অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন | Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion PDF
অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন | Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion PDF

অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন

Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion PDF

অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন | Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion PDF : অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন ও অধ্যায় ভিত্তিতে প্রশ্নোত্তর নিচে দেওয়া হল।  এবার পশ্চিমবঙ্গ একাদশ শ্রেণির ইতিহাস পরীক্ষায় বা একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস পরীক্ষায় (Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion PDF | West Bengal Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion PDF  | WBCHSE Board Class 11th History Question and Answer with PDF file Download) এই প্রশ্নউত্তর ও সাজেশন খুব ইম্পর্টেন্ট । আপনারা যারা আগামী একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস পরীক্ষার জন্য অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) একাদশ শ্রেণির ইতিহাস সাজেশন  | Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion PDF | WBCHSE Board Class 11th History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion Question and Answer খুঁজে চলেছেন, তারা নিচে দেওয়া প্রশ্ন ও উত্তর ভালো করে পড়তে পারেন। 

অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন | পশ্চিমবঙ্গ একাদশ শ্রেণির ইতিহাস সাজেশন/নোট (West Bengal Class 11th History Question and Answer / WBCHSE Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion PDF)

পশ্চিমবঙ্গ একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন (West Bengal Class 11th History Suggestion PDF / Notes / Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion) অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) প্রশ্ন উত্তর – MCQ প্রশ্নোত্তর, অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর (SAQ), সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর (Short Question and Answer), ব্যাখ্যাধর্মী বা রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর (descriptive question and answer) এবং PDF ফাইল ডাউনলোড লিঙ্ক নিচে দেওয়া রয়েছে

অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) | Arthonoitik Bibhinno Dik

অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর | অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন | Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion : 

  1. ক্রীতদাসদের কীরূপ শাস্তি দেওয়া হতো ?

Answer: ক্রীতদাসদের লোহার শেকলে বেঁধে উত্তপ্ত লোহার ছ্যাকা দেওয়া প্রভৃতি শাস্তি দেওয়া হতো । 

  1. গ্ল্যাডিয়েটর কাদের বলা হতো ? 

Answer: প্রাচীন রোমে কোনো কোনো ক্রীতদাসকে হিংস্র পশুর সঙ্গে লড়াই করে নাগরিকদের আনন্দ দিতে হতো , এই ক্রীতদাসদের গ্ল্যাডিয়েটর বলা হতো । 

  1. রোমে মুক্তিপ্রাপ্ত ক্রীতদাসদের কী বলা হতো ?

Answer: লিবার্টাস । 

  1. ক্রীতদাসদের মুক্তির দু’টি উপায় কী ? 

Answer: প্রভুকে প্রচুর পরিমাণে অর্থ প্রদান করা এবং বিপদকালে প্রভুর জীবন রক্ষা করা । 

  1. প্রাচীন মিশরীয় সমাজ ক’টি শ্রেণিতে বিভক্ত ছিল ? 

Answer: তিনটি । যথা — অভিজাত শ্রেণি , মধ্যবিত্ত শ্রেণি , নিম্নশ্রেণি । 

  1. কোন কোন অঞ্চল থেকে মিশরে ক্রীতদাস আমদানি হয় ? 

Answer: লিবিয়া , মিরো , কুশ । 

  1. কোন গ্রিক পর্যটক বলেছেন , প্রাচীন ভারতে দাসপ্রথার অস্তিত্ব ছিল না ? 

Answer: মেগাস্থিনিস তার ইন্ডিকা ’ গ্রন্থে বলেছেন । 

  1. সামন্ততন্ত্র সম্পর্কে রোমান তত্ত্ব – এর প্রবক্তা কে ছিলেন ?

Answer: আবেদুবো । 

  1. সামন্ততন্ত্র সম্পর্কে জার্মান তত্ত্ব – এর প্রবক্তা কে ছিলেন ? 

Answer: বোলাভিয়ের । 

  1. কে , কবে ইংল্যান্ডে সামন্তপ্রথা প্রবর্তন করেন ? 

Answer: নর্মান্ডিজ – ডিউক লিয়ার 1066 খ্রিস্টাব্দে । 

  1. মধ্যযুগে ইউরোপে কাদের নাইট বলা হতো ?

Answer: ইউরোপে সামস্ততান্ত্রিক ব্যবস্থায় উচ্চবংশীয় যোদ্ধাদের নিয়ে গঠিত সামরিক বাহিনীর রাজাদের নাইট বলা হতো । 

  1. কাকে সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থার অগ্রদূত বলা হয় ?

Answer: অগ্রাহার ব্যবস্থাকে । 

  1. মধ্যযুগে ইউরোপের কয়েকটি বাণিজ্যকেন্দ্র কী কী ? 

Answer: ভেনিস , মিলান , পিসা এবং নেপলস । 

  1. মূল্য বিপ্লব কাকে বলে ? 

Answer: দ্বাদশ শতকের মধ্যভাগ থেকে চতুর্দশ শতকের মধ্যভাগ পর্যন্ত জিনিসপত্রের মূল্য ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পায় যা সাধারণভাবে মূল্য বিপ্লব নামে পরিচিত । 

  1. কম্পাসের ব্যবহার বাণিজ্য ক্ষেত্রে কী সুবিধা করে ? 

Answer: দ্বাদশ শতকে এর আবিষ্কার জলপথে বাণিজ্যের পণ্য চলাচলে সুবিধা করে দেয় ।

  1. গিল্ড কী ছিল ? 

Answer: মধ্যযুগে ইউরোপে ব্যবসায়ী ও কারিগর শ্রেণি নিজেদের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখার জন্য আলাদা সংগঠন গড়ে তোলে যা গিল্ড নামে পরিচিত । 

  1. ইউরোপে কখন , কোথায় প্রথম গিল্ড গড়ে ওঠে ? 

Answer: ইংল্যান্ডে একাদশ থেকে দ্বাদশ শতকে সর্বপ্রথম গিল্ড প্রতিষ্ঠিত হয় । 

  1. কারিগরদের পৃথক গিল্ড সর্বপ্রথম কোথায় গড়ে ওঠে ?

Answer: ইতালিতে গড়ে ওঠে । 

  1. মধ্যযুগে ইংল্যান্ডের গুরুত্বপূর্ণ নগর ছিল কোনগুলি ? 

Answer: লন্ডন , অক্সফোর্ড , কেমব্রিজ , ব্রিস্টল । 39. মধ্যযুগে জার্মানির দু’টি গুরুত্বপূর্ণ নগর কী ছিল ?

Answer: মিউনিখ এবং নুরেমবার । মৌর্য – পরবর্তী যুগে ভারত থেকে রোমের বাণিজ্যের যেকোনো একটি প্রভাব এই বাণিজ্যের দ্বারা ভারতীয় মশলা , চাল , গম , সুগন্ধি দ্রব্য , দামি পাথর , কাঠ , মসলিন প্রভৃতি রোমে রপ্তানি করা হতো ।

  1. কে দাসপ্রথাকে ‘ ম্লেচ্ছ প্রথা ‘ বলে উল্লেখ করেছেন ? 

Answer: কৌটিল্য দাসপ্রথাকে ‘ ম্লেচ্ছ প্রথা ‘ বলে উল্লেখ করেছেন । 

  1. নিম্নসামস্ত ঊর্ধ্বতন সামন্তপ্রভুর সংকটকালে কী কর প্রদান করতেন ? 

