কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর
WBBSE Class 9 Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Question and Answer PDF
কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর | WB Class 9 Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Question and Answer PDF : কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী – নবম শ্রেণীর বাংলা সাজেশন ও অধ্যায় ভিত্তিতে প্রশ্নোত্তর নিচে দেওয়া হল। এবার পশ্চিমবঙ্গ নবম শ্রেণির বাংলা পরীক্ষায় (WB Class 9 Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Question and Answer PDF | West Bengal Class 9 Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Question and Answer PDF | WBBSE Board Class 9th Bengali Question and Answer with PDF file Download) এই প্রশ্নউত্তর ও সাজেশন খুব ইম্পর্টেন্ট। আপনারা যারা আগামী নবম শ্রেণীর বাংলা পরীক্ষার জন্য বা নবম শ্রেণির বাংলা | WB Class 9 Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Question and Answer PDF | WBBSE Board WB Class 9th Bengali Suggestion Question and Answer খুঁজে চলেছেন, তারা নিচে দেওয়া প্রশ্ন ও উত্তর ভালো করে পড়তে পারেন এবং PDF ফাইল ডাউনলোড লিঙ্ক নিচে দেওয়া রয়েছে।
কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী – নবম শ্রেণীর নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর
অতি সংক্ষিপ্ত | কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর | West Bengal Class 9 Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Question and Answer :
- ‘সোঙ্গরে’ শব্দের অর্থ হল?
Ans: স্মরণ করে
- “গর্ত ছাড়ি ভুজঙ্গ ভাসিয়া বুলে জলে”- ‘বুলে’ শব্দটির অর্থ হল?
Ans: ঘুরে বেরায়
- কবিতায় যে মাসে তাল পড়ার কথা বলা হয়েছে?
Ans: ভাদ্র।
- বীর হমুমান কার আদেশ পান?
Ans: দেবী চন্ডীর।
- কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি কবিতার উৎস ?
Ans: চন্ডীমঙ্গল।
- কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি কবিতার কবি হলেন?
Ans: মুকুন্দরাম চক্রবর্তী।
- ঝড়-বৃষ্টি আরম্ভ হয়েছিল ?
Ans: কলিঙ্গদেশে।
- চারিদিক অন্ধকারে দেখতে না পাওয়ার কারণ হল?
Ans: সূর্য মেঘে ঢাকা পড়েছিল।
- ‘চিকুর’ বলতে বোঝানো হয়েছে?
Ans: বিদ্যুৎ।
- ‘রড়’ কথার অর্থ হল?
Ans: দৌড় বা ছুট।
- শ্রীকবিকঙ্কণ কোন গান গেয়েছেন?
Ans:শ্রীকবিকঙ্কণ অম্বিকা মঙ্গল গান গেয়েছেন।
- ‘প্রজা দিল রড়’-‘রড়’ শব্দের অর্থ কি?
Ans: দৌড়ানো বা ছুটে যাওয়া।
- কোথায় অন্ধকার হয়ে এলো?
Ans: কলিঙ্গের আকাশ অন্ধকার হয়ে এলো।
- ‘কলিঙ্গদেশে ঝড় বৃষ্টি’ কার লেখা?
Ans: মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর লেখা।
- মুষলধারে কে বর্ষণ করছে?
Ans: মুষলধারে চারিমেঘ জল বর্ষণ করছে।
MCQ | কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর | WB Class 9 Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Question and Answer :
- মেঘ কোথায় উচ্চনাদে ডাকে –
(A) অট্টালিকা পরে
(B) কলিঙ্গে
(C) গুজরাটে
(D) গগন মন্ডলে
Ans: (D) গগন মন্ডলে।
- কোন মাসে তাল পড়ে –
(A) বৈশাখ মাসে
(B) আষাঢ় মাসে
(C) আশ্বিন মাসে
(D) ভাদ্র মাসে
Ans: (D) ভাদ্র মাসে।
- কি উলটিয়ে পড়ে?
(A) শস্য
(B) পাথরের মূর্তি
(C) গাছপালা
(D) ঘরবাড়ি
Ans: (A) শস্য
- মঠ অট্টালিকা খানখান করে কে ভেঙে দিল?
(A) চন্ডী
(B) গজরাজ
(C) প্রবল ঝড়
(D) হনুমান
Ans: (D) হনুমান
- কেন অন্ধকার হয়েছে?
(A) গ্রহণ লেগেছে
(B) সূর্য ডুবে গেছে
(C) মেঘ ঢেকে গেছে বলে
(D) রাত্রি হয়েছে
উত্তর : (C) মেঘে ঢেকে গেছে বলে।
- কলিঙ্গদেশে কতদিন ধরে বৃষ্টি হয়েছিল?
(A) দুইদিন
(B) সাত দিন
(C) চার দিন
(D) দশ দিন
Ans: (B) সাত দিন
- চণ্ডীর আদেশ কে পেয়েছিল?
(A) কলিঙ্গ বাসীরা
(B) গুজরাট বাসীরা
(C) বীর হনুমান
(D) জৈমিনি
Ans: (C) বীর হনুমান
- ‘সঘনে চিকুর পরে’- “চিকুর” শব্দের অর্থ কি?
(A) নারকেল
(B) তাল
(C) বাজ
(D) বিদ্যুৎ
উত্তর : (D) বিদ্যুৎ
- ‘ঈশানে উড়িলো মেঘ সঘনে’-
(A) বরিষণ
(B) জলদ
(C) মেঘ
(D) চিকুর
Ans: (D) চিকুর
- চাল বিদরিয়া কি পরছে?
(A) তাল
(B) ডাব
(C) বরফ
(D) শিলা
Ans: (D) শিলা
- অম্বিকা মঙ্গল গান কে গেয়েছেন?
