দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন – বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ – সমস্ত প্রশ্ন উত্তর | WBBSE Class 10th Geography Suggestion PDF

0
38

দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন

WBBSE Class 10th Geography Suggestion

দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন - বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ - সমস্ত প্রশ্ন উত্তর | WBBSE Class 10th Geography Suggestion PDF
দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন – বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ – সমস্ত প্রশ্ন উত্তর | WBBSE Class 10th Geography Suggestion PDF

দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন – WBBSE Class 10th Geography Suggestion – বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ অধ্যায় ভিত্তিতে প্রশ্নোত্তর  নিচে দেওয়া হল। এবার পশ্চিমবঙ্গ দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন পরীক্ষায় এই মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন ( WB WBBSE Class 10th Geography Suggestion  | West Bengal WBBSE Class 10th Geography Suggestion | WBBSE Board Class 10th Geography Question and Answer with PDF file Download) পরীক্ষার জন্য খুব ইম্পর্টেন্ট । আপনারা যারা আগামী দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন পরীক্ষার জন্য দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন  | WBBSE Class 10th Geography Suggestion | WBBSE Board Madhyamik Class 10th (X) Geography Suggestion Question and Answer খুঁজে চলেছেন, তারা নিচে দেওয়া প্রশ্ন ও উত্তর ভালো করে পড়তে পারেন। 

দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন | পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক সাজেশন/নোট (West Bengal WBBSE Class 10th Geography Suggestion / Madhyamik Geography Suggestion) | বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ – MCQ, অতি সংক্ষিপ্ত, সংক্ষিপ্ত ও ব্যাখ্যাধর্মী প্রশ্নউত্তর

পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন (West Bengal WBBSE Class 10th Geography Suggestion / Notes) বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ – প্রশ্ন উত্তর – MCQ প্রশ্নোত্তর, অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর (SAQ), সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর (Short Question and Answer), ব্যাখ্যাধর্মী বা রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর (descriptive question and answer) এবং PDF ফাইল ডাউনলোড লিঙ্ক নিচে দেওয়া রয়েছে

বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ

দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন | বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ – বহু বিকল্পভিত্তিক প্রশ্নোত্তর [MCQ] : [প্রতিটি প্রশ্নের মান-1]

1. বায়ুপ্রবাহের দ্বারা সুক্ষ্ম বালিকণা বহুদুর বাহিত ও সঞ্চিত হয়ে যে ভুমিরূপ গঠন করে তাকে বলে—
[A] ড্রামলিন     [B] সিফ [C] লােয়েস     [D] বাখান

উত্তরঃ [C] লােয়েস

2. পেডিমেন্ট সমভূমির মধ্যে অনুচ্চ পাহাড়গুলিকে বলে—
[A] স্কুপ পর্বত     [B] ভঙ্গিল পর্বত   [C] মােনাক [D] ইনসেলবার্জ

উত্তরঃ [D] ইনসেলবার্জ

3. আবহবিকারের ফলে ভূমিরূপের পরিবর্তন হয়—
[A] ধীরগতিতে।      [B] দ্রুত গতিতে   [C] A ও B উভয় গতিতে     [D] কোনােটিই ঠিক নয়

উত্তরঃ [A] ধীরগতিতে।

4, উপকুল অঞ্চলে হিমবাহের ক্ষয়ের ফলে সৃষ্ট জলমগ্ন উপত্যকাকে বলে—
[A] নিমজ্জিত উপত্যকা।     [B] ঝুলন্ত উপত্যকা [C] সার্ক উপত্যকা      [D] ফিয়র্ড উপত্যকা

উত্তরঃ [D] ফিয়র্ড উপত্যকা

5. একটি আদর্শ নদীর উদাহরণ হল-
[A] সিন্ধু      [B] লুনী [C] তাপ্তী     [D] নর্মদা

উত্তরঃ [A] সিন্ধু

6. ভূপৃষ্ঠস্থ চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহ যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অপসারিত হয়, তাকে বলে—
[A] বিচূর্ণীভবন      [B] নগ্নীভবন [c] অঙ্গারযােজন      [D] ক্ষয়ীভবন

উত্তরঃ [D] ক্ষয়ীভবন

7. মরু অঞ্চলে ভূপৃষ্ঠের সঙ্গে সমান্তরালভাবে অবস্থিত কঠিন ও কোমল শিলা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে যে ভুমিরূপ সৃষ্টি করে তাকে বলে—
[A] জুইগেন     [B] গৌর [C] ইয়াদাং     [D] মােনাক

উত্তরঃ [B] ড্রমলিন

৪. ওলটানাে নৌকোর মতাে ভূমিরূপকে বলা হয়—
[A] এসকার     [B] ড্রমলিন   [C] বােল্ডার ক্লে     [D] বাখান

উত্তর :

9. হিমবাহ থেকে নিঃসৃত জলস্রোতের মাধ্যমে হিমবাহ উপত্যকায় যে সমস্ত পলি সঞ্চিত হয়ে ভূমিরূপ গঠন করে তাকে বলে—
[A] ভ্যালি ট্রেন     [B] মােনাক [C] বােল্ডার ক্লে     [D] ড্রামলিন

উত্তরঃ [C] আর্দ্র অঞলে

10. নদী গঠিত প্লাবনভূমি দেখা যায়—
[A] মেরু অঞ্চলে     [B] শুষ্ক অঞ্চলে [C] আর্দ্র অঞলে     [D] কোনােটিই নয়

উত্তর :

11. কোনটি বহিজাত প্রক্রিয়া নয়— [A] আবহবিকার     [B] পুঞ্জিত ক্ষয় [C] নদীর কাজ [D] ভূমিকম্প

[D] ভূমিকম্প

12. অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ দেখা যায়—
[A] নদীর উচ্চ গতিতে     [B] নদীর মধ্য গতিতে [C] নদীর নিম্নগতিতে     [D] নদীর মধ্য ও নিম্নগতিতে

উত্তরঃ [D] নদীর মধ্য ও নিম্নগতিতে

13. হিমবাহ থেকে নিঃসৃত জলস্রোতের মাধ্যমে হিমবাহ উপত্যকায় যে সমস্ত পলি সঞ্চিত হয় তাকে বলে—
[A] ভ্যালি ট্রেন     [B] বােল্ডার ক্লে [C] ড্রামলিন     [D] পেডিমেন্ট

উত্তরঃ [A] ভ্যালি ট্রেন

14. গৌর ভূমিরূপ গঠিত হয়—
[A] নদীর স্রোতের দ্বারা     [B] সমুদ্র তরঙ্গের দ্বারা।   [c] হিমবাহের দ্বারা। [D] বায়ুর দ্বারা।

উত্তরঃ [D] বায়ুর দ্বারা।

15. প্রবাহমান বায়ুর গতিপথের সঙ্গে সমান্তরালভাবে গড়ে ওঠা বালিয়াড়িকে বলা হয়—
[A] অনুদৈর্ঘ্য বালিয়াড়ি     [B] ভ্রাম্যমান বালিয়াড়ি [C] তির্যক বালিয়াড়ি     [D] কোনােটিই ঠিক নয়

উত্তরঃ [A] অনুদৈর্ঘ্য বালিয়াড়ি

16. ভারতের একটি পিরামিড চূড়ার উদাহরণ হল-
[A] গৌরীশংকর শৃঙ্গ     [B] কাকাবােরাজি শৃঙ্গ   [C] নীলকণ্ঠ শৃঙ্গ [D] দোদাবেতা শৃঙ্গ

উত্তরঃ [C] নীলকণ্ঠ শৃঙ্গ

17. উচ্চ পাবর্ত্য ও উচ্চ অক্ষাংশে অধিক দেখা যায়-
[A] জলের কার্য     [B] তুষারের কার্য   [C] বায়ুর কার্য [D] তাপমাত্রার কার্য

উত্তরঃ [B] তুষারের কার্য

18. বন্যার সময় নদীর দুকুল প্লাবিত হয়ে নদীর তীরবর্তী নিম্নভূমিতে পলি, বালি, কাদা সঞ্চিত হয়ে যে সমভূমির সৃষ্টি হয় তাকে বলে—
[A] উপকূলের সমভূমি      [B] লােয়েশ সমভূমি [C] পলি-প্লাবন সমভূমি     [D] ব-দ্বীপ সমভূমি

