ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর
WB Class 9 Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Question and Answer PDF
ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর | WB Class 9 Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Question and Answer PDF : ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) – নবম শ্রেণীর বাংলা সাজেশন ও অধ্যায় ভিত্তিতে প্রশ্নোত্তর নিচে দেওয়া হল। এবার পশ্চিমবঙ্গ নবম শ্রেণির বাংলা পরীক্ষায় (WB Class 9 Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Question and Answer PDF | West Bengal Class 9 Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Question and Answer PDF | WBBSE Board Class 9th Bengali Question and Answer with PDF file Download) এই প্রশ্নউত্তর ও সাজেশন খুব ইম্পর্টেন্ট। আপনারা যারা আগামী নবম শ্রেণীর বাংলা পরীক্ষার জন্য বা নবম শ্রেণির বাংলা | WB Class 9 Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Question and Answer PDF | WBBSE Board WB Class 9th Bengali Suggestion Question and Answer খুঁজে চলেছেন, তারা নিচে দেওয়া প্রশ্ন ও উত্তর ভালো করে পড়তে পারেন।
ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর | পশ্চিমবঙ্গ নবম শ্রেণির বাংলা সাজেশন/নোট (West Bengal Class 9th Bengali / WBBSE Class 9 Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Question and Answer PDF)
পশ্চিমবঙ্গ নবম শ্রেণীর বাংলা সাজেশন (West Bengal Class 9th Bengali Suggestion PDF / Notes / Class 9 Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Question and Answer) ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) – প্রশ্ন উত্তর MCQ প্রশ্নোত্তর, অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর (SAQ), সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর (Short Question and Answer), ব্যাখ্যাধর্মী বা রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর (descriptive question and answer) এবং PDF ফাইল ডাউনলোড লিঙ্ক নিচে দেওয়া রয়েছে।
ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর | West Bengal WBBSE Class 9th Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Question and Answer
ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর | WB Class 9 Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Question and Answer :
ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন । নবম শ্রেণির বাংলা :
ধ্বনি পরিবর্তন সম্পর্কে জানার পূর্বে আমাদের জেনে নিতে হবে যে, ধ্বনি কাকে বলে, ধ্বনি কত প্রকার ও কী কী। নিম্নে এই সম্পর্কে আলোচনা প্রদান করা হলো-
ধ্বনিঃ
মানুষের মুখনিঃসৃত নিয়ন্ত্রিত ক্ষুদ্রতম আওয়াজকে বা মুখোচ্চারিত শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশকে ধ্বনি বলা হয়।
ধ্বনির প্রকারভেদঃ
ধ্বনি প্রধানত দুই প্রকার। যথা- স্বরধ্বনি এবং ব্যঞ্জনধ্বনি।
স্বরধ্বনিঃ
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে বাতাস বেরিয়ে যেতে মুখবিবরে কোথাও বাধা পায় না, তাকে স্বরধ্বনি বলে। অথবা, যে সব ধ্বনি অন্য ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই উচ্চারিত হয় তাদের স্বরধ্বনি বলে। যেমন- অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ।
বাংলায় স্বরধ্বনির সংখ্যা ১১ টি।
বাংলা স্বরধ্বনিগুলোকে উচ্চারণ অনুযায়ী দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- হ্রস্বস্বর এবং দীর্ঘস্বর।
হ্রস্বস্বরঃ
যে স্বর উচ্চারণ করতে অল্প সময় লাগে, তাকে হ্রস্বস্বর বলে। যেমন- অ, ই, উ, ঋ এই চারটি হ্রস্বস্বর।
দীর্ঘস্বরঃ
যে স্বর উচ্চারণ করতে অপেক্ষাকৃত বেশি সময় লাগে, তাকে দীর্ঘস্বর বলে। যেমন- আ, ঈ, ঊ,এ, ঐ, ও, ঔ এই সাতটি দীর্ঘস্বর।
এছাড়াও আর এক ধরণের স্বর আছে, তা হল প্লুতস্বর।
প্লুতস্বরঃ
যে স্বরধ্বনিকে টেনে টেনে দীর্ঘ বা প্রলম্বিত করে উচ্চারণ করা হয়, তাকে প্লুতস্বর বলে। গানে, কান্নায় কিংবা দূর থেকে কাউকে ডাকলে প্লুতস্বরের সৃষ্টি হয়। যেমনঃ যদু হে এ এ এ এ এ।
