সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা (প্রাচীন ভারত) ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর | History Question and Answer PDF
সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা (প্রাচীন ভারত) ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর | History Question and Answer PDF

সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা (প্রাচীন ভারত) ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর | History Question and Answer

সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা (প্রাচীন ভারত) ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর | History Question and Answer : বন্ধুরা, আজকে আপনাদের জন্য আলোচনা করা হলো সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা (প্রাচীন ভারত) ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর | History Question and Answer । স্কুল, কলেজ ও সমস্ত সরকারি চাকরীর পরীক্ষাতে বা প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার জন্য (All Comparative Exam: WBPSC, WBCS, WBP SI, WBP Constable, SSC, School Service, Railway exam etc) সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা (প্রাচীন ভারত) ইতিহাস খুবি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এই সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা (প্রাচীন ভারত) ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর | History Question and Answer পড়লেই নিশ্চিত কমন পাবেন।

  ইতিহাসে ভালো রেজাল্ট করতে হলে অবশ্যই পড়ুন এই সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা (প্রাচীন ভারত) ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর | History Question and Answer in Bengali । আপনারা যারা বিভিন্ন পরীক্ষার জন্য সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা (প্রাচীন ভারত) ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর | History Question and Answer in Bengali খুঁজে চলেছেন, তারা নিচে দেওয়া প্রশ্ন ও উত্তর ভালো করে পড়তে পারেন। সাথে পিডিফ ফাইলের ডাউনলোড (PDF File Download) লিঙ্ক নীচে দেওয়া হয়েছে।

সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা (প্রাচীন ভারত) ইতিহাস

সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা : সিন্ধু সভ্যতা হল প্রাচীন সভ্যতা । এটি বিস্তার লাভ করেছিল সিন্ধু নদের তীরে যা বর্তমানে । পাকিস্তানের অন্তর্গত এবং উত্তর – পশ্চিম ভারতের ঘর্ঘরা ও হরকা নদীর তীরবর্তী অণ্ডলে ।। এর মধ্যে একটি হল হরপ্পা সভ্যতা এবং এই সভ্যতার নিদর্শন হরপ্পা শহর খনন করে পাওয়া গিয়েছে ।

  • ঘর্ঘরা – হরকা নদীর তীরবর্তী সভ্যতাকে সরস্বতী – সিন্ধু সভ্যতাও বলা হয় । ১৯২১ খ্রিস্টাব্দে । আর . বি . দয়ারাম সাহানি ইরাবতী নদীর তীরবর্তী – হরপ্পা সভ্যতা প্রথম আবিষ্কার করেন । ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় সিন্ধু নদীর তীরবর্তী অঞল খনন করে মহেনজোদারাে যার অর্থ ‘ মৃতের স্তুপ আবিষ্কার করেন । এই দুটি বিষয়েই স্যার জন মার্শাল প্রাথমিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন । 
  • হরপ্পা সভ্যতা ভারতের প্রকৃত ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করে এবং ব্রোঞ্জ যুগের প্রচলন উদঘাটন 
  • ভূমধ্যসাগর অস্ট্রেলীয় আলপাইন তীরবর্তী অঞলে ঘন জনবসতি গড়ে ওঠে কিন্তু প্রথম দুটি অঞ্চলে ঘন জনবসতি উল্লেখযােগ্য ছিল । 
  • এই অঞ্চলের একশােরও বেশি অঞ্চলে খনন কার্য চালিয়ে সভ্যতার উদঘাটন করা হয় । 
  • বিজ্ঞানভিত্তিক রাসায়নিক পদ্ধতির দ্বারা এই সভ্যতার শুরু হয়েছিল ২৫০০ – খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ১৭৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের মধ্যে । 
  • তখন তামা , রুপাে , ব্রোঞ্জ এবং সােনা প্রভৃতির প্রচলন ছিল কিন্তু লােহা ধাতুর প্রচলন ছিল না।

সিন্ধু সভ্যতার ভৌগােলিক বিস্তার ( Geographical Extent ) :