উত্তরঃ [C] পলি-প্লাবন সমভূমি

19. যান্ত্রিক আবহবিকার সর্বাধিক ঘটে—
[A] নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলে     [B] মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে [C] মরুভূমি অঞলে।     [D] কোনােটিই ঠিক নয়।

উত্তরঃ [C] মরুভূমি অঞলে।

20. ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার সমভূমিটি একটি –
[A] ব-দ্বীপ সমভূমি।     [B] প্লাবন সমভূমি। [C] লােয়েশ সমভূমি।     [D] কোনােটিই ঠিক নয়

উত্তরঃ [B] প্লাবন সমভূমি।

21. পৃথিবীর বৃহত্তম উচ্চ মালভূমি হল—
[A] আরব মালভূমি।     [B] পামির মালভূমি [C] তিব্বত মালভূমি     [D] ছােটোনাগপুর মালভূমি

উত্তরঃ [C] তিব্বত মালভূমি

দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন | বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ – অতিসংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্নোত্তর : [প্রতিটি প্রশ্নের মান-1]

1. দুটি বা তার বেশি সার্ক পাশাপাশি গঠিত হলে দুটি সার্কের মধ্যবর্তী স্থান উঁচু হয়ে শিরার মতাে অবস্থান করলে তাকে বলে –

উত্তর : অ্যারেট।

2. রাজস্থানের চলন্ত বালিয়াড়িকে বলে __________________

উত্তর : প্রিয়ান।

3. বায়ুর কাজ প্রাধান্য লাভ করে ___________ অঞ্চলে।

উত্তর : মরু।

4. পেডিমেন্টের নীচে গঠিত লবণাক্ত জলের হ্রদকে বলে _______________

উত্তর : প্লায়া।

5. দুটি সি বালিয়াড়ির মাঝের অংশের নাম _______________

উত্তর : করিডোের।

6. ভূ-পৃষ্ঠের ওপরে সংঘটিত ভূমিরূপ প্রক্রিয়া হল ___________________ প্রক্রিয়া।

উত্তর : বহির্জাত।

দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন | বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ – একটি বা দুটি শব্দে উত্তর দাও

1. একটি বহিজাত প্রক্রিয়ার উদাহরণ দাও।

উত্তর : নদীর কাজ।

2. একটি লােয়েস সমভূমির উদাহরণ দাও।

উত্তর : উত্তর চিনের হােয়াংহাে নদী অববাহিকায় বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে লােয়েস সমভূমি গঠিত হয়েছে।

3. রাজস্থানের মরু অঞ্চলের চলমান বালিয়াড়িকে কী বলে?

উত্তর : রাজস্থানের মরু অঞ্চলের চলমান বালিয়াড়িকে প্রিয়ান বলে।

4. পৃথিবীর সৃদৃশ্য জলপ্রপাতটির নাম কী ?

উত্তর : পৃথিবীর সৃদৃশ্য জলপ্রপাতটির নাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নায়াগ্রা জলপ্রপাত।

5. প্রান্ত গ্রাবরেখা কাকে বলে?

উত্তর : হিমবাহবাহিত পাথর-নুড়ি, কাঁকর প্রভৃতি যখন হিমবাহের সামনে বা শেষপ্রান্তে সঞ্চিত হয়, তখন তাকে প্রান্ত গ্রাবরেখা বলে।

6. তির্যক বালিয়াড়ির আর এক নাম কী?

উত্তর : তির্যক বালিয়াড়ির আর এক নাম খান।

7. পৃথিবীর মরু খাতটি কোথায় অবস্থিত?

উত্তর : পৃথিবীর বৃহত্তম মরুখাতটি শিরের কাতারায় অবস্থিত।

৪. হিমশৈল কী?

উত্তর : সমুদ্রে ভাসমান বিশালাকৃতি বরফের স্তুপকে বলে হিমশৈল। হিমশৈলের মাত্র 1/9 ভাগ জলের ওপরে ভেসে থাকে।

9. একটি লাভা গঠিত মালভূমির উদাহরণ দাও।

উত্তর : দাক্ষিণাত্য মালভূমির উত্তর-পশ্চিমাংশে অবস্থিত মহারাষ্ট্রের লাভা মালভূমি বা ডেকানট্র্যাপ লাভা মালভূমির উদাহরণ।

10. দুটি পবর্তবেষ্টিত মালভূমির উদাহরণ দাও।

উত্তর : তিব্বতের মালভূমি এবং ইরাকের মালভূমি হল দুটি পর্বতবেষ্টিত মালভূমির উদাহরণ।

11. চুতিরেখা ও তিতল কী?

উত্তর : ভূত্বকে যে রেখা বরাবর চ্যুতি ঘটে, তাকে চ্যুতিরেখা এবং যে তলে চ্যুতি ঘটে, তাকে চুতিতল বলে।

12. দুটি জীবন্ত আগ্নেয়গিরির উদাহরণ দাও।

উত্তর : দুটি জীবন্ত আগ্নেয়গিরির উদাহরণ হল-(i) ইতালির ভিসুভিয়াস এবং (ii) ভারতের ব্যারেন।।

13. প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা’ কী?

উত্তর : প্রশান্ত মহাসাগরকে বলয়ের মতাে ঘিরে রয়েছে যে আগ্নেয়গিরি মণ্ডল, তাকেই ‘প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেঘলা’ বলে।

14. ভারতের উচ্চতম জলপ্রপাত কোনটি?

উত্তর : ভারতের উচ্চতম জলপ্রপাতটি হল যােগ বা গেরসােপ্পা জলপ্রপাত। এর উচ্চতা 253 মিটার।

15. ক্যাটার্যাক্ট কী?

উত্তর : জলপ্রপাতের বিপুল পরিমাণে জল প্রবাহিত হলে তাকে ক্যাটার্যাক্ট বলে।

16. কোন শিলায় জীবাশ্ম দেখতে পাওয়া যায় ?

উত্তর : পাললিক শিলায় জীবাশ্ম দেখতে পাওয়া যায়।

17. কী কী প্রক্রিয়ায় শিলা রূপান্তরিত হয়?

উত্তর : (i) চাপ, (i) তাপ ও (ii) রাসায়নিক প্রক্রিয়ার প্রভাবে শিলা রূপান্তরিত হয়।

18. হর্নব্লেন্ড কী?

উত্তর : হর্নব্লেন্ড একটি রূপান্তরিত শিলা। আগ্নেয়শিলা অগাইট রূপান্তরিত হলে হর্নব্লেন্ড সৃষ্টি হয়।

19. জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট কী জাতীয় পর্বর্ত?

উত্তর : জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট একটি স্তুপ পর্বত।

20. গ্রাবেন কী?

উত্তর : যে গ্রস্থ উপত্যকার দু’পাশে স্তুপ পর্বৰ্ত থাকে, তাকে গ্রাবেন জাতীয় গ্রস্ত উপত্যকা বলে।

21. ক্ষয়জাত পর্তকে অবশিষ্ট পর্বত বলা হয় কেন?

উত্তর : মূল পর্বত বা মালভূমির অবশিষ্ট অংশ নিয়ে গঠিত হয় বলে ক্ষয়জাত পর্বতের অপর নাম অবশিষ্ট পর্বত।

22. পৃথিবীর বৃহত্তম মালভূমির নাম কী ?

উত্তর : পৃথিবীর বৃহত্তম মালভূমি হল তিব্বত মালভূমি।

23. একটি উন্নত ও একটি অবনত সমভূমির উদাহরণ দাও।

উত্তর : উন্নত সমভূমি—মেক্সিকো উপসাগরের তীরবর্তী উপসাগরীয় সমভূমি। অবনত সমভূমি—তুরানের নিম্নভূমি।

24. পৃথিবীর কোন অঞ্চলে রাসায়নিক আবহবিকার সবচেয়ে বেশি হয় ?

উত্তর : উয়-আর্দ্র ক্রান্তীয় জলবায়ু অঞ্চলে রাসায়নিক আবহবিকার সবচেয়ে বেশি হয়।

25. হিমবাহ সমভূমির উদাহরণ দাও।

উত্তর : উত্তর আমেরিকার প্রেইরি ভূমির উত্তরাংশ ও উত্তর ইউরােপের সমভূমিগুলি হিমবাহ সমভূমির প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

26. ভারতের সর্ববৃহৎ সঞ্জয়জাত সমভূমি কোনটি?