বাংলা স্বরধ্বনিগুলোকে আরও দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- মৌলিক স্বরধ্বনি এবং যৌগিক স্বরধ্বনি।
মৌলিক স্বরধ্বনিঃ
যে স্বরধ্বনিগুলোকে আর বিশ্লেষণ করা যায় না তাকে মৌলিক স্বরধ্বনি বলে। মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি। যথা- অ, আ, ই, উ, এ, ও ,অ্যা।
মৌলিক স্বরধ্বনির গুণগত শ্রেণিবিভাগঃ
মৌলিক স্বরধ্বনির গুণগত শ্রেণিবিভাগের মানদন্ড হলো তিনটি যথা- ক) জিহ্বার অবস্থান খ) মুখবিবরের শূন্যতার পরিমাপ এবং গ) ওষ্ঠরে আকৃতি।
ক) জিহ্বার অবস্থানঃ
জিহ্বার অবস্থান অনুসারে স্বরধ্বনির শ্রেণিবিভাগগুলি নিম্নরূপ-
সম্মুখ স্বরধ্বনিঃ
যে স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বা সামনের দিকে অর্থাৎ ওষ্ঠের দিকে এগিয়ে আসে তাকে সম্মুখ স্বরধ্বনি বলে। যেমনঃ ই, এ, অ্যা।
পশ্চাৎ স্বরধ্বনিঃ
যে স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বা পিছন দিকে অর্থাৎ গলার দিকে গুটিয়ে যায় তাকে পশ্চাৎ স্বরধ্বনি বলে। যেমনঃ অ, ও, উ।
কেন্দ্রীয় স্বরধ্বনিঃ
সম্মুখ স্বর ও পশ্চাৎ স্বরের মাঝামাঝি অবস্থানে জিভকে রেখে যে স্বরধ্বনি উচ্চারণ করা হয় তাকে স্বরধ্বনি বলে। যেমনঃ আ।
উচ্চ স্বরধ্বনিঃ
যে স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বা মুখবিবরের সর্বোচ্চ স্থানে থাকে তাকে উচ্চ-স্বরধ্বনি বলে। যেমনঃ ই , উ।
উচ্চমধ্য স্বরধ্বনিঃ
জিহ্বা যখন মুখবিবরের সর্বোচ্চ স্থানের তুলনায় সামান্য নিম্নে অবস্থান করে যে স্বরধ্বনির সৃষ্টি করে তাকে উচ্চমধ্য স্বরধ্বনি বলে। যেমনঃ এ, ও।
নিম্ন স্বরধ্বনিঃ
যে স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বা মুখবিবরের সর্বনিম্ন স্থানে থাকে তাকে নিম্ন স্বরধ্বনি বলে যেমনঃ আ।
নিম্ন- মধ্য স্বরধ্বনিঃ
জিহ্বা যখন মুখবিবরের সর্বনিম্ন স্থানের সামান্য উপরে এবং সেই সময় যে স্বরধ্বনি উচ্চারণ করে তাকে নিম্ন মধ্য স্বরধ্বনি বলে। যেমনঃ অ, অ্যা।
খ) মুখবিবরের শূন্যতার পরিমাপঃ
মুখবিবরের ভিতরের শূন্যস্থানের পরিমাপ অনুসারে স্বরধ্বনির শ্রেণিবিভাগগুলি নিম্নরূপ-
সংবৃত স্বরধ্বনিঃ
যে স্বরধ্বনি উচ্চারণ করার সময় মুখবিবর কম খোলা থাকে তাকে সংবৃত স্বরধ্বনি বলে। যেমনঃ ই, উ।
বিবৃত স্বরধ্বনিঃ
যে স্বরধ্বনি উচ্চারণ করার সময় মুখবিবর সম্পূর্ণ উন্মুক্ত বা খোলা থাকে তাকে বিবৃত স্বরধ্বনি বলে। যেমনঃ আ।
অর্ধসংবৃত স্বরধ্বনিঃ
যে স্বরধ্বনি উচ্চারণ করার সময় মুখবিবর খুব বেশি কিংবা কম উন্মুক্ত না হয়ে মধ্যবর্তী অবস্থান করে তাকে অর্ধসংবৃত স্বরধ্বনি বলে। যেমনঃ এ, ও।
অর্ধবিবৃত স্বরধ্বনিঃ
যে স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখবিবর সম্পূর্ণ উন্মুক্ত হয় না তাকে অর্ধবিবৃত স্বরধ্বনি বলে। যেমনঃ অ, অ্যা।
গ) ওষ্ঠের আকৃতিঃ
ওষ্ঠের আকৃতি অনুসারে স্বরধ্বনির শ্রেণিবিভাগগুলি নিম্নরূপ-
প্রসারিত স্বরধ্বনিঃ
যে স্বরধ্বনি উচ্চারণ করার সময় ওষ্ঠ ও অধর প্রসারিত হয় তাকে প্রসারিত স্বরধ্বনি বলে। যেমনঃ ই, এ, অ্যা।
কুঞ্চিত স্বরধ্বনিঃ
যে স্বরধ্বনি উচ্চারণ করার সময় ওষ্ঠ ও অধর গোল হয়ে কুঞ্চিত আকার ধারণ করে তাকে কুকুঞ্চিত স্বরধ্বনি বলে। যেমনঃ অ, উ, ও।
ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন :
যৌগিক স্বরধ্বনিঃ
যে স্বরধ্বনি উচ্চারণ করার সময় একাধিক স্বরধ্বনির প্রয়োজন হয়, তাকে যৌগিক স্বরধ্বনি বা সন্ধিক্ষর বা দ্বিস্বর বলে। যথাঃ ঐ = ও + ই এবং ঔ = ও + উ ।
ব্যঞ্জনধ্বনিঃ
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে বাতাস বেরিয়ে যেতে মুখবিবরের কোথাও না কোথাও বাধা পায়, তাকে ব্যঞ্জন ধ্বনি বলে। অর্থাৎ যে ধ্বনি স্বয়ং স্পষ্ট উচ্চারিত হতে পারে না, উচ্চারণে স্বরধ্বনির সাহায্য নিতে হয়, তাই ব্যঞ্জনধ্বনি। যেমনঃ ক্, খ্, চ্, ছ্ ইত্যাদি।
বর্ণঃ
যে সমস্ত চিহ্নের দ্বারা উচ্চারিত ধ্বনিগুলির নির্দেশ করা হয় সেই চিহ্নগুলিকে বলে বর্ণ। যেমনঃ অ, ই, ক, শ, ল ইত্যাদি। বর্ণ হল ধ্বনির লিখিত রূপ, ধ্বনি নির্দেশক চিহ্ন বা ধ্বনির প্রতীক।
ধ্বনি বর্ণের মধ্যে পার্থক্যঃ
ধ্বনি ও বর্ণের মধ্য পার্থক্যগুলি নিম্নরূপ-
ক) বাগযন্ত্রের সামান্যতম চেষ্টায় উচ্চারিত আওয়াজ হলো ধ্বনি।
খ) ধ্বনির সংকেত চিহ্ন বা লিখিত রূপ হল বর্ণ।
গ) ধ্বনি কানে শোনা যায়, চোখে দেখা যায় না ।
