অব - উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়) - দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন | HS Class 12 History Suggestion PDF
অব - উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়) - দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন | HS Class 12 History Suggestion PDF

অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়) – দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন

HS Class 12 History Suggestion PDF

অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়) – দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন | HS Class 12 History Suggestion PDF : অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়) দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন ও অধ্যায় ভিত্তিতে প্রশ্নোত্তর নিচে দেওয়া হল।  এবার পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস পরীক্ষায় বা দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস পরীক্ষায় ( WB HS Class 12 History Suggestion PDF  | West Bengal HS Class 12 History Suggestion PDF  | WBCHSE Board Class 12th History Question and Answer with PDF file Download) এই প্রশ্নউত্তর ও সাজেশন খুব ইম্পর্টেন্ট । আপনারা যারা আগামী দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস পরীক্ষার জন্য বা উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস  | HS Class 12 History Suggestion PDF  | WBCHSE Board HS Class 12th History Suggestion  Question and Answer খুঁজে চলেছেন, তারা নিচে দেওয়া প্রশ্ন ও উত্তর ভালো করে পড়তে পারেন। 

অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়) – দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন | পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন/নোট (West Bengal Class 12 History Question and Answer / HS History Suggestion PDF)

পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন (West Bengal HS Class 12 History Suggestion PDF / Notes) অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়) – প্রশ্ন উত্তর – MCQ প্রশ্নোত্তর, অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর (SAQ), সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর (Short Question and Answer), ব্যাখ্যাধর্মী বা রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর (descriptive question and answer) এবং PDF ফাইল ডাউনলোড লিঙ্ক নিচে দেওয়া রয়েছে

অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়)

অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর | অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়) – দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন | HS Class 12 History Suggestion : 

১. নেহরু মহলানবিশ মডেল কাকে বলে ? 

উত্তরঃ প্রখ্যাত ভারতীয় পরিসংখ্যানবিদ পি . সি . মহলানবিশ ১৯৫৫ সালে দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার খসড়া বা মডেল তৈরি করেন । প্রধানমন্ত্রী নেহরু সামান্য সংশোধনের পর এটি প্রয়োগ করেন । এটাকেই বলা হয় নেহরু – মহলানবিশ মডেল । 

২. তৃতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার লক্ষ্য ও সময় লেখো । 

উত্তরঃ এই পরিকল্পনার সময়কাল ১৯৬১–৬৬ খ্রিঃ । লক্ষ্য ছিল রাজস্ব বৃদ্ধি করা । খাদ্য উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জন । 

৩. তৃতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার ২ টি গুরুত্ব লেখো । 

উত্তরঃ প্রথমত , অর্থনীতিতে গতি আসে । দ্বিতীয়ত , জাতীয় আয় ৬.২১ শতাংশ হারে । বৃদ্ধি পায় । 

৪. হোমি জাহাঙ্গির ভাবা’র পরিচয় দাও । 

উত্তরঃ নেহরুর সময়কালে ভারতের পারমাণবিক গবেষণার মুখ্য উপদেষ্টা ছিলেন ভাবা । ১৯৪৮ সালে তাঁর নেতৃত্বে ভারতীয় শক্তি কমিশন গড়ে ওঠে । 

৫. SAARC- এর সম্পূর্ণ নাম কী ? 

উত্তরঃ South Asian Associasion for Regional Co – Operation . 

৬. অব – উপনিবেশীকরণ কাকে বলে ? এর প্রথম প্রয়োগ কে করেন ? 

উত্তরঃ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিভিন্ন দেশ ঔপনিবেশিক বন্ধন ছিন্ন করে স্বাধীনতা লাভ করে । এই ঘটনাকেই বলা হয় অব – উপনিবেশীকরণ । সর্বপ্রথম জার্মান বিশেষজ্ঞ মরিৎস জুলিয়াস বন ১৯৩২ সালে এই শব্দটি প্রয়োগ করেন ।

৭. কী কারণে উপনিবেশবাদের অবসান হলো ? 

উত্তরঃ প্রথমত , দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ – পরবর্তী সময়ে ফ্রান্স , ব্রিটেন প্রভৃতি দেশের আর্থিক প্রতিপত্তি কমে যাওয়ায় উপনিবেশগুলি ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছিল না । দ্বিতীয়ত , উপনিবেশগুলিকে স্বাধীন করে দেওয়ার বিষয়ে রাশিয়া ও আমেরিকা চাপ দিচ্ছিল । 

৮. আলজেরিয়া কবে স্বাধীনতা পায় ? প্রথম রাষ্ট্রপতির নাম কী ? 

উত্তরঃ ফ্রান্সের কবল থেকে ১৯৬২ সালে মুক্ত হয় আলজেরিয়া । প্রথম রাষ্ট্রপতি হন আহম্মদ বেন বেল্লা । 

৯. বাংলা ভাষার জন্য কবে পূর্ববঙ্গে চূড়ান্ত আন্দোলন হয় ? এতে কারা শহিদ হন ? 

উত্তরঃ বাংলা ভাষার সম্মান রক্ষার্থে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পূর্ববঙ্গে জোরদার আন্দোলন হয় । আন্দোলনে পাক পুলিশের গুলিচালনায় প্রাণ দেন মহম্মদ সালাউদ্দিন , আব্দুল জববার , আবুল বরকত ও রফিকউদ্দিন । 

১০. কবে হয়েছিল সিক্কাক – এর যুদ্ধ ? যুদ্ধে কে হেরে যায় ? 

উত্তরঃ ১৮৩৬ সালে আলজেরিয়ার লড়াকু নেতা আল – কাদিরের গেরিলা বাহিনীর সঙ্গে ফরাসি বাহিনীর যুদ্ধ হয় । সিক্কাক – এর যুদ্ধে আল – কাদির হেরে যান । 

১১. পাকিস্তানের পার্লামেন্টের ক’টি কক্ষ ? কী কী ? 