(A) নদ-নদী
(B) বীর হনুমান
(C) চন্ডী
(D) শ্রীকবিকঙ্কণ
Ans: (D) শ্রীকবিকঙ্কণ
- চারি মেঘে বরিষে মুষলধারে জল। – এখানে যে ভাবনাটি প্রকাশ পেয়েছে, তা হল-
(A) চার রকমের মেঘ মুষলধারে জল বর্ষণ করছে
(B) চারিদিক থেকে মেঘ জল বর্ষণ করছে
(C) চারি মেঘে নামক মুষলধারে জল বর্ষণ করছে
(D) কোনোটিই নয়
Ans: (A) চার রকমের মেঘ মুষলধারে জল বর্ষণ করছে।
- “না পাই দেখিতে কেহ রবির কিরণ।” এখানে যে ভাবনাটি প্রকাশ পেয়েছে, তা হল-
(A) সূর্য ডুবে যাওয়ায় কেউ আর রবির কিরণ দেখতে পায় না।
(B) ঘন মেঘ আকাশ ঢেকে যাওয়ায় সূর্যের আলো কেউ দেখতে পায়না।
(C) সূর্য গ্রহণ হওয়ার ফলে রবির কিরণ দেখা যায় না।
(D) কোন টি নয়
Ans: (B) ঘন মেঘ আকাশ ঢেকে যাওয়ায় সূর্যের আলো কেউদেখতে পায়না।
- “দেখিতে না পায় কেহ অঙ্গ আপনার” – এখানে যে ভাবনাটি প্রকাশ পেয়েছে, তা হল-
(A) মেঘ করার জন্য চারিদিক অন্ধকার হওয়ায় কেউ কারোর অঙ্গ দেখতে পায়না।
(B) সূর্য ডুবে যাওয়ার জন্য কেউ কারোর অঙ্গ দেখতে পায় না।
(C) সন্ধ্যে হয়ে যাবার জন্য কেউ কারোর অঙ্গ দেখতে পায় না।
(D) কোনোটিই নয়।
Ans: (A) মেঘ করার জন্য চারিদিক অন্ধকার হওয়াই কেউ কারো অঙ্গ দেখতে পায় না।
সংক্ষিপ্ত | কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর | WBBSE Class 9 Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Question and Answer :
- শিলাবৃষ্টি প্রজাদের কী ক্ষতি করেছিল?
Ans: শিলাবৃষ্টির ফলে প্রজাদের ঘরের চাল ভেদ করে মেঝেতে শিল এসে পড়ে।
- বন্যার জলের ঢেউ কীরূপ লাভ করেছিল?
Ans: বন্যার জলের ঢেউ পর্বতের সমান উচ্চতা লাভ করেছিল।
- মঙ্গল্কাব্যে যে ভণিতার ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তা কী?
Ans: মধ্যযুগীয় কবিরা তাদের পরিচিতি প্রদানের উদ্দেশ্যে পদের শেষে নিজেদের নাম ও পরিচয় উল্লেখ করতেন, একেই ভণিতা বলা হয়।
- ‘উলটিয়া পড়ে শস্য’-শস্য উলটিয়ে কেন পরে?
Ans: প্রবল বর্ষণে এবং প্রবল বায়ু প্রবাহের ফলে খেতের ফসল নুয়ে পড়ে অর্থাৎ উল্টে পড়ে।
- কবি বেঙ্গ তড়কা বাজ পড়ার কথা বলেছেন কেন?
Ans: কলিঙ্গদেশে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে সাতদিন ধরে টানা বর্ষণ হয়। তখন বারবার বাজ পড়তে থাকে। তাই কবি একে বেঙ্গল তড়কা বাজ বলেছেন।
- জৈমিনি কে কারা স্মরণ করে?
Ans: জৈমিনি কে কলিঙ্গের সকল লোক স্মরণ করে।
- ‘দেখিতে না পায় কেহ’-কেন দেখতে পাই না?
Ans: আকাশ মেঘে ঢেকে যাওয়াই চারিদিক অন্ধকার হয়ে আসে, তাই কেউ নিজের অঙ্গ দেখতে পায়না।
- ‘চারিমেঘ’বলতে কোন মেঘকে বোঝানো হয়েছে?
Ans:’চারিমেঘ’বলতে সম্বর্ত, আবর্ত, পুষ্কর ও দ্রোণ-চার প্রকারের কে বোঝানো হয়েছে।
- আকাশের কোন কোণে প্রথমে মেঘ জমেছিল?
Ans: আকাশের ঈশাণ কোণে অর্থাৎ উত্তর-পূর্ব কোণে প্রথমে মেঘ জমেছিল।
- ‘বেঙ্গ তরকা বাজ’কি?
Ans: ব্যাঙের মতন তড়কা করে লাফিয়ে লাফিয়ে যে বাজ পড়ে তাকে বেঙ্গল তড়কা বাজ বলে।
- ‘উঠে-পড়ে ঘরগুলো করে দলমল’-ঘরগুলো দলমল করার কারণ কি?
Ans: সাত দিনের বর্ষণে কলিঙ্গ শহরে প্রবল বন্যা হয়। পর্বত সমান ঢেউ হয়ে বন্যার জল আসে পড়ে ঘরগুলোতে। তাই সেখানকার ঘরগুলো দলমল করছিল।
- জৈমিনি কে কখন তারা স্মরণ করে?
Ans: কলিঙ্গ দেশে যখন প্রবল ঝড় বৃষ্টি শুরু হয় তখন বারবার বাজ করতে থাকে। সেই সময় ভীত জৈমিনি কে স্মরণ করে।
- ‘না পারে দেখিতে কেহ রবির কিরণ’-রবির কিরণ দেখতে না পাওয়ার কারণ কি?
Ans: কলিঙ্গ দেশে সাতদিন ধরে প্রবল ঝড় বৃষ্টি হয়, কালো মেঘে সমস্ত আকাশ ঢেকে থাকে। তাই কলিঙ্গ বাসি রবির কিরণ দেখতে পারেনি।
- কলিঙ্গদেশে কখন অন্ধকার নেমে আসে?
Ans: যখন কলিঙ্গের সমগ্র আকাশ কালো মেঘে ছেয়ে যায়, তখন কলিঙ্গে অন্ধকার নেমে আসে।
- ‘চারি মেঘ’ বলতে কী বোঝায়?