ঘ) বর্ণ ধ্বনির লিখিত রূপ , কাজেই চোখে দেখা যায় ।
বাংলা বর্ণমালাঃ
যে কোন ভাষার ধ্বনির লিখিত বর্ণসমষ্টিকে সে ভাষার বর্ণমালা বলা হয়। ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, “কোন ভাষার লিখিত যে সকল ধ্বনি-দ্যোতক চিহ্ন ব্যবহৃত হয়, সেগুলোর সমষ্টিকে সেই ভাষার বর্ণমালা বলে।”
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বর্ণগুলোকে একত্রে বাংলা বর্ণমালা বলা হয় এবং তাদের প্রত্যেককে বলা হয় বাংলা লিপি। ভাষা বিজ্ঞানী ও ধ্বনি বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে মত দিয়েছেন যে, ‘ব্রাক্ষীলিপি’ থেকে বাংলা লিপি উৎপন্ন হয়েছে।
বাংলা বর্ণমালার মোট বর্ণ সংখ্যা ৫০ টি। তাদের মধ্যে এগারোটি স্বরবর্ণ এবং ঊনচল্লিশটি ব্যঞ্জনবর্ণ।
স্বরবর্ণঃ
যেসব বর্ণ অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়াই উচ্চারিত হতে পারে, সেগুলোকে স্বরবর্ণ বলে। যেমন : অ, আ, ই, ঈ, এ, ঐ ইত্যাদি।
স্বরবর্ণের উচ্চারণ স্থান মুখের যে অংশের সাহায্যে স্বর উচ্চারিত হয়, তা সেই স্বরের উচ্চারণে স্থান। উচ্চারণ স্থানের নামানুসারেই বর্ণগুলোর নামকরণ করা হয়েছে।
উচ্চারণ স্থান অনুসারে বর্ণের নাম :
অ, আ (উচ্চারণ স্থান- কণ্ঠ) কণ্ঠ্যবর্ণ ।
ই, ঈ ( উচ্চারণ স্থান- তালু) তালব্যবর্ণ । উ, ঊ ( উচ্চারণ স্থান- ওষ্ঠ) ওষ্ঠ্যবর্ণ ।
ঋ (উচ্চারণস্থান- মূর্ধা)- মূর্ধন্যবর্ণ ।
এ, ঐ (উচ্চারণস্থান- কন্ঠ ও তালু) -কন্ঠতালব্য বর্ণ ।
ও, ঔ (উচ্চারণস্থান- কন্ঠ ও ওষ্ঠ) কন্ঠৌষ্ঠ্য বর্ণ ।
ব্যঞ্জনবর্ণঃ
যেসব বর্ণ অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়া নিজে নিজে উচ্চারিত হতে পারে না সেগুলোকে ব্যঞ্জনবর্ণ বলে। যেমন: ‘ক’ এর উচ্চারণ ক্ + অ = ক; খ্ + অ = খ। নিম্নে এদের বর্গগুলি উল্লেখ করা হলো-
ক, খ, গ, ঘ, ঙ = ৫ টি
চ, ছ, জ, ঝ, ঞ = ৫ টি
ট, ঠ, ড, ঢ, ণ = ৫ টি
ত, থ, দ, ধ, ন = ৫ টি
প, ফ, ব, ভ, ম = ৫ টি
য, র, ল = ৩ টি
শ, ষ, স, হ = ৪ টি
ড, ঢ, য়, ৎ = ৪ টি ,
ং,ঃ, ঁ = ৩ টি,
মোট = ৩৯টি
ব্যঞ্জনবর্ণগুলো প্রধানত তিন ভাগে বিভক্ত। যথা- স্পর্শ বর্ণ, অন্তঃস্থ বর্ণ ও উষ্ম বর্ণ।
স্পর্শ বর্ণঃ
‘ক’ থেকে ‘ম’ পর্যন্ত ২৫টি বর্ণকে স্পর্শ বর্ণ বা স্পর্শ ধ্বনি বলে। এ বর্ণগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বার সাথে কোমল তালু, তালু, মূর্ধা প্রভৃতি কোন না কোন বাগপ্রত্যঙ্গের স্পর্শ ঘটে অথবা যে কোন দুটি বাগপ্রত্যঙ্গ কোন না কোনভাবে স্পর্শিত হয়, সেহেতু উল্লিখিত ধ্বনিগুলোকে স্পর্শ ধ্বনি বলা হয়।
উল্লিখিত ২৫টি বর্ণকে আমরা উচ্চারণের স্থান, স্বরযন্ত্রের অবস্থা বিচার করে অথবা ফুসফুসচালিত বাতাসের চাপের স্বল্পতা ও আধিক্যের দিক থেকে ভাগ করে আলোচনা করতে পারি। এই শ্রেণিবিভাগগুলি নিম্নরূপ-
উচ্চারণের স্থান অনুসারেঃ
কন্ঠ ধ্বনি ক-বর্গীয় –ক খ গ ঘ ঙ
তালব্য ধ্বনি চ-বর্গীয় –চ ছ জ ঝ ঞ
মূর্ধন্য ধ্বনি ট-বর্গীয় –ট ঠ ড ঢ ণ
দন্ত ধ্বনি ত-বর্গীয়– ত থ দ ধ ন
ওষ্ঠ ধ্বনি প-বর্গীয়– প ফ ব ভ ম
অন্তঃস্থ বর্ণঃ
যেসব বর্ণ উচ্চারণে মুখ সম্পূর্ণখোলা থাকে না, আবার বাতাস একেবারে বন্ধও থাকে না, সেসব বর্ণকে অন্তঃস্থ বর্ণ বলে। যেমনঃ য, র, ল, ব।
এ বর্ণগুলো স্পর্শ বর্ণ ও উষ্মবর্ণের অন্তঃ অর্থাৎ মধ্যে অবস্থিত বলে এদের নামকরণ করা হয়েছে অন্তঃস্থ বর্ণ।
উষ্ম বর্ণঃ
উষ্ম বা শ্বাস যতক্ষণ থাকে ততক্ষণ যেসব বর্ণ উচ্চারণ করা যায়, সেসব বর্ণকে উষ্ম বর্ণ বলে। যেমন: শ, ষ, স, হ।
উচ্চারণের সময় শিশ দেওয়ার মত শব্দ হয় বলে এগুলোকে শিশ ধ্বনিও বলা হয়। হ-এর উচ্চারণে উষ্মা থাকলেও তা শুদ্ধ নয়। শ, ষ, স এই তিনটি বর্ণই শুদ্ধ উষ্ম বর্ণ।
ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন । নবম শ্রেণির বাংলা :
উচ্চারণ বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী স্পর্শ বর্ণগুলোকে দু’ভাগে ভাগ করা যায়। যথাঃ ঘোষ বর্ণ ও অঘোষ বর্ণ।
ঘোষ বর্ণঃ
ঘোষ কথাটির অর্থ হলো স্বরগাম্ভীর্য। যেসব বর্ণ উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী রীতিমত কেঁপে ওঠে অর্থাৎ স্বরগাম্ভীর্য থাকে সে বর্ণগুলোকে ঘোষ বর্ণ বলে।
বর্গের শেষ তিনটি বর্ণ অর্থাৎ তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম বর্ণ ঘোষ বর্ণ। এ বর্ণগুলো উচ্চারণে গাম্ভীর্য বা ঘোষ থাকে বলেই এ বর্ণগুলোর নাম ঘোষ বর্ণ। যেমন: গ, ঘ, ঙ; জ, ঝ, ঞ; ড, ঢ, ণ; দ, ধ, ন; ব, ভ, ম এবং হ।
