প্রলয়োল্লাস – কাজী নজরুল ইসলাম – কবিতা | মাধ্যমিক বাংলা সাজেশন | Madhyamik Bengali Suggestion WBBSE with PDF | WiN EXAM

0
36

মাধ্যমিক বাংলা – Madhyamik Bengali

প্রলয়োল্লাস - কাজী নজরুল ইসলাম - কবিতা | মাধ্যমিক বাংলা সাজেশন | Madhyamik Bengali Suggestion WBBSE with PDF | WiN EXAM

মাধ্যমিক বাংলা – Madhyamik Bengali অধ্যায় ভিত্তিতে প্রশ্নোত্তর  নিচে দেওয়া হল। এই প্রশ্নোত্তর এবার পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর বাংলা সাজেশন ( WB Madhyamik Bengali Suggestion  | West Bengal Madhyamik Bengali Suggestion | WBBSE Board Class 10th Bengali Question and Answer with PDF file Download)  পরীক্ষার জন্য খুব ইম্পর্টেন্ট । আপনারা যারা আগামী মাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষার জন্য মাধ্যমিক বাংলা সাজেশন  | Madhyamik Bengali Suggestion  | WBBSE Board Madhyamik Class 10th (X) Bengali Suggestion  Question and Answer খুঁজে চলেছেন, তারা নিচে দেওয়া প্রশ্ন ও উত্তর ভালো করে পড়তে পারেন। 

পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর বাংলা নোট / সাজেশন (West Bengal WBCHSE Madhyamik Class X 10th Bengali Notes / Suggestion) | প্রলয়োল্লাস – কাজী নজরুল ইসলাম – কবিতা – MCQ প্রশ্নোত্তর, এককথায় প্রশ্নউত্তর, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নউত্তর, ব্যাখ্যাধর্মী, প্রশ্নউত্তর

পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর বাংলা সাজেশন (West Bengal WBCHSE Madhyamik Class X 10th Bengali Notes / Suggestion) প্রলয়োল্লাস – কাজী নজরুল ইসলাম – কবিতা – MCQ প্রশ্নোত্তর, এককথায় প্রশ্নউত্তর, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নউত্তর, ব্যাখ্যাধর্মী, রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর এবং PDF ফাইল ডাউনলোড লিঙ্ক নিচে দেওয়া রয়েছে।

প্রলয়োল্লাস – কাজী নজরুল ইসলাম – কবিতা

বহুবিকল্পীয় প্রশ্ন (প্রশ্নমান – ১)
সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো
১. ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতাটি কোন কাব্যের অন্তর্গত?
(ক) ভাঙার গান (খ) প্রলয়শিখা (গ) অগ্নিবীণা (ঘ) ছায়ানট