উত্তর : ভারতের সর্ববৃহৎ সঞ্চয়জাত সমভূমিটি হল—উত্তর-পূর্ব ভারতের সমভূমি। এর অন্য নাম সিন্ধু-ব্রম্মপুত্র-গঙ্গা সমভূমি।

27. ভারতের প্রাচীনতম ভঙ্গিল পর্বত কোনটি?

উত্তর : ভারতের প্রাচীনতম ভঙ্গিল পর্বতটি হল আরাবল্লি।

28. পৃথিবীর বৃহত্তম গিরিখাত বা ক্যানিয়ন কোনটি?

উত্তর : আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের কলােরাডাে নদীর গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন।

29. নদীর কোন প্রবাহে জলপ্রপাতের সৃষ্টি হয়?

উত্তর : নদীর পার্বত্য প্রবাহে জলপ্রপাতের সৃষ্টি হয়।

দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন | বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ – সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্নোত্তর : [প্রতিটি প্রশ্নের মান-2]

1. পর্যায়ন’ কাকে বলে ?

উত্তর : অসমতল ও বন্ধুর ভূমির ক্ষয়সীমার সাপেক্ষে ক্ষয়, বহন ও সঞ্চয়ের মাধ্যমে সমতলে পরিণত হলে তাকে পর্যায়ন’ বলে। দুটি সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া-অবরােহণ ও আরােহণের সম্মিলিত ফল হল পর্যায়ন। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বহির্জাত প্রক্রিয়া কার্যকর হয়।

2. ‘অবরােহণ’ (Degradation Process) প্রক্রিয়া বলতে কী বােঝাে?

উত্তর : যে সমস্ত বহির্জাত প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার দ্বারা ভূ-পৃষ্ঠের উচ্চতা পর্যায়ক্রমিকভাবে হ্রাস পায়, তাকে অবরােহণ প্রক্রিয়া বলা হয়। শিলাবিকার, পুঞ্জিত ক্ষয় এবং ক্ষয়ী ভবনের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

3. ‘আরােহণ’ (Aggradation Process) প্রক্রিয়া বলতে কী বােঝাে?

উত্তর : যে সমস্ত বহির্জাত প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার দ্বারা ভূ-পৃষ্ঠের উচ্চতা সাময়িকভাবে বৃদ্ধি পায়, তাকে আরােহণ প্রক্রিয়া বলা হয়। এর অপর নাম সয়। নদী, বায়ুপ্রবাহ, হিমবাহ, ভৌমজল ইত্যাদি প্রাকৃতিক শক্তি ক্ষয়জাত পদার্থ নীচু স্থানে সঞ্জিত করে ক্রমশ উঁচু হয়ে ওঠে।

4. পর্যায়িত নদী (Graded Stream) কাকে বলে?

উত্তর : যদি কোনাে নদী তার ক্ষমতা অনুযায়ী যতটুকু বস্তৃভার বহন করা সম্ভব ততটুকু বস্তুভার বহন করে তাকে তখন পৰ্যায়িত নদী বলা হয়। ডেভিসের মতে পর্যায়িত নদী হল এমন একটি নদী যার, ক্ষয়সাধন, পরিবহন এবং অবক্ষেপন কার্যের মধ্যে সামঞ্জস্য আছে।

5. নগ্নীভবন’ (Denudation) কাকে বলে?

উত্তর : বহির্জাত অবরােহণ প্রক্রিয়ায় আবহবিকার, পুঞ্জিত ক্ষয় ও ক্ষয়ীভবন—এই তিনটি পদ্ধতির যৌথ ক্রিয়াশীলতায় ভূ-পৃষ্ঠের উপরিভাগের শিলাস্তর বিচ্ছিন্ন হয়ে অবসারিত হয়ে এবং নীচের শিলাস্তর ভূ-পৃষ্ঠে উন্মুক্ত হলে, এই অবরােহণ প্রক্রিয়াকে নগ্নীভবন বলা হয়।

সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্নোত্তর : [প্রতিটি প্রশ্নের মান-2]

1. জলবিভাজিকা কী?

উত্তর : যে উচ্চভূমি পাশাপাশি অবস্থিত দুই বা ততােধিক নদী অববাহিকা বা নদীগােষ্ঠীকে পৃথক করে, তাকে জলবিভাজিকা বলে। উদাহরণ—হিমালয়, বিন্ধ্য, সাতপুরা, পশ্চিমঘাট পর্বত প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ। জলবিভাজিকা।

2. নদী অববাহিকা কাকে বলে?

উত্তর : একটি প্রধান নদী তার উপনদী, শাখানদী, প্রশাখানদী মিলিয়ে যতটুকু স্থান অধিকার করে আছে, তা হল ওই প্রধান নদীর অববাহিকা। উদাহরণ—গঙ্গা অববাহিকা ভারতের বৃহত্তম নদী অববাহিকা।

3. ধারণ অববাহিকা কাকে বলে?

উত্তর : নদীর উৎস অঞ্চলের অববাহিকাতে বহু ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জলধারা বা শীর্ষনদী একত্রে মিলিত হয়ে নদীরূপে একটি নির্দিষ্ট খাতে নীচের দিকে প্রবাহিত হয়। নদীর উৎস। অণ্ডলে এই অববাহিকাকে ধারণ অববাহিকা বলে।

4. ষষ্ঠ-ঘাতের সূত্রটি কী?

উত্তর : নদীর গতিবেগের সঙ্গে বহন ক্ষমতার সুনির্দিষ্ট সম্পর্ক আছে। দেখা গেছে নদীর গতিবেগ দ্বিগুণ হলে তার বহন ক্ষমতা 64 গুণ বা 2° হারে বেড়ে যায়। ইহাই যষ্ঠঘাতের সূত্র নামে পরিচিত। 1842 সালে W. Hopkins এই সূত্রের ব্যাখ্যা দেন।

5. নদী উপত্যকা কাকে বলে?

উত্তর : উৎস থেকে মােহানা গতিপথের দু’পাশের উচ্চভূমির মাঝে যে দীর্ঘ ও সংকীর্ণ নিম্নভূমির মধ্যদিয়ে নদীর জলধারা প্রবাহিত হয়, তাকে নদী উপত্যকা বলে।

6. নদীর ক্ষয়সীমা বলতে কী বােঝাে?

উত্তর : নদী ভূ-পৃষ্ঠে যে উচ্চতা পর্যন্ত ক্ষয় করতে সক্ষম, সেই উচ্চতাকে নদীর ক্ষয়সীমা বলে। সাধারণভাবে নদীর ক্ষয়সীমা হল সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা। আবার মরু অঞ্চলে নদীর ক্ষয়সীমা হল প্লায়া হ্রদ।

7. কিউসেক ও কিউমেক কী?

উত্তর : এটি হল নদীর জলপ্রবাহ পরিমাপের একক। কিউসেক হল কিউবিক ফুট/সেকেন্ড। আর মেট্রিক পদ্ধতিতে কিউমেক হল কিউবিকমিটার/সেকেন্ড।

৪. সমপ্ৰায় ভূমি কী ?

উত্তর : বৃষ্টিবহুল আর্দ্র অঞ্চলে নদীর জলপ্রবাহ, বৃষ্টির জল ও অন্যান্য প্রাকৃতিক শক্তির প্রভাবে, প্রাচীন মালভূমি, উচ্চভূমি দীর্ঘদিন ধরে ক্ষয়প্রাপ্ত হতে হতে এক সময় উঁচু। নীচু ঢেউ খেলানাে বা প্রায় সমতলভূমিতে পরিণত হলে তাকে সমপ্ৰায় ভূমি বলে।

9. পাখির পায়ের মতাে ব-দ্বীপ কীভাবে সৃষ্টি হয়?