Ans: সম্বর্ত, আবর্ত, পুষ্কর ও দ্রোণ হলো চার প্রকার মেঘ।
- ‘রড়’ কী ধরণের শব্দ?
Ans: ‘রড়’ শব্দটি একটি প্রচলিত লৌকিক শব্দ, যার অর্থ দৌড়ে পালানো।
- ঝড়ে শষ্যক্ষেত্রের কী দশা হয়?
Ans: ঝড়ে শস্যের গাছগুলি সব উলটে পড়ে।
- মেঘের গর্জনের ফলে প্রজাদের কী অবস্থা হয়?
Ans: মেঘের গর্জনের ফলে প্রজারা কেউ কারো কোনো কথা শুনতে পারছিলো না।
- কলিঙ্গে নিরবধি কতদিন ধরে বৃষ্টিপাত হয়েছিল?
Ans: কলিঙ্গে একটানা সাত দিন বৃষ্টি হয়েছিল।
- চণ্ডীর আদেশে হনুমান কি করছিল?
Ans: চণ্ডীর আদেশে হনুমান মঠ অট্টালিকা ভেঙ্গে খানখান করছিল।
- কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি’ কাব্যাংশটি কার লেখা, কোন্ কাব্যের অন্তর্গত?
Ans:কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি’ কাব্যাংশটি মধ্যযুগের কবি মুকুন্দ চক্রবর্তী রচিত ‘অম্বিকামঙ্গল’ কাব্যের অন্তর্গত।
- মুকুন্দ চক্রবর্তী রচিত চণ্ডীযাল কাব্যটি অন্য কী কী নামে পরিচিত?
Ans: মুকুন্দ চক্রবর্তী রচিত চণ্ডীমঙ্গল কাব্যটি ‘অভয়ামঙ্গল’,’চন্ডিকামঙ্গল’, ‘কবিকঙ্কণ চণ্ডী’,’অম্বিকাঙাল’ প্রভৃতি নামেও পরিচিত।
- মুকুন্দ চক্রবর্তী রচিত চণ্ডীমণ্ডল কাব্যটির ক-টি খণ্ড ও কী কী?
Ans: মুকুন্দ চক্রবর্তী রচিত চণ্ডীমঙ্গল কাব্যটির দুটি খণ্ড, যথা— আখেটিক খণ্ড এবং বণিক খন্ড |
- কলিডাদেশে ঝড়-বৃষ্টি’ চণ্ডীমণ্ডল কাব্যের কোন্ খণ্ডের অন্তর্গত?
Ans: ‘কলিদেশে ঝড়বৃষ্টি’ কাব্যাংশটি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আখেটিক খন্ডের অন্তর্গত।
- জলধারার বর্ষপকে কীসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
Ans: জলধারার প্রবল বর্ষশকে করি-কর অর্থাৎ হাতির গুঁড় দিয়ে জল লার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে |
- “কারাে কথা শুনিতে না পায় বোনাে জন।’—কারও কথা শুনতে না পাওয়ার কারণ কী?
Ans: প্রবল বৃষ্টিপাতের সঙ্গে বারবার মেঘের প্রবল গর্জনে কলিজাবাসী কেউ কারও কথা শুনতে পাচ্ছিল না।
- মেঘ ঝড়বৃষ্টির থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কনিবাসী কার কথা স্মরণ করেছেন? অথবা, কলিলবাসী জৈমিনিকে স্মরণ করে কেন?
Ans: মেঘ ঝড়বৃষ্টির সঙ্গে প্রবল বজ্রপাতের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কলিঙ্গবাসী ঋষি জৈমিনির কথা স্মরণ করেছেন।
- “না পায় দেখিতে কেহ রবির কি” রবির কিরণ দেখতে না পাওয়ার কারণ কী?
Ans: ভয়ংকর কালাে মেঘে চারদিক ডেকে গিয়ে প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে কেউ সূর্যরশ্মি দেখতে পাচ্ছিল না।
- গর্ত ছেড়ে কারা জলে ভেসে বেড়াচ্ছে?
Ans: প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে কলিঙাদেশ জলমগ্ন হয়ে যাওয়ায় গর্ত ছেড়ে সাপ জলে ভেসে বেড়াচ্ছে |
31, সাত দিনের বৃষ্টিতে কৃষিকাজ ও ঘরবাড়ির কী ক্ষতি হল?
Ans: সাত দিনের বৃষ্টিতে শস্যখেত জলে ডুবে যাওয়ায় ফসল নষ্ট হয়ে গেল এবং প্রবল শিলাবৃষ্টিতে বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে গেল।
- “ভাদ্রপদ মাসে যেন পড়ে থাকা তাল”—কবি কোন বিষয়ের সঙ্গে এমন তুলনা করেছেন?
Ans: প্রবল ঝড়বৃষ্টিতে ঘরের চাল ভেদ করে যে শিল মেঝেতে এসে পড়ে তার সঙ্গে ভাদ্র মাসের পাকা তালের তুলনা করা হয়েছে।
- কলিঙ্গদেশে ঝড় বৃষ্টি’ কাব্যাংশে শিল পড়াকে কীসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
Ans: ‘কলিজাদেশে ঝড়বৃষ্টি’ কাব্যাংশে বড়াে আকারের শিল পড়াকে ভাদ্র মাসে তলি পড়ার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে |
- “চণ্ডীর আদেশ পান বীর হনুমান।”—আদেশ পেয়ে হনুমান কী,করেছিল?
Ans: দেবী চণ্ডীর আদেশ পেয়ে বীর হনুমান মঠ, অট্টালিকা ভেঙে খানখান করেছিল।
- “উঠে পড়ে ঘরগুলা করে দলমল”—এর কারণ কী?
Ans: পর্বতের সমান নদীর ঢেউয়ের দাপটে কলিঙ্গদেশের বাড়িঘর জলে ভাসতে ভাসতে টলমল করছিল।
- “দেখিতে না পায় কেহ অঙগ আপনার” — কলিঙ্গবাসী নিজেদের অঙল দেখতে পাচ্ছে না কেন?