Answer: নিম্নসামস্ত ঊর্ধ্বতন সামন্তপ্রভুর সংকটকালে ‘ স্কুটেজ ’ নামে কর প্রদান করতেন । 

  1. সার্ফ বা ভূমিদাস বলতে কাদের বোঝায় ? Answer: মধ্যযুগে ইউরোপের সামন্ততান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় অধিকারহীন , ভূমিহীন কৃষকদের ‘ সার্ফ বা ভূমিদাস ’ বলা হতো । 
  2. কমিটেটাস প্রথা কী ? 

Answer: প্রাচীন জার্মানিতে প্রচলিত এক প্রথা অনুসারে স্বাধীন যোদ্ধারা স্বেচ্ছায় কোনো সামরিক নেতা বা সেনাপতির প্রতি আনুগত্য জানিয়ে তার স্বার্থপূরণের বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দান করত । এটি ‘ কমিটেটাস প্রথা ‘ নামে পরিচিত । 

  1. ইউরোপে সামন্ততান্ত্রিক সমাজ কয়টি শ্রেণিতে বিভক্ত ছিল ? 

Answer: ইউরোপে সামন্ততান্ত্রিক সমাজ মূলত পাঁচটি শ্রেণিতে বিভক্ত ছিল । এগুলি হলো –1) রাজা , 2) ডিউক 3) আর্ল 4) ব্যারন , নাইট এবং 5) ভ্যাসাল । 

  1. ভ্যাসাল কাদের বলা হতো ? 

Answer: মধ্যযুগে ইউরোপের সামন্ততান্ত্রিক সমাজের সর্বনিম্ন স্তরে অবস্থানকারী দরিদ্র কৃষকদের ভ্যাসাল বলা হতো । 

  1. ‘ ফিফ ‘ কী ? 

Answer: ইউরোপের সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থায় নিম্নসামন্ত ঊর্ধ্বতন সামন্তপ্রভুর প্রতি আনুগত্যের শপথ গ্রহণ করত এবং বিনিময়ে ঊর্ধ্বতন সামন্তপ্রভু তার অধীনস্ত নিম্ন সামস্তকে জমিদান করত । এই জমিদানকে ‘ ফিফ ‘ বলা হতো । 

  1. ‘ হেরিয়ট ‘ বলতে কী বোঝো ? 

Answer: সামস্ততন্ত্রে ভূমিদাসের পুত্র উত্তরাধিকার সূত্রে তার পিতার জমি লাভ করলেও প্রভুকে যে বাধ্যতামূলক কর দিতে হতো তা ‘ হেরিয়ট ’ নামে পরিচিত । 

  1. ‘ ম্যানর ‘ কাকে বলা হতো ? 

Answer: মধ্যযুগে সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থায় ইউরোপের বেশিরভাগ মানুষ গ্রামে বাস করত । এই গ্রামগুলিকেই ‘ ম্যানর ‘ বলা হতো ।  

  1. বৈদিক যুগে অনার্য ব্যবসায়ীরা কী নামে পরিচিত ছিল ?

Answer: বৈদিক যুগে অনার্য ব্যবসায়ীরা ‘ পনি ‘ নামে পরিচিত ছিল । 

  1. ট্রবাদুর ‘ কাদের বলা হতো ? 

Answer: মধ্যযুগে নাইটদের বীরত্ব , আদর্শ ও আত্মত্যাগের কাহিনি নিয়ে একদল চারণকবি বিভিন্ন স্থানে গান গেয়ে বেড়াতেন । এই চারণকবিদের দক্ষিণ ফ্রান্সে ট্রুবাদুর বলা হতো । 

  1. ‘ অগ্রাহার ‘ প্রথা বলতে কী বোঝো ? 

Answer: ভারতে খ্রিস্টীয় তৃতীয় শতকের পরে পুণ্য অর্জনের উদ্দেশ্যে ব্রাহ্মণ ও ধর্মপ্রতিষ্ঠানে নিষ্কর জমিদান করার প্রথা চালু হয় । এই প্রথা ‘ অগ্রাহার ’ বা ‘ ব্রহ্মদেও ’ নামে পরিচিত । 

  1. ‘ ইকতা ‘ শব্দের অর্থ কী ? 

Answer: ‘ ইকতা ‘ শব্দের অর্থ হলো ‘ এক অংশ । 

  1. নিগম কাকে বলে ? 

Answer: কৃষির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতক থেকে ভারতে বিভিন্ন কারিগরি শিল্পের ও অন্যান্য পেশার বিকাশ ঘটতে থাকে । নিজেদের স্বার্থ সুরক্ষিত করার উদ্দেশ্যে একই পেশার শিল্পী ও কারিগররা তাদের নিজস্ব সংগঠন গড়ে তোলে । প্রাচীন ভারতের শিল্পী , কারিগর বা বণিকদের এই সংগঠন নিগম নামে পরিচিত । 

  1. মৌর্য – পরবর্তী যুগে ভারত – রোম বাণিজ্যের যেকোনো একটি প্রভাব উল্লেখ করো । 

Answer: মৌর্য – পরবর্তী যুগে ভারত – রোম বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ছিল । এই বাণিজ্যের দ্বারা ভারতীয় মশলা , চাল , গম , সুগন্ধি দ্রব্য , দামি পাথর , দামি কাঠ , মসলিন , রেশম প্রভৃতি রোমে রপ্তানি হতো । 

  1. মধ্যযুগে ইউরোপে গিল্ড গড়ে ওঠার দু’টি কারণ লেখো ।

Answer: মধ্যযুগে ইউরোপে গিল্ড গড়ে ওঠার দু’টি প্রধান কারণ ছিল— 1) শ্রমিক শ্রেণির ঐক্যবদ্ধ স্বার্থরক্ষার জন্য চেষ্টা করা এবং 2) কারখানায় কাঁচামাল ও শ্রমিকের জোগান অব্যাহত রাখা । 

  1. ‘ মিনোসিঙ্গার ‘ কাদের বলা হতো ? 

Answer: মধ্যযুগে ইউরোপে একদল চারণকবি নাইটদের বীরত্ব , আদর্শ ও প্রেমের কাহিনি গ্রাম ও শহরের বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণ করে গেয়ে শোনাতেন । এই সমস্ত চারণকবি জার্মানিতে ‘ মিনোসিঙ্গার ‘ নামে পরিচিত । 

  1. ‘ টাইদ ‘ কী ? 

Answer: মধ্যযুগে খ্রিস্টান চার্চগুলি কৃষকদের কাছ থেকে উৎপন্ন ফসলের / ,, অংশ কর আদায় করত । এই কর টাইদ বা ধর্মকর নামে পরিচিত । 

  1. ভার্নি কাদের বলা হতো ? 