উত্তর : মূল নদী তথা প্রধান নদী বহু শাখা-প্রশাখায় বিভক্ত হয়ে পাখির পায়ের আঙুলের মতাে দীর্ঘ ও সংকীর্ণ হয়ে সমুদ্রের দিকে এগােলে নদীর সঞ্চয়কার্যে এরূপ ব-দ্বীপের সৃষ্টি হয়। যেমন—মিসিসিপি-মিসৌরী ব-দ্বীপ।

দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন | বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ – ব্যাখ্যামূলক উত্তরভিত্তিক প্রশ্নোত্তর :[প্রতিটি প্রশ্নের মান-3]

1. জলপ্রপাত সৃষ্টির কারণগুলি আলােচনা করাে।

উত্তর : নদীর প্রবাহপথে বিভিন্ন কারণে জলপ্রপাত সৃষ্টি হতে পারে। যেমন—(i) চ্যুতির ফলে নদীর গতিপথে খাড়া ঢাল সৃষ্টি হলে। (i) নদী গতিপথে কঠিন ও কোমলশিলা অনুভূমিক, উল্লম্ব বা তির্যকভাবে অবস্থান করলে বৈষম্যমূলক ক্ষয়ের ফলে ঢাল উৎপন্ন হয়ে জলপ্রপাত সৃষ্টি হয়। (i) নদী হিমবাহ সৃষ্ট ঝুলন্ত উপত্যপার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হলে এবং (iv) নদীর পূর্ণযৌবন লাভের ফলে সৃষ্ট নিক্ বিন্দুতে জলপ্রপাত সৃষ্টি হয়।

2. নদীর নিম্নগতিতে বন্যা হয় কেন?

উত্তর : সমভূমি প্রবাহে তথা নিম্নপ্রবাহে নদীর গতিবেগ একেবারে কমে যায় এবং নদী কেবল সঞ্চয়কার্য করতে থাকে। ফলে এই সময় নদীখাতের গভীরতা হ্রাস পায়। হঠাৎ কোনাে কারণে নদীতে জলের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে (অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত) অতিরিক্ত জল নদীঘাত ছাপিয়ে পার্শ্ববর্তী উপত্যকা অলকে প্লাবিত করে। এই কারণে নদীর নিম্ন প্রবাহে বন্যা হয়। গঙ্গা, ব্ৰক্ষ্মপুত্র নদীর নিম্নপ্রবাহের উপত্যকা অঞ্চলগুলি অত্যধিক বন্যাপ্রবণ।

3. ব-দ্বীপের শ্রেণিবিভাগ করাে।

উত্তর : আকৃতি অনুযায়ী ব-দ্বীপ চার প্রকার। (i) ধনুকাকৃতি ব-দ্বীপ—ব-দ্বীপের সমুদ্রমুখী। বহিরেখা ধনুকের আকৃতির হয়। হােয়াংহাে নদী ব-দ্বীপ এইরূপ। (ii) পাখির পায়ের ন্যায় ব-দ্বীপ—মূল নদী বহুশাখায় বিভক্ত হয়ে পাখির পায়ের ন্যায় ব-দ্বীপ তৈরি করে। যেমন—মিসিসিপি-মিসৌরী ব-দ্বীপ। (iii) করাতের দাঁতের মতাে ব-দ্বীপ মােহানায় প্রবল সমুদ্রতরঙ্গের আঘাতে নদীর পলি দুদিকে ছাপিয়ে এরুপ ব-দ্বীপ গঠন করে। যেমন—ইতালির তাইবার ব-দ্বীপ। (iv) খাড়ীয় ব-দ্বীপ—খাঁড়ির মধ্যে এইরূপ ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়। যেমন—ফ্রান্সের সীন নদীর ব-দ্বীপ।

4. বর্তমানে সুন্দরবনের লােহাচড়া, নিউমুর, ঘােড়ামারা দ্বীপের ওপর জলবায়। পরিবর্তনের প্রভাব আলােচনা করাে।

উত্তর : (i) লােহাচড়া দ্বীপ : হুগলি নদীর মােহনায় এই দ্বীপটি 2006 সালে সমুদ্রজলতল বৃদ্ধি, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে অবলুপ্ত হয়। 6000 জনবসতিকে স্থানান্তরিত হতে হয়।

     (ii) নিউমুর দ্বীপ : 10,000 বর্গমিটার এলাকায় দ্বীপটি 1970 সালে হাড়িয়াভাঙা নদীর মােহনায় জেগে উঠলেও 2010 সালে জলতলবৃদ্ধির কারণে তা ডুবে যায়।

     (iii) ঘােড়ামারা দ্বীপ : 1975 সালে ৪.5 বর্গকিমি ক্ষেত্রফল বিশিষ্ট দ্বীপটি বর্তমানে উপকুল ক্ষয়, জলতল বৃদ্ধির কারণে সংকীর্ণ হয়ে পড়েছে। এর প্রথম ক্ষেত্রফল মাত্র 4.4 বর্গকিমি।

দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন | বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ – রচনাধর্মী উত্তরভিত্তিক প্রশ্নোত্তর : [ প্রতিটি প্রশ্নের মান-5]

1. নদীর ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্টভূমিরূপগুলি আলােচনা করাে।

উত্তর : নদীর ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরুপগুলি নিম্নে আলােচনা করা হলাে-

     (i) শৃঙ্খলিত বা আবদ্ধ শৈলশিরা : পার্বত্য অংশে নদী পথের বাধা স্বরূপ শৈলশিরা বা পাহাড় থাকলে । এড়িয়ে যাবার জন্য নদী এঁকে বেঁকে প্রবাহিত হয়। তখন শৈলশিরা- গুলিকে দূর থেকে আবদ্ধ মনে হয়। এটি হল আবদ্ধ বা শৃঙ্খলিত শৈলশিরা। উদাঃ—তিস্তা নদীর ( আবদ্ধ শৈলশিরা পার্বত্য অংশে এই প্রকার ভূমিরূপ দেখা যায় )।

     (ii) র্যাপিডস বা খরস্রোত : নদীগর্ভে পর্যায়ক্রমে কঠিন ও কোমল শিলা অবস্থান করলে কঠিন শিলা অপেক্ষা কোমল শিলা বেশি ক্ষয় পেয়ে ধাপের সৃষ্টি করে, ফলে নদীর জল ধাপে ধাপে নেমে আসে। একে র্যাপিডস বা খরস্রোত বলে। উদাঃ—আফ্রিকার জাইরে নদীতে 32টি খরস্রোত সৃষ্টি হয়েছে।

     (iii) জলপ্রপাত : পার্বত্য প্রবাহে নদীর তলদেশের ঢাল হঠাৎ বিচ্যুত হলে বিচ্যুত তলের ওপর জলরাশি নীচে পতিত হলে তাকে জলপ্রপাত বলে। কঠিন ও কোমল শিক্ষা পাশাপাশি অবস্থান করলে এরূপ জলপ্রপাত সৃষ্টি হয়। দক্ষিণ আমেরিকার ভেনেজুয়েলার রিওকরােনি নদীর সান্টোঅ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত পৃথিবীর উচ্চতম জলপ্রপাত (উচ্চতা 979 মিঃ)।

     (iv) প্রপাতকূপ বা প্রাপুল : জলপ্রপাতের পাদদেশে সৃষ্ট ঘূর্ণাবর্তের মধ্যস্থিত নুড়ি বা শিলা পাক খেতে খেতে ঘর্ষণের ফলে ভূমিশিলায় যে গর্তের সৃস্টি হয় তাকে প্রপাতকূপ বা প্রাপুল বলে।

     (v) মন্থকূপ বা পটহােল : প্রবলবেগে প্রবাহিত নদীর তলদেশ বা পার্শ্বদেশে জলাবর্তের সৃষ্টি হলে সেখানে নুড়ি বা শিলার ঘর্ষণের ফলে যে গর্তের সৃষ্টি হয় তাকে মন্থকূপ বা পটহােল বলে। উদাহরণ-ঝাড়খণ্ডের খরকাই নদীগর্ভে অসংখ্য মন্থকূপ দেখা যায়।

2. নদীর সঞ্চয়কাজের ফলে কী কী ভূমিরূপ গড়ে ওঠে আলােচনা করাে।

উত্তর : নদীর সঞ্চয়কাজের ফলে গঠিত ভূমিরুপগুলি নিয়ে আলােচনা করা হল-

     (i) পলল শঙ্কু ও পলল ব্যজনী : নদী পার্বত্য অঙুল থেকে সমভূমিতে পৌঁছানাের সময় পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষয়জাত পদার্থসমূহ পাদদেশে সঞ্চিত হয়ে যে ত্রিকোণাকার ভূমিরূপ গড়ে তােলে তাকে পলিশ বলে। একাধিক পলিশঙ্কু পাশাপাশি অবস্থান করলে তাকে পলল ব্যজনী ও পলল শঙ্কু বলে।

     (ii) নদী বাঁক বা মিয়েল্ডার : মধ্য ও নিম্নপ্রবাহে নদীর গতিবেগ কম থাকায় সামান্য বাধার সম্মুখীন হলে নদী গতিপথের পরিবর্তন ঘটিয়ে এঁকে বেঁকে প্রবাহিত হয়। একে নদী বাঁক বলে। তুরস্কের নদী মিয়েন্ডারেস এর নামানুসারে এই ভূমিরূপের নাম মিয়েন্ডার। উদাঃ—জলঙ্গী নদীতে অসংখ্য নদীবাঁক দেখা যায়।