উত্তরঃ পাক আইনসভার ২ টি কক্ষ । উচ্চকক্ষ সিনেট এবং নিম্নকক্ষ জাতীয় পরিষদ নাম 

১২. কার নেতৃত্বে , কবে ভারতে পরিকল্পনা কমিশন গড়ে ওঠে ? 

উত্তরঃ ভারত স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৫০ সালে প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর নেতৃত্বে যোজনা কমিশন বা পরিকল্পনা কমিশন গড়ে তোলা হয় । 

১৩. প্রথম পণ্ডুবার্ষিকী পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ কেন ? 

উত্তরঃ প্রথমত , এর মাধ্যমে ভারতীয় অর্থনীতির স্থবিরতা গতিশীল হয়ে ওঠে । দ্বিতীয়ত , দেশে পরিকল্পিত অর্থনীতি যাত্রা শুরু করে । 

সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো | অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়) – দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন | HS Class 12 History Suggestion :

১. ইন্দোনেশিয়া কাদের উপনিবেশ ছিল ? (ক) স্পেনীয়দের (খ) ব্রিটিশদের (গ) পোর্তুগিজদের (ঘ) ডাচদের । 

উত্তরঃ (ঘ) ডাচদের ।

২. স্বাধীন ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি হন— (ক) ম্যান্ডেলা (খ) ড . সুকর্ণ (গ) সুহার্তো (ঘ) হাব্বিবি । 

উত্তরঃ (খ) ড . সুকর্ণ

৩. শ্রীলঙ্কার আগের নাম ছিল— (ক) লাক্ষাদ্বীপ (খ) সিংহল (গ) মালদ্বীপ (ঘ) লঙ্কাদ্বীপ । 

উত্তরঃ (খ) সিংহল

৪. ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে পাকিস্তান স্বাধীনতা লাভ করে – (ক) ১৩ আগস্ট (খ) ১৫ আগস্ট (গ) ১৪ আগস্ট (ঘ) ১৬ আগস্ট ।

উত্তরঃ (গ) ১৪ আগস্ট

৫. কায়েদ – ই আজম বলা হতো— (ক) আগা খাঁ – কে (খ) জিন্নাকে (গ) চিরাগ আলিকে (ঘ) সলিম উল্লাহকে।

উত্তরঃ (খ) জিন্নাকে

৬. পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন—  (ক) জিন্না (খ) আয়ুব খান (গ) ভুট্টো (ঘ) কেউই নন ।

উত্তরঃ (ক) জিন্না

৭. ভারতীয় অর্থনীতিকে বলা হয়- (ক) মিশ্র (খ) সমাজতান্ত্রিক (গ) পুঁজিবাদী (ঘ) সাম্যবাদী । 

উত্তরঃ (ক) মিশ্র

৮. সার্কের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়— (ক) ঢাকায় (খ) ব্যাঙ্গালোরে (গ) ইসলামাবাদে (ঘ) কাঠমান্ডুতে ।

উত্তরঃ (ক) ঢাকায়

৯. অব উপনিবেশীকরণ কথাটি প্রথম ব্যবহার করেন— (ক) ই . এইচ . কার (খ) জুলিয়াস বন (গ) জে . এল . নেহরু (ঘ) ড . সুকর্ণ । 

উত্তরঃ (খ) জুলিয়াস বন

১০. ঢাকায় সার্কের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন হয়েছিল— (ক) ১৯৮০ খ্রিস্টাব্দে (খ) ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে (গ) ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে (ঘ) ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে । 

উত্তরঃ (খ) ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে

১১. ১৯৯০ – এর দশকে অর্থনৈতিক উদারীকরণ নীতি প্রবর্তিত হয় কোন প্রধানমন্ত্রীর সময়ে ? (ক) মনমোহন সিং (খ) পি.ভি. নরসিমা রাও (গ) রাজীব গান্ধি (ঘ) বাজপেয়ী । 

উত্তরঃ (খ) পি.ভি. নরসিমা রাও

১২. আটলান্টিক চার্টার স্বাক্ষরিত হয়— (ক) ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দে (খ) ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দে (গ) ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দে (ঘ) ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দে ।

উত্তরঃ (খ) ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দে

১৩. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রধাননেতা ছিলেন— (ক) শেখ মুজিবুর (খ) মহম্মদ আলি জিন্না (গ) তাজউদ্দিন আহমেদ (ঘ) মহাত্মা গান্ধি ।

উত্তরঃ (ক) শেখ মুজিবুর

১৪. অব – উপনিবেশীকরণের ফলে উত্থান ঘটে— (ক) প্রথম বিশ্বের (খ) দ্বিতীয় বিশ্বের (গ) তৃতীয় বিশ্বের (ঘ) পঞ্চম বিশ্বের । 

উত্তরঃ (গ) তৃতীয় বিশ্বের

১৫. ইন্দোচিনে কাদের উপনিবেশ গড়ে উঠেছিল ? (ক) ব্রিটেনের (খ) ফ্রান্সের (গ) ডেনমার্কের (ঘ) রাশিয়ার ।

উত্তরঃ (খ) ফ্রান্সের

১৬. আলজেরিয়া কাদের উপনিবেশ ছিল ? (ক) দিনেমারদের (খ) পোর্তুগালের (গ) ফরাসিদের (ঘ) আমেরিকার

উত্তরঃ (গ) ফরাসিদের

রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর | অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়) – দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন | HS Class 12 History Suggestion :

১. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও । এই যুদ্ধে ভারতের ভূমিকা ছিল ? 