  • পাঞ্জাব , সিন্ধুপ্রদেশ , বালুচিস্তান , গুজরাট , রাজস্থান , উত্তরপ্রদেশের পশ্চিমাংশের বেশ কিছু অঞ্চলের অন্তর্গত ছিল । জম্মুর উত্তরে মানডা , দক্ষিণে দৈমাবাদ , উত্তরপ্রদেশের পশ্চিমে আলমগিরপুর থেকে পশ্চিমে বালুচিস্তানের সাকতাজেনদর ( Suktagendor ) পর্যন্ত এই সভ্যতা বিস্তার লাভ করেছিল । 
  • পাকিস্তানের প্রধান অঞলগুলি হল , পশ্চিম পাঞ্জাবের ইরাবর্তী নদীর তীরের হরপ্পা , সিন্ধু নদীর তীরের মহেনজোদারাে , সিন্ধু নদীর তীরের চানহু পর্যন্ত । ভারতের প্রধান অঞ্চলগুলি হল । লােথাল , গুজরাটের রংপুর , এবং সুরকোড়া , রাজস্থানের কালিবংগান , হিসারের বানওয়ালি এবং উত্তরপ্রদেশের পশ্চিমাঞ্চলের আলমগিরপুর পর্যন্ত ।
  • ডক্টর জে . পি . যােশি এবং ডক্টর আর . এস , বিস্ত – এর তত্ত্বাবধানে বৃহত্তম এবং সর্বশেষ আবিষ্কৃত অঞ্চলটি হল গুজরাটের ঢেলাভিরা । 

সিন্ধু সভ্যতার শহর পরিকল্পনা ( Town Planning ) :

  • নর্দমার ঝাঝরি প্রথার মাধ্যমে শহর পরিকল্পনার উন্নতি সাধন করা হয়েছিল । দুভাগ করে রাস্তা তৈরি করে ত্রিভুজাকার ও বর্গাকারভাবে শহরকে অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছিল । রাস্তার বাতিস্তম্ভ তৈরি করে বাতিদানের ব্যবস্থা করা হয়েছিল । বাড়িগুলির পাশে রাস্তা , গলি সব পরিকল্পনা মাফিক করা ছিল ।
  • পাকা বাড়ি তৈরির রসদ হিসাবে পােড়া ইট ব্যবহার করা হত । এর সঙ্গে সঙ্গে কাচা ইটের বাড়িও তৈরি করত । 
  • বাড়িগুলাে একতলা ও দুতলা বিশিষ্ট ছিল কিন্তু এগুলি একই রকমের ছিল । একটা বর্গাকার অঞ্চলের মধ্যে অনেক ঘর থাকত । রাস্তার সামনের দিকে কোনাে জানালা রাখত না । শৌচালয়গুলি ছিল টালি দিয়ে অলংকৃত ।
  • নর্দমার মাধ্যমে জলনিকাশি প্রথা খুব ভালাে ছিল । পরিষ্কার করার জন্য চুন , সুরকি বালি ও জিপসাম দিয়ে নর্দমাগুলি তৈরি করা হত এবং যেগুলাে ইটের বড়াে বড়াে খণ্ড দিয়ে ঢাকা থাকত । এর মাধ্যমে স্বাস্থ্য রক্ষার বিশেষ নিদর্শন সূচিত হয় ।
  • শহরগুলি উচ্চতর ও নিম্নতর – এই দুইভাগে ভাগ করা ছিল ।
  • শহর রক্ষার জন্য দুর্গ হিসাবে ৩০ থেকে ৫০ ফুট উচু এবং প্রায় ৪০০ গজ থেকে ২০০ গজ পর্যন্ত কৃত্রিম মঞ্চ নির্মাণ করা হত । দেয়াল কাঁচা ইট দিয়ে ঘেরা হত ।
  • কৃত্রিম দুর্গের মধ্যে থাকত সরকারি বাসস্থান , শস্য সংরক্ষণ ব্যবস্থা , গুরুত্বপূর্ণ কারখানা , উপাসনা গৃহ । নিম্নতর অঞলে লােকেরা বসবাস করত । 
  • মহেন – জো – দরােতে ১২ মিটার লম্বা ৭ মিটার চওড়া এবং ২.৪ মিটার গভীর একটি জনসাধারণের জন্য স্নানাগারের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে । এই স্নানাগারে সিড়ি ব্যবস্থা ছিল এবং কয়েকটি রুমে বিভক্ত ছিল । সম্ভবত এটি ধর্মীয় স্নানের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হত । 
  • যদিও মহেনজোদারাের সবচেয়ে বড়াে নিদর্শন হল বৃহৎ শস্যগােলা বা Granary ( 45.71-15.23m ) । 

সিন্ধু সভ্যতার কৃষিব্যবস্থা :