অঘোষ বর্ণঃ
প্রত্যেক বর্ণের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণের ধ্বনিতে গাম্ভীর্য বা ঘোষ নেই বলে এ বর্ণগুলোকে অঘোষ বর্ণ বলে। যেমনঃ ক, খ; চ, ছ; ট, ঠ; ত, থ; প, ফ; শ, ষ, স।
স্পর্শ বর্ণগুলোকে আবার দুভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথাঃ অল্পপ্রাণ বর্ণ ও মহাপ্রাণ বর্ণ।
অল্পপ্রাণ বর্ণঃ
প্রত্যেক বর্ণের প্রথম, তৃতীয় বর্ণের উচ্চারণকালে এদের প্রাণ বা শ্বাস বায়ু অল্প নির্গত হয় বলে এগুলোকে অল্পপ্রাণ বর্ণ বলে। যেমনঃ ক, গ, চ, জ , ট, ড, ত, দ, প, ব।
মহাপ্রাণ বর্ণঃ
প্রতি বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ উচ্চারণকালে এদের সাথে প্রাণ বা শ্বাস বায়ু বেশি নির্গত হয় বলে এগুলোকে মহাপ্রাণ বর্ণ বলে। যেমন: খ, ঘ; ছ, ঝ; ঠ, ঢ; থ, ধ; ফ, ভ।
ঘৃষ্ট বর্ণঃ
চ, ছ, জ, ঝ বর্ণের উচ্চারণকালে জিহ্বা ও তালুর স্পর্শের পরেই উভয়ের মধ্যে বায়ুর ঘর্ষণজাত ধ্বনি বের হয় বলে এগুলোকে ঘৃষ্ট বর্ণ বলা হয়।
স্পৃষ্ট বর্ণঃ
ক-বর্গ, ট-বর্গ ও প-বর্গের প্রথম থেকে চতুর্থ বর্ণের উচ্চারণকালে মুখের বিশেষ স্থান স্পৃষ্ট হয়। তাই এ বর্ণগুলোকে স্পৃষ্ট বর্ণ বলে।
নাসিক্য বর্ণঃ
ঙ, ঞ, ন, ণ, ম এই পাঁচটি ধ্বনির উচ্চারণে নাক ও মুখ দিয়ে কিংবা কেবল নাক দিয়ে ফুসফুস তাড়িত বায়ু বের হয় বলে এদের বলা হয় নাসিক্য ধ্বনি এবং প্রতীকগুলোকে বলা হয় নাসিক্য বর্ণ। উল্লিখিত ৫টি ধ্বনি ছাড়াও ং, ঃ, ঁ নাসিক্য ধ্বনি।
কম্পনজাত বর্ণঃ
র্ উচ্চারণ করতে জিহ্বাগ্র কম্পিত হয় সেজন্য র্ কে কম্পনজাত বা রণিত বর্ণ বলে।
তাড়নজাত বর্ণঃ
যে ব্যঞ্জনবর্ণ উচ্চারণের সময় জিহ্বা মূর্ধাকে তাড়িত করে তাকে তাড়নজাত বর্ণ বলে। যেমনঃ ড়্, ঢ়্।
পার্শ্বিক বর্ণঃ
যে বর্ণ উচ্চারণের সময় জিহ্বার দু’পাশ দিয়ে বায়ু বেরিয়ে যায়, তাকে পার্শ্বিক বর্ণ বলে। যেমনঃ ল্।
আশ্রয়ভাগীবর্ণঃ
অনুস্বার ও বিসর্গ অন্য বর্ণকে আশ্রয় করে উচ্চারিত হয় সেজন্য এদের আশ্রয়ভাগীবর্ণ বা অযোগবাহবর্ণ বলে। ব্যঞ্জন ও স্বরের সঙ্গে এদের কোনো যোগ নেই বলে এরা অযোগ; অথচ উচ্চারণকালে এরা নানারূপ পরিবর্তন ঘটায়, সেজন্য বাহ।
অর্ধস্বরঃ
যে ব্যঞ্জনধ্বনি পুরোপুরি ব্যঞ্জনধ্বনির মতো উচ্চারিত না হয়ে স্বরধ্বনির অনুরূপ হিসাবে উচ্চারিত হয় তাকে অর্ধস্বর বলে। যেমন : য্ , ব্। অন্তঃস্থ ব্ এর উচ্চারণ উঅ (w)। এজন্যই অন্তঃস্থ ব্-কে অর্ধস্বর বলে।
তরল স্বরঃ
যে ব্যঞ্জনধ্বনি স্বরধ্বনির তারল্যে উচ্চারিত হয়ে থাকে তাকে তরল স্বর বলে। যেমনঃ র্ , ল্ ।
ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ স্থান অনুসারে নামঃ
ক, খ, গ, ঘ, ঙ, হ (উচ্চারণ স্থান- কন্ঠ বা জিহ্বামূল) -কন্ঠ বা জিহ্বামূলীয় বর্ণ
চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, য,শ (তালু)- তালব্যবর্ণ
ট, ঠ, ড, ঢ, ণ, র, ষ (মূর্ধা) -মূর্ধন্যবর্ণ
ত, থ, দ, ধ, ন, ল, স (দন্ত) -দন্ত্যবর্ণ
প, ফ, ব, ভ, ম (ওষ্ঠ) -ঔষ্ঠ্যবর্ণ
অন্তঃস্থ ব (দন্ত ও ওষ্ঠ) -দন্তৌষ্ঠ্য বর্ণ
বর্গীয় ব্ ও অন্তঃস্থ ব্ঃ
যে ব্ উ বর্ণে পরিণত হয়, কিংবা উ – বর্ণ থেকে জাত হয়, যে ব্ প্রত্যয়জাত বা সন্ধিজাত, তাই অন্তঃস্থ ব্।
অন্য সব বর্গীয় ব্। বর্গীয় ব্ ব্-ফলা হলেও উচ্চারণ ব-ই থাকে। মনু> মানব, রঘু> রাঘব , ঈশ্বর, ভাস্বর , শ্রদ্ধাবান্ , বিদ্বান, সংবাদ-এই ব্-গুলি অন্তঃস্থ ব্।
ধ্বনি পরিবর্তনঃ
যে কোনো প্রচলিত মৌখিক ভাষাই পরিবর্তনশীল l নদীর স্রোত ভিন্নমুখী হলে যেমন নদীর গতিপথ বদলায়, তেমনি কালক্রমে মূল ভাষার ধ্বনি পরিবর্তন হতে হতে নতুন ভাষার পরিচিতি পায়, যা মান্য ভাষার অন্তর্গত কিন্তু অন্য নাম নিয়ে বাস্তবে ও ভাষার আলোচনায় আলোচিত হয় l
ধ্বনি পরিবর্তনের কারণঃ
একটি ভাষার ধ্বনি যে সকল কারণগুলির জন্য পরিবর্তিত হয় সেগুলি নিম্নরূপ-
১) ভৌগোলিক অবস্থানজনিত কারণ
২) সমাজিক অবস্থান
৩) অন্য ভাষার সাহচর্যজনিত কারণ
৪) শারীরিক ও মানসিক কারণ
৫) বাগযন্ত্রের ত্রুটিজনিত কারণ
৬) শ্রোতার শ্রবণ ত্রুটিজনিত কারণ
৭) অশিক্ষা জনিত কারণ
৮) মানসিক কারণের মধ্যে শ্বাসাঘাত, অন্যমনস্কতা, ভাবপ্রবণতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
ধ্বনি পরিবর্তনের বিভিন্ন রীতিঃ