উত্তরঃ ভূমিকা : বাংলদেশ হলো ভারতের প্রতিবেশী রাষ্ট্র অনেক রক্ত ঝরিয়ে অনেক সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতার উত্থান ঘটে । ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ দ্বিখন্ডিত হয়ে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয় ভারত ও পাকিস্তান । ভারতের অন্তর্ভুক্ত থাকে পশ্চিমবঙ্গ আর পূর্ববঙ্গ থাকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত । পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুদের সংখ্যা বেশি আর পাকিস্তানে মুসলমানদের সংখ্যাবেশি । পূর্ব পাকিস্তানের নাম হয় বাংলাদেশ । স্বাধীনতা লাভের কিছু কাল পরেই হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয় । 

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট : ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছিল । কিন্তু বাঙালিরা স্বাধীনতার জন্য নিরন্তর সংগ্রাম করে চলছিল । অবশেষে রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষের শহিদের ফলে এই বিপ্লবের অবসান ঘটে । ↑ 

মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক পটভূমি : বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পিছনে আছে ঐতিহাসিক ঘটনা । ১৭৫৭ সালে পলাশির যুদ্ধে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজ – উদ্ – দৌলা ইংরেজদের নিকট পরাজিত হন । এর ফলেই বাংলায় স্বাধীনতার অবসান হয় । সেই সময় ইংরেজদের আধিপত্য বেশি থাকায় ইংরেজদের শাসনে বাঙালি জাতিকে থাকতে হতো । ইংরেজরা দুশো বছর শাসন চালিয়ে বাঙালি জাতিকে শোষণ করে চলছিল । তার ফলে এই সকল মানুষের মধ্যে প্রতিবাদ জাগায় সংগ্রাম গড়ে ওঠে । 

ষড়যন্ত্রে লিপ্ত : বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করার পরেও বাঙালিদের স্বাধীনতা লাভ করার পরেও বাঙালিদের ওপর পূর্ব পাকিস্তানের মানুষেরা অর্থনৈতিক সামাজিক রাজনৈতিক প্রভৃতি বিভিন্ন ক্ষেত্রে শোষণ চালাত । যার ফলে বাঙালিরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং তারা প্রতিরোধের জন্য নিজের মধ্যে ষড়যন্ত্র করে মুক্তিযুদ্ধ করে । 

স্বাধীনতা সংগ্রাম : পাকিস্তানের প্রথম গভর্ণর জেনারেল মজম্মদ আলি জিন্নাহ পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে ঘোষণা করে । এরপর থেকেই স্বাধীনতা আন্দোলনের বীজ উন্মোচিত হয় । ‘ সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ‘ এর মাধ্যমে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে রোধ করার জন্য ব্যবস্থা গৃহীত হয় । আবার ছাত্র নেতারা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে । রাষ্ট্রভাষা উর্দু হওয়ার কারণে তারা তীব্র প্রতিবাদ জানায় তাদের ভাষা বাংলা করার জন্য । ১৯৬৫ সালে আইয়ুব খান রাজনৈতিক অধিকার হরণ করে । এর ফলে বাঙালিরা আরও ক্রুদ্ধ হয় স্বাধিকার আদায়ের জন্য । এরপর ১৯৬৬ সালে ৬ দফা দাবি জানায় । তারপর ১৯৬৮ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা সাজিয়ে শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করানো হয় । এরপর সারা বাংলা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে স্বাধীনসংগ্রাম গড়ে ওঠে । 

সরকার গঠন : তাজাউদ্দীন আহমদ এর নেতৃত্বে বাংলাদেশে মুজিবনগর – এ গণপ্রজাতন্ত্রী সরকার গঠন হয় । বাংলাদেশের সরকারের রাষ্ট্রপতি হন মুজিবুর রহমান । উপরাষ্ট্রপতি হন সৈয়দ নজরুল আর প্রধানমন্ত্রী হন তাজাউদ্দীন আহমদ । প্রধান সেনাপতি হন কর্নেল আতাউল গনি ওসমানী । মুক্তি সংগ্রাম শুরু হয় সরকার গঠনের মাধ্যমে । 

মুক্তিযুদ্ধের মুক্তিবাহিনী গঠন : প্রধান সেনাপতির নেতৃত্বে বাংলাদেশকে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করে । পুলিশ , ছাত্র – জনতা , সামরিক – বেসামরিক মানুষদের নিয়ে মুক্তিবাহিনী গঠিত হয় । মুক্তিবাহিনী গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ করে । ” 

সহযোগিতা : মুক্তিযুদ্ধে ভারত বাংলাদেশকে সহযোগিতা করে । বিভিন্ন অস্ত্র , সেনাবাহিনী কূটনৈতিক সহযোগিতা দিয়ে । মুক্তিযুদ্ধ শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয় । পাকিস্তানে বিমান হামলার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী স্বীকৃতি প্রদান করে বাংলাদেশকে । 

চূড়ান্ত পর্যায় : বাংলাদেশের পক্ষে জগজিৎ সিং আরোরা আর পাকিস্তানের পক্ষে জেনারেল নিয়াজী আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করে মুক্তি যুদ্ধের অবসান ঘটায় । আর বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌম রূপ পায় । 

ভারতের ভূমিকা : মুক্তিযুদ্ধের সময় লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রাণ হারায় , বহুলোক ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করে । পাকিস্তানিদের আক্রমণ , হত্যালীলা ধ্বংসলীলা প্রভৃতি ভারতকে ভাবিয়ে তুলেছিল । তাই সেসময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরাগান্ধি নির্দ্বিধায় সব রকমের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় । পূর্ববঙ্গকে তিনি সেনাবাহিনী , শরণার্থীদের আশ্রয় , অস্ত্রশস্ত্র , যুদ্ধ কৌশল , কূটনৈতিক সহযোগিতা দিয়ে সাহায্য করেছিলেন । সকল রকম সাহায্য পেয়ে পাকবাহিনীকে পূর্ববঙ্গের যোদ্ধারা পরাস্ত করে । 

  পরিশেষে বলা হয়েছে- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সকল ছাত্র , কৃষক , শ্রমিক , বুদ্ধিজীবিরা মিলিত হয়ে সংগ্রামে এগিয়ে যাওয়ায় মুক্তিযুদ্ধের সার্থকতা লাভ হয়েছে । 

২. ‘ উপনিবেশবাদ ’ ও ‘ অব – উপনিবেশবাদ ‘ কাকে বলে ? অব – উপনিবেশীকরণের রাজনৈতিক তাৎপর্য আলোচনা করো । 