  • সিন্ধু নদের উপত্যকায় লােকেরা নভেম্বরে জমির বন্যার জল চলে যাওয়ার পরে গম ও যবের বীজ বপন করত এবং এপ্রিল মাসে শস্য কেটে ঘরে তুলত । এখানকার অধিবাসীরা গম , যব , সরিষা , কড়াই , রাই , ধান , তুলা , খেজুর এবং তরমুজের চাষ করত । সিন্ধু সভ্যতার লােকেরাই প্রথম তুলা চাষ করতে শেখে । 
  • কাঠের লাঙল দিয়ে কালিবংগান অঞ্চলের লােকেরা কৃষিজমি আবাদ করতে শেখে । 
  • বিরাটাকারে গৃহপালিত পশুপালন করতে শেখে । গােরু পালনের পাশাপাশি তারা কুকুর পুষতে লাগল । ঘােড়া সব সময় তারা ব্যবহার করত না , কিন্তু হাতি ব্যবহার করত । 
  • সুরকোতদা ঘােড়া ও কুকুর এবং রােপার অঞ্চলে মানুষদের সঙ্গে তাদের কবর আবিষ্কৃত হয়েছে । 
  • জীবনযাপনের জন্য তারা প্রচুর পরিমাণে ফসল ফলাত । 
  • খামারবাড়িতে তারা শস্যদানা গুদামজাত করত । 

সিন্ধু সভ্যতার যুগে ব্যাবসা – বাণিজ্য :

  • অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক বাণিজ্য তখনকার সময়ে বেশ সুদৃঢ় ছিল । তখন ধাতব মুদ্রার কোনাে প্রচলন ছিল না । সব ব্যাবসা – বাণিজ্য চলত বিনিময় প্রথার মাধ্যমে । 
  • হরপ্পা সভ্যতার সময় ওজন ও পরিমাপ সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রিত হত । চুনাপাথর প্রভৃতি দিয়ে ওজনের পরিমাপ নির্দিষ্ট করা হত এবং বাটখারাগুলি ছিল কীলক আকারের ( Cubical ) । 
  • পরিমাপের একক ছিল ১৬ ; যেমন ১ , ২ , ৪ , ৮ , ১৬-৩২-৬৪ এই ভাবে ভাগ ছিল । 
  • মসৃণ যন্ত্রপাতি , শাখ , গয়না , কাপড়িশ প্রভৃতির কাজ শিখেছিল । 
  • এগুলির কাঁচামাল বিভিন্ন দেশ থেকে আসত যেমন – উত্তর কর্ণাটক থেকে সােনা ও রুপাে , আফগানিস্তান এবং ইরান থেকে গাঢ় নীল রঙের মুল্যবান পাথর , বালুচিস্তান ও ক্ষেত্রি থেকে তামা আসত ।
  • চানহুড়াে এবং লােথালে পুঁতির মালা তৈরির কারখানার সন্ধান পাওয়া গিয়েছে এবং এগুলি বিদেশে রপ্তানিও করা হত ।
  • লােথালে বন্দরের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে । রংপুর , সােমনাথ এবং বালাকোট সমুদ্র বন্দরের সন্ধান মিলেছে । বিদেশে যাওয়ার পথ ছিল সাতকাজেনদড় ও সাতকাহাে । অভ্যন্তরীণ পরিবহনের মাধ্যম ছিল গােরুর গাড়ি । 
  • প্রত্যেক ব্যবসায়ী তাদের নিজস্ব সিলমােহর ব্যবহার করত । সিলমােহরে থাকত ধর্মীয় কোনাে বৈশিষ্ট্য এবং এর সংক্ষিপ্ত বিবরণ লেখা থাকত । হরপ্পার সিলমােহর শক্ত পাথরে বর্গাকারে তৈরি ছিল । 
  • সম্ভবত এই সিলমােহরের প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল নিজ নিজ সম্পত্তির মালিকানার অধিকার বজায় রাখা । রক্ষাকবচ হিসাবে এটি ব্যবহার করত ।

সিন্ধু সভ্যতার শিল্প ও হস্তশিল্প ( Artand Craff ) :