ভাষাবিজ্ঞানীরা ধ্বনি পরিবর্তনের চারটি প্রধান রীতির কথা উল্লেখ করেছেন। যথা – ধ্বনিলোপ, ধ্বনির আগম, ধ্বনির রূপান্তর, ধ্বনির স্থানান্তর।
ধ্বনির আগমঃ
ধ্বনির আগমকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- স্বরাগম ও ব্যঞ্জনাগম। নিম্নে এদের সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-
স্বরাগমঃ
উচ্চারণের সুবিধার জন্য শব্দের আদিতে, মধ্যে বা অন্তে স্বরধ্বনির আগমনকে স্বরাগম বলে ।
স্বরাগম তিন প্রকার। যথা- আদি স্বরাগম, মধ্য স্বরাগম এবং অন্ত্যস্বরাগম।
আদি স্বরাগমঃ
উচ্চারণের সুবিধার জন্য বা অন্য কোনো কারণে শব্দের আদিতে স্বরধ্বনি এলে তাকে বলে আদি স্বরাগম। যথা- স্কুল>ইস্কুল, স্টেশন>ইস্টিশন।
মধ্য স্বরাগমঃ
উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির মাঝখানে স্বরধ্বনি আসে। একে বলা হয় মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি। যথা-
রত্ন>রতন, ধর্ম>ধরম, স্বপ্ন>স্বপন, হর্ষ>হরষ ইত্যাদি।
প্রীতি>পিরীতি, ক্লিপ>কিলিপ, ফিল্ম>ফিলিম ইত্যাদি।
মুক্তা>মুকুতা, তুর্ক>তুরুক, ভ্রু>ভুরু ইত্যাদি।
গ্রাম>গেরাম, স্রেফ>সেরেফ ইত্যাদি।
শ্লোক>শোলোক ইত্যাদি।
অন্ত্যস্বরাগমঃ
কোনো কোনো সময় শব্দের শেষে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি আসে। এরূপ স্বরাগমকে বলা হয় অন্ত্যস্বরাগম। যথা- বেঞ্চ>বেঞ্চি, সত্য>সত্যি ইত্যাদি।
স্বরভক্তি বা বিপ্রকর্ষঃ
মধ্যস্বরাগমের অপর নাম স্বরভক্তি বা বিপ্রকর্ষ। স্বরভক্তি কথার অর্থ স্বর দিয়ে ভক্তি বা ভাগ। বিপ্রকর্ষ শব্দের অর্থ ব্যবধান। মাঝে স্বর এসে ব্যঞ্জন দুটির মধ্যে ব্যবধান তৈরি করে।
উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জনকে ভেঙে এর মধ্যে স্বরধ্বনি আনয়ন করাকে বলা হয় স্বরভক্তি বা বিপ্রকর্ষ। যথা- জন্ম> জনম, রত্ন> রতন, স্বপ্ন > স্বপন ইত্যাদি।
ব্যঞ্জনাগমঃ
শব্দের মধ্যে অনেক সময় বাইরে থেকে একটি ব্যঞ্জন ধ্বনি এসে জায়গা করে নেয়। একে ব্যঞ্জনাগম বলে।
স্বরাগমের মতোই ব্যঞ্জনাগম তিন রীতিতে হয়। যথা- আদি-ব্যঞ্জনাগম, মধ্য-ব্যঞ্জনাগম এবং অন্ত্য-ব্যঞ্জনাগম।
আদি-ব্যঞ্জনাগমঃ
শব্দের আদিতে ব্যাঞ্জনধ্বনির আগমন ঘটলে তাকে আদি-ব্যাঞ্জনাগম বলে। যথা- ওঝা > রোজা , আম> রাম ইত্যাদি।
মধ্য-ব্যঞ্জনাগমঃ
শব্দের মাঝে ব্যাঞ্জনধ্বনির আগমন ঘটলে তাকে মধ্য-ব্যাঞ্জনাগম বলে। যথা- শৃগাল > শিয়াল, অম্ল > অম্বল, বানর> বান্দর ইত্যাদি।
অন্ত্য-ব্যঞ্জনাগমঃ
শব্দের আদিতে ব্যাঞ্জনধ্বনির আগমন ঘটলে তাকে আদি-ব্যাঞ্জনাগম বলে। যথা- জমি > জমিন, খোকা > খোকন ইত্যাদি।
শ্রুতিধ্বনিঃ
দুটি স্বরধ্বনি পাশাপাশি থাকলে দ্রুত উচ্চারণের সময় এরই মধ্যে একটি নতুন ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারিত হয়। এরূপ রীতিকে শ্রুতিধ্বনি বলে। যথা- মা + এর˃মায়ের।
শ্রুতিধ্বনি দুই প্রকার। যথা- য়-শ্রুতি ও ব-শ্রুতি।
য়-শ্রুতিঃ
পাশাপাশি দুটি স্বরধ্বনি থাকলে উচ্চারণের সুবিধার জন্য য়-এর আবির্ভাব ঘটলে তাকে য়-শ্রুতি বলে। যথা- গা + এর˃গায়ের, দুই + এর˃দুয়ের, বই + এর˃বইয়ে ইত্যাদি।
ব-শ্রুতিঃ
পাশাপাশি দুটি স্বরের মধ্যে যদি অন্তঃস্থ ব-ধ্বনি (ওয়)-এর আবির্ভাব ঘটে, তবে তাকে ব-শ্রুতি বলে। যথা- বা + আ˃বাওয়া, ধো + আ˃ধোওয়া, শো + আ˃শোওয়া, খা + আ˃খাওয়া ইত্যাদি।
ধ্বনিলোপঃ
ধ্বনিলোপ প্রধানত তিন প্রকার । যথা- স্বরধ্বনিলোপ, ব্যঞ্জনধ্বনিলোপ, সমাক্ষর বা সমদল লোপ।
স্বরধ্বনিলোপঃ
উচ্চারণের সময় কিছু কিছু শব্দের এক বা একের বেশি স্বরধ্বনি লোপ পেলে তাকে স্বরধ্বনিলোপ বলে।
স্বরধ্বনি লোপ পায় তিন রীতিতে। যথা- আদি স্বরলোপ, মধ্য স্বরলোপ, অন্ত্যস্বরলোপ।
আদি- স্বরলোপঃ
শব্দের আদিতে অবস্থিত স্বরধ্বনিটি লুপ্ত হলে তাকে আদি-স্বরলোপ বলা হয়। যথা– অপিধান> পিধান, উড়ুম্বুর> ডুমুর , উদ্ধার> ধার, অলাবু> লাউ ইত্যাদি।
মধ্য- স্বরলোপঃ
শব্দ মধ্যস্থিত স্বরধ্বনির লোপ পাওয়ার প্রক্রিয়ার নাম মধ্য-স্বরলোপ বা সম্প্রকর্ষ। যথা- নাতিনী > নাতনি, ভাগিনী > ভাগনি, জানালা > জানলা , ভগিনী > ভগ্নী , নারিকেল > নারকেল ইত্যাদি।
অন্ত্য-স্বরলোপঃ
শব্দের শেষে থাকা স্বরধ্বনির লোপকেই অন্ত্য-স্বরলোপ বলা হয়। যথা- রাশি > রাশ, রাতি > রাত ইত্যাদি।
ব্যঞ্জনধ্বনিলোপঃ
পদের আদি- মধ্য বা অন্তে অবস্থিত ব্যঞ্জনধ্বনির লোপ পাওয়ার প্রক্রিয়াকে ব্যঞ্জনলোপ বলে।