Answer : (গ) অগ্নিবীণা
২. “আসছে এবার অনাগত প্রলয়-নেশার নৃত্য –
(ক) রত (খ) দূত (গ) পাগল (ঘ) মাতন
Answer : (গ) পাগল
৩. “বজ্ৰশিখার মশাল জ্বেলে আসছে
(ক) নতুন (খ) দুর্নিবার (গ) শকট’ (ঘ) ভয়ংকর
Answer : (ঘ) ভয়ংকর
৪. “ঝামর তাহার কেশের দোলায় ঝাপটা মেরে গগন
(ক) মাতায় (খ) জ্বালায় (গ) দুলায় (ঘ) নাচায়
Answer : (গ) দুলায়
৫. “সর্বনাশী জ্বালামুখী ধুমকেতু তার চামর
(ক) দোলায় (খ) বুলায় (গ) ঢুলায় (ঘ) নাচায়
Answer : (গ) ঢুলায়
৬. “অট্টরোলের হট্টগোলে স্তন্ধ –
(ক) বরাকর (খ) চরাচর (গ) গগন (ঘ) অনন্তর
Answer : (খ) চরাচর
৭. “জগৎ জুড়ে কী ঘনিয়ে আসে?
(ক) ঝঞা (খ) প্রলয় (গ) মেঘ (ঘ) বৃষ্টি
Answer : (খ) প্রলয়
৮. “আসবে ঊষা অরুণ হেসে –
(ক) দারুণ বেশে (খ) মোহন বেশে (গ) করুণ বেশে (ঘ) নবীন বেশে
Answer : (গ) করুণ বেশে
৯. দিগম্বরের জটায় কে হাসে?
(ক) শিশু চাঁদের কর (খ) পূর্ণ চাঁদের কর (গ) অর্ধ চাদের কর। (ঘ) ক্ষয়িত চাঁদের কর
Answer : (ক) শিশু চাঁদের কর
১০. কবি সবাইকে কী করতে আহ্বান জানিয়েছেন?
(ক) বিপ্লব করতে (খ) বিদ্রোহ করতে (গ) প্রতিবাদ করতে (ঘ) জয়ধ্বনি করতে
Answer : (ঘ) জয়ধ্বনি করতে
১১. কবিতায় ব্যবহৃত ‘কেতন’ শব্দের অর্থ কী?
(ক) পতাকা (খ) ঘর (গ) নিবাস (ঘ) ব্যজন
Answer : (ক) পতাকা
১২. প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় কোন্ ঝড়ের কথা বলা হয়েছে? _
(ক) টর্নেডো (খ) ঘূর্ণি (গ) কালবৈশাখী (ঘ) ফাপি
Answer : (গ) কালবৈশাখী
১৩. কীসের দোলায় ঝামর ঝাপটা মেরে গগন দুলায়?
(ক) হাওয়ার (খ) কেশের (গ) মেঘের (ঘ) জটার
Answer : (খ) কেশের
১৪. চামর চুলায় কে?
(ক) চন্দ্র (খ) সূর্য (গ) নক্ষত্র (ঘ) ধূমকেতু
Answer : (খ) সূর্য
১৫. বিশ্বপাতার বক্ষ-কোলে কী ঝোলে? –
(ক) ফল (খ) ফুল (গ) মুণ্ডু (ঘ) কৃপাণ
Answer : (ঘ) কৃপাণ
১৬. পিল এস্ত জটায় কী লুটায়?
(ক) হাসি (খ) আনন্দ (গ) কাঁদন (ঘ) বেদন
Answer : (গ) কাঁদন
১৭. কপোল’ শব্দের অর্থ কী? –
(ক) কপাল (খ) গণ্ডদেশ (গ) কাঠের পোল (ঘ) কোনোটিই নয়
Answer : (খ) গণ্ডদেশ
১৮. জীবনহারা অ-সুন্দরকে ছেদন করতে আসছে
(ক) নবীন (খ) প্রবীণ (গ) যুবা (ঘ) শিশু
Answer : (ক) নবীন
১৯. প্রলয় কোথায় উদ্ধা ছুটায়?
(ক) নীল খিলানে (খ) জগৎজুড়ে (গ) লাল খিলানে (ঘ) দিগন্তে
Answer : (ক) নীল খিলানে

অতিসংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (প্রশ্নমান – ১)
১. “তোরা সব জয়ধ্বনি কর!”—কে, কাদের জয়ধ্বনি করতে বলেছেন?
Answer : মুক্তিকামী কবি নজরুল ইসলাম সমগ্র স্বদেশবাসীকে জয়ধ্বনি করতে বলেছেন।
২. “সিন্ধুপারের সিংহদ্বারে ধমক হেনে ভাঙল আগল।”—উদ্ধৃতাংশটিতে ‘সিন্ধুপারের সিংহদ্বারে’ বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
Answer : কবি শব্দবন্ধটি দ্বারা দেশবাসীকে সমুদ্রপারের ইংরেজ রাজশক্তির রাজপ্রাসাদের অবরুদ্ধ দরজাকে নির্দেশ করতে চেয়েছেন।
৩. “বজ্রশিখার মশাল জ্বেলে আসছে ভয়ংকর!”—উদ্ধৃতাংশটিতে কবি ‘ভয়ংকর অভিধায় কাকে নির্দেশ করতে চেয়েছেন?
Answer : উদ্ধৃতাংশটিতে কবি অনাগত সুদিন তথা নতুন মহাকালের বেশে পুরাতনকে ধ্বংস করতে যেভাবে আসছে, তাকে ‘ভয়ংকর’অভিধায় অভিহিত করতে চেয়েছেন।
৪. “সর্বনাশী জ্বালামুখী ধূমকেতু তার চামর ঢুলায়!”—উদ্ধৃতাংশটিতে ‘ধূমকেতু’ ও ‘চামর’ শব্দ দুটির অর্থ কী?
Answer : উদ্ধৃতাংশটিতে ‘ধূমকেতু’ শব্দটি দিয়ে সৌরজগতের জ্যোতির্ময় পদার্থ বিশেষকে এবং ‘চামর’ শব্দটি দিয়ে চমরী গোরুর পুচ্ছ নির্মিত ব্যজন বা পাখাকে নির্দেশ করা হয়েছে।
৫. “দ্বাদশ রবির বহ্নিজ্বালা ভয়াল তাহার নয়নকটায়,”—উদ্ধৃতাংশটিতে যে দ্বাদশ রবির কথা বলা হয়েছে, তাদের নাম উল্লেখ করো।
Answer : কবি উদ্ধৃতাংশে যে পুরাণ কথিত দ্বাদশ রবির কথা উল্লেখ করেছেন তারা হলেন—বিবস্বান, অৰ্যমা, পুষা, ত্বষ্টা, সবিদা, ভগ, ধাতা, বিধাতা, বরুণ, মিত্র, শত্রু, উরুক্রম নামধারী সূর্য।
৬. “দিগম্বরের জটায় হাসে শিশু-চাদের কর”—উদ্ধৃতাংশে কোন্ দেবতার অস্তিত্ব কল্পনা করা হয়েছে?
Answer : উদ্ধৃতাংশে দিগম্বর অর্থাৎ দেবাদিদেব মহাদেবের অস্তিত্ব কল্পনা করা হয়েছে যার শিরচুড়ায় উদীয়মান চাঁদের কল্পনা করা হয়েছে।
৭. “ক্ষুরের দাপট তারায় লেগে উল্কা ছুটায় নীল খিলানে!”—উদ্ধৃতাংশে উল্লিখিত ‘উল্কা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
Answer : উদ্ধৃতাংশে কবি ‘উল্কা’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন মহাকালের যুদ্ধেদ্ধত স্বরূপের তীব্রতা বোঝানোর জন্য। বিজ্ঞানের ভাষায় উল্কা বলতে বোঝায় আকাশের বুকে ভ্রাম্যমাণ অগ্নিপিণ্ড যার মাঝেমধ্যে ভূপৃষ্ঠে পতন ঘটে।
৮. “ধ্বংস দেখে ভয় কেন তোর ?” —ধ্বংস দেখেও তাকে ভয় না-করার কথা বলা হয়েছে কেন?
Answer : কবি যে ধ্বংসের কথা বলেছেন, সেই মহাকালের ভয়ংকর ধ্বংসলীলার মধ্যেও নবসৃষ্টির বীজ নিহিত থাকে। সেইজন্যই কবি এই ধ্বংস দেখে তাকে ভয় না-করার কথা বলেছেন।
৯. “বধূরা প্রদীপ তুলে ধর।”—কীসের জন্য বন্ধুদের প্রদীপ তুলে ধরার কথা বলা হয়েছে?
Answer : মহাকাল ভয়ংকর বেশে অ-সুন্দরকে ধ্বংস করে সুন্দরের প্রতিষ্ঠা করতে আসছে। তাই তার আগমনকে বরণ করে নেওয়ার জন্য বন্ধুদের প্রদীপ তুলে ধরার কথা বলা হয়েছে।
১০. “আসবে উষা অরুণ হেসে”—উষা কখন আসবে?
Answer : কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ নামক কবিতায় তারুণ হেসে ঊষা আসবে মহানিশার শেষে তথা মহারাত্রির পর।
১১. দিগন্তরের কাঁদন কোথায় লুটায়?
Answer : কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় দিগন্তরের কাঁদন পিঙ্গল ত্রস্ত জটায় লুটায়।
১২. রক্তমাখা কৃপাণ কোথায় ঝোলে ?
Answer : বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রলয়োল্লাস’নামক কবিতায় রক্তমাখা কৃপাণ বিশ্বপাতার বক্ষকোলে দোলে।
১৩. কালবৈশাখির ঝড় কীরূপে আসে?
Answer : বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রলয়োল্লাস’কবিতায় কালবৈশাখির ঝড় মহাকালের চণ্ডরুপে আসে। ধোঁয়ায় ধূপের রূপেও আসে।