Answer: ক্রীতদাসের যেসব সন্তান জন্মসূত্রে ক্রীতদাসে পরিণত হয় তাদের ভার্নি বলা হতো । 

MCQ প্রশ্নোত্তর | অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন | Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion : 

  1. সামস্ততন্ত্রে ভূমিহীন কৃষকদের বলা হতো— (A) ভিলেন (B) ডিমিন (C) সাফ (D) করাট ও ব্রুফটার 

Answer: (D) করাট ও ব্রুফটার

  1. বণিক ও কারিগরদের সমিতিকে বলা হয়— (A) গিল্ড (B) শিল্ড (C) লিগ (D) ক্লাব 

Answer: (A) গিল্ড

  1. মিশরের সর্বোচ্চ শাসককে বলা হতো (A) রাজা (B) ফ্যারাও (C) সম্রাট (D) সুলতান 

Answer: (B) ফ্যারাও

  1. দু’জন সামন্তপ্রভুর মধ্যে তলোয়ারের যুদ্ধকে বলা হয়—(A) টুর্নামেন্ট (B) ডায়েট (C) ডুয়েল (D) ডুয়েট 

Answer: (C) ডুয়েল

  1. মিশরের অধিকাংশ ক্রীতদাস ছিল— (A) শিল্পী (B) সৈনিক (C) শ্রমিক (D) গৃহভৃত্য 

Answer: (D) গৃহভৃত্য

  1. পালিয়ে যাওয়া ক্রীতদাসকে বলা হতো – (A) জিউস (B) সিজার (C) গ্ল্যাডিয়েটর (D) ম্যানুমিসিও

Answer: (D) ম্যানুমিসিও

  1. ভারতে প্রথম নগরায়ণ ঘটেছিল— (A) হরপ্পা সভ্যতায় (B) গুপ্তযুগে (C) মৌর্যযুগে (D) বৈদিক যুগে 

Answer: 

  1. টাইলে ছিল একপ্রকার ___ কর (A) লবণ (B) ধর্ম (C) ভূমি (D) সামস্ত 

Answer: (D) সামস্ত

  1. দ্বিতীয় পিউনিক যুদ্ধে জয়লাভ করে – (A) ইতালি (B) রোম (C) ইংল্যান্ড(D) হল্যান্ড 

Answer: (B) রোম

  1. শার্লামেনের মৃত্যু হয় – (A) 814 খ্রিস্টাব্দে (B) 815 খ্রিস্টাব্দে (C) 816 খ্রিস্টাব্দে(D) 817 খ্রিস্টাব্দে 

Answer: (A) 814 খ্রিস্টাব্দে

  1. ভাস্কো – ডা – গামা ভারতে আসেন— (A) 1497 খ্রিস্টাব্দে (B) 1498 খ্রিস্টাব্দে (C) 1494 খ্রিস্টাব্দে (D) 1495 খ্রিস্টাব্দে 

Answer: (B) 1498 খ্রিস্টাব্দে

  1. পৃথিবীতে সর্বপ্রথম দাসবাজার গড়ে উঠেছিল— (A) এথেন্সে (B) কিওসে (C) স্পার্টায় (D) ডেলোসে 

Answer: (B) কিওসে

  1. দর্শকদের মনোরঞ্জনের উদ্দেশ্যে ক্ষুধার্ত হিংস্র পশুর সঙ্গে লড়াই করত— (A) গ্ল্যাডিয়েটররা (B) ম্যানুমিসিওরা (C) ভার্নিরা (D) প্লেবিয়ানরা 

Answer: (A) গ্ল্যাডিয়েটররা

  1. প্রথম দাস বিদ্রোহ হয়— (A) ইতালিতে (B) সিসিলিতে (C) মিশরে (D) ফ্লোরেন্সে 

Answer: (B) সিসিলিতে

  1. গিল্ড ব্যবস্থা সর্বপ্রথম কোন দেশে গড়ে উঠেছিল ? (A) ফ্রান্সে (B) ইতালিতে (C) জার্মানিতে (D) ইংল্যান্ডে

Answer: (C) জার্মানিতে

  1. ম্যানর ব্যবস্থার আর এক নাম ছিল— (A) সিনোরীয় ব্যবস্থা (B) সামন্ত ব্যবস্থা (C) ইনভেস্টিচার ব্যবস্থা(D) গ্রামীণ ব্যবস্থা 

Answer: (A) সিনোরীয় ব্যবস্থা

  1. সামন্ততান্ত্রিক ইউরোপে কৃষকদের প্রদেয় টাইদ করটি ছিল— (A) পরোক্ষ কব (B) ধর্মকর (C) ভূমিকর (D) বেগার শ্রম 

Answer: (B) ধর্মকর

  1. সামন্ততন্ত্রে বীর যোদ্ধাদের বলা হতো— (A) শিভালরি (B) নাইট (C) সামন্তপ্রভু (D) ভ্যাসাল

Answer: (B) নাইট

  1. ‘ কর্ভি ’ ছিল— (A) ধর্মকর (B) উৎপাদন কর (C) বেগার শ্রম (D) সম্পত্তি কর 

Answer: (C) বেগার শ্রম

  1. ম্যানরের দরিদ্র কৃষকরা ____ নামে পরিচিত ছিল । (A) স্টুয়ার্ড (B) ডিমিন (C) ভিলেইন(D) বাইলিফ 

Answer: (C) ভিলেইন

  1. প্রাচীন ভারতে কখন দ্বিতীয় নগরায়ণ শুরু হয়েছিল ? (A) খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকে (B) খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতকে (C) খ্রিস্টীয় ষষ্ঠ শতকে(D) খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতকে 

Answer: (C) খ্রিস্টীয় ষষ্ঠ শতকে

  1. হরপ্পা সভ্যতার যুগের সামুদ্রিক বন্দরটি আবিষ্কৃত হয়– (A) লোথালে (B) ধোলাভিরায় (C) আলমগিরপুরে(D) কালিবঙ্গানে 

Answer: (A) লোথালে

রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর | অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন | Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion : 

  1. ভারতীয় উপমহাদেশে ইন্দো – রোম বাণিজ্যের প্রভাব কী ছিল ? তৃতীয় নগরায়ণের প্রভাব কী ছিল ?

Answer: সূচনা : প্রাচীন কাল থেকে ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য আমেরিকা ও ইউরোপ মহাদেশের বিভিন্ন দেশের সাথে গড়ে ওঠে । এর মধ্যে ইন্দো – রোম বাণিজ্যও ছিল । উল্লেখযোগ্য । এই বাণিজ্যের প্রভাব পড়ে ভারত ও রোম উভয় দেশের উপরই । যেমন— 

ভারতের উপর : 

সমৃদ্ধ নগরের উদ্ভব : ইন্দো – রোম বাণিজ্যের দ্বারা মথুরা , বারাণসী , কৌসাম্বী , অমরাবতী , সোপারা সহ একাধিক উন্নত ও সমৃদ্ধ নগরের উদ্ভব ঘটে । 

শিল্প – সংস্কৃতিতে : ইন্দো – রোমান বাণিজ্যের দ্বারা ভারতীয় শিল্প ও স্থাপত্যশৈলীও কিছুটা পরিবর্তিত হয়েছিল যার অন্যতম প্রভাব লক্ষ করা যায় ভারতের গান্ধার শিল্পের নতুন রীতিতে । 

রোমের উপর : 

চিকিৎসাবিজ্ঞানে : ভারত – রোম বাণিজ্যের দ্বারা ভারতীয়দের লতাগুল্মভিত্তিক ভেষজ চিকিৎসাজ্ঞানের সাথে রোমানদের পরিচয় ঘটে । গ্রিক উদ্ভিদবিজ্ঞানী থিও ফ্রাস্টাস তাঁর লেখা গ্রন্থে চিকিৎসা ব্যবস্থায় ভারতীয়দের লতাগুল্ম সম্পর্কিত ভেষজ চিকিৎসা জ্ঞানের উল্লেখ করেন । 