Ans: চারদিকের আকাশ মেঘে আচ্ছন্ন হওয়ায় সমগ্র কলিঙ্গদেশ অন্ধকারে ঢেকে গেছে, ফলে কলিঙ্গবাসী নিজেদের অঙ্গ দেখতে পাচ্ছেন
- উচ্চনাদে কলিঙ্গ কীসের ডাক শােনা গিয়েছে?
Ans: ঘন মেঘে ঢাকা কলিঙ্গের আকাশে জোরে জোরে মেঘের ডাক শােনা গিয়েছে।
- “প্রলয় গগিয়া প্রজা ভাবয়ে বিষাদ।”–মন্তব্যটির অর্থ লেখাে। অথবা, কলিঙ্গের প্রজাদের মন বিষাদগ্রস্ত কেন?
Ans: চারদিক মেঘে ঢাকা অবস্থায় মুশলধারে বৃষ্টিপাতের সঙ্গে ঘনঘন মেঘের ডাকে প্রজারা ভয়াবহ বিপদের আশঙ্কায় বিষাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছে।
- “হড় হড় দুড় দুড় বহে ঘন ঝড়।”~-উক্তিটির তাৎপর্য কী?
Ans: উদ্ধৃতাংশটিতে কলিঙ্গদেশে মেঘের প্রবল গর্জন এবং মুশলধারে বৃষ্টিপাতের সঙ্গে যে প্রচন্ড ঝড় হচ্ছিল তার ভয়ানক রূপ প্রকাশ পাচ্ছে।
- “বিপাকে ভবন ছাড়ি গ্রজা দিল রড়” –কোন্ বিপাকে পড়ে প্রজারা পালিয়েছিল?
Ans: মুশলধারায় বৃষ্টিপাতের সঙ্গে ভয়ংকর ঝড়ের তাণ্ডবে আসন্ন পদ্যেকেথা ভেবে প্রজারা নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছিল
- শ্রীকবিকঙ্কণ কার উপাধি?
Ans: শ্রীকবিকঙ্কণ কবি মুকুন্দ চক্রবর্তীর উপাধি।
- “ধূলে যাচ্ছাদিত হইল যে ছিল হরিত”—আইনটির অর্থ লেখাে ।
Ans: উস্তৃত পত্তিটির অর্থ হল সবুজ শস্যখেত ধুলােয় ঢেকে গেল।
- প্রজা চমকিত হল কেন ?
Ans: বিধ্বংসী ঝড়বৃষ্টির তাণ্ডবে সমগ্র কলিঙ্গদেশ ধুলােয় ডেকে যায়।এবং প্রবল দুর্যোগে শস্যখেতের ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় প্রজারা চমকিত হয়।
- “চারি মেঘে জল দেয় অষ্ট গরজ ‘চারি মেঘ’-এর নাম লেখাে।
Ans: ‘চারি মেঘ’ হল সম্বৰ্ত, অাবর্ত, পুকর এবং দ্ৰোণ।
- চারদিকে মেঘে জল দেয় কারা?
Ans: কলিলাদেশে প্রবল ঝড়বৃষ্টির সময় চারদিকে মেঘে জল দিয়েছিল ‘অষ্ট গজরাজ’ বা আটটি শ্রেষ্ঠ হাতি।
ব্যাখ্যাভিত্তিক | কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর | Class 9 Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Question and Answer :
- “চারি মেঘে জল দেয় অষ্ট গজরাজ।” – উধৃতাংশটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
Ans: কবিকঙ্কণ মুকুন্দ চক্রবর্তীর লেখা ‘কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি’ কবিতায় দেবী চণ্ডীর নির্দেশে কলিঙ্গদেশে প্রাকৃতিক বিপর্যয় নেমে আসে ঘন কালো মেঘে আকাশ ঢেকে যায়। প্রবল মেঘগর্জনে প্রজারা চিন্তিত হয়ে পড়ে। ঝড়ের তাণ্ডবে তারা ঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। সবুজ শস্যের খেত ধুলোয় ঢেকে যায়। বৃষ্টি এতটাই তীব্র হয় যে কবি মনে করেন, আটটি দিকের পাহারাদার আটটি হাতি-ঐরাবত, পুণ্ডরীক, বামন, কুমুদ, অঞ্জন,পুষ্পদন্ত, সার্বভৌম এবং সুপ্রতীক যেন তাদের খুঁড়ের সাহায্যে চারমেঘে জল দিচ্ছে। আর তার ফলেই প্রবল বৃষ্টিপাতে চারপাশ জলে ডুবে গেছে।
- “কলিঙ্গে সোঙরে সকল লোক যে জৈমিনি।” – জৈমিনি কে? কলিঙ্গবাসীর জৈমিনিকে স্মরণের কারণ কী?
Ans: ‘কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি’ কাব্যাংশে উল্লিখিত জৈমিনি হলেন এক বাক্সিদ্ধ ঋষি। এনার নাম স্মরণ করলে বজ্রপাত বন্ধ হয়ে যায় এই বিশ্বাসে বজ্রপাতের সময় মানুষ এঁর নামকীর্তন করে।
কলিঙাদেশের আকাশে হঠাৎ ঘন কালো মেঘ জমে ওঠে। আকাশভাঙা মেঘ থেকে বৃষ্টি নামে মুশলধারায়। মেঘের গম্ভীর গর্জন, ঘনঘন বজ্রপাত, ঝড়ের প্রবল তাণ্ডবে ভীত কলিঙ্গাবাসী এই ভীষণ বিপদ থেকে উদ্ধার পাওয়ার আশায় ঋষি জৈমিনিকে স্মরণ করতে থাকে।
- “না পায় দেখিতে কেহ রবির কিরণ।” – কারা, কেন রবির কিরণ দেখতে পায়নি?
