প্রবন্ধ রচনা - দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা সাজেশন | HS Class 12 Bengali Suggestion PDF
প্রবন্ধ রচনা - দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা সাজেশন | HS Class 12 Bengali Suggestion PDF

প্রবন্ধ রচনা – দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা সাজেশন

HS Class 12 Bengali Suggestion PDF

প্রবন্ধ রচনা – দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা সাজেশন | HS Class 12 Bengali Suggestion PDF : প্রবন্ধ রচনা দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা সাজেশন ও অধ্যায় ভিত্তিতে প্রশ্নোত্তর নিচে দেওয়া হল।  এবার পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষায় বা দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা পরীক্ষায় ( WB HS Class 12 Bengali Suggestion PDF  | West Bengal HS Class 12 Bengali Suggestion PDF  | WBCHSE Board Class 12th Bengali Question and Answer with PDF file Download) এই প্রশ্নউত্তর ও সাজেশন খুব ইম্পর্টেন্ট । আপনারা যারা আগামী দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা পরীক্ষার জন্য বা উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা  | HS Class 12 Bengali Suggestion PDF  | WBCHSE Board HS Class 12th Bengali Suggestion  Question and Answer খুঁজে চলেছেন, তারা নিচে দেওয়া প্রশ্ন ও উত্তর ভালো করে পড়তে পারেন। 

প্রবন্ধ রচনা – দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা সাজেশন | পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা সাজেশন/নোট (West Bengal Class 12 Bengali Question and Answer / HS Bengali Suggestion PDF)

পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা সাজেশন (West Bengal HS Class 12 Bengali Suggestion PDF / Notes) প্রবন্ধ রচনা – প্রশ্ন উত্তর – MCQ প্রশ্নোত্তর, অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর (SAQ), সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর (Short Question and Answer), ব্যাখ্যাধর্মী বা রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর (descriptive question and answer) এবং PDF ফাইল ডাউনলোড লিঙ্ক নিচে দেওয়া রয়েছে

প্রবন্ধ রচনা

১. প্রিয় কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর – বাংলা রচনা । 

উত্তরঃ জন্ম : ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দে ৭ মে । জোড়াসাঁকো , কলকাতা । 

পিতা – মাতা : পিতা — মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর , মাতা — সারদা দেবী । 

শিক্ষা : ওরিয়েন্টাল সেমিনারি ও পরে নর্মাল স্কুল , গৃহশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে শিক্ষাগ্রহণ । 

প্রথাগত শিক্ষা : ১৮৬৮ খ্রিস্টাব্দে ওরিয়েন্টাল সেমিনারি স্কুলে ভরতি হন কিন্তু প্রথাগত শিক্ষা অসম্পূর্ণ রাখেন । প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা অসম্পূর্ণ থাকলেও বাড়িতে যোগ্য গৃহশিক্ষকদের অধীনে বিভিন্ন বিষয়ের পাঠগ্রহণ করেছিলেন । 

ব্যক্তিজীবন : ১৮ বছর বয়সে প্রথম বিলাত যান । ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দে বিবাহ হয় ভবতারিণী দেবীর সঙ্গে । ভবতারিণীর নতুন নাম হয় মৃণালিনী । ১৮৮৪ খ্রিস্টাব্দে বৌঠান কাদম্বরী দেবী আত্মহত্যা করেন । ১৮৮৪ খ্রিস্টাব্দে পিতার নির্দেশে জমিদারি দেখাশোনার ভার গ্রহণ করতে হয় ।

কর্মজীবন : সাহিত্যকর্ম ছাড়াও শান্তিনিকেতনে ‘ ব্রহ্মচর্য বিদ্যালয় ‘ তথা বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠা করেন । ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে ‘ নাইট ‘ উপাধি ত্যাগ করেন । 

উল্লেখযোগ্য রচনা : ‘ সোনার তরী ‘ , ‘ গীতাঞ্জলি ’ , ‘ মুক্তধারা ‘ , ‘ রক্তকরবী ‘ , ‘ চোখের বালি ’ , ‘ গোরা ’ , ‘ ছুটি ’ , ‘ গুপ্তধন ’ , ‘ শিক্ষা ’ , ‘ কালাস্তর ’ ইত্যাদি । কাব্য , নাটক , উপন্যাস , ছোটোগল্প , প্রবন্ধ সাহিত্যের সমস্ত শাখাতেই তিনি সমুজ্জ্বল । 

সম্মান ও স্বীকৃতি : সারাজীবন তিনি বহু সম্মান ও স্বীকৃতি পেয়েছিলেন । উল্লেখযোগ্য হলো ১৯১০ খ্রিস্টাব্দে ১৩ নভেম্বর ‘ Gitanjali ( Song Offerings ) সূত্রে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ।

২. জগদীশচন্দ্র বসু – বাংলা রচনা । 

উত্তরঃ জন্ম : ১৮৫৮ সালের ৩০ নভেম্বর । ময়মনসিংহ , আদি নিবাস ঢাকা জেলার উত্তর রাড়িখাল গ্রাম । 

পিতা : ভগবানচন্দ্র বসু । 

শিক্ষা : ফরিদপুর শহরে ঈশান বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষাগ্রহণ , কেমব্রিজ থেকে বি.এ. এবং লন্ডন থেকে বি.এস.সি। ১৮৮৫ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক । 

আবিষ্কার : বিদ্যুৎ , চুম্বকতরঙ্গ , উদ্ভিদ ও প্রাণীর পেশির মধ্যে তুলনামূলক ও শারীরবিদ্যা বিষয়ক গবেষণা , বিনা তারে বার্তা প্রেরণ । 

সাহিত্যপ্রীতি : রবীন্দ্রনাথ ও জগদীশচন্দ্রের পত্র বিনিময় , জগদীশচন্দ্রের সাহিত্যপ্রীতি ‘ অব্যক্ত ‘ গ্রন্থ । 

৩. প্রশ্ন প্রণব মুখোপাধ্যায় – বাংলা রচনা ।

উত্তরঃ জন্ম : ১১ ডিসেম্বর ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দে বীরভূম জেলা মিরাট গ্রামে । 

পিতা মাতা পিতা : কামদাকিঙ্কর মুখোপাধ্যায় , মাতা রাজলক্ষ্মী দেবী । 

শিক্ষাজীবন : সিউড়ির বিদ্যাসাগর কলেজ , কলকাতা বিদ্যালয় । 

কর্মজীবন : শিক্ষকতা করেন বাঁকুড়া ইসলামিয়া হাইস্কুল , ‘ দেশের ডাক ’ পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত হওয়া । পরবর্তীতে নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনের সভাপতি হন । বিদ্যাসাগর কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক ।

রাজনৈতিক কর্মজীবন : ১৯৬৯ সালে কংগ্রেস দলের প্রতিনিধি , ১৯৮৪ সালে অর্থমন্ত্রী , ১৯৯৫ সালে বিদেশমন্ত্রী , ১৯৯৭ সালে শ্রেষ্ঠ সাংসদ পুরস্কার । সর্বোপরি ২৫ শে জুলাই ২০১২ সালে রাষ্ট্রপতি পদে শপথ গ্রহণ । 