 অথবা , বি – উপনিবেশীকরণের কারণ ব্যাখ্যা করো । বি – উপনিবেশীকরণের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো । 

উত্তরঃ উপনিবেশবাদ : ল্যাটিন শব্দ ‘ Colonia ’ থেকে ইংরেজি ‘ Colony ’ শব্দের উৎপত্তি । ‘ Colonialism’- এর অর্থ উপনিবেশবাদ । বিভিন্নভাবে এর ব্যাখ্যা দেওয়া হয় । সাধারণ অর্থে , ঔপনিবেশিক শক্তি এবং উপনিবেশের মধ্যে বৈষম্যমূলক সম্পর্ককে বলে উপনিবেশবাদ । ‘ এনসাইক্লোপিডিয়া অব সোশ্যাল সায়েন্সেস ’ নামক গ্রন্থে উপনিবেশবাদ বলতে ভৌগোলিক এলাকায় আধিপত্যের পাশাপাশি সেখানকার রাজনীতি এবং অর্থনীতির উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাকে বোঝায় । আধুনিক ঐতিহাসিকদের মতে , কোনো ভূখণ্ড এবং সেখানকার জনগোষ্ঠীর উপর রাজনৈতিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি অর্থনৈতিক কার্যকলাপে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাকে বলে উপনিবেশবাদ । 

অব – উপনিবেশবাদ : জার্মান বিশেষজ্ঞ মরিস জুলিয়ান বন সর্বপ্রথম Decolonialism বা অব – উপনিবেশবাদ শব্দটি ব্যবহার করেন । ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্তিকে বলে অব – উপনিবেশীকরণ । ঔপনিবেশিক শক্তির অধীনতা থেকে উপনিবেশগুলির স্বাধীনতা পাওয়ার ঘটনাকে বলে অব – উপনিবেশবাদ । 

অব – উপনিবেশীকরণের রাজনৈতিক তাৎপর্য : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিমি ঔপনিবেশিক শক্তিগুলির প্রাধান্য লুপ্ত হওয়ার বিভিন্ন রাজনৈতিক গুরুত্ব ছিল । যথা— 

  • 1. আন্তর্জাতিক সম্পর্কের প্রসার : বিভিন্ন উপনিবেশ স্বাধীনতা লাভ করলে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের পরিধি প্রসারিত হয় । ইউরোপের বাইরে ছোটো রাষ্ট্রগুলির নিজেদের মধ্যে সুনির্দিষ্ট সম্পর্ক স্থাপিত হয় । আঞ্চলিক সম্পর্কও আন্তর্জাতিক মাত্রা পায় । 
  • 2. তৃতীয় বিশ্ব গঠন : অব – উপনিবেশবাদের প্রভাবে এশিয়া , আফ্রিকার বিভিন্ন উপনিবেশ স্বাধীনতা লাভ করে । এগুলিই তৃতীয় বিশ্ব নামে পরিচিত । 
  • 3. জাতিপুঞ্জের সদস্য বৃদ্ধি : সদ্য স্বাধীন দেশগুলি সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের সদস্যপদ গ্রহণ করে । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নতুন ১৯৭ টি সদস্যের ১০০ টি – ই ছিল সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্র । এর ফলে জাতিপুঞ্জের গুরুত্ব বৃদ্ধি পায় । 
  • 4. জাতিভিত্তিক রাষ্ট্রসমূহ : বিশ্বের পুরনো রাজনৈতিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে । ইউরোপীয় সাম্রাজ্যের অধীনতা ছিন্ন করে জাতিভিত্তিক অসংখ্য রাষ্ট্র গড়ে ওঠে । 
  • 5. ঠান্ডা লড়াই – এর প্রসার : সদ্য স্বাধীন দেশগুলিতে বিশ্বযুদ্ধ – পরবর্তী ঠান্ডা লড়াইয়ের প্রভাব পড়ে । আদর্শগত প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতার কারণে সৃষ্ট ঠান্ডা লড়াইকে কেন্দ্র করে এদের আন্তর্জাতিক গুরুত্ব বেড়ে যায় । এরা ক্রমে ঠান্ডা লড়াইয়ের বৃত্তে ঢুকে পড়ে । 
  • 6. ক্ষমতার নতুন কেন্দ্র : বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে নানা অঞ্চলের মধ্যে সংঘাত শুরু হয় । মধ্যপ্রাচ্য , লাতিন আমেরিকা , দক্ষিণ – পূর্ব এশিয়া প্রভৃতি অঞ্চলে ক্ষমতার নতুন কেন্দ্র গড়ে ওঠে । ভিয়েতনাম যুদ্ধ , ভারত – চিন যুদ্ধ এর নিদর্শন । 

৩. আফ্রিকা , আলজেরিয়ায় কীভাবে স্বাধীন ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান হয়ে জাতীয় পুনর্গঠন সম্পন্ন হয়েছিল ? 

 অথবা , আলজেরিয়ার চূড়ান্ত মুক্তি সংগ্রাম ও স্বাধীনতা লাভ উল্লেখ করো ? স্বাধীনতালাভের পরবর্তীতে আলজেরিয়ার বিকাশ কর্মসুচি ও জাতি সংগঠনের পরিচয় দাও ? 