স্বরধ্বনির লোপের মতোই ব্যঞ্জনধ্বনিলোপকেও তিনটি প্রকারে বিভাজন করা সম্ভব। যথা – আদি-ব্যঞ্জনলোপ, মধ্য-ব্যঞ্জনলোপ এবং অন্ত্য-ব্যঞ্জনলোপ।
আদি – ব্যঞ্জনলোপঃ
শব্দের আদিতে থাকা ব্যঞ্জনধ্বনি লোপ পাওয়ার পদ্ধতিকে আদি-ব্যঞ্জনলোপ বলা হয়। যথা- স্থান > থান, রুই> উই ইত্যাদি।
মধ্য-ব্যঞ্জনলোপঃ
শব্দের মধ্যে থাকা ব্যঞ্জনধ্বনি লোপ পাওয়ার পদ্ধতিকে বলা হয় মধ্য-ব্যঞ্জনলোপ। যথা- ফাল্গুন > ফাগুন, গোষ্ঠ > গোঠ, তেপ্রান্তর >তেপান্তর ইত্যাদি।
অন্ত্য-ব্যঞ্জনলোপঃ
শব্দের শেষে থাকা ব্যঞ্জনধ্বনি লোপ পাওয়ার পদ্ধতিকে বলা হয় অন্ত-ব্যঞ্জনলোপ। যথা- গাত্র > গা, কুটুম্ব > কুটুম ইত্যাদি।
র-কার লোপঃ
আধুনিক চলিত বাংলায় অনেক ক্ষেত্রে র-কার লোপ পায় এবং পরবর্তী ব্যঞ্জন দ্বিত্ব হয়। যথা- তর্ক>তক্ক, করতে>কত্তে, মারল>মাল্ল, করলাম>কল্লাম ইত্যাদি।
হ-কার লোপঃ
আধুনিক চলিত ভাষায় অনেক সময় দুই স্বরের মাঝামাঝি হ-কারের লোপ হয়। যথা- পুরোহিত >পুরুত, গাহিল>গাইল, চাহে>চায়, সাধু>সাহু>সাউ, আরবি-আল্লাহ>বাংলা-আল্লা, ফারসি-শাহ্>বাংলা-শা ইত্যাদি।
সমাক্ষর লোপঃ
একই ধ্বনি একই শব্দে একের বেশি থাকলে সেগুলোর একটি মাত্র অবশিষ্ট থেকে অন্যগুলো লোপ পাওয়ার রীতিকে সমাক্ষর লোপ বলে। যথা- ছোটদিদি˃ছোটদি, বড়দিদি˃বড়দি, ছোটদাদা˃ছোটদা, বড়কাকা˃বড়কা ইত্যাদি।
ধ্বনির রূপান্তরঃ
শব্দের মধ্যে ধ্বনির রূপের বদলকে ধ্বনির রূপান্তর বলা হয়। ধ্বনির রূপান্তরের বিভিন্ন ধারা গুলি হলো- স্বরসঙ্গতি, অপিনিহিতি, অভিশ্রুতি, ব্যঞ্জনসংগতি বা সমীভবন, বিষমীভবন, নাসিক্যীভবন।
স্বরসঙ্গতিঃ
সংগতি শব্দের অর্থ সাম্যভাব। স্বরসঙ্গতি হলো অসম স্বরধ্বনির সাম্য বা সংগতি লাভ। একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে শব্দের অপর স্বরের পরিবর্তন ঘটলে তাকে স্বরসঙ্গতি বলে। যথা- শিয়াল>˃শেয়াল, ইচ্ছা˃>ইচ্ছে, ধুলা>˃ধুলো ইত্যাদি।
স্বরসঙ্গতি চার প্রকার। যথা-
প্রগতঃ
আদিস্বর অনুযায়ী অন্ত্যস্বর পরিবর্তিত হলে প্রগত স্বরসঙ্গতি হয়। যথা- শিকা>˃শিকে, মুলা>˃মুলো, পূজা > পুজো , নৌকা> নৌকো, কুমড়া> কুমড়ো ইত্যাদি।
পরাগতঃ
অন্ত্যস্বরের কারণে আদ্যস্বর পরিবর্তিত হলে পরাগত স্বরসঙ্গতি হয়। যথা- দেশি˃ দিশি, বিড়াল> বেড়াল, শিয়াল> শেয়াল, শুনা> শোনা ইত্যাদি।
মধ্যগতঃ
আদ্যস্বর ও অন্ত্যস্বর অনুযায়ী মধ্যস্বর পরিবর্তিত হলে মধ্যগত স্বরসঙ্গতি হয়। যথা- বিলাতি˃ বিলিতি, ভিখারি > ভিখিরি, জিলাপি> জিলিপি ইত্যাদি।
অন্যোন্যঃ
আদ্যস্বর ও অন্ত্যস্বর এই দু’স্বরই পরস্পর প্রভাবিত হলে অন্যোন্য স্বরসঙ্গতি হয়। যথা- মোজা˃মুজো , ধোঁকা> ধুঁকো ইত্যাদি।
অপিনিহিতিঃ
অপি শব্দের অর্থ পূর্বে এবং নিহিতি শব্দের অর্থ স্থাপন। অপিনিহিতি শব্দের অর্থ পূর্বে স্থাপন। ধ্বনি পরিবর্তনের এই পারিভাষিক নাম দিয়েছেন ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।
শব্দস্থিত ব্যঞ্জনবর্ণের পরবর্তী ই-কার বা উ-কার যথাস্থানে উচ্চারিত না হয়ে ব্যঞ্জনবর্ণের পূর্বে উচ্চারিত হওয়ার রীতিকে অপিনিহিতি বলে। যথা- রাখিয়া > রাইখ্যা, আজি>আইজ, সাধু>সাউধ, বাক্য>বাইক্য, সত্য>সইত্য, চারি>চাইর, মারি>মাইর, লক্ষ> লইক্খ, বক্ষ> বইক্খ, যক্ষ> যইক্খ ইত্যাদি।
অভিশ্রুতিঃ
অপিনিহিতির পরবর্তী স্তর অভিশ্রুতি। অপিনিহিতি প্রভাবজাত ই বা উ শব্দ মধ্যস্থিত স্বরধ্বনিকে প্রভাবিত করে যে আভ্যন্তরীণ সন্ধি ঘটায় তাকে অভিশ্রুতি বলে। যথা- রাখিয়া > রাইখ্যা > রেখে, বাদিয়া ˃ বাইদ্যা ˃ বেদে, মাছুয়া > মাউছুয়া ˃ মেছো, মাটিয়া > মাইট্যা > মেটে ইত্যাদি।
ব্যঞ্জনসংগতি বা সমীকরণ বা সমীভবনঃ
শব্দমধ্যস্থ দুটি অসম ব্যঞ্জনধ্বনি সমব্যঞ্জনে পরিণত হলে তাকে সমীভবন বা ব্যঞ্জনসংগতি বলে। যথা- জন্ম>জম্ম, গল্প> গপ্প ইত্যাদি।
প্রগত সমীভবনঃ
পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী ব্যঞ্জনধ্বনি পরিবর্তন ঘটে পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনধ্বনির মতো হলে তাকে প্রগত সমীভবন বলে। যথা-চক্র>চক্ক, পক্ব >পক্ক, পদ্ম>পদ্দ ইত্যাদি।
পরাগত সমীভবনঃ
পরবর্তী ব্যঞ্জনধ্বনির প্রভাবে পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনধ্বনির পরিবর্তন হলে তাকে পরাগত সমীভবন বলে। যথা- গল্প > গপ্প, সর্প > সপ্প , তৎ+জন্য>তজ্জন্য, ধর্ম > ধম্ম ইত্যাদি।