ব্যাখ্যাভিত্তিক সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (প্রশ্নমান – ৩)
১. “ওই নূতনের কেতন ওড়ে কালবৈশাখির ঝড়।”—উদ্ধৃতাংশটি কোন্ কবিতার অন্তর্গত? প্রসঙ্গ উল্লেখ করে উদ্ধৃতাংশটির তাৎপর্য সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করো। ১+২
২. “আসছে এবার অনাগত প্রলয়-নেশার নৃত্য পাগল, – সিন্ধুপারের সিংহদ্বারে ধমক হেনে ভাঙল আগল!” —উদ্ধৃতাংশটির অন্তর্নিহিত ভাব সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করো।
৩. “মহাকালের চণ্ড-রূপে—ধূম্র-ধূপে বজ্ৰশিখার মশাল জ্বেলে আসছে ভয়ংকর।” — উদ্ধৃতাংশটি কোন কবিতার অন্তর্গত? সংক্ষেপে মহাকালের স্বরূপটি উদঘাটন করো। ১+২
৪. “ঝামর তাহার কেশর দোলায় ঝাপটা মেরে গগন দুলায়, সর্বনাশী জ্বালামুখী ধূমকেতু তার চামর ঢুলায়!” উদ্ধৃতাংশটির অন্তর্নিহিত তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
৫. “দ্বাদশ রবির বহ্নিজ্বালা ভয়াল তাহার নয়নকটায়, দিগন্তরের কাঁদন লুটায় পিঙ্গল তার ত্রস্ত জটায়!” —উদ্ধৃতাংশটির অন্তর্নিহিত ভাব সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করো।
৬. “জগৎ জুড়ে প্রলয় এবার ঘনিয়ে আসে জরায়-মরা মুমূর্ষদের প্রাণ-লুকানো ওই বিনাশে!” —উদ্ধৃতাংশটির অন্তর্নিহিত ভাব সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করো।
৭. “আসবে ঊষা অরূণ হেসে করুণ বেশে! দিগম্বরের জটায় হাসে শিশু-চাঁদের কর—” —উদ্ধৃতাংশটির মূলভাব পরিস্ফুট করো।
৮. “ওই সে মহাকাল-সারথি রক্ত-তড়িৎ চাবুক হানে, রণিয়ে ওঠে হ্রেষার কাঁদন বজ্রগানে ঝড়-তুফানে! ক্ষুরের দাপট তারায় লেগে উল্কা ছুটায় নীল খিলানে!”—উদ্ধৃতাংশটির অন্তর্নিহিত মূলভাবটি সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করো।
৯. “ধ্বংস দেখে ভয় কেন তোর?—প্রলয় নূতন সৃজন-বেদন! আসছে নবীন-জীবনহারা অ-সুন্দরে করতে ছেদন!”—উদ্ধৃতাংশটির মূলভাব সংক্ষেপে ব্যক্ত করো।
১০. “জয় প্রলয়ঙ্কর”—কে, কেন প্রলয়ঙ্করের জয় ঘোষণা করেছেন?
১১. “মাভৈঃ মাভৈঃ”—কোন কারণে কবি নির্ভয় হতে বলেছেন?
১২. “বধূরা প্রদীপ তুলে ধর,”—বধূদের প্রদীপ তুলে ধরার কথা কেন বলা হয়েছে?
রচনাধর্মী প্রশ্ন (প্রশ্নমান – ৫)
১. ‘প্রলয়োল্লাস’কবিতাটি নজরুলের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত? ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতার প্রেক্ষিতে কবি-মানসিকতার সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। ১+8
২. ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতাটির নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।
৩. ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতাটির বিষয়বস্তু সংক্ষেপে বিবৃত করো।
৪. ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতাটি মূলত বিদ্রোহী চেতনা ও পরাধীনতার জ্বালা থেকে উত্থিত মুক্তি চেতনার সমন্বয়।—মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
৫. “তোরা সব জয়ধ্বনি কর!”—কাদের উদ্দেশে কবির এই আহ্বান ? কবিতার ভাববস্তু বিশ্লেষণ করে এই আহ্বানের পুনরাবৃত্তির যৌক্তিকতা প্রতিপন্ন করো।
৬. ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় কবি ভয়ংকরের আগমনের যে বর্ণনা দিয়েছেন, তা লেখো। ২+৩
৭. “তোরা সব জয়ধ্বনি কর! ওই নূতনের কেতন ওড়ে কালবৈশাখির ঝড়।” —উদ্ধৃতাংশটি কোন কবিতার অন্তর্গত? কবি এই কবিতায় নতুনের আগমনকে যে যে স্বরূপে প্রত্যক্ষ করেছেন, তার সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। ১+৪
৮. ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় প্রলয় কীভাবে উল্লাসের কারণ কয়ে উঠেছে, তা সংক্ষেপে লেখো।