উত্তরঃ সূচনা : আধুনিককালে ইউরোপের সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রগুলি বিশ্বের যেসব অঞ্চলে নিজেদের উপনিবেশ ও শাসন প্রতিষ্ঠা করে তার অন্যতম ছিল আফ্রিকা মহাদেশ । আফ্রিকা মহাদেশে আধিপত্যকারী ঔপনিবেশিক শক্তির মধ্যে অন্যতম ছিল ফ্রান্স । আফ্রিকায় ফ্রান্সের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপনিবেশ ছিল আলজেরিয়া । 

আলজেরিয়ার স্বাধীনতা লাভ : দীর্ঘ আন্দোলনের মাধ্যমে আলজেরিয়া ফরাসিদের ঔপনিবেশিক আধিপত্য ছিন্ন করতে সক্ষম হয় । 

আন্দোলনের সূচনা : দীর্ঘ ফরাসি শাসন ও শোষণের পর ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ আলজেরিয়ায় মুক্তি সংগ্রাম তীব্র আকার ধারণ করে । আলজেরিয়ার জঙ্গি জাতীয়তাবাদী সংগঠন ‘ National Lebaration Front ‘ গেরিলা যুদ্ধের মাধ্যমে সেদেশের ফরাসি শক্তিকে বিপর্যস্ত করে তোলে । এই সংগঠনের মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী নেতা বেনবেল্লা সারা দেশে আন্দোলনকে অত্যন্ত শক্তিশালী করে তোলে । — 

স্বাধীনতা লাভ : ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে আলজেরিয়ার মুক্তি সংগ্রামের তীব্রতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ফরাসি বাহিনীর দমন নীতিও তীব্রতর হতে থাকে । ফরাসি প্রেসিডেন্ট দ্যাগোল আন্দোলন থামানোর উদ্দেশ্যে ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দে আলজেরিয়ায় পরিকল্পিত গণভোটের ব্যবস্থা করেন । কিন্তু তাঁর এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়নি । শেষপর্যন্ত ফ্রান্স ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দে আলজেরিয়াকে তাদের বহু আকাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা দিতে বাধ্য হয় । ‘ National Lebaration Front’- এর প্রধান নেতা আহমেদ বেনবেল্লা আলজেরিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন । 

আলজেরিয়ার বিকাশ কর্মসূচি ও জাতি সংগঠন : আলজেরিয়া ঔপনিবেশিক শাসনে থাকা থেকে শুরু করে বর্তমান পর্যন্ত আলজেরিয়ায় জাতি সংগঠন ও বিকাশ কর্মসূচিকে তিনটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায় । যথা— 

প্রথম পর্যায় : প্রথম পর্বে ১৯০০-১৯৫৪ পর্যন্ত আলজেরিয়ায় ব্যাপক ঔপনিবেশিক শোষণ চলে । যদিও শুভবুদ্ধিসম্পন্ন আলজেরিয়াবাসী নিজেদের অধিকার ও শিক্ষা সম্পর্কে এইসময় সচেতন হতে থাকে যা আলজেরিয়াবাসীকে ফরাসি ঔপনিবেশিক শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মুখর হতে সাহায্য করে । ঔপনিবেশিক শাসনের বন্ধন ছিন্ন করার উদ্দেশ্যে তারা ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে স্বাধীনতা ঘোষণা করে । 

দ্বিতীয় পর্যায় : এই পর্বে ১৯৫৪ থেকে ৬২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ফরাসি শক্তির বিরুদ্ধে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শুরু হয় । এইসময় ‘ National Lebaration Front- এর প্রধান নেতা বেনবেল্লা স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে জীবন – মরণ সংগ্রামে লিপ্ত হয় । শেষ পর্যন্ত ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দে ঐক্যবদ্ধ স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতান্ত্রিক আলজেরিয়ার আত্মপ্রকাশ ঘটে , যার প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন বেনবেল্লা ।

তৃতীয় পর্যায় : তৃতীয় পর্যায় ১৯৬২ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত প্রায় আট লক্ষ ফরাসি শেতাঙ্গ আলজেরিয়া ছেড়ে ফ্রান্সে ফিরে যায় । অবশ্য প্রথম তিন বছরের মধ্যেই বেনবেল্লাকে পদচ্যুত করে তার হৌয়োরি বৌমভিয়েন দেশের ক্ষমতা দখল করে । তাঁর আমলে আলজেরিয়ায় কৃষি ও শিল্পায়নের উন্নতি ঘটলেও এইসময় দেশে ইসলামিক মৌলবাদ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে । 

মূল্যায়ন : স্বাধীনতা লাভের প্রাক্কালে আলজেরিয়ার অর্থনীতি ছিল খুবই অনুন্নত । কিন্তু স্বাধীন আলজেরিয়া সরকার আধুনিকীকরণের উদ্যোগ নিয়ে দেশের অর্থনীতি ও কৃষি ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি করে । 

৪. স্বাধীন ভারতের তিনটি পদ্মবার্ষিকী পরিকল্পনার লক্ষ্য ও গুরুত্ব আলোচনা করো ।

উত্তরঃ সূচনা : ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ভারতবর্ষ স্বাধীন হবার পর ভারতবাসীর সামনে একাধিক সমস্যা দেখা দেয় । এর মধ্যে অন্যতম সমস্যা ছিল সদ্য স্বাধীনতাপ্রাপ্ত দেশের অর্থনৈতিক সমস্যা । ড . এস . গোপাল ‘ স্বাধীনতার ঊষালগ্নে ‘ এই সংকটকালকে বিষন্ন প্রভাত ‘ বলে অভিহিত করেছেন । এইসময়ে ভারতবাসীর দারিদ্র্য , অনাহার , বেকারত্ব , শিক্ষার অভাব , চিকিৎসার অভাব প্রভৃতি বিষয় ভারতের অর্থনৈতিক দুর্বলতাকেই প্রকট করে তুলেছিল । এই অর্থনৈতিক সংকটের অবসানে প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু প্রতি পাঁচ বছর অন্তর পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেন । 

প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা : সদ্য স্বাধীন ভারতবর্ষের বহুমুখী আর্থিক সমস্যা সমাধানে ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দে গ্রহণ করা হয় প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা । এই পরিকল্পনার প্রধান লক্ষ্যগুলি ছিল এইরকম— 

লক্ষ্য : প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার প্রধান ও প্রথম লক্ষ্য ছিল যুদ্ধ ও দেশ বিভাগের দ্বারা সৃষ্টি হওয়া আর্থিক সংকট দূর করা । উন্নয়নমূলক কর্মসূচি , কৃষি , ও শিল্পের উন্নয়নের দ্বারা জাতীয় আয় বৃদ্ধি করে দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা । 