মশলার ব্যাবসা : রোম – ভারত বাণিজ্যের সুবাদে ভারতীয় মশলার বিশেষ চাহিদা বৃদ্ধি পায় । ভারত থেকে বিভিন্ন প্রকার মশলা রোমে রপ্তানি হবার ফলে রোমানদের রন্ধনপ্রণালী ও খাদ্য তৈরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসে । 

তৃতীয় নগরায়ণের কারণ : খ্রিস্টপূর্বাব্দে ষষ্ঠ শতকের পরবর্তী পর্যায়ে তৃতীয় নগরায়ণের উদ্ভব হয় । এই নগরায়নের উদ্ভবের কারণে বলা যায়— 

গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র গড়ে ওঠা : ড : রামশরণ শর্মার মতে সামরিক ছাউনি , প্রশাসনিক কেন্দ্র , যাতায়াতের কেন্দ্র , শিল্পী ও কারিগরদের বসবাস ও তীর্থ স্থানে ক্রমে নগরের বিকাশ ঘটে । 

ধর্মস্থানের আকর্ষণ : প্রাচীন ভারতে শ্রাবস্তী , বারাণসী , গয়া , নালন্দা , পাটলিপুত্র প্রভৃতি স্থান ধর্মীয় ক্ষেত্র হিসাবে প্রসিদ্ধ হওয়ায় প্রচুর জনসমাগম ফলে সেখানে ক্রমেই নগরের বিকাশ ঘটে যা এই কেন্দ্রগুলিকে জনপ্রিয় নগরে পরিণত করেছিল । 

কৃষি , বাণিজ্য ও শিল্পের বিকাশ : প্রাচীন ভারতে লোহার ব্যাপক ব্যবহারে একদিকে কৃষির ব্যাপক উন্নতি এবং অন্যদিকে দেশীয় ও বৈদেশিক বাণিজ্যের বিকাশ শিল্প ও বাণিজ্যকেন্দ্রগুলিতে জনসমাগম বৃদ্ধি করেছিল যা নগরের উন্মেষের পটভূমি তৈরি করেছিল। 

রাজনৈতিক আধিপত্য : ঐতিহাসিক অমরানন্দ ঘোষ মনে করেন , রাজতন্ত্রের সূচনার পরবর্তীকালে রাজস্ব ব্যবস্থা , মুদ্রার প্রচলন , সেনাবাহিনী গঠন প্রভৃতির ফলে রাজার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় । রাজনৈতিক আধিপত্য প্রসারের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন স্থানে রাজকীয় প্রশাসনিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয় । এই কেন্দ্রগুলি ক্রমে নগরায়ণের পথ প্রশস্ত করে । 

  1. প্রাচীন ভারতের গিল্ড বা সংঘগুলির পতনের চারটি কারণ লেখো । গিল্ডগুলির বৈশিষ্ট্য লেখো ।

Answer: সূচনা : প্রাচীন ভারতীয় স্মৃতিশাস্ত্রে বিশেষ করে নারদস্মৃতি , মনুস্মৃতি , বৃহস্পতিস্মৃতি প্রভৃতি থেকে গিল্ডগুলির নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানা যায় । গিল্ডগুলির মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল ছোটো – বড়ো ব্যবসায়ী ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকদের স্বার্থরক্ষা করা এবং সুষ্ঠু বাণিজ্যের বাতাবরণ অক্ষুণ্ণ রাখা । 

গিল্ডের পতনের কারণ : 

ব্যক্তিমালিকানা : রাষ্ট্রের জমিতে ব্যক্তিগত মালিকানার প্রসার ঘটলে সাধারণ মানুষ গিল্ড – এর বাইরে স্বাধীন ও স্বচ্ছন্দভাবে জীবিকা নির্বাহে উদ্যোগী হয় যা গিল্ডের পতনের কারণ । 

ব্যক্তিগত বাণিজ্য : গিল্ডগুলি সামরিক বাণিজ্যের পরিবর্তে ব্যক্তিগত বাণিজ্যে অধিক মনোযোগী হতে শুরু করলে তা পতনের দিকে এগিয়ে যায় । 

ভারতে বৈদেশিক বাণিজ্যের অবসান : ঐতিহাসিক ডি . ডি . কোশাম্বীর মতে , বৈদেশিক বাণিজ্য হ্রাস পেলে ভারতে ছোটো ছোটো বণিকগোষ্ঠীর উদ্ভব হয় । ফলে গিল্ডগুলি ভেঙে পড়ে ।

রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপ : গিল্ডের কাজকর্মে ক্রমবর্ধমান রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ গিল্ডগুলিকে ক্রমশ দুর্বল করে দেয় । 

কৃষির গুরুত্ব বৃদ্ধি : শিল্প থেকে কৃষির গুরুত্ব ভারতে বেশি হতে শুরু করলে গিল্ডের সদস্য সংখ্যা হ্রাস পায় । ফলে গিল্ডগুলি এমনিতেই দুর্বল হয়ে পড়ে । 

গিল্ডের বৈশিষ্ট্য : 

পেশাগত ভিত্তি : প্রাচীন ভারতে বিভিন্ন পেশার সাথে যুক্ত মানুষেরা যেমন — কামার , কুমোর , তাঁতি প্রমুখ নিজ নিজ গিল্ড বা সংঘ গড়ে তুলেছিল । 

অন্যান্য পদক্ষেপ : প্রদেশের বাণিজ্য , উৎপাদন , ঋণপ্রদান প্রভৃতি কাজও গিল্ডের মাধ্যমেই হতো । 

সদস্যদের সাহায্য : প্রতিটি গিল্ডের অন্তর্ভুক্ত সদস্যরা বিপদের সময় গিল্ডের কাছ থেকে সাহায্য নিত । 

নিজস্বতা রক্ষা : গিল্ডগুলি নিজেদের নিজস্বতা রক্ষার তাগিদে পৃথক পৃথক পতাকা , প্রতীক , সিলমোহর ও সেনাবাহিনী ব্যবহার করত । 

সংবিধানের অস্তিত্ব : এই গিল্ড বা সংঘগুলি কাজকর্ম রূপায়ণের জন্য নিজেদের সংবিধান কর্তৃক নিয়মকানুন মেনে চলত । 

মূল্যায়ন : ড : রমেশচন্দ্র মজুমদারের মতে , “ গুপ্তযুগে গিল্ডগুলি শক্তির কেন্দ্র ও সংস্কৃতির আধার হয়ে উঠেছিল । ” গিল্ডগুলির পতন বা এগুলি ধ্বংস হয়ে গেলেও একথা স্বীকার্য । যে প্রাচীন ভারতের আর্থ – সামাজিক ও ধর্মীয় ক্ষেত্রে গিল্ডগুলির প্রাধান্য ছিল । 

  1. ভারতে সামন্ততন্ত্রের বৈশিষ্ট্য লেখো । 

Answer: সূচনা : প্রাচীন ভারতে খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতক থেকে ত্রয়োদশ শতক পর্যন্ত অর্থাৎ 300 খ্রিস্টাব্দ 1200 খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ভারতে সামন্ততন্ত্রের অস্তিত্ব ছিল । ড : রামশরণ শর্মা প্রাচীন ভারতের সামস্ততন্ত্রের উদ্ভব , বিকাশ ও অবক্ষয়কালকে তিনটি ভাগে ভাগ করেছেন । তবে প্রাচীন যুগে ভারতে সামস্ততন্ত্রের অস্তিত্ব প্রকৃতই ছিল কি না তা নিয়ে । পণ্ডিতদের মধ্যে যথেষ্ট বিতর্ক রয়েছে । 