ব্যক্তিজীবন : ১৯৫৭ সালে ১৩ জুলাই শুভ্রা মুখোপাধ্যায়ের বিবাহ । দুই পুত্র ও এক কন্যা । অভিজিৎ , ইন্দ্রজিৎ ও শর্মিষ্ঠা মুখার্জী । 

সম্মান ও স্বীকৃতি : ২০০৮ সালে ‘ পদ্মবিভূষণ ‘ , ২৫ শে জুলাই ২০১৯ ‘ ভারতরত্ন ‘ । 

মৃত্যু : ৩১ শে আগষ্ট ২০২০ । 

৪. সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ( ১৯৩৪-২০১২ ) – বাংলা রচনা । 

উত্তরঃ জন্ম : ১৯৩৪ খ্রিস্টাব্দের ৭ সেপ্টেম্বর তৎকালীন পূর্ববঙ্গ বর্তমান বাংলাদেশের ফরিদপুরে ।  

শিক্ষা : শৈশবে গ্রামের বিদ্যালয়ে পড়াশোনা শুরু । পরবর্তীতে কলকাতায় উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য পূর্ববঙ্গ থেকে চলে আসেন । কলকাতার সিটি কলেজে ভরতি হন । কলেজের পঠন – পাঠনের শেষে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলায় এম এ ভরতি হন । ১৯৫৪ সালে এম এ ডিগ্রি লাভ করেন । 

বাবা কালীপদ গঙ্গোপাধ্যায় কলকাতা টাউন স্কুলের শিক্ষক । আর সেই সূত্রেই ১৯৩৮ সাল থেকেই উত্তর কলকাতায় বসবাস শুরু । দেশ বিভাজনের পর ছিন্নমূল সুনীলের তেমন যোগাযোগ গড়ে না ওঠার কারণ জীবিকার জন্য তার বাবাকে ব্যস্ত থাকতে হত । ফলে মা মীরাদেবীই তাকে বই পড়ার নেশা ধরিয়েছিলেন । 

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় কবিগ , ঔপন্যাকি , ছোটোগল্পকার , সম্পাদক , সাংবাদিক ছিলেন । 

 ১৯৫৩ সালে প্রকাশ করেন ‘ কৃত্তিবাস ‘ পত্রিকা । তিনি হরবোলা ক্লাবে নাট্যচর্চাও করেছেন । ১৯৭০ সালে আনন্দবাজার পত্রিকার বার্তা বিভাগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন । কলকাতা পুরসবার সেরিফও ছিলেন তিনি । 

তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ : সুনীলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ একা এবং কয়েকজন ‘ ( ১৯৫৮ ) । প্রথম উপন্যাস ‘ আত্মপ্রকাশ ‘ ( ১৯৬৬ ) । তারপর এক একে রচনা করেন — ‘ মন ভালো নেই ’ , ‘ হঠাৎ নীরার জন্য ’ , ‘ স্মৃতিশহর ’ , ‘ সুন্দরের জন্য মন খারাপ ’ , ‘ নীলপদ্মকরতলে ’ ইত্যাদি কাব্যগ্রন্থ । উপন্যাস লেখেন ‘ পূর্ব – পশ্চিম ‘ , ‘ প্রথম আলো ’ , ‘ অরণ্যের দিনরাত্রি ‘ প্রভৃতি । 

পুরস্কার : আনন্দ পুরস্কার , বঙ্কিম পুরস্কার , সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার ।

৫. মাদার টেরিজা – বাংলা রচনা । 

উত্তরঃ জন্ম : ১৯১০ খ্রিস্টাব্দের ২৯ আগস্ট আলবেনিয়া ( ম্যাসিডোনিয়া ) স্কোপিয়ে , প্রকৃত নাম গন্‌শা আগ্নেস বোয়াকশিউর ।

পিতা – মাতা : পিতা নিকোলাস , মাতা ড্রানাফিল বার্নাড 

লোরেটোয় যোগদান ও দেশত্যাগ : ১৯২৮ – এর ২৬ সেপ্টেম্বর যুগোশ্লোভিয়ার লরেটো কনভেন্টে যোগ দেন । বাড়ি থেকে বাইরে আসেন । 

বাংলায় আগমন : ৬ জানুয়ারি , ১৯২৯ বাংলায় আসেন । লরেটো মিশনে সন্ন্যাসিনী হিসেবে যোগদান । ১৯৩১ – এ সিস্টার পদ । নিরলস কর্ম , টানা দু’বছর কনভেন্টের সুপিরিয়র ও চার্চের আর্চবিশপ পেরিয়ার কাছে চিঠিতে জিশুর সেবার অনুমতি ভিক্ষা । 

মিশনারিজ অব চ্যারিটি : ১৮ আগস্ট ১৯৪৮ পাঁচ টাকা নিয়ে মিশনারিজ অব চ্যারিটি স্থাপন । প্রথম অফিস ১৪ নং ক্রিক লেন । কালীঘাট মন্দিরের কাছে ‘ নির্মল হৃদয় ‘ 

মৃত্যু : ১৯৯৭ – এর ৫ সেপ্টেম্বর । ১৩ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য । 

সস্ত ঘোষণা : ২০১৬ সালের ৪ সেপ্টেম্বর হন ‘ সন্ত টেরিজা ’ । 

৬. সৈয়দ মুজতবা আলি ( ১৯০৪-১৯৭৪ ) – বাংলা রচনা । 

উত্তরঃ জন্ম : ১৯০৪ খ্রিঃ ১৩ সেপ্টেম্বর অবিভক্ত বাংলাদেশের শ্রীহট্ট জেলার করিমগঞ্জে । 

পিতা : সৈয়দ সিকান্দার আলি । 

শিক্ষা : সিলেট গভর্নমেন্ট হাইস্কুলে পড়াশোনা শুরু । পরে শাস্তিনিকেতন থেকে স্নাতক ৷ আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন ।

১৯২৭ খ্রিস্টাব্দে আফগানিস্তানের কাবুল সরকারি মহাবিদ্যালয়ে ফরাসি ও ইংরেজি ভাষার অধ্যাপক নিযুক্ত হন । আফগান বিদ্রোহের সময়ে তিনি জার্মানিতে যান , সেখানে ১৯৩২ সালে পি.এইচ.ডি. ডিগ্রি লাভ করে ১৯৩২ – এ দেশে ফিরে আসেন । 

তিনি ছিলেন বহু ভাষাবিদ । প্রায় ১৬ টি ভাষা তিনি জানতেন । 

মৃত্যু : ১৯৭৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি । 

তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ : দেশে – বিদেশে , পঞ্চতন্ত্র ( ১ ম ও ২ য় ) , চাচাকাহিনী , ময়ূরকণ্ঠী , অবিশ্বাস্য , জলে – ডাঙায় , ধূপ – ছায়া , দ্বন্দ্ব – মধুর , শবনম , ভবঘুরে ও অন্যান্য , বহু বিচিত্রা , রাজা – উজির , কত না অশ্রুজল , মুসাফির , গুরুদেব ও শান্তিনিকেতন ।