Ans: ‘কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি’ কাব্যাংশ থেকে নেওয়া উধৃতাংশটিতে ঝড়বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত কলিঙ্গবাসীর কথা বলা হয়েছে।
কলিঙ্গদেশের আকাশে হঠাৎই প্রচুর মেঘ জমাট বাঁধে, মেঘের ঘনঘটার। মাঝে বিদ্যুতের ঝলকে সমগ্র কলিঙ্গদেশ কেঁপে ওঠে, দূরদিগন্তে মেঘের। গম্ভীর আওয়াজের সঙ্গে শুরু হয় মুষলধারায় বৃষ্টি। কালো মেঘে চারদিকঅন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যাওয়ায় দিনরাত্রির পার্থক্যও বোঝা সম্ভব হয় না কলিঙ্গাবাসীর। সাত দিন একটানা প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে তারা সূর্যের। আলো দেখতে পায় না।
- “দেখিতে না পায় কেহ অঙ্গ আপনার।” – কারোর অঙ্গ দেখতে না পাওয়ার কারণ কী?
Ans: কবিকঙ্কণ মুকুন্দ চক্রবর্তীর ‘কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি’ কবিতায় কলিঙ্গদেশে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের উল্লেখ করা হয়েছে। হঠাৎই কলিঙ্গদেশে ভয়ংকর প্লাবনের আশঙ্কা দেখা দেয়। আকাশ ঘন কালো মেঘে ছেয়ে যায়। ফলে সমগ্র কলিঙ্গদেশ অন্ধকারে ঢেকে যায়। কালো মেঘের বুক চিরে ঘনঘন বিদ্যুতের ঝলকানি দেখা যায়। অন্ধকার এতটাই ঘন হয়ে ওঠে যে, তা ভেদ করে প্রজাদের নিজেদের চেহারা পর্যন্ত দেখার উপায় থাকে না।
- “ঈশানে উড়িল মেঘ সঘনে চিকুর।” – উদ্ধৃতাংশটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
Ans: কবিকঙ্কণ মুকুন্দ চক্রবর্তীর ‘কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি’ কবিতায় আকস্মিক প্রাকৃতিক বিপর্যয় শুরু হয়। তৈরি হয় বন্যার আশঙ্কা প্রবল। ঝড়বৃষ্টি কলিঙ্গদেশে সর্বনাশ ডেকে আনে। উদ্ধৃতাংশটিতে সেই ভয়াবহ বিপর্যয়ের বর্ণনা করা হয়েছে। কলিঙ্গদেশে আকাশের উত্তর-পূর্ব অর্থাৎ ঈশান কোণে মেঘের ঘনঘটায় চারদিক অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে। প্রজারা সেই অন্ধকারে নিজেদেরকেও দেখতে পাচ্ছে না। মেঘের বুক চিরে অবিরাম বিদ্যুতের ঝিলিক পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তোলে।
- “প্রলয় গগিয়া প্ৰজা ভাবয়ে বিষাদ।” – প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রজাদের বিষাদের কারণ আলোচনা করো।
Ans: কলিঙ্গদেশে ঝড় বৃষ্টি’ কাব্যাংশ থেকে নেওয়া উধৃতিটিতে কলিঙ্গলাদেশের প্রজাদের কথা বলা হয়েছে।
কলিঙ্গদেশের আকাশে হঠাৎ প্রচুর মেঘ জমাট বাঁধে। ঈশান কোণে জমাটবাঁধা মেঘ সারা আকাশ ঢেকে ফেললে সর্বত্র অন্ধকার নেমে আসে। উত্তরের প্রবল বাতাসে দূর থেকে মেঘের গম্ভীর আওয়াজ ভেসে আসে। মেঘের প্রবল গর্জন ও ঘনঘন বিদ্যুৎচমকের সঙ্গে শুরু হয় প্রবল বৃষ্টিপাত। মহাপ্লাবনের আশঙ্কায় প্রজারা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।
- “বিপাকে ভবন ছাড়ি প্রজা দিল রড়।'” – ‘রড়’ শব্দের অর্থ কী? কোথাকার প্রজারা কী কারণে বিপাকে পড়েছিল?
Ans: ‘কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি’ কাব্যাংশ থেকে নেওয়া উধৃতাংশে উল্লিখিত ‘রড়’ শব্দের অর্থ ‘পালিয়ে যাওয়া।
দেবী চণ্ডীর ইচ্ছা অনুযায়ী কলিঙ্গদেশে প্রবল ঝড়বৃষ্টি বিপর্যয় ডেকে আনে। আকাশ ঘন মেঘে ঢেকে যায়| ঘন অন্ধকারে প্রজাদের নিজেদের চেহারা পর্যন্ত দেখার উপায় থাকে না। প্রবল বৃষ্টির সঙ্গে মেঘের গম্ভীর গর্জন ও ঝড়ের তাণ্ডবে সেখানকার প্রজারা বিপদের আশঙ্কায় ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়।
- “পরিচ্ছিন্ন নাহি সন্ধ্যা দিবস রজনী।” – ‘পরিচ্ছিন্ন’ শব্দের অর্থ কী? কবি এরকম বলেছেন কেন?