অন্যোন্য সমীভবনঃ
যখন পরস্পরের প্রভাবে দুটো ব্যঞ্জনধ্বনিই পরিবর্তিত হয় তখন তাকে বলে অন্যোন্য সমীভবন। যথা- বৎসর > বছর, মহোৎসব > মোচ্ছব ইত্যাদি।
বিষমীভবন বা অসমীকরণঃ
শব্দ মধ্যস্থিত দুটি সমধ্বনির একটির পরিবর্তন ঘটলে তাকে বিষমীভবন বা অসমীকরণ বলে। যথা- শরীর ˃ শরীল, লাল ˃ নাল, ললাট ˃ নলাট ইত্যাদি।
নাসিক্যীভবনঃ
নাসিক্যব্যঞ্জন (ঙ, ঞ, ণ, ন, ম) লোপ পাওয়ার ফলে পূর্ব স্বরধ্বনিটি অনুনাসিক হলে তাকে নাসিক্যীভবন বলে। যথা- চন্দ্র > চাঁদ, শঙ্খ > শাঁখ, পঞ্চ > পাঁচ , অঙ্ক> আঁক ইত্যাদি ।
নাসিক্য ব্যঞ্জন লোপ না পেয়েও যদি সানুনাসিক স্বর হয় তবে তাকে স্বতোনাসিক্যীভবন বলে। যথা- পুস্তক> পুথি> পুঁথি, হাসপাতাল> হাঁসপাতাল।
ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন :
ধ্বনির স্থানান্তরঃ
ধ্বনি বিপর্যাস বা বর্ণ বিপর্যয়ঃ
শব্দ মধ্যস্থিত ব্যঞ্জনগুলো উচ্চারণকালে অনেক সময় স্থান বিনিময় করে, এরুপ বর্ণের স্থান পরিবর্তন করার রীতিকে বর্ণ বিপর্যয় বলে। যথা- পিশাচ > পিচাশ, মুকুট > মুটুক, বারানসী > বানারসী, রিকশা > রিশকা, বাক্স > বাস্ক ইত্যাদি।
বর্ণদ্বিত্বঃ
উচ্চারণের সময় একই বর্ণ দুবার উচ্চারিত হলে তাকে বর্ণদ্বিত্ব বলে। যথা- বড় > বড্ড, ছোট > ছোট্ট, সকাল > সক্কাল, সবাই > সব্বাই, পাকা > পাক্কা ইত্যাদি।
বর্ণ বিকৃতিঃ
উচ্চারণকালে শব্দস্থিত স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণ নতুন রূপ লাভ করলে তাকে বর্ণ বিকৃতি বলে। যথা- কপাট > কবাট, ধোপা > ধোবা, কাক ˃ কাগ ইত্যাদি।
অন্তর্হতিঃ
পদের মধ্যস্থিত কোন ব্যঞ্জনধ্বনির লোপ হলে তাকে অন্তর্হতি বলে। যথা- ফাল্গুন > ফাগুন, আলাহিদা ˃ আলাদা ইত্যাদি।
ক্ষীণায়নঃ
শব্দ মধ্যস্থিত মহাপ্রাণ ধ্বনি অল্পপ্রাণ ধ্বনিতে পরিণত হলে তাকে ক্ষীণায়ন বলে। যথা- পাঁঠা > পাঁটা, কাঠ > কাট ইত্যাদি।
পীনায়নঃ
শব্দ মধ্যস্থিত কোন অল্পপ্রাণ ধ্বনি মহাপ্রাণ ধ্বনিরূপে উচ্চারিত হওয়ার রীতিকে পীনায়ন বলে। যথা- কাঁটাল ˃ কাঁঠাল, পুকুর > পুখুর ইত্যাদি।
ঘোষীভবনঃ
অঘোষ বর্ণ ঘোষ বর্ণে পরিণত হলে তাকে ঘোষীভবন বলে। যথা- কাক> কাগ, ছাত> ছাদ, শাক> শাগ ইত্যাদি।
অঘোষীভবনঃ
ঘোষ বর্ণ অঘোষ বর্ণে পরিণত হলে তাকে অঘোষীভবন বলে। যথা- বড়ঠাকুর> বটঠাকুর, বাবু> বাপু, বীজ> বিচি ইত্যাদি।
নবম শ্রেণীর সাজেশন – Class 9 Suggestion
আরোও দেখুন:-
Class 9 Bengali Suggestion Click Here
আরোও দেখুন:-
Class 9 English Suggestion Click Here
আরোও দেখুন:-
Class 9 Geography Suggestion Click Here
আরোও দেখুন:-
Class 9 History Suggestion Click Here
আরোও দেখুন:-
Class 9 Life Science Suggestion Click Here
আরোও দেখুন:-
Class 9 Mathematics Suggestion Click Here
আরোও দেখুন:-
Class 9 Physical Science Suggestion Click Here
আরোও দেখুন:-
Class 9 All Subjects Suggestion Click Here
FILE INFO : WB Class 9 Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Question and Answer PDF Download for FREE | নবম শ্রেণীর বাংলা সাজেশন বিনামূল্যে ডাউনলোড করুণ | ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) – MCQ প্রশ্নোত্তর, অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নউত্তর, ব্যাখ্যাধর্মী প্রশ্নউত্তর
PDF Name : ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর | WB Class 9 Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Question and Answer PDF
Price : FREE
Download Link : Click Here To Download
Download PDF : Click Here To Download
পশ্চিমবঙ্গ নবম শ্রেণির বাংলা পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্ন উত্তর ও শেষ মুহূর্তের সাজেশন ডাউনলোড। নবম শ্রেণীর বাংলা পরীক্ষার জন্য সমস্ত রকম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। West Bengal Class 9 Bengali Suggestion Download. WBBSE Class 9 Bengali short question suggestion. WB Class 9 Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Question and Answer PDF download. WB Class 9th Bengali suggestion and important questions. WB Class 9 Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Question and Answer PDF.