  • হরপ্পা সভ্যতা আমলে ব্রোঞ্জ যুগের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে । 
  • টিন ও তামা ধাতু মিশিয়ে ব্রোঞ্জ তৈরি হয় । তামা এবং ব্রোঞ্জ দিয়ে যন্ত্রপাতি তৈরি হত । রাজস্থানের ক্ষেত্রি অঞ্চল ও বালুচিস্তান থেকে তামা পাওয়া যেত এবং আফগানিস্তান থেকে টিন পাওয়া যেত । 
  • সেসময় সাধারণত সুতির পােশাক ব্যবহার করা হত কিন্তু শীতকালে পশমের পােশাকেরও প্রচলন ছিল । 
  • তারা সােনা , রূপাে , হাতির দাঁতের , তামা , ব্রোঞ্জ এবং মূল্যবান পাথরের অলংকার পরত । স্ত্রী পুরুষ সকলেই অলংকার পরত । স্ত্রীলােকেরা বালা , হার , কানের দুল প্রভৃতি ব্যবহার করত । তারা পুঁতির তৈরি গয়না তৈরিতে খুব দক্ষ ছিল ।
  • মাটির বাসনপত্র তৈরির জন্য চাকা ব্যবহার করত । কালাে এবং লাল রঙের বাসনপত্রের প্রচলন ছিল । তখনকার সময়ে পাশা খেলার প্রচলন ছিল । জুয়া খেলার প্রচলন ছিল । খােদাই কাজ এবং জন্তুজানােয়ারের সিলমােহর প্রচলনই হরপ্পা সভ্যতার উল্লেখযােগ্য শিল্পের কৃতিত্ব । লাল বেলে পাথরের নির্মিত মানুষের প্রতিমূর্তি প্রকৃতই চিত্তাকর্ষক ছিল । ব্রোঞ্জের তৈরি সুন্দরী নৃত্যরত দেবদাসী – র মূর্তিরও এখানে সন্ধান পাওয়া গিয়েছে । 
  • শিশুদের জন্য ঘুরন্ত মাথা বিশিষ্ট জীবজন্তুর বাচ্চার মূর্তি তৈরি করত , দড়ির ওপর হেলে থাকা খেলনা , বাঁদর , ছােটো খেলনা , গােরুর গাড়ি , পাখি প্রভৃতি । মাটির মূর্তি আগুনে পুড়িয়ে তৈরি করত । 

সিন্ধু সভ্যতার ধর্মীয় জীবন ( Religious Life ) :

  • মাতৃ দেবীর পুজো করাই মূল উদ্দেশ্য ছিল । উচ্চবর্ণের লােকেরা পশুপতি শিবের মতাে উলঙ্গ দুই শিং বিশিষ্ট দেবতার পুজো করত । তাদের শিলমােহরে শিংওয়ালা তিন মাথা বিশিষ্ট যােগীর মূর্তি শােভা পেত । এই মূতিটি হাতি , বাঘ ও গণ্ডার দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকত এবং সিংহাসনের নীচে এক মহিষ থাকত । পায়ের নীচে দুটি হরিণ থাকত । পশুপতিনাথ আসলে পুরুষ দেবতার প্রতীক ছিল । 
  • লিঙ্গ এবং যােনি পুজোও ছিল অসাধারণ ।
  • বিভিন্ন গাছ , ষাঁড় , ঘুঘু , পায়রা এবং পাথরের পুজো করত । এক শিংওয়ালা ঘােড়ারও পুজো করা হত । পুতুল পুজোর প্রচলন ছিল কিন্তু কোনাে মন্দিরের সন্ধান পাওয়া যায়নি । 
  • কালিবংগান এবং লােথাল – এ আগুনের বেদির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে । মৃতদেহ সৎকারের কোনাে সঠিক সন্ধান পাওয়া যায়নি — তিন রকম ভাবে মৃতদেহ সৎকারের হদিশ পাওয়া গিয়েছে । যেমন পুরােপুরি সমাধিস্থ করা , সমাধির পরে পশুপাখিকে দিয়ে খাওয়ানাে এবং মৃতদেহ দাহ করা । মৃতদেহের ভস্ম পাত্রে সংরক্ষিত করে রাখত । এই তৃতীয় প্রথার সন্ধানই সিন্ধু সভ্যতার নিদর্শন হিসেবে পাওয়া গিয়েছে । হরপ্পার একই স্থানে কবরস্থ করা হত । সেখানকার মানুষেরা ভূত প্রেতে বিশ্বাস করত । মৃতদেহগুলি উত্তর – দক্ষিণ দিকে করবস্থ করা হত । 

সিন্ধু সভ্যতার লিপি ( Script ) :