বৈশিষ্ট্য : যে – সমস্ত ঐতিহাসিক প্রাচীন ভারতে সামস্ততন্ত্রের অস্তিত্ব ছিল বলে মনে করেন তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন ড . ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত , ড . রামশরণ শর্মা , ড . ডি . কোশাম্বী প্রমুখ । তাঁদের যুক্তিগুলি হলো— 

কৃষকদের বদ্ধ জীবন : প্রাচীন যুগে কৃষককে ‘ হালকর ’ , ‘ বন্ধ হল ’ প্রভৃতি শব্দ দ্বারা চিহ্নিত করা হতো । এর থেকে কেউ কেউ বলতে চান যে জমির মালিকানা থেকে বঞ্চিত হয়ে কৃষকেরা শুধু প্রভুর জমিতে শ্রমদানে বাধ্য হতো যা সামন্ততন্ত্রকেই সমর্থন করে । 

অস্তিত্বের বিপক্ষে : যেসব ঐতিহাসিক প্রাচীন ভারতে সামস্ততন্ত্রের অস্তিত্ব ছিল না বলে মনে করেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন ড . রণবীর চক্রবর্তী প্রমুখ । তাঁদের মতে , ‘ মণ্ডপিকা’গুলিতে বাণিজ্যিক লেনদেনের এক সমৃদ্ধ ছবি দেখা যায় । সমকালীন লেখমালায় সার্থবাহু , বণিক ও শ্রেষ্ঠীদের পর্যাপ্ত উল্লেখ পাওয়া যায় । সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতকের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য বিশেষ সজীব ছিল । উত্তর ভারতের ‘ মণ্ডপিকা’র ন্যায় দক্ষিণ ভারতের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র ছিল ‘ নগরম’গুলি । এসময় বণিক সংগঠন বিশেষ সক্রিয় ছিল । 

শিল্প – বাণিজ্যের অবনতি : বিভিন্ন পুরাণে বৈশ্যদের বাণিজ্যের পেশা ছেড়ে কৃষিকাজে নিযুক্ত হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যায় । তাছাড়া আদি মধ্যযুগে কৃষকেরা প্রয়োজনের অতিরিক্ত উৎপাদন করতে আগ্রহী ছিল না । এই বিষয়গুলি শিল্প – বাণিজ্যের অবনতিই প্রকাশ করে । 

অগ্রহার ব্যবস্থা : প্রাচীন কালে বিভিন্ন ধর্মস্থানে এবং ব্রাহ্মণদের ভূমিদান করার প্রথা প্রচলিত ছিল । এই দান ব্যবস্থা অগ্রহার ব্যবস্থা নামে পরিচিত । এই ব্যবস্থায় দান করা জমির উপর দানগ্রহীতা ব্যক্তিগত অধিকার লাভ করে । অন্যদিকে জমিদাতা , রাজার বা রাষ্ট্রের মালিকানা হ্রাস পায় । 

দাসপ্রথা : বৈদিক সাহিত্য , কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র , বিভিন্ন স্মৃতিশাস্ত্র ও অন্যান্য উপাদান থেকে প্রাচীন ভারতের দাসপ্রথার অস্তিত্বের কথা জানা যায় , যা সামন্ততন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান । 

উপসংহার : পশ্চিম ইউরোপের সামন্ততান্ত্রিক কাঠামোর মতো অতটা সুস্পষ্ট না হলেও প্রাচীন ভারতে সামন্ততান্ত্রিক ধাঁচের কিছু বৈশিষ্ট্য যে ছিল সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই । আর এটাই প্রাচীন ভারতে সামস্ততন্ত্রের অস্তিত্বকে সন্দেহের আবর্তে ফেলেছে । ভারতে প্রাচীন কালে গুপ্ত রাজাদের শাসনকালে এবং মধ্যযুগে দিল্লির সুলতানি শাসনকালে শাসন ব্যবস্থার কোনো কোনো ক্ষেত্রে সামন্ততান্ত্রিক কাঠামো লক্ষ করা যায় । 

  1. প্রাচীন মিশরীয় ও প্রাচীন ভারতীয় দাসপ্রথার তুলনামূলক বিবরণ দাও । 

Answer: সূচনা : প্রাচীন কালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সমাজ ব্যবস্থায় যাঁরা মালিকের অধীনে কাজ করে জীবন অতিবাহিত করতেন , প্রভুর অধীনস্থ সেইসকল ব্যক্তি দাস বা ক্রীতদাস নামে পরিচিত । প্রাচীন মিশর ও ভারতে এই দাসপ্রথার তুলনামূলক আলোচনা এইরকম— 

উৎস : প্রাচীন মিশরে ক্রীতদাসদের সংগ্রহ করা হতো যুদ্ধে পরাজিত বন্দি , মহাজন কর্তৃক ঋণ পরিশোধ করতে না পারা ব্যক্তিদের থেকে । অন্যদিকে প্রাচীন ভারতে প্রভুর অধীনে ভূমিতে কাজ করা ব্যক্তি বা বৈদিক যুগে আর্যদের কাছে যুদ্ধে পরাজিত ব্যক্তিরা ক্রীতদাসে পরিণত হতো । 

ক্রীতদাসপ্রথা বিতর্ক : ক্রীতদাসপ্রথার বিতর্কের ক্ষেত্রে প্রাচীন মিশরে ক্রীতদাসপ্রথার স্বরূপ কীরূপ ছিল বা তাদের প্রকৃত অর্থেই ক্রীতদাস বলা যায় কি না এই বিষয়ে বিতর্ক রয়েছে , তবে অন্যদিকে ভারতের ক্ষেত্রে বৈদিক সাহিত্যে যেমন দাসদের উল্লেখ পাওয়া যায় তেমনি মনুস্মৃতিতে সাত , ‘ অর্থশাস্ত্রে ’ প্রায় চার রকমের দাসের প্রথা জানা যায় । 

সামাজিক অবস্থান : প্রাচীন মিশরে সমাজে কৃষকদের নীচে ছিল দাস বা সর্বনিম্ন শ্রেণির স্থান । অন্যদিকে প্রাচীন ভারতীয় সমাজের সাধারণ নাগরিক ও দাসদের মধ্যে ভেদাভেদ ছিল খুবই সামান্য । তবে ভারতীয় ক্রীতদাসরা কিছু কিছু সহানুভূতি ও অধিকার ভোগ করত । 

অধিকারসমূহ : অধিকারের ক্ষেত্রে প্রাচীন মিশরের দাসগণ সম্পত্তির ভোগদখল করতে পারত । এছাড়া মেধা ও যোগ্য স্তরের ভিত্তিতে উচ্চ সরকারি পদও লাভ করতে পারত । অন্যদিকে ভারতের ক্রীতদাসগণ প্রভুকে ক্ষতিপূরণ ও অর্থপ্রদান , ঋণ পরিশোধ করে দাসত্বমুক্ত জীবনযাপন করতে পারত । 