গুরুত্ব : ভারতবর্ষের ইতিহাসে প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা কম গুরুত্বপূর্ণ নয় । এই পরিকল্পনার ফলে ভারতের জাতীয় আয় ১৮ শতাংশ , মাথাপিছু আয় ১০.৮ শতাংশ , কৃষি উৎপাদন ২২ শতাংশ এবং শিল্প উৎপাদন ৩৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায় । 

দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা : ১৯৫৬-৬১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু ভারতের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সামাজিক কল্যাণ সাধন ও বেসরকারি উদ্যোগ উভয় ক্ষেত্রে সমান গুরুত্ব প্রদান করেন । 

লক্ষ্য : এই পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় ভারতীয় জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের উদ্দেশ্যে জাতীয় আয় ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি করার প্রচেষ্টা হয়েছিল । এছাড়া ভারী শিল্প , কুটির শিল্প বৃদ্ধি করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করারও প্রয়াস চালানো হয়েছিল এই পরিকল্পনায় । 

গুরুত্ব : দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হলেও এই পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ ছিল না । এই পরিকল্পনায় জাতীয় আয় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল । বিদ্যুৎ শিল্প , ভারী শিল্প এবং যন্ত্রপাতি নির্মাণ শিল্পের ক্ষেত্রে এই পরিকল্পনা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ । 

তৃতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা : ১৯৬১-১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তৃতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার লক্ষ্য ও গুরত্ব ছিল নিম্নরূপ— 

লক্ষ্য : এই পরিকল্পনার প্রধান লক্ষ্য ছিল প্রতিবছর জাতীয় আয় অন্তত ৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি করা এবং খাদ্য উৎপাদনে দেশকে স্বনির্ভর করে তোলা । শিল্প ও রপ্তানির চাহিদা মেটাতে কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্ব বাড়ানো হয় । এছাড়া বৈষম্য দূর করে অর্থনৈতিক ক্ষমতার সুষম বণ্টন করা ইত্যাদি । 

গুরুত্ব : বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তৃতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা তার লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হয়েছিল একথা বলা যায় । কারণ ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দে চিনের ভারত আক্রমণ , ১৯৬৫-৬৬ খ্রিস্টাব্দে ভারত – পাক যুদ্ধ প্রভৃতি ঘটনা এক্ষেত্রে অনেকটাই দায়ী বলে মনে করা হয় । 

৫. অব – উপনিবেশীকরণের অর্থনৈতিক ও সামাজিক তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো । 

উত্তরঃ ভূমিকা : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এশিয়া , আফ্রিকা এবং লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশে অব – উপনিবেশীকরণের প্রক্রিয়া শুরু হয় । তীব্র সংগ্রামের শেষে এসব উপনিবেশ বিদেশি শাসন হতে মুক্ত হয়ে স্বাধীন হয় অর্থাৎ উপনিবেশগুলিতে অব – উপনিবেশীকরণ বা উপনিবেশবাদের অবসান ঘটতে শুরু করে । এই ঘটনার অর্থনৈতিক ও সামাজিক তাৎপর্য অপরিসীম । 

অব – উপনিবেশীকরণের অর্থনেতিক তাৎপর্য : এর বিশেষ অর্থনৈতিক তাৎপর্য লক্ষ্য করা যায় । যথা— 

  • 1. অর্থনৈতিক দুর্বলতা : স্বাধীনতা লাভের আগে ঔপনিবেশিক শক্তির দখলে থাকা উপনিবেশগুলির অর্থ ও সম্পদ ছিল সাম্রাজ্যবাদী শক্তির দখলে । ক্রমাগত শোষণের ফলে এরা আর্থিকভাবে দুর্বল হয়ে গিয়েছিল । ফলে অব – উপনিবেশীকরণের পরও অর্থের অভাবে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ব্যাহত হয় । 
  • 2. নয়া উপনিবেশবাদ : সদ্য স্বাধীন দেশগুলির দুর্বলতার সুযোগে বৃহৎ রাষ্ট্রগুলি অর্থনৈতিক সহায়তা দান করে এসব দেশে প্রতিপত্তি বিস্তার করে । ফলে রাজনৈতিকভাবে অধীনতা থেকে মুক্ত হলেও , এই দেশগুলি বৃহৎ শক্তির অর্থনৈতিক উপনিবেশবাদের কোপে পড়ে ।
  • 3. আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি : সদ্য স্বাধীন উপনিবেশগুলির মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা বেড়ে যায় । বিভিন্ন সমস্যার সমাধান এবং সামগ্রিক উন্নতির লক্ষ্যে এই দেশগুলি বিভিন্ন আঞ্চলিক সংগঠন গড়ে তোলে । এসব সংগঠন মূলত অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে জোর দেয় । কয়েকটি সংগঠন হলো— SAARC , ASEAN . 

অব – উপনিবেশীকরণের সামাজিক তাৎপর্য : এর বিভিন্ন সামাজিক তাৎপর্য আছে— 

  • 1. বর্ণবৈষম্যবাদের অবসান : এশিয়া , আফ্রিকার বিভিন্ন উপনিবেশে কৃস্লাঙ্গরা এতদিন শ্বেতাঙ্গদের দ্বারা শোষিত হচ্ছিল । অব – উপনিবেশীকরণের পর সারা পৃথিবীতে বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে ওঠে । দক্ষিণ আফ্রিকা , দক্ষিণ – পশ্চিম আফ্রিকা , রোডেশিয়া থেকে বিদায় নেয় বর্ণবৈষম্যবাদ । 
  • 2. এলিট গোষ্ঠীর শক্তি বৃদ্ধি : ঔপনিবেশিক শক্তির অবসানের পর সদ্য স্বাধীন দেশগুলির শাসনক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হয় শিক্ষিত ও ধনী এলিট গোষ্ঠীর হাতে । আন্দোলনকারী দরিদ্র মানুষ ক্ষমতালাভে ব্যর্থ হয় । ফলে এলিটভুক্তদের সঙ্গে দরিদ্র মানুষের সামগ্রিক বিভাজন দেখা দেয় । 

৬. স্বাধীন বাংলাদেশের উত্থান ও শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকা আলোচনা করো । 