তখনকার লিপিগুলি বর্ণমালার আকারে ছিল না প্রায় ছয়শাের মতাে ছবির সংকেতে ছিল । এই লিপিগুলি ঠিকমতাে উদ্ধার করা যায়নি । এগুলির প্রথম লাইন ডান দিক থেকে বাম দিকে এবং দ্বিতীয় লাইন বামদিক থেকে ডান দিকে লেখা হত । এই পদ্ধতিকে ‘ বৌস্ট্রোফেডন ’ ( Boustrophedon ) বলা হত ।

সিন্ধু সভ্যতার রাজনৈতিক সংগঠন ( Political Organization ) :

  • সিন্ধু সভ্যতার আমলের লােকেদের রাজনীতির বিষয়ে সেরকম কোনাে স্বচ্ছ ধারণা পাওয়া যায় । প্রধানত তারা ব্যাবসা – বাণিজ্য বিষয়েই সচেতন ছিল এবং এক শ্রেণির ব্যবসায়ী তাদের নিয়ন্ত্রণ করত । 
  • তারা সর্বদা সাংগঠনিকভাবে থাকত । এখানকার নাগরিকদের মধ্যে পৌরসভা বা পুর সমিতির নমুনা পাওয়া যায় ।

সিন্ধু সভ্যতার হরপ্পার গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহ ( Important Harappan Sites ) :

হরপ্পা – 

এই অঞ্চল খনন করে বিশেষ বিশেষ যে স্থানগুলি পাওয়া গিয়েছে সেগুলি হল ( ক ) দুই সারিতে ছয়টি করে ইট দিয়ে বাঁধানাে শস্য সংরক্ষণের স্থান । এই বারােটি স্থান মহেনজোদারােতে পাওয়া বিরাট শস্যাগারের সমান । ( খ ) কফিন – এর সাহায্যে সমাধিক্ষেত্রে কবরস্থ করা হত । ( গ ) এক কক্ষ বিশিষ্ট রক্ষী নিবাস । ( ঘ ) মেসােপটেমিয়ার সঙ্গে সরাসরি ব্যাবসা – বাণিজ্যের আদান – প্রদান । ( ঙ ) লাল বেলে পাথরের তৈরি মস্তকহীন পুরুষের মূর্তি । ( চ ) পাথরের মধ্যে স্ত্রী জননেন্দ্রীয় – এর চিহ্ন ।

মহেনজোদারাে –

মহেনজোদারাের মাটি খুঁড়ে পাওয়া নিদর্শনগুলি হল ( ক ) মহাবিদ্যালয় , বহুস্তম্ভ বিশিষ্ট জনসাধারণের জন্য হল ঘর । ( খ ) বিরাটাকার স্নানাগার , এটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সাধারণের জন্য ব্যবহৃত স্নানাগার । ( গ ) এখানকার সর্ববৃহৎ শস্যাগার ।। ( ঘ ) বস্ত্র বয়নের টাকু , উঁচ প্রভৃতি । ( ঙ ) অস্পষ্ট ঘােড়ার নিদর্শন । ( চ ) পাথরের তৈরি মেসােপটেমিয়ার পাত্র । ( ছ ) মেসােপটেমিয়ার সঙ্গে সরাসরি ব্যাবসা – বাণিজ্যের আদানপ্রদান । ( জ ) ব্রোঞ্জের তৈরি নৃত্যরতা বালিকার মূর্তি । ( ঝ ) কিছু অধিবাসীর অস্বাভাবিক মৃত্যু হিসাবে পাকৃত কঙ্কাল আবিষ্কার । ( ঞ ) দেবী জঠরে বর্ধিত চারাগাছ – এর চিহ্ন সহ সিলমােহর এবং পুরুষের হাতে ছুরি সহ স্ত্রী লােককে হত্যা করার দৃশ্য সহ সিলমােহর । ( ট ) গোঁফ দাড়ি বিশিষ্ট পুরুষ মূর্তি । ( ঠ ) পশুপতি শিবের ছবি সহ সিলমােহর । 