     (iii) অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ : মধ্য ও নিম্নগতিতে ঘােড়ার ক্ষুরের ন্যায় যে পরিত্যক্ত নদীঘাত দেখা যায় তাকে অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ বলে। মধ্য ও নিম্নগতিতে নদী ক্ষয়জাত পদার্থসমূহ নিয়ে এঁকে বেঁকে প্রবাহিত হতে। হতে হঠাৎ সােজা পথে অগ্রসর হলে নদীবাঁকের একটি অংশ মূল প্রবাহ হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ সৃষ্টি করে। উদাঃ–গঙ্গা নদীর নিম্নপ্রবাহে দেখা যায়।

     (iv) প্লাবনভূমি ও (v) স্বাভাবিক বাঁধ : সমভূমি প্রবাহে নদীখাতের গভীরতা কমে যাওয়ায়। নদীর জল হঠাৎ বৃদ্ধি পেলে অতিরিক্ত জল নদীখাত ছাপিয়ে পার্শ্ববর্তী অঞ্জল প্লাবিত করে এবং নদীবাহিত পলি, বালি, কাদা সঞ্চিত হয়ে প্লাবনভূমির সৃষ্টি করে। উদাঃ–গঙ্গা নদীর সমভূমি প্রবাহে প্লাবনভূমি দেখা যায়। স্বাভাবিক ধাঁধ ও বনভূমি

বারংবার নদীতে প্লাবনের সময় পার্শ্ববর্তী অণ্ডলে একাধিকবার পলি জমা হবার ফলে নদী এবং প্লাবনভূমির মধ্যবর্তী অঞ্চলে একটু বেশি উচ্চতাসম্পন্ন ভূমির সৃষ্টি হয়, একে স্বাভাবিক বাঁধ বলে।
উদাঃ—নীলনদের গতিপথে এইরকম অনেক স্বাভাবিক বাঁধ দেখা যায়।

     (vi) খড়ি : শেষ প্রান্তে মােহানায় নদী যেখানে সাগরে মেশে সেখানে ফানেল আকৃতির চওড়া নদী মােহানাকে খাঁড়ি বলে।

     (vii) ব-দ্বীপ : মােহানার কাছে নদীর গতিবেগ কমে গিয়ে বস্তৃভার নদীবক্ষে সঞ্চয় করে গ্রিক অক্ষর ডেল্টা-র (4) ন্যায় বা বাংলার মাত্রাহীন ‘ব’-এর মতাে যে দ্বীপ গঠন করে তাকে ব-দ্বীপ বলে। উদাঃ–গঙ্গা ব্রহ্মপুত্র নদীর ব-দ্বীপ পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ।

দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন | বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ – ভূমিরূপের পরিবর্তনে হিমবাহের ভূমিকা

দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন | বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ – সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্নোত্তর : [প্রতিটি প্রশ্নের মান-2]

1. হিমরেখা কাকে বলে?

উত্তর : অত্যধিক শীতলতার জন্য যে সীমারেখার ওপরে সারাবছর বরফ জমে থাকে এবং যে রেখার নীচে বরফ গলে জলে পরিণত হয়, সেই কাল্পনিক রেখাকে হিমরেখা বলে। হিমালয়ের পার্বত্য অঞ্চলে হিমরেখার গড় উচ্চতা স্থানবিশেষে 4000- 5000 মিটার। আবার তীব্র শীতলতার জন্য মেরু অঞ্চলে হিমরেখা প্রায় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতায় থাকে।

2. আইস শেল কাকে বলে?

উত্তর : দক্ষিণ আন্টার্কটিকা মহাদেশে উপকূলের সঙ্গে সংযুক্ত যে বরফের পাত দেখা যায়, সেই বরফের পাতটিকে আইস শেলফ বলে। যেমন—আন্টার্কটিকার রস ও রনি আইস শেলফ।

3. হিমযুগ কাকে বলে?

উত্তর : বর্তমান সময় থেকে প্রায় 50 লক্ষ বছর পূর্বে প্লিস্টোসিন উপযুগে পৃথিবীর অধিকাংশ স্থান বরফাবৃত ছিল, এই সময়কে হিমযুগ বলে। আর দুটি হিমযুগের মধ্যবর্তী সময়কে অন্তর্বর্তী হিমযুগ বলা হয়।

4. নেভে ও ফার্ন কী?

উত্তর : হিমরেখা ঊর্ধ্বে প্রবল শৈত্যের কারণে সদ্য পতিত তুষার হালকা পেঁজা তুলাের মতাে হয়, একে ‘নেভে’ বলে। নেভের ঘনত্ব থাকে 0.06 থেকে 0.16 সেমি। নেভের ওপর পুনরায় তুষারপাতে নীচের তুষারে ঘনত্ব ও দৃঢ়তা বাড়ে, একে বলে ফার্ণ। ফার্ণের ঘনত্ব 0.72 থেকে 0.9 সেন্টিমিটার হয়।

5. হিমানী সম্প্রপাত বলতে কী বােঝাে?

উত্তর : উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে হিমবাহের বিশাল বরফের স্তুপ যখন ভূমিকম্প বা অধিক তুষারপাত বা ঢালের স্থিতিস্থাপকতা নষ্টের ফলে পর্বতের ঢাল বরাবর পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে পর্বতের পাদদেশে নেমে আসে, তাকে হিমানী সম্প্রপাত বলে। এটি হল একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ।

6. আমলক তল (Mammillated surface) কী?

উত্তর : আমলক তল সাধারণত হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে গঠিত হয়। প্রবহমান হিমবাহের তলদেশে যে সকল প্রস্তর-খণ্ড থাকে তাদের ঘর্ষণে পর্বতগাত্রের শিলাস্তরে আঁচড় কাটার দাগ পড়ে এবং এই অলের শিলা মিশ্রিত হয়। একে আমলক তল বলে।

7. হিমর্সিড়ি বলতে কী বােঝাে?

উত্তর : হিমবাহ উপত্যকার লম্বচ্ছেদ অসমতল ও অপর্যায়িত হয়। তবে কখনাে কখনােও লম্বচ্ছেদ মসৃণ ও অবতলাকৃতি হয়। হিমবাহ উপত্যকার অসমতল তলে সিঁড়ির মতাে ধাপের সৃষ্টি হয়, তাকে হিমসিঁড়ি বলে। হিমসিড়ির তিনটি অংশ। যথা— রাইজার, রিগেল ও ট্রেড।

8. নুনাটা কাকে বলে?

উত্তর : মহাদেশীয় হিমবাহের প্রান্তভাগে অগভীর বরফের স্তুপযুক্ত পর্বতগুলি মাঝে মাঝে বরফহীন হয়ে অবস্থান করে। মেরু অঞ্চলের তুষারক্ষেত্রের বরফমুক্ত শৃঙ্গগুলি নুনাটাকস নামে পরিচিত। উদাঃ—কুমেরুর প্রদেশের মাউন্ট তার্কাহি।

9. ‘ড্রমলিন’ কাকে বলা হয় ?

উত্তর : বিভিন্ন আকৃতির শিলাখণ্ড এবং নুড়ি, বালি, পলি ইত্যাদি হিমবাহ বাহিত পদার্থ। পর্বতের পাদদেশে সঞ্চিত হয়ে উলটানাে নৌকা বা উলটানাে চামচের মতাে ভূমিরূপ তৈরি করলে, তাকে ড্রামলিন বলে। ড্রামলিনের দৈর্ঘ্য 1-3 কিমি, প্রস্থ 300-600 মিঃ এবং উচ্চতা 60 মিঃ পর্যন্ত হয়।

10. বহিঃধৌত সমৃভমি কাকে বলে?

উত্তর : প্রান্তদেশে হিমবাহ গলতে শুরু করলে গলিত জল হিমবাহ বাহিত নুড়ি, বালি, পলিকে বিস্তীর্ণ অঞ্চলে চাদরের ন্যায় সgয় ঘটায়। এরফলে পর্বতের পাদদেশে যে সমভূমি গড়ে ওঠে তাকে বহিঃধৌত সমভূমি বা আউটওয়াশ প্লেন বলা হয়।

11. কর্তিত স্পার বা কর্তিত শৈলশিরা কী ?