অথবা , ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো । 

অথবা , পাকিস্তানের বিভাজন ও বাংলাদেশের উত্থানের প্রেক্ষাপট আলোচনা করো । 

উত্তরঃ পাকিস্তানের বিভাজন ও বাংলাদেশের উত্থান : ১৯৪৭ সালে যে পাকিস্তানের সৃষ্টি হয় তার পশ্চিম অংশ পশ্চিম পাকিস্তান এবং পূর্ব দিকের অংশ পূর্ব পাকিস্তান নামে পরিচিত হয় । পূর্ব পাকিস্তানের জনসংখ্যা বেশি হলেও পশ্চিম পাকিস্তানের বঞ্চনার প্রেক্ষিতে বাঙালিদের মধ্যে ক্ষোভ জমা হতে থাকে । 

পূর্ববঙ্গের প্রতি বনা : পূর্ববঙ্গের মুসলিমরা মহম্মদ আলি জিন্নাকে খুব শ্রদ্ধা করতেন । তাঁরা মনে করতেন , পাকিস্তান গড়ে উঠলে হিন্দুদের অধীনতা মুক্ত হয়ে তারা স্বাধীনভাবে ধর্মাচরণ করতে পারবেন , যদিও বাঙালিদের উপর পশ্চিম পাকিস্তান অর্থনৈতিক বৈষম্য চাপিয়ে দেয় । পূর্ব পাকিস্তানের দাবি পূরণের বিষয়ে পাক প্রশাসন উদাসীনতা দেখায় । ফলে বঞ্চনার প্রতিবাদে পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিরা ক্ষুদ্ধ হয়ে ওঠে । ভাষা আন্দোলন পূর্ব পাকিস্তানে ৯৮-১৬ শতাংশ , পুরো পাকিস্তানে ৫৬.৪০ শতাংশ ছিল বাংলাভাষী । কিন্তু পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে জিন্না উর্দুকে স্বীকৃতি দেন । এর ফলে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে পূর্ববঙ্গের সর্বত্র আন্দোলন শুরু হয় । ১৯৫২ সালে পাক পুলিশের গুলি চালনায় ভাষা আন্দোলনের ৪ সমর্থক প্রাণ হারান । এর পর দীর্ঘ আন্দোলনের প্রেক্ষিতে ১৯৭১ সালে পৃথক বাংলাদেশ রাষ্ট্র গড়ে ওঠে। 

রাজনৈতিক বৈষম্য : পশ্চিম পাকিস্তানের নেতৃবৃন্দ দেশের রাজনৈতিক ক্ষমতা হস্তগত করে রেখেছিল । খাজা নজিমুদ্দিন , সুরাবর্দিকে নানা অজুহাতে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় । পূর্ববঙ্গের মানুষের রাজনৈতিক অধিকার ছিল না বললেই চলে । 

১৯৭০ – এর দুর্যোগ : ১৯৭০ সালে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে পূর্ব পাকিস্তানের প্রায় ৩ লক্ষের বেশি মানুষ মারা যায় । এসময় ত্রাণকার্য পরিচালনায় পাক রাষ্ট্রপতি ইয়াহিয়া খান তৎপর হননি বলে অভিযোগ । সেজন্য পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ দাবি করে । 

মুজিবুর রহমানের উত্থান : ১৯৭০ সালে পাকিস্তানে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় । পূর্ব পাকিস্তানে আওয়ামি লিগ ১৬২ টির মধ্যে ১৬০ টি আসনে জয় পায় । দলনেতা শেখ মুজিবুর রহমানই সরকার গঠনের অধিকার পান । অবশ্য পূর্ব পাকিস্তানের কোনো ব্যক্তি হওয়ার পাশাপাশি দ্বিতীয় স্থানে থাকা পাকিস্তান পিপলস পার্টির জুলফিকার আলি ভুট্টোর বিরোধিতায় মুজিবুরকে সরকার গড়তে বাধা দেওয়া হয় । ফলে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয় ।

ঐতিহাসিক ভাষণ : আওয়ামি লিগকে সরকার গড়তে না দেওয়ার প্রতিবাদে পূর্ব পাকিস্তানে ধর্মঘটের ডাক দেন মুজিবুর রহমান । ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে ঐতিহাসিক ভাষণে মুজিবুর বলেন , “ এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম । ” বাঙালি জাতির মধ্যে সৃষ্টি হয় তীব্র উন্মাদনা । 

গণহত্যা : ২৫ মার্চ রাতে জেনারেল টিক্কা খানের নেতৃত্বে পাক বাহিনী ব্যাপকভাবে বাঙালিদের হত্যা করে । এর পোশাকি নাম দেওয়া হয় ‘ অপারেশন সার্চলাইট ‘ ।

স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম : ওই দিন মধ্যরাতে শেখ মুজিবুরকে গ্রেপ্তার করা হয় । তবে স্বাধীনতার লক্ষ্যে শুরু হয় তীব্র গণ – আন্দোলন । ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধি বিদ্রোহীদের পাশে দাঁড়ানোয় বিপাকে পড়ে পাক সরকার । শেষ পর্যন্ত ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ভারতীয় বাহিনীর প্রধান জগজিৎ সিং অরোরার কাছে আত্মসমর্পণ করেন পাক বাহিনীর প্রধান জেনারেল এ কে নিয়াজি । এর ফলে স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্ম হয় । 

FILE INFO : HS Class 12 History Suggestion PDF Download for FREE | দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন বিনামূল্যে ডাউনলোড করুণ | অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়) – MCQ প্রশ্নোত্তর, অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নউত্তর, ব্যাখ্যাধর্মী প্রশ্নউত্তর

PDF Name : অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়) – দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন | HS Class 12 History Suggestion PDF

Price : FREE

Download Link : Click Here To Download

উচ্চমাধ্যমিক সাজেশন ২০২২ – HS Suggestion 2022

আরোও দেখুন:-

HS Bengali Suggestion 2022

আরোও দেখুন:-

HS English Suggestion 2022

আরোও দেখুন:-

HS Geography Suggestion 2022

আরোও দেখুন:-

HS History Suggestion 2022

আরোও দেখুন:-

HS Political Science Suggestion 2022

আরোও দেখুন:-

HS Philosophy Suggestion 2022

আরোও দেখুন:-

 HS Education Suggestion 2022

পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক  ইতিহাস পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্ন উত্তর ও শেষ মুহূর্তের সাজেশন ডাউনলোড। দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস পরীক্ষার জন্য সমস্ত রকম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। West Bengal HS  History Suggestion Download. WBCHSE HS History short question suggestion. HS Class 12 History Suggestion PDF download. HS Question Paper  Political science. WB HS 2022 History suggestion and important questions. HS Class 12 History Suggestion PDF.