পাঠ্যগত ব্যাকরন

বহুবিকল্পীয় প্রশ্ন (প্রশ্নমান – ১)
সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো
কারক-বিভক্তি
১. “ওই নূতনের কেতন ওড়ে কালবৈশাখির ঝড়।”—রেখাঙ্কিত পদটির কারক সম্বন্ধ নির্ণয় করো
(ক) করণকারকে ‘র’ বিভক্তি (খ) কর্মকারকে ‘র’ বিভক্তি (গ) অধিকরণ কারকে ‘র’ বিভক্তি (ঘ) অ-কারক সম্বন্ধপদে ‘র’ বিভক্তি
Answer : (ঘ)
২. “ঝামর তাহার কেশের দোলায় ঝাপটা মেরে গগন দুলায়,”—রেখাঙ্কিত পদটি কোন কারকে, কী বিভক্তি?
(ক) কর্তৃকারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি (খ) কর্মকারকে ‘য়’ বিভক্তি (গ) করণকারকে ‘য়’ বিভক্তি (ঘ) অধিকরণ কারকে ‘য়’ বিভক্তি
Answer : (গ)
৩. “সর্বনাশী জ্বালামুখী ধূমকেতু তার চামর ঢুলায়!”—রেখাঙ্কিত পদটির কারক-সম্বন্ধ নির্ণয় করো।
(ক) করণকারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি (খ) অপাদান কারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি (গ) সম্বন্ধপদে ‘শূন্য’ বিভক্তি (ঘ) সম্বোধন পদে ‘শূন্য’ বিভক্তি
Answer : (ঘ)
৪. “অট্টরোলের হট্টগোলে স্তন্ধ চরাচর”—রেখাঙ্কিত পদটির কারক ও বিভক্তি নির্ণয় করো
(ক) কর্তৃকারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি (খ) কর্মকারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি (গ) করণকারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি (ঘ) অধিকরণ কারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি
Answer : (ঘ)
৫. “সপ্ত মহাসিন্ধু দোলে/কপোলতলে।”—রেখাঙ্কিত পদটির কারক ও বিভক্তি নির্ণয় করো।
(ক) করণকারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি (খ) কর্মকারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি (গ) কর্তৃকারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি (ঘ) অ-কারক সম্বন্ধপদে ‘শূন্য’ বিভক্তি
Answer : (ঘ)
৬. “কাল-ভয়ংকরের বেশে এবার ওই আসে সুন্দর।”—রেখাঙ্কিত পদটির কারক ও বিভক্তি নির্ণয় করো
(ক) কর্মকারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি (খ) কর্তৃকারকে ‘শূন্য’ বিবক্তি (গ) করণকারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি (ঘ) অধিকরণ কারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি
Answer : (খ)
সমাস
৭. “আসছে এবার অনাগত…,”—রেখাঙ্কিত পদটি কোন্ সমাসের উদাহরণ?
(ক) নঞ তৎপুরুষ সমাস (খ) নঞ বহুব্রীহি সমাস (গ) নিত্য সমাস (ঘ) দ্বিগু সমাস
Answer : (ক)
৮. “মহাকালের চণ্ড-রূপে”–‘মহাকাল’ কোন্ সমাস হবে?
(ক) দ্বন্দ্ব সমাস (খ) দ্বিগু সমাস (গ) বহুব্রীহি সমাস (ঘ) কর্মধারয় সামস
Answer : (ঘ)
৯. “বিশ্বপাতার বক্ষ-কোলে”—“বিশ্বপাতা’ পদটির ব্যাসবাক্য কী হবে?
(ক) বিশ্বপাতার ন্যায় (খ) বিশ্বের ন্যায় পাতা (গ) বিশ্বের পাতা (ঘ) বিশ্বরূপ পাতা
Answer : (ঘ)
১০. “বিশ্বমায়ের আসন তারি বিপুল বাহুর পর”~-রেখাঙ্কিত পদটি কোন সমাস হবে?
(ক) সাধারণ কর্মধারয় সমাস (খ) বুক কমায় সাস (গ) উপমান কর্মধারয় সমাস (ঘ) উপমিত কর্মধারয় সমাস
Answer : (খ)
১১. “ওই সে মহাকাল-সারথি রক্ত-তড়িৎ চাবুক হানে”-রক্ত-তড়িৎ’-এর ব্যাসবাক্য কী হবে?