উত্তর : উপত্যকার মধ্যদিয়ে হিমবাহ অগ্রসর হওয়ার সময় স্পার বা পর্বতের অভিক্ষিপ্তাংশে তীক্ষ্ম ও মসৃণভাবে ক্ষয় করে। এই স্পারগুলিকেই বলা হয় কর্তিত স্পার বা কর্তিত শৈলশিরা।

দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন | বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ – ব্যাখ্যামূলক উত্তরভিত্তিক প্রশ্নোত্তর : [প্রতিটি প্রশ্নের মান-3]

1. ঝুলন্ত উপত্যকায় জলপ্রপাত সৃষ্টি হয় কেন?—ব্যাখ্যা করাে।

উত্তর : ঝুলন্ত উপত্যকায় জলপ্রপাত সৃষ্টির কারণগুলি নিম্নরূপ-
(i) কর্তিত স্পার বরাবর মূল হিমবাহের গভীর উপত্যকা ও উপহিমবাহের দ্বারা গঠিত অগভীর উপত্যকার মধ্যে উচ্চতার উল্লম্ব ব্যবধান সৃষ্টি হয়ে জলপ্রপাত সৃষ্টি করে। (ii) বায়ুর উয়তার বৃদ্ধি পেলে হিমবাহ গলে গিয়ে বরফ গলা জলধারার সৃষ্টি হয়। (iii) বরফগলা জলধারা ঝুলন্ত উপত্যকা বরাবর প্রবাহিত হয়ে মূল হিমস্রোণীর ওপর জলপ্রপাতের সৃষ্টি করে।

2. গ্রাবরেখার শ্রেণিবিভাগ আলােচনা করাে।

উত্তর : পার্বত্য অঞ্চলে নানা আকৃতির বিচ্ছিন্ন ও ক্ষয়প্রাপ্ত শিলাখণ্ড, নুড়ি, কাকড়, বালি, কাদা-হিমবাহের সাথে স্তুপাকারে সঞ্চিত হতে হতে নীচের দিকে অগ্রসর হয়। একে গ্রাবরেখা বলে। একে নানাভাগে ভাগ করা হয়। যথা—(1) বিচলনশীল গ্রাবরেখা : (i) পার্শ্ব গ্রাবরেখা (ii) মধ্য গ্রাবরেখা (iii) হিমপৃষ্ঠ গ্রাবরেখা (iv) হিমাবদ্ধ গ্রাবরেখা (v) ভূমি গ্রাবরেখা।
(2) অবক্ষিপ্ত গ্রাবরেখা-(i) প্রান্ত গ্রাবরেখা (ii) বিরাম গ্রাবরেখা (iii) ঠেলা গ্রাবরেখা, (iv) অবিন্যস্ত গ্রাবরেখা। (v) রােজেন গ্রাবরেখা (vi) স্তরায়িত সামুদ্রিক গ্রাবরেখা (vii) বলয়ধর্মী গ্রাবরেখা।।

ভূমিরূপের পরিবর্তনে হিমবাহের ভূমিকা—বায়ুর কাজ

দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন | বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ – সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্নোত্তর : [প্রতিটি প্রশ্নের মান-2]

1. আর্গ বা কুম কী?

উত্তর : বায়ুর অপসারণ কার্যের ফলে বালি দিয়ে ঢাকা ছােটো ছােটো যে ভূমির সৃষ্টি হয় তাকে আর্গ বলে। সাহারা মরুভূমিতে এটি আর্গ এবং তুর্কিস্থানে এটি কুম নামে পরিচিত।

2. গাসি কী?

উত্তর : বায়ুপ্রবাহের সমান্তরালে দীর্ঘ ও সংকীর্ণ শৈলশিরার মতাে বালির পাহাড়গুলিকে সিফ বালিয়াড়ি বলে। এই সিফ বালিয়াড়ির মধ্যবর্তী করিডােরগুলি সাহারায় ‘গাসি’ নামে পরিচিত। এই করিডােরগুলি যাতায়াতের মাধ্যম হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

3. সিফ বালিয়াড়ি কাকে বলে?

উত্তর : বায়ুপ্রবাহের গতিপথের সঙ্গে সমান্তরাল গঠিত দীর্ঘাকৃতি বালিয়াড়িকে সিফ বা অনুদৈর্ঘ্য বালিয়াড়ি বলে। এদের আকৃতি তরােয়ালের মতাে বলে ভূবিজ্ঞানী ব্যাগনল্ড এর নামকরণ করেন সিফ বালিয়াড়ি। এগলির উচ্চতা কয়েকশাে মিটার ও দৈর্ঘ্য কয়েক কিমি থেকে কয়েকশাে কিমি হয়। এর শীর্ষদেশ তীক্ষ্ণরু হয়। এরা একে অপরের সমান্তরালে গড়ে ওঠে।

4. মরুখাত বা ব্লো-আউট কাকে বলে ?

উত্তর : মরু অঞ্চলে প্রবল বায়ুপ্রবাহের দ্বারা কোনাে একটি অঞ্চল থেকে হাজার হাজার টন বালুকারাশি অপসৃত হলে সেখানে অবনতভূমি বা খাতের সৃষ্টি হয়। এই প্রকার খাত বা অবনতভূমি ব্লোআউট বলে। মিশরের কাতারা হল পৃথিবীর বৃহত্তম মরুখাত।

5. রেগ কী?

উত্তর : বিভিন্ন আকৃতির প্রস্তর খণ্ড দিয়ে গঠিত ও পাথুরে মরুভূমিকে আলজিরিয়াতে রেগ বলা হয়। লিবিয়া ও মিশরে এটি সেরীয় এবং অস্ট্রেলিয়ায় গিবার বলা হয়।

6. দুটি করে ক্রান্তীয় ও নাতিশীতােয় মরুভূমির নাম লেখাে।

উত্তর : ক্রান্তীয় মরুভূমি ও উয় মরুভূমি—(i) আফ্রিকার উত্তর সাহারা মরুভূমি। (ii) উত্তর আমেরিকা সােনেরান মরুভূমি।
নাতিশীতােয় মরুভূমি- (i) দক্ষিণ আমেরিকার প্যাটাগােনিয়া মরুভূমি। (ii) এশিয়ার গােবি ও তাকলামাকান মরুভূমি।

দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন | বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ – ব্যাখ্যামূলক উত্তরভিত্তিক প্রশ্নোত্তর :[প্রতিটি প্রশ্নের মান-3]

1. মরু অঞ্চলে বায়ুর কাজ সর্বাধিক কেন?

উত্তর : মরু অঞ্চলে বায়ুর কাজ সর্বাধিক হবার কারণগুলি হল—

     (i) যান্ত্রিক আবহবিকার : মরু অঞ্চলে সর্বাধিক পরিমাণে যান্ত্রিক আবহবিকার সংঘটিত হওয়ার প্রচুর বালুকারাশি উৎপন্ন হয়।

     (ii) স্বল্প বৃষ্টিপাত : স্বল্প বৃষ্টিপাতের কারণে উদ্ভিদহীন পরিবেশে বায়ু বাধাহীনভাবে প্রবল গতিতে প্রবাহিত হতে পারে।

     (iii) উদ্ভিজ্জ আবরণের অভাব : গাছপালা না থাকায় উন্মুক্ত ভূ-পৃষ্ঠে বায়ু সহজেই নানা পরিবর্তন ঘটিয়ে থাকে।

     (iv) শিথিল ভূপৃষ্ঠ : ভূ-পৃষ্ঠের শিথিল উপরিভাগ বায়ুর কার্যের সহায়ক।

2. টীকা লেখাে : ‘লােয়েশ।

উত্তর : লােয়েশ : মরুভূমি ও মরুপ্রায় অঞ্জলের হলুদ ও ধূসর বর্ণের ক্যালশিয়াম কার্বনেট (CaCO3), কোয়ার্টজ, ফেলপার ডলােমাইট সমৃদ্ধ শিথিল সূক্ষ্ম (20-25 মাইক্রোমিটার) পলিকনা হলাে লােয়েশ। বায়ু দ্বারা বাহিত হয়ে এই পলিকণা অন্যত্র সঞ্চিত হলে তাকে লােয়েশ ভূমি বলে। মধ্য এশিয়ার গােবি মরুভূমি থেকে বায়ুকারাশি উড়ে চিনের হােয়াংহাে নদী অববাহিকায় সঞ্চিত হয়ে লােয়েশ সমভূমি গড়ে উঠেছে।

3. টীকা লেখাে : ‘বাখান’।

উত্তর : বাখান : বায়ুর গতিপথের সঙ্গে লম্বভাবে অবস্থিত অপ্রতিসম, অর্ধচন্দ্রাকৃতি উত্তল অংশ বিশিষ্ট বালিয়াড়িকে বাখান বলে। এর সামনের দিক উত্তল এবং পিছনের দিক অবতল হয়। বাখানের দুই প্রান্তে শিং-এর মতাে দুটি শিরা দেখা যায়। এর উচ্চতা 10-30 মিটার এবং প্রস্থ 40-70 মিটার। উদাহরণ : সাহারা মরুভূমিতে অসংখ্য বাখান দেখা যায়।

4. মরুসম্প্রসারণের কারণ এবং এর প্রতিরােধের উপায়গুলি কী কী?