৭. করোনা ভাইরাস বা কোভিড ১৯ – বাংলা রচনা।

উত্তরঃ ভূমিকা : বিজ্ঞানের বলে বলীয়ান হয়ে মানুষ যতই দাম্ভিক পদক্ষেপ রেখেছে ভূমিকম্প , ঝড় ইত্যাদি নানান প্রাকৃতিক বিপর্যয় মানুষকে ততোবার অসহায়তার সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে । প্রকৃতির কাছে মানুষ যে নেহাতই শিশু তা মনে করিয়ে দেবার জন্য প্রকৃতির শেষ মার হলো মহামারী । চিকিৎসা বিজ্ঞানের আকাশ ছোঁয়া উন্নতির পরেও প্রাচীনকাল থেকে আজও পৃথিবীকে শাসন করে চলেছে কলেরা , ডেঙ্গু , ম্যালেরিয়া , এইড্স , ক্যানসার এর মতো নানান মারণ রোগ । আর এই তালিকার নবতম সংযোজন হলো বর্তমান বিশ্বের ত্রাস করোনা ভাইরাস বা কোভিড ১৯ । 

করোনা ভাইরাস কী ? : করোনা ভাইরাস শব্দটি লাটিন ভাষার করোনা থেকে এসেছে যার অর্থ হলো মুকুট । ইলেকট্রনিক অনুবীক্ষণিক যন্ত্রে পাওয়া ছবিতে ভাইরাসের গায়ে গদার মতো প্রোটিনের আবরণ মুকুটের মতো দেখাচ্ছে । করোনা শব্দটি গ্রিক ভাষা থেকে এসেছে যার অর্থ মালা বা হার । করোনা ভাইরাস প্রথম আবিষ্কৃত হয় ১৯৬০ এর দশকে । প্রথমদিকে মুরগীর মধ্যে সংক্রামক ব্রঙ্কাইটিস ভাইরাস হিসেবে দেখা যায় । এছাড়াও গোরু , শূকর ইত্যাদি নানান প্রাণী দেহে নানান প্রজাতির ভাইরাস দেখা গেছে । আর এইসব প্রাণী দেহের থেকে মানুষের দেহে সংক্রমন হয়েছে । প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে , তিনটি প্রজাতি মানবদেহে মারাত্মক সংক্রমন ঘটিয়েছে তা হলো সার্স কোভিড ( ২০১২ ) , সার্স কোভিড ২ ( ২০১৯ ) যার সর্বাধিক প্রচলিত নাম কোভিড ১৯ । 

রোগ লক্ষণ ও সংক্রমন : যদি কোনো ব্যক্তি করোনা পজিটিভ হন তাহলে সাধারণত শুষ্ক কাশি , বমি , গলা বা মাথা ব্যথা , পেটের সমস্যার সৃষ্টি হয় । তারপর ধীরে ধীরে শ্বাস – প্রশ্বাসের সমস্যা দেখা যায় , এটা সাধারণত ফুসফুসকে আক্রমন করে । আবার কোনো কোনো সময়ে উপসর্গ ছাড়াও করোনা পজিটিভ হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে । WHO এর নির্দেশিকা অনুযায়ী উক্ত ভাইরাস ইনকিউরেশন পিরিয়ড ১৪ দিন থেকে ২৪ দিন পযন্ত দেখা যাচ্ছে । এই ভাইরাসের উৎসস্থল হলো চিনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে । চিন থেকে , কোভিড ১৯ ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বজুড়ে ভারতবর্ষে ও বাংলাদেশ সহ প্রায় ২১৩ টির বেশি দেশ আজ আক্রান্ত । তবে সবচেয়ে বড় কথা হলো এই ভাইরাসের বাহক হলো মানুষ । 

মহামারীরূপে কোভিড ১৯ : সাধারণত একই সময়ে যখন বিশ্বজুড়ে বহু দেশের মানুষ কোনো বিশেষ সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হন তাকে বিশ্ব মহামারী বলে । ঐতিহাসিক ক্রমকে যদি ভালোভাবে লক্ষ্য করা যায় তবে দেখা যাবে যে , প্রতি একশ বছর পর পর মহামারী হতে দেখা গেছে । উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় যে , ১৭২০ সালের প্লেগ , ১৮২০ সালে কলেরা , ১৯২০ সালে স্পানিশ ফ্লু আর ২০২০ সালে কোভিড ১৯। আর এই কোভিড ১৯ বীর দর্পে বিশ্বের সমস্ত দেশগুলিতে তার থাবা বসিয়ে বেড়াচ্ছে । আর তা থেকে বঞ্ছিত হয় নি আমাদের দেশও । সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী আমাদের ভারতবর্ষে কোভিড সক্রিয় ৯৬৮৩৭৭ জন তার মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৪৫৮৭৬১৩ জন এবং মারা গেছেন ৯০০২০ জন । 

প্রতিকারের উপায় : একদিকে মানুষের সংক্রমন ও মৃতের সংখ্যা যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে তেমনি গবেষকরা এর প্রতিষেধক আবিস্কার করতে নাস্তানুবাদ হচ্ছেন । অর্থাৎ নোবেল করোনা ভাইরাসের এখনও পর্যন্ত কোনো প্রতিষেধক নেই । তাহলে প্রশ্ন হলো সংক্রমনের হাত থেকে বাঁচার কী উপায় ? গবেষকগণ এর কিছু উপায় দিয়েছেন । সেগুলি নিম্নে আলোচনা করা হলো – 

(1) যেহেতু মানুষই প্রধান বাহক তাই সরকার দেশে লকডাউন কার্যকরী করেছেন । 

(2) লকডাউন না থাকলে মানুষকে সামাজিক দুরত্ব বিধি মেনে চলতে হবে ।

(3) যেহেতু নাক , মুখ এর মধ্যে দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে ফুসফুসকে আক্রমন করে তাই মাস্ক পড়া একান্ত বাঞ্ছনীয় ।

(4) শরীরে অ্যান্ডিবডি তৈরি করতে সময় নেয় ১৪-২৪ দিন পর্যন্ত । তাই ৩৩ দিন । সুষম খাদ্য গ্রহণ করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো উচিত । 

(5) মন সুস্থ রাখতে সৃষ্টিশীল কাজ করা উচিত ।

(6) বাইরে বেরোলে মাঝে মাঝে হাত স্যানিটাইজ করা উচিত । 

(7) পশু বাজার এড়িয়ে চলা উচিত । 

(8) বাইরে বেরোলে মাস্ক ব্যবহারের পাশাপাশি বাইরের পোষাক সঙ্গে সঙ্গে ধুয়ে ফেলা । সাবান শ্যাম্পু ব্যবহার করা উচিত । 

উপসংহার : প্রকৃতিকে যথেচ্চরূপে ব্যবহার করে সমাজ যখন উন্নয়নের চরম শিখরে পৌছয় ঠিক তখনই প্রকৃতিও তার উপযুক্ত শাস্তির নিদান দেন । সবকিছুকে আবার সুন্দর করে তোলার প্রয়াস দেখা যায় । এই মারণ ভাইরাসের কারণে বিপুল মানুষের মৃত্যু , অর্থনৈতিক মন্দা লক্ষ্য করা গেলেও একই মাঝে প্রকৃতি যেন নিজেকে অপরূপ সাজে সাজিয়ে নিয়েছেন এই লকডাউনের মধ্যে । তাই বলা যায় যে , এই মারণ ভাইরাসের দরুণ এক অপ্রাকৃত আনন্দের জগত সৃষ্টি হয়েছে পরিবেশের মাঝে । 