(ক) রক্তরুপ তড়িৎ (খ) রক্ত তড়িতের ন্যায় (গ) রক্তের ন্যায় তড়িৎ (ঘ) রক্ত যে-তড়িৎ
Answer : (ক)
১২. “আসছে নবীন–জীবনহারা অসুন্দরে করতে ছেদন।”–‘জীবনহারা -এর ব্যাসবাক্য কী হবে?
(ক) জীবন যে-হারা (খ) হারা যে-জীবন (গ) হারিয়েছে যে-জীবন (ঘ) জীবনের হারা
Answer : (গ)
১৩. “ভেঙে আবার গড়তে জানে সে চিরসুন্দর!”—রেখাঙ্কিত পদটি কোন সমাস হবে?
(ক) সাধারণ কর্মধারয় সমাস (খ) উপমান কর্মধারয় সমাস (গ) উপমিত কর্মধারয় সমাস (ঘ) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস
Answer : (ঘ)
বাক্য
১৪. “তোরা সব জয়ধ্বনি কর!”—এটি কোন ধরনের বাক্য?
(ক) জটিল বাক্য (খ) যৌগিক বাক্য (গ) প্রশ্নসূচক বাক্য (ঘ) অনুজ্ঞাসূচক বাক্য
Answer : (ঘ)
১৫. “আসছে এবার অনাগত প্রলয়-নেশার নৃত্যপাগল,”—আলংকারিক দিক দিয়ে এটি কোন ধরনের বাক্য?
(ক) প্রশ্নবোধক বাক্য (খ) বিস্ময়সূচক বাক্য (গ) হা-বাচক বাক্য (ঘ) না-বাচক বাক্য
Answer : (গ)
১৬. “ঝামর তাহার কেশের দোলায় ঝাপটা মেরে গগন দুলায়,”—এটি কোন ধরনের বাক্য?
(ক) প্রশ্নবোধক বাক্য (খ) বিস্ময়সূচক বাক্য (গ) নির্দেশক বাক্য (ঘ) অনুজ্ঞাবাচক বাক্য
Answer : (গ)
১৭. “সর্বনাশী জ্বালামুখী ধুমকেতু তার চামর ঢুলায়!”—এটি কোন ধরনের বাক্য?
(ক) না-বাচক (খ) যৌগিক বাক্য (গ) জটিল বাক্য (ঘ) সরলবাক্য
Answer : (ঘ)
১৮. “মাভৈঃ মাভৈঃ! জগৎ জুড়ে প্রলয় এবার ঘনিয়ে আসে”—এটি কোন ধরনের বাক্য?
(ক) প্রশ্নবাচক বাক্য (খ) বিস্ময়বোধক বাক্য (গ) নির্দেশক বাক্য (ঘ) অনুজ্ঞাবাচক বাক্য
Answer : (খ)
১৯. “ভাঙা গড়া খেলা যে তার কিসের তরে ডর?”—এটি কোন ধরনের বাক্য?
(ক) সরলবাক্য (খ) জটিল বাক্য (গ) প্রশ্নবাচক বাক্য (ঘ) বিস্ময়বোধক বাক্য
Answer : (গ)
বাচ্য
২০. “তোরা সব জয়ধ্বনি কর!”—বাক্যটি ভাববাচ্যে হবে
(ক) তোরা সব জয়ধ্বনি করে যা (খ) তোদের দ্বারা জয়ধ্বনি করা হোক (গ) তোদের জয়ধ্বনি করা হোক (ঘ) তোরা জয়ধ্বনি করে চল
Answer : (খ)
২১. “ওই নূতনের কেতন ওড়ে”-ৰাক্যটি কোন বাচ্যে আছে?
(ক) ভাববাচ্যে (খ) কর্তৃবাচ্যে (গ) কর্মবাচ্যে (ঘ) কর্মকর্তৃবাচ্যে
Answer : (ঘ)
২২. “হাসছে ভয়ংকর!”–কর্মবাচ্যে কী হবে?
(ক) ভয়ংকরের হাসা হচ্ছে (খ) ভয়ংকরের দ্বারা হাসা হচ্ছে (গ) ভয়ংকর হেসে উঠছে (ঘ) ভয়ংকরের হেসে ওঠা হচ্ছে
Answer : (খ)
২৩. “ধূমকেতু তার চামর চুলায় !”—বাক্যটি কর্মবাচ্যে হবে
(ক) ধূমকেতুর তার চামর ডুলানো হয় (খ) ধূমকেতুর দ্বারা তার চামর ডুলানো হয় (গ) ধূমকেতু তার চামর দুলিয়ে দেয় (ঘ) ধূমকেতুর তার চামর ডুলিয়ে দেওয়া হয়
Answer : (খ)
২৪. “সপ্ত মহাসিন্ধু দোলে”—বাক্যটি ভাববাচ্যে হবে
(ক) সপ্ত মহাসিন্ধুর দোলা হয় (খ) সপ্ত মহাসিন্ধুর দ্বারা দোলা হয় (গ) সপ্ত মহাসিন্ধু দুলতে থাকে (ঘ) কোনোটিই নয়
Answer : (খ)
২৫. “আসবে উষা অরুণ হেসে”—বাক্যটি ভাববাচ্যে কী হবে?
(ক) ঊষার অরুণ হেসে আসা হবে (খ) উষা আসতে থাকবে অরুণ হেসে (গ) উষার দ্বারা অরুণ হেসে আসা হবে (ঘ) কোনোটিই নয়
Answer : (গ)
২৬. “বধূরা প্রদীপ তুলে ধর”—বাক্যটি কোন বাচ্যে আছে?
(ক) কর্তৃবাচ্যে (খ) কর্মবাচ্যে (গ) ভাববাচ্যে (ঘ) কর্মকর্তৃবাচ্যে
Answer : (ক)

অতিসংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (প্রশ্নমান – ১)
কারক-বিভক্তি
১. “তোরা সব জয়ধ্বনি কর!”—নিম্নরেখাঙ্কিত পদটির কারক-বিভক্তি নির্দেশ করো।
Answer : জয়ধ্বনি—কর্মকারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি।
২. “আসছে এবার অনাগত প্রলয়-নেশার নৃত্য পাগল,”—নিম্নরেখাঙ্কিত পদটির কারক-বিভক্তি নির্ণয় করো।
Answer : অনাগত কর্তৃকারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি।
৩. “মৃত্যু-গহন অন্ধকূপে”–‘অন্ধকূপে’ পদটির কারক-বিভক্তি লেখো।
Answer : অন্ধকূপে-অধিকরণ কারকে ‘এ’ বিভক্তি।
৪. “বজশিখার মশাল জ্বেলে আসছে ভয়ংকর।”—নিম্নরেখাঙ্কিত পদটির কারক-বিভক্তি নির্দেশ করো।
Answer : অন্ধকূপে-অধিকরণ কারকে ‘এ’ বিভক্তি।
৫. “ধূমকেতু তার চামর চুলায়!”—নিম্নরেখাঙ্কিত পদটির কারক-বিভক্তি কী হবে?
Answer : ধূমকেতু–কর্তৃকারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি।’
৬. “বিশ্বপাতার বক্ষ-কোলে”—নিম্নরেখাঙ্কিত পদটির কারক-বিভক্তি নির্দেশ করো।
Answer : বক্ষ-কোলে-অধিকরণ কারকে ‘এ’ বিভক্তি।
৭. “দ্বাদশ রবির বহ্নিজ্বালা ভয়াল তাহার নয়নকটায়,”—নিম্নরেখাঙ্কিত পদটির কারক-বিভক্তি নির্ণয় করো।
Answer : রবির কর্তা সম্বন্ধে ‘র’ বিভক্তি।
৮. “জগৎ জুড়ে প্রলয় এবার ঘনিয়ে আসে”–‘প্রলয়’ পদটির কারক-বিভক্তি কী হবে?
Answer : প্রলয় কর্তৃকারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি।
৯. “দিগম্বরের জটায় হাসে শিশু-চাদের কর”—নিম্নরেখাঙ্কিত পদটির কারক-বিভক্তি নির্দেশ করো।
Answer : দিগম্বরের—অধিকরণ সম্বন্ধে এর’ বিভক্তি জটায়—অধিকরণ কারকে ‘য়’ বিভক্তি।
১০. “আসবে ঊষা অরূণ হেসে”—নিম্নরেখাঙ্কিত পদটির কারক-বিভক্তিনির্দেশ করো।
Answer : ঊষা–কর্তৃকারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি।
সমাস
১১. “জয়ধ্বনি কর!”—নিম্নরেখাঙ্কিত পদটির সমাস নির্ণয় করো।
Answer : জয়ধ্বনি—জয়সূচক ধ্বনি (মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস)।
১২. “আসছে এবার অনাগত প্রলয়-নেশার নৃত্য পাগল,”—নিম্নরেখাঙ্কিত ” পদগুলির ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় করো।
Answer : অনাগত-নয় আগত (নঞ তৎপুরুষ সমাস) প্রলয়-নেশার—প্রলয় সৃষ্টি করে যে নেশা, তার (উপপদ তৎপুরুষ সমাস)।
১৩. “সিন্ধুপারের সিংহদ্বারে”-“সিংহদ্বারে’ পদটির সমাস কী হবে?
Answer : সিংহদ্বারে—সিংহ চিহ্নিত দ্বার, তাতে (মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস)।
১৪. “মহাকালের চণ্ডরূপে”-নিম্নরেখাঙ্কিত পদটির সমাস নির্ণয় করো।
Answer : মহাকালের-মহান যে কাল, তার (উপমান কর্মধারয় সমাস)।
১৫. “বজ্ৰশিখার মশাল জ্বেলে”—রেখাঙ্কিত পদটির সমাস নির্ণয় করো।
Answer : বজ্ৰশিখার—বজের শিখা, তার (সম্বন্ধ তৎপুরুষ সমাস)।
১৬. “দিগন্তরের কাঁদন লুটায়”—নিম্নরেখাঙ্কিত পদটির সমাস নির্দেশ করো।
Answer : দিগন্তরের—অন্য দিক, এর (নিত্য সমাস)।
১৭. “সর্বনাশী জ্বালামুখী ধূমকেতু”—নিম্নরেখাঙ্কিত পদগুলির সমাস নির্ণয় করো।
Answer : সর্বনাশী—সর্বনাশ করে যে (স্ত্রী) (উপপদ তৎপুরুষ সমাস)। জ্বালামুখী—জ্বালাময় মুখ যার (বহুব্রীহি সমাস)।
১৮. “ভয়াল তাহার নয়নকটায়”—নিম্নরেখাঙ্কিত পদটির ব্যাসবাক্যসহ সমাস লেখো।
Answer : নয়নকটায়-নয়নের কটায় (সম্বন্ধ তৎপুরুষ সমাস)।
১৯. “জরায়-মরা মুমূর্যদের প্রাণ-লুকানো”—নিম্নরেখাঙ্কিত পদগুলির সমাস নির্ণয় করো।
Answer : জরায়-মরাজরাজনিত মরা (মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস)। মমুর্ষদের-মৃত্যু আসন্ন যার, তাদের (বহুব্রীহি সমাস)।
২০. “দিগম্বরের জটায় হাসে শিশু-চাঁদের কর”—নিম্নরেখাঙ্কিত পদটির সমাস নির্ণয় করো।
Answer : দিগম্বরের—দিক (শূন্য) অম্বর (বস্ত্র) যার, তার (বহুব্রীহি সমাস)।
শিশু-চাদের–শিশু যে চাদ, তার (উপমান কর্মধারয় সমাস)।