অর্থনীতিতে প্রভাব : মিশরের কৃষি , শিল্প ও পরিশ্রমসাধ্য নির্মাণ কাজগুলি ক্রীতদাসদের দ্বারাই সম্পন্ন করা সম্ভব ছিল । অন্যদিকে প্রাচীন ভারতীয় অর্থনীতিতে দাসপ্রথার তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল না । তৎকালীন ভারতে দাসদের সংখ্যাও ছিল কম । 

মুক্তির উপায় : জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রভুর জীবন রক্ষা , পূর্বের ঋণ পরিশোধ করে মিশরীয় দাসগণ মুক্তি লাভ করতে পারত । অন্যদিকে ভারতীয় ক্রীতদাসদের সঞ্চিত এককালীন অর্থ প্রভুর হাতে প্রদান , অত্যন্ত বিশ্বস্ত সেবক হিসাবে দীর্ঘদিন কাজ করলে প্রভুরা অনেক সময় খুশি হয়ে দাসদের মুক্ত করে দিত । 

বিশেষত্ব : মিশরের ক্রীতদাসরা তাদের প্রভুদের যাবতীয় কাজকর্ম করার মাধ্যমে পারিবারিক জীবনে সুখ ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসত । অন্যদিকে প্রাচীন ভারতে দাসপ্রথার অস্তিত্ব থাকলেও তা কোনো সময়ে ইউরোপীয় দেশগুলির দাসপ্রথার মতো ব্যাপক আকার ধারণ করেনি ।

  1. প্রাচীন রোমে ক্রীতদাসপ্রথার কয়েকটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো । তৎকালীন ক্রীতদাসপ্রথার ব্যাপকতা বিচার করো । 

Answer: সূচনা : প্রাচীন গ্রিস ও রোমান সভ্যতার একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল ক্রীতদাস ব্যবস্থা । যা রোমান সভ্যতা ব্যাপক আকার ধারণ করেছিল । এর বৈশিষ্ট্যগুলি ছিল— 

প্রভুর ব্যক্তিগত সম্পত্তি হিসাবে জীবনধারণ : প্রাচীন রোমান সভ্যতায় ক্রীতদাসগণ এবং তাদের সন্তানসন্ততিরা জন্মসূত্রে ক্রীতদাস হতো । এই ক্রীতদাসের সন্তানরা ভার্নি নামে পরিচিত ছিল যারা প্রভুর ব্যক্তিগত সম্পত্তি হিসাবে সদাসর্বদা তার সেবায় নিয়োজিত থাকত । 

আইনি অধিকার থেকে বঞ্চিত : প্রাচীন রোমের ক্রীতদাসগণ কোনোরকম সরকারি ও রাষ্ট্রীয় আইনের অধিকারী থাকত না , তারা কোনোভাবেই সম্পত্তির অধিকারী ও বিবাহ করার অধিকারী হতো না । 

বেগার শ্রম : এই ব্যবস্থা অনুযায়ী রাষ্ট্রের পরিশ্রমসাধ্য নির্মাণকার্য ক্রীতদাসরাই সম্পূর্ণ করত । এর বিনিময়ে তারা শুধু যৎসামান্য গ্রাসাচ্ছাদন ও নামমাত্র বিশ্রামের 3 সুযোগ পেত । 

শারীরিক নির্যাতন : ক্রীতদাস ব্যবস্থায় প্রভুগণ ক্রীতদাসদের কাছ থেকে অতিরিক্ত শ্রম আদায় করার জন্য বিভিন্ন রকম শারীরিক নির্যাতন করত । কোনো ক্রীতদাস পালানোর চেষ্টা করলে তাদের চাবুকের তীব্র আঘাত , উত্তপ্ত লোহার ছ্যাকা দিয়ে দৈহিক শাস্তি দিত ৷ 

বিক্রি ও হত্যা : প্রভুদের কাছে তাদের অধীনস্ত ক্রীতদাসদের কোনো মানবিক মূল্য ছিল না । প্রভু ইচ্ছা করলে তার অধীনস্ত ক্রীতদাসদের বিক্রি করতে এমনকী হত্যাও করতে পারত । 

রোমে ক্রীতদাসপ্রথার ব্যাপকতা : প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যে ক্রীতদাস প্রথা ব্যাপক আকার ধারণ করেছিল । প্রাচীন রোমে সমাজ , অর্থনীতি , সংস্কৃতি সবক্ষেত্রেই ক্রীতদাসপ্রথার গভীর প্রভাব ছিল । 

ক্রীতদাসের সংখ্যা : পরিসংখ্যান অনুসারে রোমান সম্রাট নিরোর গৃহে প্রায় 400 জন ক্রীতদাস ছিল । জনৈক লেখকের মতে কোনো কোনো ধনী ব্যক্তি 10000 20000 ক্রীতদাসের মালিক ছিল । 

ক্রীতদাসদের অমানুষিক শ্রম : ক্রীতদাসদের শ্রমেই রোমে বেশিরভাগ গৃহকাৰ্য , কৃষি উৎপাদন , প্রভুর ব্যাবসাবাণিজ্য , বড়ো বড়ো অট্টালিকা , রাস্তাঘাট , জল প্রণালীর নির্মাণকার্য সম্পূর্ণ হতো । 

নাগরিকদের ক্রীতদাসনির্ভরতা : ক্রীতদাসপ্রথার ব্যাপক প্রচলনের ফলশ্রুতি ছিল নাগরিকদের ক্রীতদাসদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়া । 

রাষ্ট্রের ভূমিকা : বিপুল সংখ্যক ক্রীতদাসের মালিকের কাছ থেকে সরকার ক্রীতদাস রাখার জন্য কর হিসাবে প্রচুর অর্থ আদায় করত যা একদিকে রাষ্ট্রের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে তুলেছিল । 

মূল্যায়ন : প্রাচীন যুগে বিভিন্ন সভ্যতা ও সমাজে ক্রীতদাসপ্রথার প্রচলন থাকলেও রোমান সাম্রাজ্যেই সর্বাধিক ব্যাপক আকার ধারণ করেছিল এই ক্রীতদাস ব্যবস্থা , যদিও একসময় ক্রীতদাসরা সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী হয়ে উঠেছিল । 

  1. প্রাচীন ভারতে বিভিন্ন যুগে প্রচলিত দাসপ্রথার পরিচয় দাও । মৌর্যযুগে দাসপ্রথার বৈশিষ্ট্য লেখো । 

Answer: সূচনা : প্রাচীন ভারতে দাসপ্রথার বিষয়টি বিতর্কিত । মেগাস্থিনিস প্রাচীন ভারতে ক্রীতদাসপ্রথার অস্তিত্ব অস্বীকার করেছেন । কিন্তু বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা প্রাচীন ভারতের দাসপ্রথার বৈশিষ্ট্য ছিল এইরকম— 

বৈদিক যুগ : প্রাচীন ভারতীয় বৈদিক সভ্যতা আদিম উপজাতিদের দাস বা দস্যু বলা হয়ে থাকে । উচ্চ বংশজাত আর্যরা এই দাসদের কৃষিকাজে নিয়োগ করত । এইসময় অনেকে জন্মসূত্রে ক্রীতদাসে পরিণত হলেও কেউ কেউ আবার নিজেকে বিক্রি করে ক্রীতদাসে পরিণত হতো । 