কালিবান – 

কালিবঙ্গান হল হরপ্পার একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর । ‘ কালিবঙ্গান ‘ শব্দটির অর্থ হল কালাে বালা । প্রথমদিকে খনন কাজ চালিয়ে চাষ দেওয়া কৃষিতে আবিষ্কৃত হয়েছে । এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার । খনন কাজ চালিয়ে নীচের নিদর্শন গুলি পাওয়া গিয়েছে । ( ক ) কাঠের তৈরি লাঙলের ফাল । ( খ ) সাতটি অগ্নিবেদির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে যা ধর্মীয় বলিদানের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হত । ( গ ) ইটের পাঁচিল দিয়ে দুর্গগুলি এবং শহরের উঁচুনীচু অঞ্চলগুলি ঘেরা ছিল । ( ঘ ) উটের হাড় – এর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে । ( ঙ ) সুসজ্জিত টালি বেষ্টিত বৃত্তাকার স্থানের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে । ( চ ) লম্বা ডিম্বাকার চোখ , মােটা ঠোট , চওড়া কপাল এবং দীর্ঘ সূচালাে নাক বিশিষ্ট মানুষের মাথার সন্ধান পাওয়া গিয়েছে । ( ছ ) দুই ধরনের সমাধিক্ষেত্র ছিল । যেমন – বৃত্তাকার ও ত্রিভুজাকার সমাধিক্ষেত্র ।

লােথাল –

হরপ্পা সভ্যতার একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর হল লােথাল । এই শহরটির পরিকল্পনা হরপ্পা ও মহেন – জো , দারাে থেকে পৃথক ধরনের ছিল । ছয়টি ভাগে এই শহরটিকে ভাগ করা হয়েছিল । কাঁচা ইট দিয়ে এই ভাগগুলিকে ভাগ করা ছিল । ১২ ফুট চওড়া ২০ ফুট লম্বা রাস্তা দিয়ে পৃথক করা ছিল । খননকাজের ফলে আরও কিছু নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে । যেমন ( ক ) আমেদাবাদের কাছে রংপুরে ধানের তুষ এর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে । ( খ ) কৃত্রিম নৌবন্দরের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে । ( গ ) মাটির টেরাকোটা কাজের ঘােড়ার মুর্তির সন্ধান মিলেছে । ( ঘ ) কাপড়ের উপর সিলমােহরের ছাপ পাওয়া গিয়েছে । ( ঙ ) মেসােপটেমিয়ার সঙ্গে সরাসরি ব্যাবসা – বাণিজ্যের আদানপ্রদান – এর প্রচলন ছিল । ( চ ) বাড়িতে প্রবেশ করার দরজা প্রধান রাস্তার দিকে মুখ করা ছিল । ( ছ ) সিলমােহরে জলজাহাজের ছাপের নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে । ( জ ) টেরাকাটা কাজে জলজাহাজের ছবির নিদর্শন ছিল । ( ঝ ) পঞতন্ত্রে বর্ণিত ধূর্ত খেকশিয়ালের ছবি পাত্রের উপর আঁকা অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে । ( ঞ ) একই সমাধির মধ্যে পুরুষ ও স্ত্রীলােকের দেহের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে । ( ট ) দাবা খেলার প্রচলনের নিদর্শন মিলেছে । ( ঠ ) ৪৫ ° , ৯০ ° ও ১৮০ ° কোণ পরিমাপের যন্ত্র – এর সন্ধানও এখানে পাওয়া গিয়েছে ।

চানহুড়াে –

এই অঞ্চল খনন করে তিন রকম সংস্কৃতির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে । এই তিনটি সংস্কৃতি হল সিন্ধু সংস্কৃতি , ঝুকার সংস্কৃতি এবং ঝংকার সংস্কৃতি । এই অঞ্চলগুলিতে হরপ্পার বিভিন্ন রকমের । কারখানার অবস্থিতি ছিল । এখানে সিলমােহর , খেলনা এবং হাড়ের তৈরি সামগ্রী তৈরি হত । এই অঞলে কোনাে দুর্গ ছিল না । ব্রোঞ্জের মূর্তি , গােরুর গাড়ি , এক্কাগাড়ি , ছােটো পাত্র , হাতির পায়ের ছাপ এবং একটা কুকুর বিড়ালকে তাড়া করছে এরকম ছবির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে । 

আলমগিরপুর – 

সিন্ধু সংস্কৃতির পূর্বদিকের সীমায় আলমগিরপুর অবস্থিত । হরপ্পার অন্যান্য অঞ্চলের মতাে এই অঞলেও বিক্রয়যােগ্য পণ্যদ্রব্যের সন্ধান মিলেছে আবার অনেকে বলেছেন হরপ্পা সংস্কৃতির পরবর্তীকালে এই অঞ্চলের সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে । কাপড়ের উপর আঁকা ঢাকনা বিহীন লম্বা সরু পাত্রের নিদর্শন এখানে পাওয়া গিয়েছে । 