Get the WB Class 9 Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Question and Answer PDF by winexam.in
West Bengal WB Class 9 Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Question and Answer PDF prepared by expert subject teachers. WB Class 9th Bengali Suggestion with 100% Common in the Examination.
Class 9th Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Suggestion
West Bengal Class 9th Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Suggestion Download. WBBSE HS Bengali short question suggestion. WB Class 9 Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Question and Answer PDF download. HS Question Paper Political science.
নবম শ্রেণীর বাংলা সাজেশন – ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) – প্রশ্ন উত্তর | WB Class 9th Bengali Suggestion
নবম শ্রেণীর বাংলা ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) – প্রশ্ন উত্তর। নবম শ্রেণীর বাংলা সাজেশন – ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) – প্রশ্ন উত্তর | WB Class 9th Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Question and Answer Suggestion.
ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) – নবম শ্রেণির বাংলা সাজেশন | West Bengal Class Nine Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Suggestion
নবম শ্রেণীর বাংলা পশ্চিমবঙ্গ নবম শ্রেণির বোর্ডের (WBBSE) সিলেবাস বা পাঠ্যসূচি অনুযায়ী নবম শ্রেণির বাংলা বিষয়টির সমস্ত প্রশ্নোত্তর। সামনেই নবম শ্রেণির পরীক্ষা, তার আগে winexam.in আপনার সুবিধার্থে নিয়ে এল ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) – নবম শ্রেণির বাংলা সাজেশন | West Bengal Class Nine Bengali Suggestion । বাংলা বিষয়ে ভালো রেজাল্ট করতে হলে অবশ্যই পড়ুন আমাদের নবম শ্রেণীর বাংলা সাজেশন বই ।
ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) – নবম শ্রেণির বাংলা সাজেশন | West Bengal Class 9th Suggestion
আমরা WBBSE নবম শ্রেণির পরীক্ষার বাংলা বিষয়ের – ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) – নবম শ্রেণির বাংলা সাজেশন | West Bengal Class 9th Suggestion আলোচনা করেছি। আপনারা যারা এবছর নবম শ্রেণির বাংলা পরীক্ষা দিচ্ছেন, তাদের জন্য আমরা কিছু প্রশ্ন সাজেশন আকারে দিয়েছি. এই প্রশ্নগুলি পশ্চিমবঙ্গ নবম শ্রেণির বাংলা পরীক্ষা তে আসার সম্ভাবনা খুব বেশি. তাই আমরা আশা করছি নবম শ্রেণির বাংলা পরীক্ষার সাজেশন কমন এই প্রশ্ন গুলো সমাধান করলে আপনাদের মার্কস বেশি আসার চান্স থাকবে।
নবম শ্রেণীর বাংলা সাজেশন – ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) – | WB Class 9 Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Question and Answer with FREE PDF Download
Bengali Class XI, Bengali Class Nine, WBBSE, syllabus, নবম শ্রেণি বাংলা, ক্লাস নবম বাংলা, নবম শ্রেণিরের বাংলা, বাংলা নবম শ্রেণির – ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) -, নবম শ্রেণী – ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) -, নবম শ্রেণির বাংলা ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) -, ক্লাস নবম ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) -, HS Bengali – ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) -, Class 9th ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) -, Class XI ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) -, ইংলিশ, নবম শ্রেণির ইংলিশ, পরীক্ষা প্রস্তুতি, রেল, গ্রুপ ডি, এস এস সি, পি, এস, সি, সি এস সি, ডব্লু বি সি এস, নেট, সেট, চাকরির পরীক্ষা প্রস্তুতি, West Bengal Secondary Board exam Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton suggestion, West Bengal Class Nine Board exam suggestion , WBBSE , নবম শ্রেণির সাজেশান, নবম শ্রেণির সাজেশান , নবম শ্রেণির সাজেশান , নবম শ্রেণির সাজেশন, নবম শ্রেণীর বাংলা সাজেশান , নবম শ্রেণীর বাংলা সাজেশান , নবম শ্রেণীর বাংলা , নবম শ্রেণীর বাংলা, মধ্যশিক্ষা পর্ষদ, HS Suggestion Bengali , নবম শ্রেণীর বাংলা – ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) – সাজেশন | WB Class 9 Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Question and Answer PDF, নবম শ্রেণীর বাংলা – ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) – সাজেশন | WB Class 9 Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Question and Answer PDF, নবম শ্রেণীর বাংলা – ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) – সাজেশন | নবম শ্রেণীর বাংলা – ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) – সাজেশন | WB Class 9 Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Question and Answer PDF, নবম শ্রেণীর বাংলা – ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) – সাজেশন | WB Class 9 Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Question and Answer PDF,নবম শ্রেণীর বাংলা – ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) – সাজেশন | WB Class 9 Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Question and Answer PDF, নবম শ্রেণীর বাংলা – ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) – সাজেশন | WB Class 9 Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Question and Answer PDF, HS Bengali Suggestion PDF , West Bengal Class 9 Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Question and Answer PDF.
ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর | WB Class 9 Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Question and Answer PDF
এই (ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন (ব্যাকরণ) – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর | WB Class 9 Bengali Dhoni o Dhoni Poriborton Question and Answer PDF) পোস্টটি থেকে যদি আপনার লাভ হয় তাহলে আমাদের পরিশ্রম সফল হবে। আরোও বিভিন্ন স্কুল বোর্ড পরীক্ষা, প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার সাজেশন, অতিসংক্ষিপ্ত, সংক্ষিপ্ত ও রোচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তর (All Exam Guide Suggestion, MCQ Type, Short, Descriptive Question and answer), প্রতিদিন নতুন নতুন চাকরির খবর (Job News) জানতে এবং সমস্ত পরীক্ষার এডমিট কার্ড ডাউনলোড (All Exam Admit Card Download) করতে winexam.in ওয়েবসাইট ফলো করুন, ধন্যবাদ।