৮. ছাত্রজীবন – বাংলা রচনা ।

উত্তরঃ ভূমিকা : মানবজীবনে শিক্ষা ও বিদ্যাচর্চার কোনো বয়স নেই । তবুও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ও বিদ্যার্জনের সময়কে সাধারণভাবে ছাত্রজীবন বলা চলে । ছাত্রজীবন জীবনের সর্বোৎকৃষ্ট সময় । এসময় মানুষের মন থাকে কলুষতা মুক্ত । জীবনে চলার পথের পাথেয় মানুষ ছাত্রজীবনে সঞ্চয় করে । ছাত্রজীবনে অর্জিত সুশিক্ষা , সৌজন্য , শিষ্টাচার , সমাজসেবা , দেশপ্রেম মানুষের মধ্যে জীবনভর বিরাজ করে । তাই এসময় পড়াশোনা , বিদ্যার্জন ও নানা দিকে ব্যুৎপত্তি অর্জন করলে বাকি জীবনটা বেশ মসৃণভাবে কাটে । 

ছাত্রজীবনে সৌজন্য ও শিষ্টাচার : মানবজীবনে অন্যতম শ্রেষ্ঠ সদ্‌গুণ হলো সৌজন্য ও শিষ্টাচার । শিষ্টাচারের মধ্য দিয়ে ছাত্র – ছাত্রীরা নিজের অন্তরাত্মার দেখা পায় । নিজেকে ভালোভাবে জানা ও অন্যকে বোঝার জন্য ছাত্রজীবনে শিষ্টাচারের সাধনা করতে হয় । প্রকৃত জ্ঞানলাভ করতে হলে ছাত্র – ছাত্রীদের শিষ্টাচারী হতেই হবে । কেননা নিরপেক্ষতাবোধ ও স্বার্থত্যাগের মতো মহৎ মনোবৃত্তি মানুষ শিষ্টাচারের মধ্য দিয়েই অর্জন করে । ছাত্রজীবনে মানুষকে বিদ্যার্জনের পাশাপাশি শিষ্টাচারের প্রাথমিক পাঠও গ্রহণ করতে হয় । অন্যদিকে , সৌজন্য মানুষের জীবনে অলংকার স্বরূপ । এটা এমন এক মনোবৃত্তি যেখানে আমাদের কোনো বিশেষ ব্যয় হয় না । মিষ্টভাষা , মিতভাষা , নম্রতা , ভদ্রতা মিলেমিশে সৌজন্যবোধ গড়ে উঠে । আসলে যাকে কিছু দেওয়া যায় না , তাকেও একটু সৌজন্য দেখানো যায় । এজন্য ছাত্রজীবনেই সৌজন্যবোধের পাঠ গ্রহণ করতে হবে যা সারা জীবন মানুষকে চলার পথে শক্তি জোগাবে ও সাফল্যের পথ প্রশস্ত করবে । 

ছাত্রজীবনে সমাজভাবনা : মানুষ সমাজবদ্ধ জীব । ছাত্রাবস্থায়ই মানুষকে সামাজিকতা , সমাজভাবনা , সমাজসেবা , পরিবেশ সচেতনতা , পারস্পরিক সহযোগিতা , সহমর্মিতা ইত্যাদি বিষয়ে শিক্ষার্জন করতে হয় । “ মানুষ মানুষের জন্য , জীবন জীবনের জন্য ” –এই মহান বাণী নিজের জীবনে অনুশীলন ও প্রয়োগের শ্রেষ্ঠ সময় ছাত্রজীবন । কর্মজীবনে কিংবা সংসারজীবনে প্রতিদিন আমাদের এসব বিষয়ের মুখোমুখি হতে হয় । তাই বিদ্যার্জনের পাশাপাশি ছাত্রজীবনে সমাজভাবনা , সমাজসেবা , পরিবেশ সচেতনা বিষয়ে যথাসম্ভব ব্যুৎপত্তি অর্জন করা জরুরি ।

ছাত্রজীবনে নিয়মশৃঙ্খলা : বিশ্বের প্রতিটি উন্নত দেশ ও সব মহান ব্যক্তির প্রতিষ্ঠার নেপথ্যে রয়েছে নিয়মানুবর্তিতা ও শৃঙ্খলার চর্চা । কোন বিষয়টি কখন জরুরি , কোন কাজ ফেলে রাখা উচিত নয় , ব্যক্তিজীবনে কখন কী করতে হবে , কীভাবে চলতে হবে , কী করা উচিত নয় ইত্যাদি বিষয়ে ছাত্রজীবন থেকে সজাগ থাকলে বাকি জীবনটা অনেক মসৃণভাবে কেটে যায় । তাই পড়াশোনা ও বিদ্যার্জনের পাশাপাশি ছাত্রজীবনে নিয়মশৃঙ্খলার প্রাথমিক পাঠও গ্রহণ করতে হবে । 

ছাত্রজীবনে শরীরচর্চা : সুস্থ দেহে সুস্থ মনের বাস । তাই ছাত্রজীবনে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়া জরুরি । এজন্য প্রয়োজন প্রতিদিন নিয়ম করে ব্যায়াম ও শরীরচর্চা করা । এতে শরীর নীরোগ ও নির্মল থাকে । নিয়মিত ব্যায়াম , সাঁতার , খেলাধুলা ইত্যাদির মধ্য দিয়ে সুস্বাস্থ্যের সঙ্গে সঙ্গে মনের স্বাস্থ্য ও তারুণ্যও বজায় থাকে । ছাত্রজীবনে গড়ে তোলা শরীর ও মনের সতেজতা বাকি জীবনে চলার পথে শক্তি জোগায় । 

উপসংহার : আজকের ছাত্র – ছাত্রী আগামী দিনের সচেতন নাগরিক । দেশ ও জাতিকে পরিচালনার দায়িত্ব বর্তায় তাদের উপর । বর্তমান সমাজে অপসংস্কৃতি , অশিষ্টের দাপাদাপি দিন দিন বাড়ছে । ছাত্রজীবনে অর্জিত শিষ্টাচার কর্মজীবনে প্রয়োগ করে তারা সাফল্য পাবে । সেই সঙ্গে অশিষ্টের বাড়বাড়ন্ত রুখতেও এ শিষ্টাচার কাজে লাগে । তারুণ্যের ধর্মই অন্যায় – অসুন্দরের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো । আর এই রুখে দাঁড়ানো যেন শিষ্টাচারের সীমা লঙ্গন না করে তার শিক্ষা মানুষ পায় ছাত্রজীবনে । সবদিক মিলিয়ে , ছাত্রজীবন এমনই এক প্ল্যাটফর্ম যেখানে অনেক পথ এসে মিশেছে — এর মধ্যে কোনটি বেছে নিলে জীবনটা মসৃণ হবে , দেশ – দশেরও মঙ্গল হবে তার সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত ও পাঠ ছাত্রজীবনেই নিতে হবে । 