মৌর্যযুগে : মৌর্যযুগের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দাসদের প্রতি বিভিন্ন অমানবিক ব্যবহারের দৃষ্টান্ত রয়েছে । যেমন — কৌটিল্য দাসপ্রথাকে ম্লেচ্ছ প্রথা বলে অভিহিত করেছেন । তাঁর মতে , এই যুগে দাসরা ছোটো ছোটো আইনি স্বীকৃতি লাভ করত । 

মৌর্য – পরবর্তী যুগে : দাসপ্রথায় মৌর্য – পরবর্তী যুগে যুদ্ধবন্দিদের স্থায়ী দাসে পরিণত করা হতো । তারা বংশপরম্পরায় ক্রীতদাস হিসাবে নিযুক্ত হতো । 

গুপ্তযুগে : ব্রাহ্মণ ব্যতীত অন্য বর্ণের মানুষেরা গুপ্তযুগে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ক্রীতদাসে পরিণত হতো । যেমন — কাত্যায়ন স্মৃতিতে বলা হয় যে ক্ষত্রিয় ও বৈশ্যরা সন্ন্যাসধর্ম পালন না করলেও তাদের দাসত্ব বরণের শাস্তি ভোগ করতে হবে । 

পাল ও সেনযুগে : আর্য মঞ্জুশ্রী কল্প গ্রন্থে পাল বংশকে দাস বংশীয় শুদ্র বলে উল্লেখ করা হয়েছে । সেন যুগেও শূদ্রদের জীবন দাসদের থেকে পৃথক ছিল না । 

মৌর্যযুগে দাসপ্রথার বৈশিষ্ট্য : 

উৎস : মৌর্যযুগে দাসত্বের প্রধান উৎসগুলি ছিল যুদ্ধবন্দিত্ব , দারিদ্র্য , আত্মবিক্রম , জন্মসূত্রে , অপরাধের শাস্তি । 

গুরুত্বহীনতা : মৌর্যযুগে দাসদের সংখ্যা ছিল সামান্য । এই উপাদান কৃষি সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বাধীন শ্রমিক ও কৃষকদের ওপরই অধিক পরিমাণে নির্ভরশীল হতে হতো । 

প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি : আইনগতভাবে মৌর্যযুগে দাসদের মালিকের সঙ্গে সম্পর্ক ও স্থায়িত্ব নির্দিষ্ট ছিল । 

দাসদের অধিকার : মৌর্যযুগে দাসেরা সম্পত্তির ভোগদখল এমনকী উত্তরাধিকার সূত্রেও দাস হতে পারত , যদিও দাসদের এই সম্পত্তির ওপর প্রভুর কোনো মালিকানা ছিল না । 

দাসদের শ্রেণিবিভাগ : মৌর্যযুগে শাস্তি গ্রহণকারী দাস এবং গৃহকার্যে নিযুক্ত দাস নামে দু’ধরনের দাস ছিল । 

পেশা : মৌর্যযুগে রাজপরিবার ছাড়া অন্য ধনী পরিবারগুলিতে দাসরা গৃহকার্যে নিযুক্ত থাকত এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে তারা কৃষিকার্যেও নিযুক্ত ছিল । 

মূল্যায়ন : প্রাচীন রোমের ক্রীতদাসদের মতো মৌর্যযুগেও ক্রীতদাসদের জীবন করুণ ও দুর্দশাগ্রস্ত ছিল । 

  1. ইউরোপের সামন্ততন্ত্রের বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো ।

Answer: ভূমিকা : প্রাচীন কাল থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে জমি বা ভূমির সাথে যুক্ত উচ্চবিত্ত ব্যক্তিদেরই সামস্ত বলা হয়ে থাকে । খ্রিস্টীয় একাদশ শতকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সামস্ততন্ত্রের পূর্ণ বিকাশ লক্ষ করা যায় । সামস্ততন্ত্রের এই বৈশিষ্ট্যগুলি ছিল নিম্নরূপ। 

দুর্বল কেন্দ্রীয় শক্তি : প্রাচীন ইউরোপে কেন্দ্রীয় শক্তির দুর্বলতার সুযোগে সামন্তপ্রভুগণ হয়ে উঠেছিল সমস্ত শক্তির অধিকারী । তারা নিজ নিজ দলে নিজেদের একাধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছিল । 

যোদ্ধা শ্রেণির অস্তিত্ব : ইউরোপের সামন্তপ্রথার উচ্চস্তরের মানুষেরা রাষ্ট্রের প্রয়োজনে প্রাণপাত করতেন । তাঁরা নাইট বা বীর যোদ্ধা নামে পরিচিত হতেন অর্থাৎ সামস্তপ্রথায় যোদ্ধা শ্রেণির অস্তিত্ব বর্তমান ছিল । 

অধীনস্ত কৃষক : ইউরোপের সামন্তপ্রথার অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল শোষিত কৃষক সম্প্রদায়ের অস্তিত্ব যারা নির্দিষ্ট শর্তে কৃষিজমি লাভ করত এবং কৃষকের উদ্বৃত্ত উৎপাদন প্রভুরা ভোগ করত । 

ম্যানর ব্যবস্থা : সামস্ততন্ত্রে উৎপাদনের ক্ষেত্রে দেখা যায় ছোটো ছোটো গ্রামকে কেন্দ্র করে ম্যানর ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল । প্রভুরাও ম্যানর হাউসে অবস্থান করে সমস্ত কৃষককে উৎপাদনের কাজে নিযুক্ত রাখতেন । 

অনুন্নত কৃষিব্যবস্থা : ইউরোপের সামস্ত ব্যবস্থায় কৃষিব্যবস্থা ছিল অনুন্নত । এখানে জমির পরিমাণ ও কৃষকের সংখ্যার অনুপাতে উৎপাদন যথেষ্ট কম হতো । তবে মূলত আঞ্চলিক প্রয়োজনে কৃষি উৎপাদন চলত বলে চাহিদা পূরণে অসুবিধা হতো না । 

করব্যবস্থা : সামস্ততান্ত্রিক ব্যবস্থায় ইউরোপের সামন্তপ্রভুদের ভূমিকর , উৎপাদন কর , গৃহকর , জলকর প্রভৃতি প্রদান করতে হতো । এছাড়া কৃষকদের কাছ থেকে টাইথ নামে ধর্মকর আদায় করা হতো । 

কৃষকদের শ্রেণিবিভাগ : মধ্যযুগে ইউরোপে সামস্ত ব্যবস্থায় কৃষক শ্রেণি তিনটি ভাগে বিভক্ত ছিল । যথা — স্বাধীন কৃষক , আধা স্বাধীন কৃষক , ভূমিদাস । 

মূল্যায়ন : সমাজে সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থার অবস্থান ও সার্থকতা বিষয়ে কিছু মতপার্থক্য লক্ষ করা যায় । যেমন — পণ্ডিত বোলাভিয়ের সামস্ততান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সমর্থন ও এর প্রশংসা করেন । তবে সামস্ততান্ত্রিক ব্যবস্থা ইউরোপে শ্রেণিবিভক্ত সমাজ গড়ে তুলেছিল — একথা বলা যেতেই পারে । 

FILE INFO : WB Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion PDF Download for FREE | একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন বিনামূল্যে ডাউনলোড করুণ | অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) MCQ প্রশ্নোত্তর, অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নউত্তর, ব্যাখ্যাধর্মী প্রশ্নউত্তর