উত্তর : মরু সম্প্রসারণের কারণগুলি হল—(i) বিশ্ব উষ্যায়ন : এটি মরুভূমিকরণের প্রধান কারণ। (ii) খরা : মরু প্রায় অঞ্চলে দীর্ঘ দিন খরা চললে তা মরুগ্রাসে পড়ে। (iii) পশুচারণ : এর ফলে মাটি আলগা হয়ে যায়। (iv) বৃক্ষচ্ছেদন : গাছপালা কেটে ফেললে মরুকরণ দ্রুত হয়। (v) অবৈজ্ঞানিক প্রথায় চাষাবাদ।

মরুকরণ প্রতিরােধের উপায়গুলি হল : (i) চেক ড্যাম : বৃষ্টির জল ধরে রাখার জন্য চেক ড্যাম নির্মাণ দরকার। (ii) গ্রিন ওয়াল নির্মাণ : গাছের বেড়া লাগাতে হবে। (iii) ঘাস রােপণ : অগভীর বালিস্তরে মুনা জাতীয় ঘাস লাগাতে হবে। (iv) পশুচারণ নিয়ন্ত্রণ দরকার। (v) উন্নত ফসলের চাষ : জমির লবণতা কমাতে বিভিন্ন প্রকার ফসলের চাষ করতে হবে।
5. বাখান এবং সিফ বালিয়াড়ির মধ্যে পার্থক্যগুলি আলােচনা করাে।

         উত্তর : বাখান এবং সিফ বালিয়াড়ির মধ্যে পার্থক্যগুলি-

বিষয়    বাখান    সিফ বালিয়াড়ি
(i) অর্থ    বাখান শব্দের অর্থ বালির পাহাড়।    ফরাসি শব্দ ‘বিউট’ এর অর্থ ‘টিবি’।
(ii) শব্দগত উৎপত্তি    বায়ুর গতিপথের সাথে আড়াআড়ি    মেসার ক্ষুদ্র সংস্করণ বিউট।
(iii) অবস্থান    পার্শ্বদেশ মালভূমির মত খাড়া।    ততটা খাঢ়া পার্শ্বদেশ নয়।
(iv) আকৃতি    লােকালয় গড়ে ওঠে।    লােকালয় গড়ে ওঠে না।

6. মেসা এবং বিউট-এর মধ্যে পার্থক্যগুলি লেখাে।

উত্তর : মেসা এবং বিউট-এর মধ্যে পার্থক্যগুলি হল-

    
বিষয়    মেসা    বিউট
(i) সংজ্ঞা    স্পেনীয় শব্দ ‘Mesa’-র অর্থ হল ‘টেবিল।    ফরাসি শব্দ ‘বিউট’ এর অর্থ ‘টিবি’।
(ii) আকৃতি    মেসা আকৃতিতে বৃহৎ।    মেসার ক্ষুদ্র সংস্করণ বিউট।
(iii) ঢাল    পার্শ্বদেশ মালভূমির মত খাড়া।    ততটা খাঢ়া পার্শ্বদেশ নয়।
(iv) বসতি    লােকালয় গড়ে ওঠে।    লােকালয় গড়ে ওঠে না।

দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন | বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ – রচনাধর্মী উত্তরভিত্তিক প্রশ্নোত্তর : [প্রতিটি প্রশ্নের মান-5]

1. বায়ুর ক্ষয়কার্যের ফলে গঠিত ভূমিরূপগুলি আলােচনা করাে।

উত্তর : বায়ুর ক্ষয়কার্যের ফলে গঠিত ভূমিরূপগুলি হল নিম্নরূপ-

     (i) অপবাহন সৃষ্ট গর্ত বা বেসিন : প্রবল বায়ুপ্রবাহে বালিস্তর অপসারিত হয়ে কোনাে কোনাে স্থানে গর্ত বা অবনমিত অঞ্চল সৃষ্টি করলে তাকে বলা হয় অপবাহন সৃষ্ট গর্ত। ভারতে এটি ধান্দ নামে পরিচিত। আমেরিকার মন্টানা থেকে টেক্সাস পর্যন্ত এরূপ অনেক অপবাহন গর্ত দেখতে পাওয়া যায়।

     (ii) জুগ্যান : মরু অঞ্চলে কঠিন ও কোমল শিলা অনুভূমিক ভাবে অবস্থান করলে কঠিন শিলার দারন বা ফাটল বরাবর বায়ুক্ষয় করে নরম শিলা ক্ষয় করতে থাকে। ফলে কঠিন শিলায় চ্যাপ্টা মাথা বিশিষ্ট যে ভূমিরূপ গঠন করে তাকে জুগ্যান বলা হয়। উদাহরণ : কালাহারি মরুভূমিতে দেখা যায়।

     (iii) ইয়াদাং :মর অলে কঠিন ও কোমল শিলা পাশাপাশি উল্লম্বভাবে অবস্থান করলে বৈষম্যমূলক ক্ষয়ের ফলে কঠিন কোমল শিলা শিলায় প্রাচীর ও কোমলশিলায় খাত সৃষ্টি করে। একে ইয়ার্দাং বলে। উদাহরণ : সাহারা, গােবি ও সােনেরান মরুভূমিতে দেখা যায়।

     (iv) ভেন্টিফ্যাক্ট ও (v) ড্রেইকান্টার : মরুভূমি অঞ্চলে অনেক সময় একদিকে বায়ু প্রবাহের ফলে অবঘর্ষ প্রক্রিয়ায় শিলার একদিক ক্ষয় পেয়ে মসৃণ হলে তা ব্রাজিল নাটের ন্যায় দেখতে হয়ে থাকে। একে ভেন্টি ফ্যাক্ট বলে। অপরদিকে বিভিন্ন দিকে বায়ু প্রবাহের ফলে শিলার দুই বা তিন দিক মসৃণ হয়ে যে ভুমিরুপ গঠন করে তাকে ড্রেইকান্টার বলে। কালাহারি মরুভূমিতে ভেন্টিফ্যাক্ট ও সাহারায় ড্রেইকান্টার দেখতে পাওয়া যায়।

     (vi) ইনসেলবার্জ : অনেক সময় মরুভূমি অঞ্জলে স্থানে স্থানে দণ্ডায়মান উচ্চ পাহাড়গুলি বায়ুর অবঘর্ষ প্রক্রিয়ায় ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে অনুচ্চ ক্ষয়ীভূত টিলার ন্যায় আকার ধারণ করে। এদের ঢাল কম বেশি হয় অথচ এদের উচ্চতা খুব কম ও গােলাকার দেখতে হয়, এদের বলা হয় ইনসেলবার্জ। উদাহরণ : কালাহারি মরুভূমিতে ইনসেলবার্জ দেখা যায়।

2. বায়ু এবং জলধারার মিলিত কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপগুলি আলােচনা করাে।

উত্তর : মরু ও মরুপ্রায় অঞ্চলে বৃষ্টিপাত খুব কম হলেও আবহবিকার বায়ু ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে ভূমিরূপের পরিবর্তন হয়। নীচে ভুমিরুপগুলি সংক্ষেপে আলােচনা করা হলাে-

     (i) ওয়াদি : মরুভূমির শুষ্ক নদীখাত হল ওয়াদি। ওয়াদির মধ্যে দিয়ে স্থায়ী নদী ইলের প্রবাহিত হয় না। ‘ওয়াদি’ একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ ‘শুষ্ক উপত্যকা। থর মরুভূমিতে একে ‘না’ বলা হয়।