Ans: কবিকঙ্কণ মুকুন্দ চক্রবর্তীর লেখা ‘কলিদেশে ঝড়বৃষ্টি কবিতায় পাওয়া ‘পরিচ্ছিন্ন’ শব্দটির অর্থ হল ‘বিভেদ’ বা পার্থক্য’।
দেবীচণ্ডীর ইচ্ছায় কলিঙ্গদেশে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় সৃষ্টি হয়। সমগ্র আকাশ মেঘে ঢেকে যায়। বিদ্যুৎ চমক আর মেঘগর্জনের সঙ্গে প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়। প্রজারা ভয় পেয়ে ঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়। সবুজ শস্যের খেত ধুলোয় ঢেকে যায়। প্রবল বৃষ্টিতে জলে ডুবে যায় চারপাশ। জল-স্থল একাকার হয়ে পথ হারিয়ে যায়। মেঘের গর্জনে কেউ কারোর কথা শুনতে পায় না। অন্ধকার এতটাই নিবিড় হয়ে যায় যে দিন এবং রাত্রিকেও কেউ আলাদা করতে পারে না।
বিশ্লেষণধর্মী ও রচনাধর্মী | কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর | Class 9 Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Question and Answer :
1. কলিঙ্গদেশে যে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সৃষ্টি হয়েছিল তা কবিতা অবলম্বনে আলোচনা করো।
Ans: উৎসঃ কবিকঙ্কন “মুকুন্দরাম চক্রবর্তী” রচিত “চন্ডীমঙ্গল” কাব্যের “আখেটিক খন্ড”-এর অন্তর্গত “কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি আরম্ভ” অংশটি আমাদের পাঠ্য “কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি” নামে গৃহীত হয়েছে।
কলিঙ্গদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরিচয়ঃ
দেবী চন্ডীর ইচ্ছায় ব্যাধ কালকেতু সাত ঘড়া ধন লাভ করে গুজুরাট নগরি নির্মাণ করলে সেখানে প্রজা স্থাপনের উদ্দেশ্যে দেবী চন্ডী পার্শবর্তী কলিঙ্গদেশে প্রবল প্রাকৃতিক দুর্যোগের সৃষ্টি করেন। আমাদের পাঠ্য কবিতায় আমরা যার পরিচয় লাভ করি।
সমগ্র কলিঙ্গদেশের আকাশ এমনভাবে ঘন কালো মেঘ দ্বারা আচ্ছাদিত হয়ে যায় যে কেউ কারো মুখ পর্যন্ত দেখতে পায় না। উত্তর-পূর্ব কোণ জুড়ে কালো মেঘ বিদ্যুতের ভয়াবহ চমক সৃষ্টি করে-
“ঈশানে উড়িল মেঘ সঘনে চিকুর”
উত্তর দিক থেকে প্রবল বাতাস বইতে থাকে ও মুহূর্তের মধ্যে সমগ্র কলিঙ্গদেশের আকাশে বিস্তৃত কালো মেঘে ঢেকে যায়। সম্বর্ত, আবর্ত, পুষ্কর ও দ্রোণ- এই চার প্রকার মেঘের সম্মিলিত বৃষ্টিপাত শুরু হয়ে যায়-
“চারি মেঘে বরিষে মুষুলধারে জল”
মেঘের উচ্চনাদে কলিঙ্গের প্রজারা মহাপ্রলয়ের আশঙ্কায় আশঙ্কিত হয়ে ওঠে। ঝড়ের তান্ডবে প্রজারা নিদের গৃহ ত্যাগ করতে বাধ্য হয়। প্রচন্ড ঝড়ে পথের ধুলো দ্বারা সকল সবুজ আচ্ছাদিত হয়ে যায়। এমনকি ঝড়ের আঘাতে প্রজাদের মজুদ করা শস্য উলটে পড়ে যায়। চার প্রকার মেঘ যেন ঐরাবত, পুন্ডরীক, বামন, কুমুদ, অঞ্জন, পুষ্পদন্ত, সার্বভৌম ও সুপ্রতীক নামক অষ্ট গজরাজের সহায়তায় কলিঙ্গের বুকে বৃষ্টিপাতে ব্রতী হয়-
“চারি মেঘে জল দেয় অষ্ট গজরাজ”
ব্যঙের মতো লাফিয়ে লাফিয়ে বাজ পড়তে থাকে। কলিঙ্গদেশের জল-স্থল মিলেমিশে একাকার হয়ে যায় বলে প্রজারা পথ হারিয়ে ফেলে ও গর্ত থেকে সাপ বেরিয়ে পড়ে জলে ভেসে বেড়াতে থাকে। প্রচন্ড মেঘের গর্জনে কলিঙ্গবাসী নিজেদের কথা পর্যন্ত শুনতে পারছিল না। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে দিন ও রাতের প্রভেদ পর্যন্ত অবলুপ্ত হয়ে যায়-
“পরিচ্ছিন্ন নাহি সন্ধ্যা দিবস রজনী”
ভীত কলিঙ্গবাসী পরিত্রাণের উদ্দেশ্যে জৈমিনি মুনিকে স্মরণ করতে থাকে। নিরন্তর সাত দিন বৃষ্টিতে ফসল সঠিক ভাবে ঝাড়াই-মাড়াই না হওয়ায় তা পচে যেতে থাকে। প্রজাদের ঘরের চাল ভেদ করে ভাদ্রমাসে তাল পড়ার মতো শিল পড়তে থাকে-
“মেঝ্যাতে পড়য়ে শিল বিদারিয়া চাল
ভাদ্রপদ মাসে যেন পড়ে থাকা তাল।।”
ভয়ংকর প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাঝে দেবী চন্ডীর আদেশে বীর হনুমান কলিঙ্গের সমস্ত মঠ ও অট্টালিকা ভেঙে টুকরো টুকরো করে দিতে থাকেন। দেবী চন্ডীর আদেশে নদনদীরা কলিঙ্গের উদ্দেশ্যে ধাবিত হলে পর্বতসম ঢেউ কলিঙ্গদেশে আছড়ে পড়ে।
এইরূপে কলিঙ্গদেশে যে প্রাকৃতিক অস্থিরতার সৃষ্টি হয়েছিল তা কলিঙ্গবাসীকে বিপদগ্রস্থ করে তুলেছিল।
2 “প্রলয় গগিয়া প্রজা ভাবয়ে বিষাদ।” – কী দেখে প্রজাদের প্রলয় মনে হয়েছিল? এই প্রলয়ের ফলে কী হয়েছিল?