৯. জাতীয় সংহতির উদ্দেশ্য 

ভারতীয় জীবনচর্চা 

জাতীয় সংহতির সমস্যা হিন্দু – মুসলমান সমস্যা এবং অন্যান্য সমস্যা 

ভূমিকা জাতীয় সংহতি ও বিচ্ছিন্নতাবাদ সংহতির বিভিন্ন রূপ — ভাষাগত , শ্রেণিগত , আচরণগত , ধর্ম ও সাংস্কৃতিক সংহতি জাতীয় সংহতির অবনতি ও সাম্প্রদায়িকতার স্বরূপ সংহতি রক্ষায় ছাত্রসমাজ উপসংহার 

নানা ভাষা নানা মত 

নানা পরিধান 

বিবিধের মাঝে দেখ 

মিলন মহান

– অতুলপ্রসাদ সেন 

উত্তরঃ ভূমিকা : বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করাই ভারতবর্ষের আদর্শগত ধারণা । জাতীয় সংহতি হলো জাতীয় ঐক্য । জাতীয় সংহতি না থাকলে দেশ নানাভাগে । বিভক্ত হয়ে পড়ে এবং দেশের শক্তি বিনষ্ট হয়ে যায় । তাই দেশের জাতীয় সংহতি থাকা একান্তই প্রয়োজন ।

জাতীয় সংহতির উদ্দেশ্য : জাতীয় জীবনে ভাষা , ধর্ম , বর্ণ , জাতি নির্বিশেষে সকলের মধ্যে আন্তরিক মেলবন্ধন ঘটানোই জাতীয় সংহতির উদ্দেশ্য । জাতীয় সংহতি যদি শক্তিশালী হয় তা হলে দেশের অন্তর্গত সামাজিক , রাজনৈতিক , অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দিকগুলির চরম বিকাশ লক্ষ করা যায় । আর যদি সাম্প্রদায়িকতা ও বিচ্ছিন্নতাবাদে দেশ ছেয়ে যায় তা হলে সেই দেশের সভ্যতা অতল গভীরে তলিয়ে যায় ।

ভারতীয় জীবনচর্চা : সুপ্রাচীন কাল থেকেই ভারতবর্ষে বিভিন্ন ভাষাভাষী ও জাতি ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বাস করে আসছে । বিভিন্ন সময়ে শক , হুন , মোঘল , পাঠান এবং সবশেষে ইংরেজ ভারতবর্ষের সংহতির ঐতিহ্যে আঘাত হেনেছে । মানুষ হতাশার অন্ধকারে পথ হাতড়েছে কিন্তু হামাগুড়ি দিয়ে মেরুদণ্ড সোজা করে আবার বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যকে প্রতিষ্ঠা করেছে । → 

সংহতির বিভিন্ন রূপ : ভারতবর্ষের জাতীয় সংহতির বিভিন্ন রূপ লক্ষ করা যায় । যেমন ১. ভাষাগত সংহতি , ২. শ্রেণিগত সংহতি , ৩.  আচরণগত সংহতি , ৪. ধর্ম ও সাংস্কৃতিক সংহতি । 

১. ভাষাগত সংহতি : হিন্দি ও ইংরেজি রাষ্ট্রভাষা হলেও রাজ্যে রাজ্যে বাংলা , ওড়িয়া , তেলেগু প্রভৃতি কতই না আঞ্চলিক ভাষা এদেশের মানুষ ভাবের আদান প্রদান ঘটায় অথচ এই বিভিন্ন ভাষা – ভাষীর মধ্যে মিলনক্ষেত্রে রচিত হয়েছে জাতীয় সংহতি । 

২. শ্রেণিগত সংহতি : হিন্দু , মুসলমান , জৈন , খ্রিস্টান প্রভৃতি শ্রেণি ও বর্ণের মানুষ এই ভারতভূমিতে বাস করে আসছে । কিন্তু তারা পরস্পর পরস্পরকে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবন্ধ করে ভারতবর্ষের গৌরব বৃদ্ধি করেছে । 

৩. আচরণগত সংহতি : যেখানে নানা বর্ণ , ধর্ম ও বহু ভাষাভাষী মানুষ বসবাস করছে এখানে তাদের আচার আচরণও যে ভিন্ন ধরনের হবে তাই স্বাভাবিক কিন্তু আদিলগ্ন থেকেই সকলের আচরণকে মেনে নিয়ে একই ভূখণ্ডে দীর্ঘদিন থেকে বসবাস করে আসছে ।

৪. ধর্ম ও সাংস্কৃতিক সংহতি : ভারতবাসীর ধর্মীয় বিশ্বাস এক নয় , আবার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যও ভিন্ন ধরনের তবুও ধর্ম ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ফল্গু ধারার মতো প্রবাহিত হয়ে হিন্দু , মুসলমান , জৈন , খ্রিস্টান প্রভৃতি ধর্মের মানুষের মধ্যে মিলনসেতু রচনা করেছে । 

জাতীয় সংহতির অবনতি ও সাম্প্রদায়িকতার স্বরূপ : ঐতিহ্যবাহী ভারতবর্ষ জাতীয় ঐক্যকে অটুট রাখলেও আজ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সাম্প্রদায়িক বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তিগুলি মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে ।

হিন্দু – মুসলমান সমস্যা : ব্রিটিশ শক্তি দ্বিজাতিতত্ত্বের ধারণা ঢুকিয়ে দেওয়ার পর থেকেই হিন্দু – মুসলিম বার বার সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে যার জ্বলন্ত প্রমাণ বাবরি মসজিদ বিতর্ক , কাশ্মীর নিয়ে সাম্প্রদায়িক আন্দোলন বর্তমানে ভারতবর্ষকে ভাবিয়ে তুলেছে । 

অন্যান্য সমস্যা : পশ্চিমবঙ্গের কামতাপুরি , জনযুদ্ধ গোষ্ঠী , মাওবাদী প্রভৃতি সংগঠন হিংসাত্বক কার্যকলাপ দেশকে বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে । এর মধ্যে আবার চলছে জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদীদের সন্ত্রাস সৃষ্টির প্রচেষ্টা । 

সংহতি রক্ষায় ছাত্রসমাজ : আজকের ছাত্ররা আগামী দিনের কর্মবীর । তাই তাদের অন্ধ কুসংস্কার , গোঁড়ামি , রাজনীতি ও সংকীর্ণতার বিরুদ্ধে দেশ রক্ষার দায়িত্ব নিতে হবে । 

জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার জন্য মানুষকে আহ্বান জানাতে হবে— 

“ ধর্মের বেশে মোহ এসে ফেরে 

ধয়ে অন্ধ সেজন মায়ে তার শুধু মার ” 

সব শ্রেণীর মানুষকে বোঝাতে হবে

 “ সবার উপরে মানুষ সত্য , তাহার উপরে নাই ” 

সর্বোপরি মানুষের কুসংস্কারাচ্ছন্ন মনকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে হবে । 

১০. বিজ্ঞান শিক্ষার গুরুত্ব – বাংলা রচনা।

উত্তরঃ (সংকেত: ভূমিকা; বিজ্ঞানের পদযাত্রা; প্রাত্যহিক জীবনে বিজ্ঞান; শিক্ষাক্ষেত্র বিজ্ঞান; চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞান; কৃষিক্ষেত্রে বিজ্ঞান; মানসিক উৎকর্ষতায় বিজ্ঞান; বিজ্ঞানশিক্ষার অভিশাপ; উপসংহার।)