     (ii) পেডিমেন্ট : মরুভূমি মধ্যস্থিত পর্বতের পাদদেশে বায়ু প্রবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে একপ্রকার প্রায় সমতল ভূমির সৃষ্টি হয়, একে বলে পেডিমেন্ট। এর ঢাল 1.5°7° পর্যন্ত হয়। উদাহরণ : আফ্রিকার সাহারা মরুভূমির মধ্যস্থিত আফ্রিকার সাহারা মরুভূমির মধ্যস্থিত উত্তর পশ্চিম প্রান্তে পেডিমেন্ট লক্ষ করা যায়।

     (iii) বাজাদা : মরু অঞ্চলের পর্বতের পাদদেশে বায়ু ও জলধারার মিলিত কাজের ফলে যে বালুময় সমতল ভূমির সৃষ্টি হয়, তাকে বাজাদা বলে। বাজাদা সূক্ষ্ম পলি ও বালি দ্বারা গঠিত। বাজাদার তলদেশে থাকে পেডিমেন্টের আবৃত অংশ। বাজাদা মূলত বায়ুর সঞ্চয়কার্যের ফলে গঠিত হয়। বাজাদার ঢাল কম, প্রায় 4°।

     (iv) প্লায়া : মরুভূমির পাহাড় ঘেরা অবনমিত তালগুলিতে জল জমে যে হ্রদ তৈরি করে তাকে প্লায়া বলে। এই হ্রদগুলির লবণাক্ত ও কর্মস্তর দ্বারা বেষ্টিত। এটি দক্ষিণ আমেরিকায় ‘স্যালিনা’, আরব অঞ্চলে ‘সবখা’ বা ‘শট’ নামে পরিচিত। উদাহরণ : আরাবল্লী পর্বতে অবস্থিত। সম্বর’ হ্রদ একটি প্লায়া হ্রদ।

     (v) পলল ব্যাজনী : মরু ও মরুপ্রায় অঞলে উচ্চভূমির পাদদেশে নুড়ি, বালি ও পলি গঠিত ত্রিকোণাকার ভূমি হল পলল ব্যজনী।

FILE INFO : WBBSE Class 10th Geography Suggestion with PDF Download for FREE | দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন বিনামূল্যে ডাউনলোড | বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ – প্রশ্ন উত্তর – MCQ প্রশ্নোত্তর, অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নউত্তর, ব্যাখ্যাধর্মী, প্রশ্নউত্তর

File Details:
PDF Name : দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন – বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ – সমস্ত প্রশ্ন উত্তর | WBBSE Class 10th Geography Suggestion PDF
Language : Bengali
Size : 1.2 MB
No. of Pages : 18
Download Link : Click Here To Download

পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক  ভূগোল পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্ন উত্তর ও শেষ মুহূর্তের সাজেশন ডাউনলোড। দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন পরীক্ষার জন্য সমস্ত রকম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। West Bengal Madhyamik  Geography Suggestion Download. WBBSE Madhyamik Geography short question suggestion. WBBSE Class 10th Geography Suggestion download. Madhyamik Question Paper Geography. WB Madhyamik 2019 Geography suggestion and important questions. WBBSE Class 10th Geography Suggestion  pdf.

Get the WBBSE Class 10th Geography Suggestion by winexam.in

 West Bengal WBBSE Class 10th Geography Suggestion  prepared by expert subject teachers. WB Madhyamik Geography Suggestion with 100% Common in the Examination.

Class 10th Geography Suggestion

West Bengal Madhyamik  Geography Suggestion Download. WBBSE Madhyamik Geography short question suggestion. WBBSE Class 10th Geography Suggestion  download. Madhyamik Question Paper Geography.

বিষয় দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন – বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ – প্রশ্ন উত্তর |  WB Madhyamik Geography Suggestion

দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন (Madhyamik Geography) বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ – প্রশ্ন উত্তর

দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন | বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ

দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক বোর্ডের (WBBSE) সিলেবাস বা পাঠ্যসূচি অনুযায়ী  দশম শ্রেণির ভূগোল বিষয়টির সমস্ত প্রশ্নোত্তর। সামনেই মাধ্যমিক পরীক্ষা, তার আগে winexam.in আপনার সুবিধার্থে নিয়ে এল দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন সাজেশান – বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ – প্রশ্ন উত্তর । ভূগোলে ভালো রেজাল্ট করতে হলে অবশ্যই পড়ুন । আমাদের দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন

দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন | বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ

আমরা WBBSE মাধ্যমিক পরীক্ষার ভূগোল বিষয়ের – বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ – প্রশ্ন উত্তর – সাজেশন নিয়ে বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ – প্রশ্ন উত্তর নিয়ে আলোচনা করেছি। আপনারা যারা এবছর দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন পরীক্ষা দিচ্ছেন, তাদের জন্য আমরা কিছু প্রশ্ন সাজেশন আকারে দিয়েছি. এই প্রশ্নগুলি পশ্চিমবঙ্গ দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন পরীক্ষা  তে আসার সম্ভাবনা খুব বেশি. তাই আমরা আশা করছি Madhyamik ভূগোল পরীক্ষার সাজেশন কমন এই প্রশ্ন গুলো সমাধান করলে আপনাদের মার্কস বেশি আসার চান্স থাকবে।

WiN EXAM Institute

 এই (দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন – বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ – সমস্ত প্রশ্ন উত্তর | WBBSE Class 10th Geography Suggestion PDF) পোস্টটি থেকে যদি আপনার লাভ হয় তাহলে আমাদের পরিশ্রম সফল হবে। আরোও বিভিন্ন স্কুল বোর্ড পরীক্ষা, প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার সাজেশন, অতিসংক্ষিপ্ত, সংক্ষিপ্ত ও রোচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তর (All Exam Guide Suggestion, MCQ Type, Short, Descriptive Question and answer), প্রতিদিন নতুন নতুন চাকরির খবর (Job News in Geography) জানতে এবং সমস্ত পরীক্ষার এডমিট কার্ড ডাউনলোড (All Exam Admit Card Download) করতে winexam.in ওয়েবসাইট ফলো করুন, ধন্যবাদ।
Tags:Geography ix, Geography x, Geography class ix, Geography class x, Geography ix and x, Geography nine and ten, Geography nine, Geography ten, Geography class nine, Geography class ten, Geography class nine and ten, class ix geograpgy, class x Geography, class ix and x Geography, wbbse, syllabus, madhyamik Geography, madhyamik Bhugol, Bhugol madhyamik, class x Bhugol, madhyamiker Bhugol, madhyomik Bhugol, madhyomik Geography, nobom shreni Bhugol, doshom shreni Bhugol, nobom and doshom shreni Bhugol, nabam shreni Bhugol, dasham shreni Bhugol, exam preparation, examination preparation, gr D preparation, group D preparation, preparation, rail, net, set, wbcs, psc, ssc, csc, upsc, poriksha prostuti, pariksha prastuti, দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন, দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন, মাধ্যমিক মাধ্যমিক, নবম শ্রেণি ভূগোল, দশম শ্রেণি ভূগোল, নবম শ্রেণি ভূগোল, দশম শ্রেণি ভূগোল, ক্লাস টেন ভূগোল, মাধ্যমিকের ভূগোল, ভূগোল মাধ্যমিক – বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ, দশম শ্রেণী – বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ, মাধ্যমিক ভূগোল বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ, ক্লাস টেন বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ, Madhyamik Geography – বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ, Class 10th বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ, Class X বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ, জিওগ্রাফি, মাধ্যমিক জিওগ্রাফি, পরীক্ষা প্রস্তুতি, রেল, গ্রুপ ডি, এস এস সি, পি, এস, সি, সি এস সি, ডব্লু বি সি এস, নেট, সেট, চাকরির পরীক্ষা প্রস্তুতি, Madhyamik Suggestion, Madhyamik Suggestion , Madhyamik Suggestion , West Bengal Secondary Board exam suggestion, West Bengal Secondary Board exam suggestion , WBBSE,  WBBSE , মাধ্যমিক সাজেশান, মাধ্যমিক সাজেশান , মাধ্যমিক সাজেশান , মাধ্যমিক সাজেশন, দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন সাজেশান , দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন সাজেশান , দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন , দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন, মধ্যশিক্ষা পর্ষদ, Madhyamik Suggestion Geography , WBBSE Class 10th Geography Suggestion , WBBSE Class 10th Geography Suggestion

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here