Ans: মুকুন্দ চক্রবর্তীর লেখা ‘কলিঙ্গাদেশে ঝড়বৃষ্টি’ নামক কাব্যাংশে কলিঙ্গদেশের আকাশ মেঘে ঢেকে যায়। উত্তর-পূর্ব কোণে মেঘের সঙে দেখা দেয় বিদ্যুৎচমক চারদিকে মুশলধারায় বৃষ্টি শুরু হয়। এইসব দেখেই প্রজাদের মনে প্রলয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়। কলিঙ্গের আকাশে ঈশান কোণে, মেঘ জমা হয়। ঘনঘন বিদ্যুতের ঝলকানি দেখা যায়। দূরদিগন্তে মেঘের গম্ভীর আওয়াজের সঙ্গে শুরু হয় মুশলধারায় বৃষ্টি। বিপদের আশঙ্কায় প্রজারা ঘর ছেড়ে দ্রুত পালাতে থাকে। ঝড়ের দাপটে শস্যখেত এবং সবুজ গাছপালা নষ্ট হয়ে যায়। আটটি দিকের আটটি হাতি যেন বৃষ্টিধারায় সব ভাসিয়ে নিয়ে যেতে চায়। প্রবল বৃষ্টিতে পথঘাট জলে ডুবে যায় ঘোর অন্ধকারে দিনরাত্রির পার্থক্য মুছে যায়। জলমগ্ন রাস্তায় সাপ ভেসে বেড়াতে থাকে। ভীত প্রজারা এই ভয়াবহ দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে ঋষি জৈমিনিকে স্মরণ করতে থাকে। সাত দিন ধরে একটানা বৃষ্টির ফলে কৃষিকাজ যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ঘরবাড়িও নষ্ট হয়ে যায়। ভাদ্র মাসের তালের মতো বড়ো আকারের শিল ঘরের চাল ভেদ করে পড়তে থাকে। দেবীর আদেশে সমস্ত নদ-নদী কলিঙ্গের দিকে ছুটে আসে দেবীর আদেশে। পর্বতের মতো উঁচু ঢেউয়ের আঘাতে বাড়িঘর ভেঙে পড়ে। দেবী চণ্ডীর আদেশে সৃষ্ট এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে অসহায়, ভীত প্রজারা বিপদের আশঙ্কায় অবশেষে কলিঙ ত্যাগ করে চলে যায়।
3. ‘কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি’ কবিতায় কলিঙ্গে যে প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটেছিল তা কীভাবে কলিঙ্গবাসীর জীবনকে বিপন্ন করে তুলেছিল বুঝিয়ে দাও।
Ans: মুকুন্দ চক্রবর্তী রচিত চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আখেটিক খণ্ডের অন্তর্গত ‘কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি’ কাব্যাংশে দেবী চণ্ডী তার কৃপাধন্য ব্যাধ কালকেতুর তৈরি গুজরাট নগরে বসতি প্রতিষ্ঠার জন্য কলিঙ্গদেশে প্লাবন ঘটান। কলিঙ্গের আকাশে ঈশান কোণে মেঘ জমা হয়। ঘনঘন বিদ্যুতের ঝলকানি দেখা যায়। দূরদিগন্তে মেঘের গম্ভীর ধ্বনির সঙ্গে শুরু হয় মুষলধারায় বৃষ্টি। বিপদের আশঙ্কায় প্রজারা ঘর ছেড়ে দ্রুত পালাতে থাকে। ঝড়ের দাপটে শস্যখেত এবং সবুজ গাছপালা নষ্ট হয়ে যায়। আটটি দিকের আটটি হাতি যেন বৃষ্টিধারায় সব ভাসিয়ে নিয়ে যেতে চায়। প্রবল বর্ষণে পথঘাট জলে ডুবে যায়। ঘোর অন্ধকারে দিন রাত্রির পার্থক্য মুছে যায়। জলমগ্ন রাস্তায় সাপ ভেসে বেড়াতে থাকে। ভীত প্রজারা এই ভয়াবহ দুর্যোগ থেকে নিস্তার পেতে ঋষি জৈমিনিকে স্মরণ করতে থাকে। সাত দিন ধরে অবিরাম বর্ষণের ফলে কৃষিকাজ যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ঘরবাড়িও নষ্ট হয়ে যায়। ভাদ্র মাসের তালের মতো বড়ো আকারের শিল ঘরের চাল ভেদ করে পড়তে থাকে। দেবীর আদেশে সমস্ত নদনদী কলিঙ্গের দিকে ছুটে আসে দেবীর আদেশে পর্বতের মতো উঁচু ঢেউয়ের আঘাতে বাড়িঘর ভেঙে পড়ে। দেবী চণ্ডীর আদেশে সৃষ্ট এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে অসহায়, ভীত প্রজারা বিপদের আশঙ্কায়। শেষপর্যন্ত কলিঙ্গ ত্যাগ করে চলে যায়।
নবম শ্রেণীর সাজেশন – Class 9 Suggestion
আরোও দেখুন:-
Class 9 Bengali Suggestion Click Here
আরোও দেখুন:-
Class 9 English Suggestion Click Here
আরোও দেখুন:-
Class 9 Geography Suggestion Click Here
আরোও দেখুন:-
Class 9 History Suggestion Click Here
আরোও দেখুন:-
Class 9 Life Science Suggestion Click Here
আরোও দেখুন:-
Class 9 Mathematics Suggestion Click Here
আরোও দেখুন:-
Class 9 Physical Science Suggestion Click Here
আরোও দেখুন:-
Class 9 All Subjects Suggestion Click Here
FILE INFO : WB Class 9 Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Question and Answer PDF Download for FREE | নবম শ্রেণীর বাংলা সাজেশন বিনামূল্যে ডাউনলোড করুণ | কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী – MCQ প্রশ্নোত্তর, অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নউত্তর, ব্যাখ্যাধর্মী প্রশ্নউত্তর
PDF Name : কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর | WB Class 9 Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Question and Answer PDF
Price : FREE
Download Link : Click Here To Download
Download PDF : Click Here To Download
পশ্চিমবঙ্গ নবম শ্রেণির বাংলা পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্ন উত্তর ও শেষ মুহূর্তের সাজেশন ডাউনলোড। নবম শ্রেণীর বাংলা পরীক্ষার জন্য সমস্ত রকম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। West Bengal Class 9 Bengali Suggestion Download. WBBSE Class 9 Bengali short question suggestion. WB Class 9 Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Question and Answer PDF download. WB Class 9th Bengali suggestion and important questions. WB Class 9 Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Question and Answer PDF.