Get the HS Class 12 History Suggestion PDF by winexam.in

 West Bengal HS Class 12 History Suggestion PDF  prepared by expert subject teachers. WB HS  History Suggestion with 100% Common in the Examination.

Class 12th History Suggestion

West Bengal HS  History Suggestion Download. WBCHSE HS History short question suggestion. HS Class 12 History Suggestion PDF  download. HS Question Paper  Political science.

দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন – অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়) – প্রশ্ন উত্তর |  WB HS History  Suggestion

দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস (HS Political science) অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়) – প্রশ্ন উত্তর। দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন – অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়) – প্রশ্ন উত্তর |  WB HS History  Suggestion

অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়) – উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন | Higher Secondary History Suggestion

দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক বোর্ডের (WBCHSE) সিলেবাস বা পাঠ্যসূচি অনুযায়ী  দ্বাদশ শ্রেণির ইতিহাস বিষয়টির সমস্ত প্রশ্নোত্তর। সামনেই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা, তার আগে winexam.in আপনার সুবিধার্থে নিয়ে এল অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়) – উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন | Higher Secondary History Suggestion । ইতিহাস বিষয়ে ভালো রেজাল্ট করতে হলে অবশ্যই পড়ুন আমাদের দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন বই ।

অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়) – দ্বাদশ শ্রেণির ইতিহাস সাজেশন | West Bengal Class 12th Suggestion

আমরা WBCHSE উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ইতিহাস বিষয়ের – অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়) – দ্বাদশ শ্রেণির ইতিহাস সাজেশন | West Bengal Class 12th Suggestion আলোচনা করেছি। আপনারা যারা এবছর দ্বাদশ শ্রেণির ইতিহাস পরীক্ষা দিচ্ছেন, তাদের জন্য আমরা কিছু প্রশ্ন সাজেশন আকারে দিয়েছি. এই প্রশ্নগুলি পশ্চিমবঙ্গ দ্বাদশ শ্রেণির ইতিহাস পরীক্ষা  তে আসার সম্ভাবনা খুব বেশি. তাই আমরা আশা করছি HS ইতিহাস পরীক্ষার সাজেশন কমন এই প্রশ্ন গুলো সমাধান করলে আপনাদের মার্কস বেশি আসার চান্স থাকবে।

দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন – অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়) | HS Class 12 History Suggestion with FREE PDF Download

History Class XII, History Class Twelve, WBCHSE, syllabus, HS Political science, দ্বাদশ শ্রেণি ইতিহাস, ক্লাস টোয়েলভ ইতিহাস, উচ্চ মাধ্যমিকের ইতিহাস, ইতিহাস উচ্চ মাধ্যমিক – অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়), দ্বাদশ শ্রেণী – অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়), উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়), ক্লাস টেন অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়), HS History – অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়), Class 12th অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়), Class X অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়), ইংলিশ, উচ্চ মাধ্যমিক ইংলিশ, পরীক্ষা প্রস্তুতি, রেল, গ্রুপ ডি, এস এস সি, পি, এস, সি, সি এস সি, ডব্লু বি সি এস, নেট, সেট, চাকরির পরীক্ষা প্রস্তুতি, HS Suggestion, HS Suggestion , HS Suggestion , West Bengal Secondary Board exam suggestion, West Bengal Higher Secondary Board exam suggestion , WBCHSE , উচ্চ মাধ্যমিক সাজেশান, উচ্চ মাধ্যমিক সাজেশান , উচ্চ মাধ্যমিক সাজেশান , উচ্চ মাধ্যমিক সাজেশন, দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশান ,  দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশান , দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস , দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস, মধ্যশিক্ষা পর্ষদ, HS Suggestion History , দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস – অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়) – সাজেশন | HS Class 12 History Suggestion PDF PDF, দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস – অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়) – সাজেশন | HS Class 12 History Suggestion PDF PDF, দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস – অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়) – সাজেশন | দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস – অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়) – সাজেশন | HS Class 12 History Suggestion PDF PDF, দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস – অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়) – সাজেশন | HS Class 12 History Suggestion PDF PDF,দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস – অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়) – সাজেশন | HS Class 12 History Suggestion PDF PDF, দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস – অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়) – সাজেশন | HS Class 12 History Suggestion PDF, HS History Suggestion PDF ,  West Bengal Class 12 History Suggestion PDF.

  এই (অব – উপনিবেশীকরণ (অষ্টম অধ্যায়) – দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন | HS Class 12 History Suggestion PDF) পোস্টটি থেকে যদি আপনার লাভ হয় তাহলে আমাদের পরিশ্রম সফল হবে। আরোও বিভিন্ন স্কুল বোর্ড পরীক্ষা, প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার সাজেশন, অতিসংক্ষিপ্ত, সংক্ষিপ্ত ও রোচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তর (All Exam Guide Suggestion, MCQ Type, Short, Descriptive Question and answer), প্রতিদিন নতুন নতুন চাকরির খবর (Job News) জানতে এবং সমস্ত পরীক্ষার এডমিট কার্ড ডাউনলোড (All Exam Admit Card Download) করতে winexam.in ওয়েবসাইট ফলো করুন, ধন্যবাদ।

Win exam telegram channel

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here