 ভূমিকা: বিজ্ঞানী হলভেন বলেছেন-“We need science more than ever before” আধুনিক যুগ বিজ্ঞানে যুগ। বিজ্ঞান ছাড়া আমরা এক মূহুর্তেও কল্পনা করতে পারি না। বিজ্ঞান জীবনে এনে দিয়েছে গতি। আমাদের চারপাশে বিজ্ঞানের অভাবনীয় সাফল্য ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং জীবনকে সুন্দর করার জন্য চাই বিজ্ঞান শিক্ষা। বিজ্ঞান শিক্ষা দিয়েই বিশ্বায়নের এ যুগে আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলা সম্ভব। নয়তো অন্ধকার পৃথিবীতে মুখ থুবড়ে পড়ে থাকতে হবে, প্রবীণ যুগের অসভ্য ও বর্বর জীবনের সাথে বর্তমান যুগের সভ্য ও সুশৃঙ্খল জীবনের পার্থক্যের কারণ হলো বিজ্ঞান। বিজ্ঞান মানুষকে দিয়েছে জ্ঞান, যার মাধ্যমে মানুষ জীবনকে আরো সহজ ও সুন্দরভাবে উপভোগ করতে পারছে।

 বিজ্ঞানের পদযাত্রা: সৃষ্টির আদিকাল থেকেই শুরু হয় পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে গড়ে তোলার প্রয়াস। প্রাচীনকালে জীবনযাপনের এক পর্যায়ে মানুষ পাথরে পাথর ঘষে আগুন আবিষ্কার করতে শেখে, শিকারের জন্য গাছের ডাল ও পাথর দিয়ে বিভিন্ন অস্ত্র তৈরি করতে শেখে। আর তখন থেকেই শুরু হয় বিজ্ঞানের পদযাত্রা। তারপর থেকে বিজ্ঞানকে ব্যবহার করে প্রতিনিয়ত মানুষ নতুন নতুন আবিষ্কারের নেশায় মত্ত হয়ে উঠে। যে পৃথিবী ছিল অপার বিস্ময় ও রহস্যের স্থান, সে পৃথিবীকে মানুষ হাতের মুঠোয় নিয়ে এসেছে বিজ্ঞানচর্চার মাধ্যমে। বিজ্ঞানের বলে মানুষের কাছে অসম্ভব বলে আর কিছু নেই। নেপেলিয়ন বলেছেন- “Impossible is a word, which is only found in the dictionary of fools.” বিজ্ঞানের বলেই এই কথাটি আজ চরম সত্য।

প্রাত্যহিক জীবনে বিজ্ঞান: প্রতিদিন ঘুম ভাঙার পর থেকে আমরা যেভাবে জীবন শুরু করি তার প্রতিটি ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের ছায়াপাত রয়েছে। প্রতিদিন সকালবেলা সবার ঘরে ঘরে পৌঁছে যায় সংবাদপত্র। যার মাধ্যমে সারাবিশ্বের সব ধরনের ঘটনার খবর পাই। গ্রামীণ জীবনের তুলনায় শহরের প্রাত্যহিক জীবনে বিজ্ঞানের ছোঁয়া বেশি। সকালবেলার চা, নাস্তা, সারাদিনের খাবার তৈরির জন্য গ্যাস, স্টোভ, বৈদ্যুতিক চুল্লীর দরকার হয়। খাবার গরম করার জন্য ওভেন, সংরক্ষণের জন্য রেফ্রিজারেটর সবই বিজ্ঞানের আবিষ্কার। তবে বিজ্ঞানের প্রভাব এখন আর শহরে সীমাবদ্ধ নয় গ্রামাঞ্চলেও এর প্রভাব বিস্তৃত হচ্ছে। টেলিভিশন, রেডিও, ভিসিডি, ডিভিডি বিনোদনের অন্যতম উপায়। এছাড়াও দৈনন্দিন প্রয়োজনে ব্যবহৃত টেলিফোন, মোবাইল, ই-মেইল, ফ্যাক্স, বিভিন্ন যানবাহন বিজ্ঞানেরই আবিষ্কার। নিত্যনতুন আরো প্রয়োজনীয় জিনিস আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞান শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

শিক্ষাক্ষেত্রে বিজ্ঞান: প্রাচীন শিক্ষাপদ্ধতির তুলনায় বর্তমানে শিক্ষাক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে শিক্ষকরা চক, ডাস্টার, ব্ল্যাকবোর্ডের পরিবর্তে মাল্টিমিডিয়া রুমে ক্লাস নিচ্ছেন। বর্তমানে অতি সূক্ষ্ম গাণিতিক হিসাব ক্যালকুলেটরের মাধ্যমে সহজেই করা যায়। টেলিভিশন, বেতার যেমন বিজ্ঞানের আবিষ্কার তেমনি শিক্ষার উপকরণ কম্পিউটারও বিজ্ঞানের এক বিস্ময়কর আবিষ্কার। এটি শিক্ষাক্ষেত্রে অভাবনীয় সাফল্য নিয়ে এসেছে। শিক্ষার্থীরা কম্পিউটারে মাধ্যমে নিজেরাই বিভিন্ন বিষয় শিখতে পারছে যা পূর্বে কখনোই করা যেত না। ইন্টারনেটের মাধ্যমে সারাবিশ্বের বিখ্যাত লেখদের বই, বিভিন্ন দেশের শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে মুহুর্তের মধ্যেই জানা যায়। আধুনিক বিজ্ঞাননির্ভর শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষকরা যেমন পেয়েছে স্বস্তি ছাত্র-ছাত্রীরাও হয়ে উঠেছে স্ব-নির্ভর। এই অবস্থাকে আরো গতিশীল করতে বিজ্ঞান শিক্ষার প্রয়োজনীতা অপরিসীম।

 চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞান শিক্ষা: বিজ্ঞান বিশ্বসভ্যতায় অনেক বিস্ময়কর উপহার দিয়েছে। এ বিস্ময়ের অন্যতম হলো আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থা।