Get the WB Class 9 Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Question and Answer PDF by winexam.in
West Bengal WB Class 9 Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Question and Answer PDF prepared by expert subject teachers. WB Class 9th Bengali Suggestion with 100% Common in the Examination.
Class 9th Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Suggestion
West Bengal Class 9th Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Suggestion Download. WBBSE HS Bengali short question suggestion. WB Class 9 Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Question and Answer PDF download. HS Question Paper Political science.
নবম শ্রেণীর বাংলা সাজেশন – কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী – প্রশ্ন উত্তর | WB Class 9th Bengali Suggestion
নবম শ্রেণীর বাংলা কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী – প্রশ্ন উত্তর। নবম শ্রেণীর বাংলা সাজেশন – কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী – প্রশ্ন উত্তর | WB Class 9th Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Question and Answer Suggestion.
কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী – নবম শ্রেণির বাংলা সাজেশন | West Bengal Class Nine Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Suggestion
নবম শ্রেণীর বাংলা পশ্চিমবঙ্গ নবম শ্রেণির বোর্ডের (WBBSE) সিলেবাস বা পাঠ্যসূচি অনুযায়ী নবম শ্রেণির বাংলা বিষয়টির সমস্ত প্রশ্নোত্তর। সামনেই নবম শ্রেণির পরীক্ষা, তার আগে winexam.in আপনার সুবিধার্থে নিয়ে এল কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী – নবম শ্রেণির বাংলা সাজেশন | West Bengal Class Nine Bengali Suggestion । বাংলা বিষয়ে ভালো রেজাল্ট করতে হলে অবশ্যই পড়ুন আমাদের নবম শ্রেণীর বাংলা সাজেশন বই ।
কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী – নবম শ্রেণির বাংলা সাজেশন | West Bengal Class 9th Suggestion
আমরা WBBSE নবম শ্রেণির পরীক্ষার বাংলা বিষয়ের – কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী – নবম শ্রেণির বাংলা সাজেশন | West Bengal Class 9th Suggestion আলোচনা করেছি। আপনারা যারা এবছর নবম শ্রেণির বাংলা পরীক্ষা দিচ্ছেন, তাদের জন্য আমরা কিছু প্রশ্ন সাজেশন আকারে দিয়েছি. এই প্রশ্নগুলি পশ্চিমবঙ্গ নবম শ্রেণির বাংলা পরীক্ষা তে আসার সম্ভাবনা খুব বেশি. তাই আমরা আশা করছি নবম শ্রেণির বাংলা পরীক্ষার সাজেশন কমন এই প্রশ্ন গুলো সমাধান করলে আপনাদের মার্কস বেশি আসার চান্স থাকবে।
নবম শ্রেণীর বাংলা সাজেশন – কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী – | WB Class 9 Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Question and Answer with FREE PDF Download
Bengali Class XI, Bengali Class Nine, WBBSE, syllabus, নবম শ্রেণি বাংলা, ক্লাস নবম বাংলা, নবম শ্রেণিরের বাংলা, বাংলা নবম শ্রেণির – কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী -, নবম শ্রেণী – কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী -, নবম শ্রেণির বাংলা কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী -, ক্লাস নবম কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী -, HS Bengali – কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী -, Class 9th কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী -, Class XI কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী -, ইংলিশ, নবম শ্রেণির ইংলিশ, পরীক্ষা প্রস্তুতি, রেল, গ্রুপ ডি, এস এস সি, পি, এস, সি, সি এস সি, ডব্লু বি সি এস, নেট, সেট, চাকরির পরীক্ষা প্রস্তুতি, West Bengal Secondary Board exam Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi suggestion, West Bengal Class Nine Board exam suggestion , WBBSE , নবম শ্রেণির সাজেশান, নবম শ্রেণির সাজেশান , নবম শ্রেণির সাজেশান , নবম শ্রেণির সাজেশন, নবম শ্রেণীর বাংলা সাজেশান , নবম শ্রেণীর বাংলা সাজেশান , নবম শ্রেণীর বাংলা , নবম শ্রেণীর বাংলা, মধ্যশিক্ষা পর্ষদ, HS Suggestion Bengali , নবম শ্রেণীর বাংলা – কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী – সাজেশন | WB Class 9 Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Question and Answer PDF, নবম শ্রেণীর বাংলা – কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী – সাজেশন | WB Class 9 Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Question and Answer PDF, নবম শ্রেণীর বাংলা – কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী – সাজেশন | নবম শ্রেণীর বাংলা – কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী – সাজেশন | WB Class 9 Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Question and Answer PDF, নবম শ্রেণীর বাংলা – কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী – সাজেশন | WB Class 9 Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Question and Answer PDF,নবম শ্রেণীর বাংলা – কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী – সাজেশন | WB Class 9 Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Question and Answer PDF, নবম শ্রেণীর বাংলা – কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী – সাজেশন | WB Class 9 Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Question and Answer PDF, HS Bengali Suggestion PDF , West Bengal Class 9 Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Question and Answer PDF.
কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর | WB Class 9 Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Question and Answer PDF
এই (কলিঙ্গদেশে ঝড়বৃষ্টি (কবিতা) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর | WB Class 9 Bengali Kalinga Deshe Jhar Bristi Question and Answer PDF) পোস্টটি থেকে যদি আপনার লাভ হয় তাহলে আমাদের পরিশ্রম সফল হবে। আরোও বিভিন্ন স্কুল বোর্ড পরীক্ষা, প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার সাজেশন, অতিসংক্ষিপ্ত, সংক্ষিপ্ত ও রোচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তর (All Exam Guide Suggestion, MCQ Type, Short, Descriptive Question and answer), প্রতিদিন নতুন নতুন চাকরির খবর (Job News) জানতে এবং সমস্ত পরীক্ষার এডমিট কার্ড ডাউনলোড (All Exam Admit Card Download) করতে winexam.in ওয়েবসাইট ফলো করুন, ধন্যবাদ।