কোডজি – 

কোবডজি প্রাক হরপ্পীয় স্থান হিসাবে পরিচিত । প্রাক হরপ্পীয় যুগের বাজেয়াপ্তযােগ্য উপনিবেশ হিসাবে ধারণা দেয় । এখানকার বাড়িঘরগুলি ছিল পাথরের তৈরি । কোডজির অস্তিত্ব ছিল তৃতীয় সহস্র খ্রিস্টপূর্বের প্রথম দিকে । খনন করে জানা গিয়েছে যে – কোনাে যুদ্ধ বিগ্রহের ফলেই এই শহরটি ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছিল । 

আমরি – 

আমরিও প্রাক হরপ্পীয় উপনিবেশ হিসাবে পরিচিত । এই সময়ে দুর্গ নির্মাণ – এর অভাব লক্ষিত হয়েছে । আমরির বিশেষত্ব হল যে প্রাক হরপ্পীয় ও পরবর্তী হরপ্পীয় সভ্যতার মধ্যে যুগ পরিবর্তনের কাল । এই সময়কালে গণ্ডারের উপস্থিতি , ঝংকারের সংস্কৃতির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে ।

রােপার –

রােপার অঙ্কুলেই প্রাক হরপ্পীয় এবং তৎকালীন হরপ্পার সংস্কৃতির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে । মাটি এবং পাথর দিয়ে এখানকার বাড়িঘরগুলি প্রধানত তৈরি হত । এখানকার উল্লেখযােগ্য আবিষ্কারগুলি হল – বাসনপত্র , গয়নাপত্র , তামার কুঠার , টাডা ফলা , মাটির তৈরি টেরাকোটা ফলা , সিলমােহর , বিশেষ ধরনের চিত্র , ডিম্বাকৃতি গর্তের মধ্যে সমাধিক্ষেত্র এবং ত্রিভুজাকৃতি কাচা ইটের তৈরি কক্ষ বিশেষ । এখানে মানুষের সমাধির সঙ্গে একটি কুকুরের সমাধিও দেওয়া হত । এটা অবশ্য কাশ্মীরের বার্জহােম অঞ্চলে প্রচলন ছিল , হরপ্পার অন্যান্য অঞ্চলে এর সেরকম প্রচলন ছিল না।

বানওয়ালি – 

হরিয়ানার হিসার জেলায় বানওয়ালি অবস্থিত , খননকাজের পর এখানে দুই – রকমের সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে । প্রথমটি হল প্রাক হরপ্পীয় এবং পরবর্তী হরপ্পীয় সভ্যতা । যদিও দ্বিতীয় পর্যায় হরপ্পা সভ্যতায় দাবা খেলার বাের্ড , শহরের ঝাঝরি প্রথার প্রচলন সব জায়গায় দেখা যায় নি । রাস্তাগুলি সবসময় সােজাসুজি ছিল না এবং এগুলি সমকোণ অবস্থায় বিভক্ত ছিল । না । এখানকার বিশেষত্ব হল সুশৃঙ্খল নিকাশি ব্যবস্থা । খনন করার সময় উচ্চ ধরনের শস্য যব – এর সন্ধান পাওয়া গিয়েছে । অন্য উল্লেখযােগ্য যেসব বস্তু এখানে পাওয়া গিয়েছে সেগুলি হল – সিরামিক শিল্প , সিলমােহর এবং সিন্ধু লিপির বিশেষ ধরনের সিলমােহর । 

সুরকোতদা –

গুজরাটের কচ্ছ অর্থাৎ ভুজ জেলায় সুরকোটাডা অবস্থিত । ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে জে . পি . যােশি এই অল খনন করে আবিষ্কার করেন । সারকোডাটা হল হরপ্পা অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ উপনিবেশ । এই অঞ্চলটি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার কারণ হল এখানেই প্রথম ঘােড়ার হাড় – এর সন্ধান পাওয়া যায় । একটি সমাধিক্ষেত্রে চারটি পাত্রসহ বেশ কিছু মানুষের হাড় – এর সন্ধান মিলেছে । এখানে বিরাটাকার পাথরখণ্ডের মধ্যে সমাধির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে যা তখনকার দিনে বিরল ছিল । 