বাক্য
২১. “তোরা সব জয়ধ্বনি কর!”—জটিল বাক্যে পরিণত করো।
Answer : যারা রয়েছিস তারা সব জয়ধ্বনি কর।
২২. “বৰ্জশিখার মশাল জ্বেলে আসছে ভয়ংকর!”—জটিল বাক্যে ও নাস্ত্যর্থক বাক্যে রূপান্তর করো।
Answer : যে ভয়ংকর সে বর্জশিখার মশাল জ্বেলে আসছে। (জটিলবাক্যে)।
বজ্ৰশিখার মশাল না-জ্বেলে ভয়ংকর আসতে পারছে না। (নাস্ত্যর্থক বাক্যে)
২৩. “হাসছে ভয়ংকর!”—জটিল বাক্যে ও নাস্ত্যর্থক বাক্যে রূপ দাও।
Answer : যে ভয়ংকর সে হাসছে। (জটিল বাক্যে) ভয়ংকর না-হেসে পারছে না। (নাস্ত্যর্থক বাক্যে)

২৪. “সর্বনাশী জ্বালামুখী ধূমকেতু তার চামর ডুলায়!”—যৌগিক ও জটিল বাক্যে পরিণত করো।
Answer : ধূমকেতু সর্বনাশী ও জ্বালামুখী এবং সে তার চামর ডুলায়। (যৌগিক বাক্যে) যে ধূমকেতু সর্বনাশী এবং যে ধূমকেতু জ্বালামুখী সেই ধূমকেতু তার চামর চুলায়। (জটিল
২৫. “জরায়-মরা মুমূর্ষদের প্রাণ-লুকানো ওই বিনাশে!”—জটিল বাক্যে কী হবে?
Answer : যারা জরায় মরা এবং যারা মুমূর্ষ তাদের প্রাণ লুকানো ওই বিনাশে।
২৬. “স্তব্ধ চরাচর!”—নাস্ত্যর্থক বাক্যে রূপ দাও।
Answer : চরাচর সরব নয়।
২৭. “আসবে উষা অরূণ হেসে”-নাস্ত্যর্থক বাক্যে লেখো।
Answer : উষা না-অরূণ হেসে আসতে পারবে না।
২৮. “দিগম্বরের জটায় হাসে শিশু-চাদের কর”—জটিল বাক্যে রূপান্তর করো।
Answer : যিনি দিগম্বর তার জটায় হাসে শিশু-চাদের কর।
বাচ্য
২৯. জয়ধ্বনি কর!”–কর্মবাচ্যে লেখো।
Answer : জয়ধ্বনি করা হোক।
৩০. “ওই নূতনের কেতন ওড়ে”–কর্মবাচ্যে রূপ দাও।
Answer : ওই নূতনের কেতন ওড়ানো হয়।
৩১. “আসছে এবার অনাগত”—ভাববাচ্যে পরিণত করো।
Answer : এবার অনাগতের আসা হচ্ছে।
৩২. “বজশিখার মশাল জ্বেলে আসছে ভয়ংকর।”—ভাববাচ্যে রূপান্তর করো।
Answer : বজ্ৰশিখার মশাল জ্বেলে ভয়ংকরের আসা হচ্ছে।
৩৩. “হাসছে ভয়ংকর!”—ভাববাচ্যে কী হবে?
Answer : ভয়ংকরের হাসা হচ্ছে।
৩৪. “সপ্ত মহাসিন্ধু দোলে”—ভাববাচ্যে পরিণত করো।
Answer : সপ্ত মহাসিন্ধুর দোলা হচ্ছে।
৩৫. “আসবে ঊষা অরূণ হেসে”—ভাববাচ্যে রূপান্তর করো।
Answer : অরুণ হেসে উষার আসা হবে।
৩৬. ‘ভরবে এবার ঘর!”—ভাববাচ্যে পরিবর্তন করো।
Answer : এবার ঘর ভরানো হবে।
৩৭. “বধুরা প্রদীপ তুলে ধর।”—কর্মবাচ্যে রূপ দাও।
Answer : বধূদের দ্বারা প্রদীপ তুলে ধরা হোক।
৩৮. “কাল-ভয়ংকরের বেশে এবার ওই আসে সুন্দর!”—ভাববাচ্যে পরিণত করো।
Answer : কাল-ভয়ংকরের বেশে এবার ওই সুন্দরের আসা হচ্ছে।

FILE INFO : Madhyamik Bengali Suggestion – WBBSE with PDF Download for FREE | মাধ্যমিক বাংলা সাজেশন বিনামূল্যে ডাউনলোড | প্রলয়োল্লাস – কাজী নজরুল ইসলাম – কবিতা (অতিসংক্ষিপ্ত ও সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর)

File Details:
PDF Name : প্রলয়োল্লাস – কাজী নজরুল ইসলাম – কবিতা | মাধ্যমিক বাংলা সাজেশন
Language : Bengali
Size : 322.0 kb 
No. of Pages : 9
Download Link : Click Here To Download
বিভিন্ন স্কুল বোর্ড পরীক্ষা, প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার সাজেশন, অতিসংক্ষিপ্ত, সংক্ষিপ্ত ও রোচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তর (All Exam Guide Suggestion, MCQ Type, Short, Descriptive Question and answer), প্রতিদিন নতুন নতুন চাকরির খবর (Job News in Bengali) জানতে এবং সমস্ত পরীক্ষার এডমিট কার্ড ডাউনলোড (All Exam Admit Card Download) করতে winexam.in ওয়েবসাইট ফলো করুন, ধন্যবাদ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here