-হেনরি ডেভিড

প্রাচীন গ্রিসের উনান প্রদেশে সনাতন চিকিৎসা পদ্ধতি চালু হয়। ইউনানি নামের এ চিকিৎসা ব্যবস্থাকে পরিচতি করে তোলে গ্রিসের হাকিম ইসকালিবাস। ১৮১০-১৯৩৯ এ উপমহাদেশে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা জনপ্রিয় উঠে। এর উদ্ভাবক ছিলেন জার্মান চিকিৎসক স্যামুয়েল হ্যানিম্যান। বিজ্ঞানের আর্শীবাদে নতুন নতুন যন্ত্রপাতি আবিষ্কারের ফলে মানুষ ঝাড়-ফুঁক, অন্ধবিশ্বাস থেকে বেরিয়ে এসে হোমিওপ্যাথি ও অ্যালোপ্যাথিকের উপর নির্ভর করে। আগে বসন্ত, ম্যালেরিয়া, টাইফয়েড, নিউমোনিয়া প্রভৃতি রোগের কারণে মহামারী দেখা দিত যা বিজ্ঞানের প্রভাবে দূর করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে বিজ্ঞানের কল্যাণে দূরারোগ্য ব্যাধিতেও মৃত্যুর সংখ্যা অনেকাংশে কমেছে। এক্সরে, পেনিসিলিন, রঞ্জন রশ্মি, ইসিজি, সিটি স্ক্যান, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, এম.আর.আই, প্রভৃতি যন্ত্রের মাধ্যমে চিকিৎসাবিজ্ঞান অসম্ভবকে সম্ভব করেছে। আল্টাসনিক স্ক্যানিং এর মাধ্যমে শরীরের ভেতরের যকৃত, পিত্তথলি, কিডনি ইত্যাদি অবস্থান নির্ণয়, লেজার সার্জারির মাধ্যমে দ্রুত অপারেশন, ফাইবার অপটিক্যাল ব্যবহার করে ফুসফুস, পাকস্থলী, বৃহদান্ত, ক্ষুদ্রান্ত, উদর, শিরা ধমনীর অবস্থা নির্ণয় করে চিকিৎসা করা যায়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে কিপলিং এর কথাই প্রযোজ্য “বিজ্ঞানের আর্শীবাদ বিশ্ব মানবতা কখনও উল্লসিত হয়, আবার অনেক সময় তার বিভীষিকাময় রূপে বিশ্বসভ্যতা থমকে দাঁড়ায়। কিন্তু চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞান এনেছে শুধু আর্শীবাদ আর আর্শীবাদ।” আর এই চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরো উন্নত করতে বিজ্ঞান শিক্ষার গুরুত্ব অনেক।

 কৃষিক্ষেত্রে বিজ্ঞান শিক্ষা: বিজ্ঞান কৃষিক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন সাধন করেছে। কৃষিকাজে এখন আর কাঠের লাঙ্গল ব্যবহৃত হয় না, তার পরিবর্তে কলের লাঙ্গল, ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলার ইত্যাদি দিয়ে জমি চাষের উপযুক্ত করা হয় সেচ কাজের জন্য বৈদ্যুতিক শক্তিচালিত পাম্প ব্যবহার করা হয়। কৃষিবিজ্ঞানীরা নতুন নতুন বীজ আবিষ্কারের মাধ্যমে কৃষকদের উৎপাদন বাড়িয়ে দিচ্ছে। উন্নত মানের সময়োপযোগী এবং উচ্চ ফলনশীল জাত আবিষ্কারের ফলে সারা বছরই ধান, শাক-সবজি ফলানো সম্ভব হচ্ছে। উন্নত বিশ্বের তুলনায় ভারতে যদিও কৃষিক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি নির্ভরতা কম তবুও অনেক উন্নতি সাধিত হয়েছে। বিজ্ঞাননির্ভর গবেষণামূলক প্রমান্য অনুষ্ঠান যেমন “কৃষি দিবানিশি”, “মাটি ও মানুষ” ইত্যাদির মাধ্যমে কৃষকদেরকে কৃষিক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহারের জন্য সঠিক পরামর্শ ও জ্ঞান দেওয়া হচ্ছে। কৃষিক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক গবেষণাকে আরো বিস্তৃত করতে বিজ্ঞান শিক্ষার প্রয়োজন তুলনাতীত।

 মানসিক উৎকর্ষতায় বিজ্ঞান শিক্ষা: শাব্দিক অর্থে বিজ্ঞান হচ্ছে বিশেষ জ্ঞান। জ্ঞানের মাধ্যমেই মানুষের মানসিক মুক্তি লাভ হয়। সকল প্রকার জড়তা কুসংস্কার দূরে ফেলে জ্ঞান মানুষকে আলোর পথ দেখায়। বিজ্ঞান হলো প্রমানিত সত্য, যে সত্য জগতের রহস্য উম্মোচন করে, জগৎকে স্বচ্ছ কাছের মতো তুলে ধরে, জীবনের নানা ভুল-ভ্রান্তি ত্রুটি বিচ্যুতি থেকে রেহাই দেয়। বিজ্ঞান মানুষকে বিচার-বুদ্ধি-সম্পন্ন, যুক্তিবাদী, নিয়মনিষ্ঠ, কর্মকুশল ও সুশৃঙ্খল করে গড়ে তোলে। মানুষ এখন আর পৃথিবীর বোঝা নয়। মানবসম্পদে পরিণত হয়েছে। বিজ্ঞান মানুষের মোহান্ধতাকে দূর করে মানুষকে আরো বাস্তববাদী করেছে। সমাজের যত অনাচার, কুসংস্কার, জটিলতা, কুটিলতা দূর হয় শিক্ষার ফলে। বিজ্ঞান শিক্ষা মানুষের দ্বিধা-দ্বন্দ্বের কালো পর্দা সরিয়ে শুদ্ধতা নিশ্চিত করেছে। শিক্ষার বিভিন্ন পর্যায়ে বিজ্ঞান শিক্ষা ছাত্র-ছাত্রীদের আধুনিক করে তোলে। বিজ্ঞানশিক্ষার ফলে অন্ধবিশ্বাস দূর হয়েছে, মানুষ এখন উন্নত চিকিৎসাপদ্ধতির আশ্রয় নিচ্ছে। বিজ্ঞানশিক্ষার ফলে শিশু মৃত্যুহার এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমেছে, মানুষ আজ সব রকম সংকীর্ণতার উর্ধ্বে অবস্থান করছে।

 বিজ্ঞানশিক্ষার অভিশাপ: বিজ্ঞান শিক্ষা আমাদের জীবনকে যেমন আধুনিক সহজ ও সুন্দর করে তুলেছে তেমনি এর বিভীষিকাময় রূপ সবকিছু ধ্বংস করে দিয়ে মানব জাতিকে স্তব্ধ করে দেয়। অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্র, বোমা, ডিনামাইট, মরণাস্ত্র, ইত্যাদি ব্যবহার করে নিমেষেই একটি জাতিকে ধ্বংস করে ফেলা হচ্ছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে আমোরিকা যে ধ্বংসলীলা খেলেছিল এটিই তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। তবে বিজ্ঞানের অপব্যবহারের জন্য দায়ী মানুষই। মানুষ বিজ্ঞানকে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করে। সে জন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন মানুষকে সচেতন হওয়া, বিজ্ঞান শিক্ষায় পারদর্শী হয়ে উন্নতি চরম শিখরে আরোহন করা এবং এর ভয়াবহ দিক এড়িয়ে চলা।

 উপসংহার: উন্নত বিশ্বে বিজ্ঞান শিক্ষা যতটা প্রসারিত হয়েছে আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশে তা সম্ভব হয়নি। ভারতে বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসার ঘটলে দেশটি উন্নতির দিকে এগিয়ে যাবে। জনবহুল এ দেশের মানুষকে মানবসম্পদে পরিণত করতে পারলেই উন্নতি আসবে। বিজ্ঞান শিক্ষাকে গ্রহণ করে একে বাস্তবায়ন করতে হবে। বিজ্ঞান শিক্ষার ক্ষেত্রসমূহ যেমন নানাভাবে প্রসারিত হচ্ছে তেমনি এর ব্যবহারের দিকটাকেও প্রধান্য দিতে হবে। কেননা বিজ্ঞানশিক্ষা আমাদের জীবনে আমূল পরিবর্তন এনে দিবে।

