃ শিশুদের দ্বারা মায়ের কোলে খেলা হচ্ছিল।

FILE INFO : Madhyamik Bengali Suggestion – WBBSE with PDF Download for FREE | মাধ্যমিক বাংলা সাজেশন বিনামূল্যে ডাউনলোড | কবিতা – আফ্রিকা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (অতিসংক্ষিপ্ত ও সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর)

File Details:
PDF Name : কবিতা – আফ্রিকা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর – মাধ্যমিক বাংলা সাজেশন
Language : Bengali
Size : 389.0 kb 
No. of Pages : 12
Download Link : Click Here To Download
বিভিন্ন স্কুল বোর্ড পরীক্ষা, প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার সাজেশন, অতিসংক্ষিপ্ত, সংক্ষিপ্ত ও রোচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তর (All Exam Guide Suggestion, MCQ Type, Short, Descriptive Question and answer), প্রতিদিন নতুন নতুন চাকরির খবর (Job News in Bengali) জানতে এবং সমস্ত পরীক্ষার এডমিট কার্ড ডাউনলোড (All Exam Admit Card Download) করতে winexam.in ওয়েবসাইট ফলো করুন, ধন্যবাদ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here