PDF Name : অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন | Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion PDF

Price : FREE

Download Link1 : Click Here To Download

Download Link2 : Click Here To Download

Class 11 Suggestion 2023 – একাদশ শ্রেণীর সাজেশন ২০২৩

আরোও দেখুন:-

Class 11 Bengali Suggestion 2023 Click Here

আরোও দেখুন:-

Class 11 English Suggestion 2023 Click Here

আরোও দেখুন:-

Class 11 Geography Suggestion 2023 Click Here

আরোও দেখুন:-

Class 11 History Suggestion 2023 Click Here

আরোও দেখুন:-

Class 11 Political Science Suggestion 2023 Click Here

আরোও দেখুন:-

Class 11 Education Suggestion 2023 Click Here

আরোও দেখুন:-

Class 11 Philosophy Suggestion 2023 Click Here

আরোও দেখুন:-

Class 11 Sanskrit Suggestion 2023 Click Here

আরোও দেখুন:-

Class 11 Sociology Suggestion 2023 Click Here

আরোও দেখুন:-

Class 11 Physics Suggestion 2023 Click Here

আরোও দেখুন:-

Class 11 Chemistry Suggestion 2023 Click Here

আরোও দেখুন:-

Class 11 Biology Suggestion 2023 Click Here

আরোও দেখুন:-

Class 11 Mathematics Suggestion 2023 Click Here

আরোও দেখুন:-

Class 11 All Subjects Suggestion 2023 Click Here

পশ্চিমবঙ্গ একাদশ শ্রেণির  ইতিহাস পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্ন উত্তর ও শেষ মুহূর্তের সাজেশন ডাউনলোড। একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস পরীক্ষার জন্য সমস্ত রকম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। West Bengal Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion Download. WBCHSE Class 11 short question suggestion. WB Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion PDF download. Class 11 Question Paper  History. WB Class 11th History suggestion and important questions. Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion PDF.

Get the WBCHSE Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion PDF by winexam.in

 West Bengal WB Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion PDF  prepared by expert subject teachers. WB Class 11th  History Suggestion with 100% Common in the Examination.

Class 11th History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion

West Bengal Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion Download. WBCHSE Class 11 Arthonoitik Bibhinno Dik short question suggestion. WB Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion PDF  download. Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Question Paper.

একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন – অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) প্রশ্ন উত্তর |  WB Class 11th History  Suggestion

একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস (Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik) অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) প্রশ্ন উত্তর। একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন – অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) প্রশ্ন উত্তর |  WB Class 11th History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion

অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) একাদশ শ্রেণির ইতিহাস সাজেশন | West Bengal Class Eleven History Suggestion

একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস পশ্চিমবঙ্গ একাদশ শ্রেণির বোর্ডের (WBCHSE) সিলেবাস বা পাঠ্যসূচি অনুযায়ী  একাদশ শ্রেণির ইতিহাস বিষয়টির সমস্ত প্রশ্নোত্তর। সামনেই একাদশ শ্রেণির পরীক্ষা, তার আগে winexam.in আপনার সুবিধার্থে নিয়ে এল অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) একাদশ শ্রেণির ইতিহাস সাজেশন | West Bengal Class Eleven History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion । ইতিহাস বিষয়ে ভালো রেজাল্ট করতে হলে অবশ্যই পড়ুন আমাদের একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন বই ।

অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) একাদশ শ্রেণির ইতিহাস সাজেশন | West Bengal Class 11th Suggestion

আমরা WBCHSE একাদশ শ্রেণির পরীক্ষার ইতিহাস বিষয়ের – অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) একাদশ শ্রেণির ইতিহাস সাজেশন | West Bengal Class 11th Suggestion আলোচনা করেছি। আপনারা যারা এবছর একাদশ শ্রেণির ইতিহাস পরীক্ষা দিচ্ছেন, তাদের জন্য আমরা কিছু প্রশ্ন সাজেশন আকারে দিয়েছি. এই প্রশ্নগুলি পশ্চিমবঙ্গ একাদশ শ্রেণির ইতিহাস পরীক্ষা  তে আসার সম্ভাবনা খুব বেশি. তাই আমরা আশা করছি একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস পরীক্ষার সাজেশন কমন এই প্রশ্ন গুলো সমাধান করলে আপনাদের মার্কস বেশি আসার চান্স থাকবে।

একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন – অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) | Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion with FREE PDF Download

History Class XI, History Class Eleven, WBCHSE, syllabus, একাদশ শ্রেণি ইতিহাস, ক্লাস টোয়েলভ ইতিহাস, একাদশ শ্রেণিরের ইতিহাস, ইতিহাস একাদশ শ্রেণির – অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়), একাদশ শ্রেণী – অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়), একাদশ শ্রেণির ইতিহাস অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়), ক্লাস টেন অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়), Class 11 – অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়), Class 11th অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়), Class XI অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়), ইংলিশ, একাদশ শ্রেণির ইংলিশ, পরীক্ষা প্রস্তুতি, রেল, গ্রুপ ডি, এস এস সি, পি, এস, সি, সি এস সি, ডব্লু বি সি এস, নেট, সেট, চাকরির পরীক্ষা প্রস্তুতি, Class 11 Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion, Class 11th History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion , Class 11 Suggestion , West Bengal Class 11 Board exam suggestion, West Bengal Class Eleven Board exam suggestion , WBCHSE , অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) একাদশ শ্রেণির সাজেশান, একাদশ শ্রেণির সাজেশান – অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) , একাদশ শ্রেণির সাজেশান – অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) , একাদশ শ্রেণির সাজেশন অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়), একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশান ,  একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশান , একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস , অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস, মধ্যশিক্ষা পর্ষদ, Class 11 Suggestion History , একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস – অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) সাজেশন | WB Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion PDF PDF, একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস – অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) সাজেশন | WB Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion PDF, একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস – অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) সাজেশন | একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস – অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) সাজেশন | WB Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion PDF PDF, একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস – অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) সাজেশন | WB Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion PDF,একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস – অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) সাজেশন | WB Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion PDF PDF, একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস – অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) সাজেশন | WB Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion PDF, Class 11 Suggestion PDF ,  West Bengal Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion PDF.

অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন | Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion PDF

  এই ” অর্থনৈতিক বিভিন্ন দিক (পঞ্চম অধ্যায়) একাদশ শ্রেণীর ইতিহাস সাজেশন | WB Class 11 History Arthonoitik Bibhinno Dik Suggestion PDF ” পোস্টটি থেকে যদি আপনার লাভ হয় তাহলে আমাদের পরিশ্রম সফল হবে। আরোও বিভিন্ন স্কুল বোর্ড পরীক্ষা, প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার সাজেশন, অতিসংক্ষিপ্ত, সংক্ষিপ্ত ও রোচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তর (All Exam Guide Suggestion, MCQ Type, Short, Descriptive Question and answer), প্রতিদিন নতুন নতুন চাকরির খবর (Job News) জানতে এবং সমস্ত পরীক্ষার এডমিট কার্ড ডাউনলোড (All Exam Admit Card Download) করতে winexam.in ওয়েবসাইট ফলো করুন, ধন্যবাদ।

Win exam telegram channel

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here