সাতকাজেন্দর –

এই অঞ্চলটি বর্তমান পাকিস্তানের অন্তর্গত সিন্ধু অঞ্চলে অবস্থিত । এই শহর সিন্ধু সভ্যতার যুগে এক উপকূলবর্তী শহর । এখানে দ্বি – স্তর বিশিষ্ট শহর পরিকল্পনার সন্ধান পাওয়া গিয়েছে ।। একটি হল দুর্গ প্রধান এবং অপরটি হল নিম্নস্তর শহর । কথিত আছে যে এই অঞ্চলটি আসলে একটি বন্দর ছিল । উপকূলীয় উন্নতির প্রভাবে এই অঞ্চলটি শহর – এ পরিণত হয় । 

সিন্ধু সভ্যতার যুগের অবসান : 

প্রায় একহাজার বছর হরপ্পা সভ্যতা টিকে ছিল । 

আর্যদের আগমন , উপর্যুপরি বন্যা , হরপ্পাবাসীগণের সামাজিক অবস্থার ভাঙন , ভূমিকম্প প্রভৃতিই হল হরপ্পা সভ্যতার ধ্বংসের কারণ ।

FILE INFO : সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা (প্রাচীন ভারত) ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর | History Question and Answer with PDF Download for FREE

PDF Name : সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা (প্রাচীন ভারত) ইতিহাস | History Question and Answer PDF

Formet : PDF File

Price : Free

Download Link : Click Here To Download

Get the History Suggestion Question and Answer by winexam.in

 West Bengal and All India Job preparation  Suggestion Question and answer prepared by expert subject teachers. History Suggestion with 100% Common in the Examination.

History Suggestion Question and Answer

History Suggestion Question and Answer Download. History short question suggestion. All Comparative exam History Suggestion  download. History All exam Question Paper  download.

সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা (প্রাচীন ভারত) ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর – History Question and Answer in Bengali

সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা (প্রাচীন ভারত) ইতিহাস – প্রশ্ন উত্তর | সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা (প্রাচীন ভারত) ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর (History Question and Answer in Bengali) । সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা (প্রাচীন ভারত) ইতিহাস – প্রশ্ন উত্তর | সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা (প্রাচীন ভারত) ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর (History Question and Answer in Bengali)।

সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা (প্রাচীন ভারত) ইতিহাস সাজেশন – History Suggestion

সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা (প্রাচীন ভারত) ইতিহাস সাজেশন পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতবর্ষের সমস্ত চাকরির পরীক্ষার সিলেবাস বা পাঠ্যসূচি অনুযায়ী  সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা (প্রাচীন ভারত) ইতিহাস বিষয়টির সমস্ত প্রশ্নোত্তর। সামনেই পরীক্ষা, তার আগে winexam.in শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে নিয়ে এল সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা (প্রাচীন ভারত) ইতিহাস – প্রশ্ন উত্তর । ইতিহাসে ভালো রেজাল্ট করতে হলে অবশ্যই পড়ুন । আমাদের সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা (প্রাচীন ভারত) ইতিহাস প্ৰশ্ন ও উত্তর

সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা (প্রাচীন ভারত) ইতিহাস – প্রশ্ন ও উত্তর | History Suggestion Question and Answer with FREE PDF Download

WBCS History, School Service History, SSC History, History GK, History Quiz, History QNA, History FAQ, বিভিন্ন পরীক্ষা প্রস্তুতি, রেল, গ্রুপ ডি, এস এস সি, পি, এস, সি, সি এস সি, ডব্লু বি সি এস, নেট, সেট, চাকরির পরীক্ষা প্রস্তুতি, সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা (প্রাচীন ভারত) ইতিহাস ,  সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা (প্রাচীন ভারত) ইতিহাস প্রসব ও উত্তর, সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা (প্রাচীন ভারত) ইতিহাস | History Suggestion PDF, 

  এই “সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা (প্রাচীন ভারত) ইতিহাস | History PDF” পোস্টটি থেকে যদি আপনার লাভ হয় তাহলে আমাদের পরিশ্রম সফল হবে। আরোও বিভিন্ন স্কুল বোর্ড পরীক্ষা, প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার সাজেশন, অতিসংক্ষিপ্ত, সংক্ষিপ্ত ও রোচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তর (All Exam Guide Suggestion, MCQ Type, Short, Descriptive Question and answer), প্রতিদিন নতুন নতুন চাকরির খবর (Job News in Physical Science) জানতে এবং সমস্ত পরীক্ষার এডমিট কার্ড ডাউনলোড (All Exam Admit Card Download) করতে winexam.in ওয়েবসাইট ফলো করুন, ধন্যবাদ।

Win exam telegram channel

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here