FILE INFO : HS Class 12 Bengali Suggestion PDF Download for FREE | দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা সাজেশন বিনামূল্যে ডাউনলোড করুণ | প্রবন্ধ রচনা – MCQ প্রশ্নোত্তর, অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নউত্তর, ব্যাখ্যাধর্মী প্রশ্নউত্তর

PDF Name : প্রবন্ধ রচনা – দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা সাজেশন | HS Class 12 Bengali Suggestion PDF

Price : FREE

Download Link : Click Here To Download

পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক  বাংলা পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্ন উত্তর ও শেষ মুহূর্তের সাজেশন ডাউনলোড। দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা পরীক্ষার জন্য সমস্ত রকম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। West Bengal HS  Bengali Suggestion Download. WBCHSE HS Bengali short question suggestion. HS Class 12 Bengali Suggestion PDF download. HS Question Paper  Bengali. WB HS 2022 Bengali suggestion and important questions. HS Class 12 Bengali Suggestion PDF.

Get the HS Class 12 Bengali Suggestion PDF by winexam.in

 West Bengal HS Class 12 Bengali Suggestion PDF  prepared by expert subject teachers. WB HS  Bengali Suggestion with 100% Common in the Examination.

Class 12th Bengali Suggestion

West Bengal HS  Bengali Suggestion Download. WBCHSE HS Bengali short question suggestion. HS Class 12 Bengali Suggestion PDF  download. HS Question Paper  Bengali.

দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা সাজেশন – প্রবন্ধ রচনা – প্রশ্ন উত্তর |  WB HS Bengali  Suggestion

দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা (HS Bengali) প্রবন্ধ রচনা – প্রশ্ন উত্তর। দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা সাজেশন – প্রবন্ধ রচনা – প্রশ্ন উত্তর |  WB HS Bengali  Suggestion

প্রবন্ধ রচনা – উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা সাজেশন | HS Bengali Suggestion

দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক বোর্ডের (WBCHSE) সিলেবাস বা পাঠ্যসূচি অনুযায়ী  দ্বাদশ শ্রেণির বাংলা বিষয়টির সমস্ত প্রশ্নোত্তর। সামনেই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা, তার আগে winexam.in আপনার সুবিধার্থে নিয়ে এল প্রবন্ধ রচনা – উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা সাজেশন | HS Bengali Suggestion । বাংলা বিষয়ে ভালো রেজাল্ট করতে হলে অবশ্যই পড়ুন আমাদের দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা সাজেশন বই ।

প্রবন্ধ রচনা – দ্বাদশ শ্রেণির বাংলা সাজেশন | West Bengal Class 12th Suggestion

আমরা WBCHSE উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার বাংলা বিষয়ের – প্রবন্ধ রচনা – দ্বাদশ শ্রেণির বাংলা সাজেশন | West Bengal Class 12th Suggestion আলোচনা করেছি। আপনারা যারা এবছর দ্বাদশ শ্রেণির বাংলা পরীক্ষা দিচ্ছেন, তাদের জন্য আমরা কিছু প্রশ্ন সাজেশন আকারে দিয়েছি. এই প্রশ্নগুলি পশ্চিমবঙ্গ দ্বাদশ শ্রেণির বাংলা পরীক্ষা  তে আসার সম্ভাবনা খুব বেশি. তাই আমরা আশা করছি HS বাংলা পরীক্ষার সাজেশন কমন এই প্রশ্ন গুলো সমাধান করলে আপনাদের মার্কস বেশি আসার চান্স থাকবে।

দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা সাজেশন – প্রবন্ধ রচনা | HS Class 12 Bengali Suggestion with FREE PDF Download

Bengali Class XII, Bengali Class Twelve, WBCHSE, syllabus, HS Bengali, HS engraji, দ্বাদশ শ্রেণি বাংলা, ক্লাস টোয়েলভ বাংলা, উচ্চ মাধ্যমিকের বাংলা, বাংলা উচ্চ মাধ্যমিক – প্রবন্ধ রচনা, দ্বাদশ শ্রেণী – প্রবন্ধ রচনা, উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা প্রবন্ধ রচনা, ক্লাস টেন প্রবন্ধ রচনা, HS Bengali – প্রবন্ধ রচনা, Class 12th প্রবন্ধ রচনা, Class X প্রবন্ধ রচনা, ইংলিশ, উচ্চ মাধ্যমিক ইংলিশ, পরীক্ষা প্রস্তুতি, রেল, গ্রুপ ডি, এস এস সি, পি, এস, সি, সি এস সি, ডব্লু বি সি এস, নেট, সেট, চাকরির পরীক্ষা প্রস্তুতি, HS Suggestion, HS Suggestion , HS Suggestion , West Bengal Secondary Board exam suggestion, West Bengal Higher Secondary Board exam suggestion , WBCHSE , উচ্চ মাধ্যমিক সাজেশান, উচ্চ মাধ্যমিক সাজেশান , উচ্চ মাধ্যমিক সাজেশান , উচ্চ মাধ্যমিক সাজেশন, দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা সাজেশান ,  দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা সাজেশান , দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা , দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা, মধ্যশিক্ষা পর্ষদ, HS Suggestion Bengali , দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা – প্রবন্ধ রচনা – সাজেশন | HS Class 12 Bengali Suggestion PDF PDF, দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা – প্রবন্ধ রচনা – সাজেশন | HS Class 12 Bengali Suggestion PDF PDF, দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা – প্রবন্ধ রচনা – সাজেশন | দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা – প্রবন্ধ রচনা – সাজেশন | HS Class 12 Bengali Suggestion PDF PDF, দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা – প্রবন্ধ রচনা – সাজেশন | HS Class 12 Bengali Suggestion PDF PDF,দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা – প্রবন্ধ রচনা – সাজেশন | HS Class 12 Bengali Suggestion PDF PDF, দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা – প্রবন্ধ রচনা – সাজেশন | HS Class 12 Bengali Suggestion PDF, HS Bengali Suggestion PDF ,  West Bengal Class 12 Bengali Suggestion PDF.

  এই (প্রবন্ধ রচনা – দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা সাজেশন | HS Class 12 Bengali Suggestion PDF) পোস্টটি থেকে যদি আপনার লাভ হয় তাহলে আমাদের পরিশ্রম সফল হবে। আরোও বিভিন্ন স্কুল বোর্ড পরীক্ষা, প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার সাজেশন, অতিসংক্ষিপ্ত, সংক্ষিপ্ত ও রোচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তর (All Exam Guide Suggestion, MCQ Type, Short, Descriptive Question and answer), প্রতিদিন নতুন নতুন চাকরির খবর (Job News in Bengali) জানতে এবং সমস্ত পরীক্ষার এডমিট কার্ড ডাউনলোড (All Exam Admit Card Download) করতে winexam.in ওয়েবসাইট ফলো করুন, ধন্যবাদ।

Win exam telegram channel

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here